Tag Archives: national

অস্ত্রের মুখে ডিজিএফআই ছুটি, দেশত্যাগ, ও পদত্যাগ করিয়েছিল- নিজে স্বীকার করে বিডিপলিটিকোর সংবাদ সত্য প্রমান করলেন বিচারপতি সিনহা!

২০১৭ সালের আগস্ট মাসে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগ সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পরে সরকারের তীব্র প্রতিক্রিয়া উদ্ভুত জটিলতায় শেখ হাসিনার নির্দেশে সেনা গোয়েন্দা সংস্থা ও কয়েকজন জেনারেল মিলে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে অস্ত্রের মুখে জোর করে  ‍ছুটিতে পাঠানো হয়, পরে তাকে আর দেশে ঢুকতে না দিয়ে বিদেশ থেকেই বেআইনীভাবে পদত্যাগ করানো হয়। ঐ ঘটনা নিয়ে বিডি পলিটিকো ধারাবাহিকভাগে সে সব খবরাদি প্রকাশ করে। কিন্তু সরকারী নিয়ন্ত্রনের কারনে দেশীয় কোনো মাধ্যমই তা স্বীকার করেনি।

বিডিপলিটিকো তখন লিখেছিল, “গত ২ অক্টোবর প্রধান বিচারপতি সিনহাকে কুপোকাত করতে তাঁর ওপর অস্ত্রশস্ত্র সহ চড়াও হন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আকবর হোসেইন, ডিজি ডিজিএফআই মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীন, রংপুর এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোঃ মাসুদ রাজ্জাক, ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার শায়েখ সহ আরও কিছু কর্মকর্তা। এরা খোলা অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়ে প্রধান বিচারপতি সিহার কক্ষে। তারা অস্ত্রের মুখে প্রধান বিচারপতি সিনহাকে জিম্মি করে পদত্যাগ পত্রে সই করতে বলে। রাজী না হওয়ায় ক্ষেপে যায় জেনারেল আকবর। গালাগালি শুরু করে, এক পর্যায়ে কয়েকটা থাপ্পড় বসিয়ে দেন প্রধান বিচারপতির গালে মুখে মাথায়, শেষে লাত্থি দিয়ে ফেলে দেন চেয়ার থেকে নিচে। তাদের এই তান্ডবের পুরো সময়টা উপস্থিত ছিলেন আইন সচিব জহিরুল হক ওরফে পিস্তল দুলাল। পরে প্রধান বিচারপতির একমাসের ছুটির কাগজ বানিয়ে সই করে বেরিয়ে যায় আকবর বাহিনী। সেই কাগজ দিয়েই বিচারপতি সিনহাকে জোর করে বিদেশে পাঠিয়ে দেয় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।”

ঘটনার প্রায় এক বছর পরে আজ প্রকাশ হওয়া বিচারপতি সিনহা তার লিখিত পুস্তক “A Broken Dream: Rule of Law, Human Rights and Democracy”- এর মুখবন্ধে তিনি সেই সব ঘটনাবলী প্রকাশ করেছেন শোভন ভাষায়। আর এভাবেই বিডি পলিটিকোর খবরাদি কনফার্ম করলেন বিচারপতি সিনহা। তিনি লিখেছেন- “Following the appellate decision, on September 13 the parliament passed a resolution calling for legal steps to nullify the Supreme Court verdict. Prime Minister and other members of her party and ministers blasted me for going against the parliament. Cabinet members including the Law Minister began smearing me alleging misconduct and corruption. While I remained confined at my official residence and lawyers and judges were prevented to visit me, media were told that I am unwell and have sought medical leave. Various ministers said I will go abroad on medical leave. On October 14, 2017, as I was compelled to leave the country, I tried to clear the air in a public statement that I am neither unwell nor am I leaving the country for good. I was hoping that my physical absence combined with Court’s regular vacation will allow the situation to calm down and good sense will prevail; that the government will understand that the essence of the Verdict – upholding the independence of judiciary – is beneficial to the nation and the state. Finally, in the face of intimidation and threats to my family and friends by the country’s military intelligence agency called the Directorate General of the Defense Forces Intelligence (DGDFI), I submitted resignation from abroad.

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে আইনজীবীদের পদযাত্রা, আল্টিমেটাম

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ বিভিন্ন দাবিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রা করেছে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুয়ায়ী মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনজীবী আন্দোলন’ ব্যানারে আইনজীবীরা স্মারকলিপি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রঙ্গণ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে রওয়ানা দেন। দুপুর সোয়া ২টার দিকে পদযাত্রাটি সুপ্রিম কোর্ট মাজার গেটে পৌঁছালে পুলিশ গেট বন্ধ করে দেয়। পরে আইনজীবীরা সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।

সমাবেশে আইনজীবীরা বলেন, আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাবী আদায় না হলে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে দেয়ার আশ্বাস দিলে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি তুলে দেন আইনজীবীরা। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা বলেন, পুলিশ দিয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। আইনজীবীরা রাজপথে নেমেছে। আন্দোলন এখন আর আদালত অঙ্গনে নয়, রাজপথে করতে হবে।

তিনি বলেন, একজন অসুস্থ আসামির বিচারের জন্য কারাগারে আদালত স্থাপন করা কোনো নজির নেই। অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। তা না করা হলে, তার জীবন বিপন্ন হলে দায় সরকারকে নিতে হবে।

খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, যখন কারাগারে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার অভাবে হাত পা অবশ হয়ে যাচ্ছে তখন মনে হচ্ছে সরকারে যারা আছে তাদের মাথা অবশ হয়ে গেছে। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী গুরুতর অসুস্থ হলেও প্রশাসন ও বিচার বিভাগ চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়নি। বর্তমান সরকারের সঙ্গে স্বৈরশাসকের পার্থক্য কি? তিনি বলেন, আইনজীবীরা রাস্তায় নেমেছে। প্রয়োজনে প্রধামন্ত্রীর দফতরের সামনেও যাবে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও খালেদা জিয়া মুক্তি আইনজীবী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবিএম ওয়ালিউর রহমান খান, সংগঠনের সদস্য সচিব এবিএম রফিকুল হক তালুকদার রাজা, মো. মনির হোসেন, আনিছুর রহমান খান, আইয়ুব আলী আশ্রাফী, আনজুমান আরা বেগম মুন্নি, মাসুদুল আলম দোহা, ওয়াসিল উদ্দিন বাবু, নাজমুল হোসেন, আবদুস সাত্তার, মো. মহীদ উদ্দিন, শফিউর রহমান শফি প্রমুখ।

জাতিসংঘে বিএনপি মহাসচিবের হাই-পাওয়ার বৈঠক অনুষ্ঠিত

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল (পলিটিক্যাল) মিরোস্লাভ জেনকার সহ উর্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের হেডকোয়ার্টারে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হুমাযূন কবির এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল।

বৈঠকে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট সংকট, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অন্যায় কারাবাস ও বিচারহীনতা, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আওয়ামীলীগ সরকারে গুম খুন গ্রেফতার এবং রাজনৈতিক নিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিএনপি মহাসচিব বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট সংকট নিরসনে জাতিসংঘের সহযোগিতা কামনা করেন। বিশেষ করে এর আগে ২০১৩ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে তারানকো মিশনের ধারাবাহিতায় সম্ভাব্য করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। শিঘ্রই এ নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সাথে জাতিসংঘ কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে বৈঠকসূত্রে জানা গেছে। জাতিসংঘে আমন্ত্রণ এবং এ বৈঠকের জন্য মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে ধন্যবাদ জানান বিএনপি মহাসচিব।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ মহাসচিবের পক্ষে রাজনীতি বিষয়ক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মিরোস্লাভ জেনকার কিছু দিন আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামকে জাতিসংঘে সফরের জন্য আমন্ত্রণ পাঠিয়েছিলেন। তবে জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস জরুরী কাজে ঘানায় থাকায় তার পক্ষে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল তার ৪ জন উর্ধতন কর্মকর্তা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। মির্জা ফখরুল জাতিসংঘ সদর দফতরে পৌছানোর সাথে সাথে পলিটিক্যাল উইংয়ের কর্মকর্তারা এস্কর্ট করে নিয়ে যান এবং বৈঠক শেষে গাড়িতে পৌছে দেন।

জাতিসংঘের এক ধমকে উড়ে গেলো ফখরুলের ওপর নিষেধাজ্ঞা!

জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সেখানে যাচ্ছেন, এমন খবর গোয়েন্দা মারফত আগেই জানতে পারেন বিনাভোটের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি গোয়েন্দাদের নির্দেশ দেন মির্জা ফখরুলকে আটকে দিতে। কারন বিএনপি মহাসচিব জাতিসংঘে গেলে তাতে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামীলীগ ভয়াবহ বিপদে পড়তে পারে। এমনকি আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সংকটে পড়তে পারে। তাই যেকোনো মূল্যে আটকাতে হবে ফখরুলকে। খবর গোয়েন্দা সূত্রের।
 
সরকারের এমন সিদ্ধান্তের খবর দ্রুতই পৌছে যায় জাতিসংঘের ঢাকাস্থ আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সিপ্পোর কাছে। তিনি হেড কোয়ার্টারের অনুমতি নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার চ্যানেলে সরকারকে জানিয়ে দেন, বিএনপি মহাসচিব জাতিসংঘে যাচ্ছেন জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরিসের আমন্ত্রণে। এ অবস্থায় মীর্জা ফখরুলকে আটকে দিলে জাতিসংঘ মহাসচিব নাখোশ হবেন। এবং এর প্রভাব পড়তে পারে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশী সৈন্যদের নিয়োগের ওপর।
 
এরপরে গোয়েন্দারা প্রধানমন্ত্রীকে আসন্ন এ বিপদের কথা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিবকে না আটকানোর পরামর্শ দেন। অবশেষ খুব চুপেচাপে মির্জা ফখরুল দেশ ছাড়ার পরে সংবাদ মাধ্যমে খবর ছাড়া হয়। এর আগে সরকার নিজেরাই খবরটি ধামাচাপা দেয়, যাতে করে বিনাবাধায় ফখরুল দেশ ছাড়াতে পারেন। অর্থাৎ মির্জা ফখরুলের জাতিসংঘে সফরটি জটিলতা বিহীনভাবে সফল করতে সরকারই বাধ্য হয়!
 

জাতিসংঘে ফখরুল, মহাসচিবের সাথে বৈঠক নিয়ে কৌতূহল

বার্নিক্যাটের এক ধমকে সংসদে বিদ্যুৎ বিভ্রাট!

সংসদ ভবনের ইতিহাসে ইলেক্ট্রিসিটি ফেইলিউরের কারনে কখনও সংসদ অধিবেশন বন্ধ হওয়ার নজির নাই। কিন্তু আজ হয়েছে! আর সেটা মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বানিক্যটের এক ধমকে হয়েছে। খবর গোয়েন্দা সুত্রের।
 
জান গেছে, আজকের সন্ধ্যায় সংসদের অধিবেশনের ইভিএমসহ আরপিও সংশোধনীর মারাত্মক কিছু সংশোধনী পাশ করার কথা ছিল। কিন্তু এ খবর যুক্তরাষ্ট্রের কানে চলে যায়। আর তাই রাষ্ট্রদূত বার্নিক্যাট জরুরী ছুটে যান হাসিনার কাছে। কথা ছিল সংসদে বৈঠক হবে। কিন্তু বৈঠকটি হয় গণভবনে। রাষ্ট্রদূত বার্নিক্যাট ঐরূপ কোনো সংশোধনী আনতে সংসদনেতাকে নিষেধ করেন। এমনকি এনিয়ে হুমকিও দেন। অবশেষে হাসিনা বাধ্য হন অধিবেশন থামাতে। উপায়ান্তর না দেখে তড়িঘড়ি করে সংসদের বিদ্যুৎলাইন বন্ধ করে দিয়ে প্রচার করা হয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারনে সংসদ অধিবেশন বন্ধ।
 
নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে সংসদ অধিবেশন চলার পনের মিনিট যেতেই হঠাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়া হয়। সেই অবস্থাতেই অধিবেশন শুরু হয়। পরে বিদ্যুৎ থাকলেও সংসদে লাইন কাজ করছিল না। বলা হয়, লাইন দিলেই কেটে যাচ্ছিল! এরপর ঘণ্টা খানেক অধিবেশন চালিয়ে ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া সংসদের সব কাজ স্থগিত করে বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত বৈঠক মুলতবি করেন। বিদ্যুৎ না থাকায় সংসদের বেশিরভাগ রুম অন্ধকারে ছেয়ে যায়। সংসদের চিফ হুইপ ও ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ের কয়েকটি রুম ঘুরে দেখা গেছে তারা মোবাইলের লাইন দিয়ে জরুরি কাজ করছেন। সন্ধ্যা ৭টায়ও সংসদের বিদ্যুৎ স্বাভাবিক হয়নি বলে জানা গেছে। যদিও সংসদের বিরাট বড় জেনারেটর রয়েছে!
 

রহস্যজনক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ সম্পর্কে দায়িত্বশীলরা একেকজন একেক কথা বলেছেন। এ বিষয়ে পরে ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, ‘আমাদের সংসদ চলে মেঘনা ঘাটের ৪০০ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎগ্রিডের মাধ্যমে। কিন্তু সেখানে কারিগরি সমস্যা দেখা দেয়ায় সংসদের বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে। এজন্য সংসদের অধিবেশন মুলতবি করা হয়েছে।’অথচ সংসদের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর তা আসলেও সংসদের লাইন দেয়া যাচ্ছিল না। বার বার কেটে যাচ্ছিল। এজন্য এখন আর লাইন দেয়ার সাহস পাচ্ছেন না কর্মকর্তারা। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে লাইন দেয়া হবে। অন্যদিকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ জানতে চাইলে সংসদ ভবনসহ রাজধানীর একাংশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারি সরকারি সংস্থা ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান জানান, খবর শুনে তিনি সংসদ ভবন এলাকায় যাচ্ছেন। কি কারণে বিভ্রাট হয়েছে তা এখন তিনি বলতে পারছেন না।

নজিরবিহীন ঘটনা।

শেষ কথা বলে কিছু নেই পল্টি বাবার: পরিস্থিতি বুঝে হঠাৎই ভোট পাল্টে যোগ দিতে পারেন ঐক্যজোটে!

দশম জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবস শেষে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিনাভোটের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নামাজের বিরতির পর প্রায় ঘণ্টাব্যাপি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ঠিক কি বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা নিয়ে মুখ খুলছে না কেউ। তবে জাতীয় পার্টি সূত্রে জানা যায়, আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনকালীন সরকারে জাপার কাকে কাকে রাখা যায় সেসব বিষয়ও আলোচনা হয়েছে।

ঐক্যের পথে ২০ দলীয় জোটের বড় অগ্রগতি: যেকোনো মূল্যে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের সিদ্ধান্ত!

যেকোনো মূল্যে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠনে প্রস্তুত ২০ দলীয় জোট। টানা একযুগ ধরে রাজপথে থাকা বিরোধী এই জোট আজকের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়। সন্ধ্যায় শুরু হওয়া ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক আজ রাত সোয়া আটটায় শেষ হয়। এর আগে রোববার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠকটি শুরু হয়।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ২০ দলের সমন্বয়কারী নজরুল ইসলাম খান।

বৈঠক শেষে ব্রিফিং করে ২০ দলের সমন্বয়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান জানান, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সব গণতন্ত্রকামী দল ও সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বৃহত্তর ঐক্য গঠনে একমত হয়েছে ২০ দল। এসময় জামায়াতে ইসলামীসহ ২০ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশ, গণতন্ত্র, মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠনের বিষয়ে সম্মত ২০ দল। তিনি বলেন, ২০ দল সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠনে সম্মত হয়েছে। খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার আগে জাতীয় ঐক্যের যে কথা বলেছেন তাতেও সমর্থন জানিয়েছে।

বৈঠকের পর শীর্ষনিউজের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বাংলাদেশ ন্যাপ এর মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূইয়া জানান, বৈঠকে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এক্ষেত্রে ২০ দলের পক্ষ থেকে ঐক্য প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে বিএনপি অন্য দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও তাঁর মুক্তির দাবিতে ২০ দলীয় জোট মাঠে থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।

জোটের শরীক জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিম, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল ( অব.) সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ, এলডিপি মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমদ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এনডিপির চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্তাজা, বাংলাদেশ ন্যাপ এর মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, মুসলিম লীগের সভাপতি এএইচ এম কামরুজ্জামান, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, লেবার পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের, জাগপার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, মহাসচিব খন্দকার লুৎফর রহমান, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের মহাসচিব নূর হোসাইন কাসেমী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাঈদ আহমদ, পিপলস লীগের মহাসচিব সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ডেমোক্রটিক লীগের মহাসচিব সাইফুদ্দিন মনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

/শীর্ষনিউজ

ইভিএম নয়, ব্যালট পেপারে ভোটের সুপারিশ যুক্তরাষ্ট্রে

ইলেক্ট্রনিক নয়, ব্যালট পেপারে ভোটের সুপারিশ যুক্তরাষ্ট্রে

ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটভিত্তিক প্রযুক্তি নিরাপদ, সুরক্ষিত ও নির্ভরশীল নয়। এর পরিবর্তে কাগজের ব্যালট পেপারে ভোট গ্রহণ অধিকমাত্রায় নিরাপদ। তাই সব রকমের নির্বাচনে ব্যালট পেপার ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল একাডেমিস অব সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেডিসিনস।

এ প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ প্যানেল যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ব্যবস্থায় সততা নিশ্চিত করতে মৌলিক সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে। বলা হয়েছে, এ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রয়েছে মান্ধাতা আমলের প্রযুক্তির ব্যবহার। তা ছাড়া বিদেশীরা নির্বাচনী যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে। ওই সংস্থাটি এ রিপোর্ট প্রকাশ করে ৬ই সেপ্টেম্বর। এতে ২০২০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সব কেন্দ্রীয়, রাজ্যের ও স্থানীয় নির্বাচন ব্যালট পেপারে করার সুপারিশ করা হয়েছে। তবে তাতে কি পরিমাণ খরচ হবে তা ওই প্যানেল উল্লেখ করে নি।

নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির ব্রেনান সেন্টারের হিসাব মতে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে পুরনো ভোটিং মেশিন পরিবর্তন করতে গেলে তাতে ১০০ কোটি ডলারের বেশি খরচ হতে পারে। প্যানেলের কো-চেয়ার ও কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট লি বোলিঙ্গার বৃহস্পতিবার রিপোর্ট প্রকাশ করে বলেছেন, বিদেশীরা ভবিষ্যত নির্বাচনগুলোতে ব্যতিক্রমী হুমকি হতে পারে।

এ বিষয়টি আমাদেরকে পরে যাচাই করে দেখতেই হবে। আবার তা গুরুতরভাবে যাচাই করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচন অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারগুলোকে নিরাপদ রাখতে ভূমিকা রাখতে হবে।

‘সিকিউরিং দ্য ভোট: প্রোটেকটিং আমেরিকান ডেমোক্রেসি’ শীর্ষক ১৫৬ পৃষ্ঠার রিপোর্টে ভোট গ্রহণে অনিরাপদ যন্ত্রপাতি ও সফটওয়ার ব্যবহার নিয়ে আক্ষেপ করা হয়। বলা হয়, এসব যন্ত্রপাতি ও সফটওয়ার এক দশকেরও আগে ভলনারেবল বা কাজে ব্যবহারের অনুপযোগী বলে প্রকাশ পেয়েছে।

তারপরও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সামান্য প্রশিক্ষণ আছে এমন কর্মকর্তারা তা ব্যবহার করেন। নির্বাচনী নিরাপত্তা বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা যেসব মত প্রকাশ করেছেন তার প্রতিফলন ঘটেছে এই রিপোর্টের মূল সুপারিশগুলোতে। এসব বিষয়ে অনেক রাজ্য ও কংগ্রেসে রিপাবলিকান নেতারা আপত্তি জানিয়েছে। এ বিষয়ে জুনে প্রস্তাব তুলেছিলেন অরিগন রাজ্যের রন ওয়েডেন এবং ডেমোক্রেট দলের অন্য চারজন সিনেটর।

ওই রিপোর্টের প্যানেল বলেছে, তারা একবারের জন্য ব্যালটে ভোট নেয়ার কথা বলছেন না। তারা বছরে পর বছর ব্যালটে ভোট নেয়ার দাবি জানান। এক্ষেত্রে কংগ্রেস থেকে নিয়মিত অর্থায়ণ করতে হবে। রিপোর্টে যেসব মূল সুপারিশ করা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম- ২০২০ সাল নাগাদ সব নির্বাচনে মানুষ পড়তে পারে এমন কাগজের ব্যালটে ভোট গ্রহণ করতে হবে। এ পদ্ধতিতে ভোটার নিশ্চিত হতে পারবেন যে তার ভোটটি যথাযথভাবে রেকর্ড করা হয়েছে।

২০১৬ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পাঁচজন ভোটারের মধ্যে একজন ইলেক্ট্রনিক মেশিনে ভোট দেন। তবে নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কোনো কোনো রাজ্যে তা পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি যারা তৈরি করেছেন তাদের একজন হচ্ছেন কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যান্ড্রু অ্যাপেল। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যগুলোর প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এখন দেশের বেশিরভাগ নাগরিক ব্যালটের মাধ্যমেই ভোট দিচ্ছে। তাই যদি কম্পিউটার প্রতারণা করেও থাকে তাহলে আমরা সেটা বুঝতে পারব। তবে আমাদের করার মত আরো অনেক কিছু রয়েছে।

এ বছর নির্বাচনে নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে প্রায় ৩৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের অনুমতি দিয়েছে কংগ্রেস। কিন্তু সেখানে উল্লেখ করা হয়নি, ঠিক কিভাবে এ অর্থ ব্যয় করতে হবে কিংবা নির্দিষ্ট কোন খাতে উন্নয়ন করতে হবে। মূলত বহিঃশত্র“ কর্তৃক নির্বাচন প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই এ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে রাজ্যগুলোকে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য হালনাগাদের যে পদ্ধতি তাতে কোনো অনিয়ম চোখে পরলে তা দ্রুততার সঙ্গে ফেডারেল সরকারকে অবহিত করতে হবে। ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রায় ৫ লাখ ভোটারের তথ্য রাশিয়ার গোয়েন্দারা হস্তগত করেছিল বলে জানায় যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল কাউন্সিল।

/জাস্ট নিউজ

সরকার-বিরোধী হাওয়া ঘোরাতে হঠাৎ অন্তর্ঘাত হামলা ঘটাতে পারে ক্ষমতাসীনরা!

।।বিশেষ প্রতিবেদক।।

ক্ষমতার শেষ সময়ে এসে শেখ হাসিনার সরকারের সামনে গভীর অন্ধকার। যতই চেষ্টা করছে না কেনো, চারিদিক থেকে ধেয়ে আসছে বিপদ। বিশ্বশক্তি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে শুরু করে চীন সকলেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র চায়- চায় অংশগ্রহনমূলক নির্বাচন। আর তেমন নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ সংখ্যালঘু বিরোধী দলে পরিণত হবে, প্রকাশ করেছে ভারতয়ি কূটনীতিকরা। যদিও আসন্ন সাধারন নির্বাচনের ফলাফল কেটেকুটে নিয়ে যাওয়ার জন্য সকল প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহন করেছে বর্তমান সরকার, তদুপরি তারা নিশ্চিত হতে পারছে না শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হবে কি না।

অন্যদিকে সুষ্ঠু নির্বাচন আদায়ের লক্ষ্য নিয়ে দেশের সকল বিরোধীদল একজোট হয়ে মাঠে নামা এখন সময়ে ব্যাপার মাত্র। সেক্ষেত্রে সরকারের পতনও ঘটবে, সুষ্ঠু নির্বাচনও হবে। আওয়ামী লীগের সর্বশেষ ভরসা ভারতও আর ২০১৪ সালের মত এগিয়ে আসছে না। ফলে এ অবস্থা চলতে থাকলে আ’লীগের ক্ষমতায় থাকা বা ক্ষমতায় ফেরত আসা তো দূরের কথা, দলের অস্তিত্ব থাকবে কি না সন্দেহ। সরকারের প্রভাবশালীরা ভয়ে আতঙ্কে নিজেরাই বলে যাচ্ছেন- ক্ষমতা হারালে ৫ লাখ আ’লীগ কর্মীর লাশ পড়বে! কেউ আবার টাকা পয়সা নিয়ে পালানোর জন্য তৈরি থাকতে বলছেন।

এমতাবস্থায়, সরকার-বিরোধী হাওয়ার দিক ঘোরাতে আ’লীগ সরকার দেশ জুড়ে অস্থিরতা ও জরুরী অবস্থা সৃষ্টি করতে তাদের পুরোনো পথে হাটতে পারে- ঘটাতে পারে ভয়াবহ অন্তর্ঘাত হামলা।  সাজানো এক বা একাধিক জঙ্গি হামলা হতে পারে কোনো শপিং মল বা ক্রাউডেড প্লেসে। এতে নিহত হতে পারে শত শত মানুষ। এরকম ভয়াবহ হামলা হলে দেশের চলমান সরকার বিরোধী মনোভাব থেকে মানুষের দৃষ্টি সহজেই ঘুরিয়ে দিতে পারবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা। সেই সাথে হামলার ইস্যু ব্যবহার করে বিরোধীদের ব্যাপক হারে ধরপাকড় ও ভীতি সঞ্চারও করা যাবে। এহেন অবস্খায় অন্তর্ঘাত হামলা ঠেকাতে জনসাধারনের সতর্ক দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন।

তাছাড়া নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্রাকডাউন শুরু করতে পারে সরকার। বিরোধী দলের জনপ্রিয় নেতা ও প্রার্থীকে হত্যা করতে পারে  বিরোধী দলের নেতাকর্মী পাইকারী হারে ধরপাকড় করে জনসাধারনকে ভয়ভীতি ও ত্রাসের মধ্যে রেখে নির্বাচন কব্জা করার চেষ্টা করতে পারে। এসব ব্যবস্থাদি গ্রহন করেও সরকার যদি অবস্থা অনুকূলে আনতে ব্যর্থ হয়, তবে অন্তর্ঘাত ও অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্লা অবনতির অযুহাত দেখিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দিতে পারে। জরুরী অবস্থা জারী করে সেনাবাহিনীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে নিরাপদ প্রস্থানের কথাও ভাবছে সরকার।

« Older Entries