Category Archives: জাতীয়

বিএনপিতে নতুন মুখের জয়জয়কার

Content Protection by DMCA.com

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে নতুনদের প্রাধান্য দিয়েছে বিএনপি। দলটির ৯৫ জন প্রার্থী প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছেন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে। সবচেয়ে বেশি নতুন মুখ ঢাকা বিভাগে। বিএনপির পাশাপাশি ২০ দলীয় জোটের শরিক দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের মধ্যেও অনেকেই এবার প্রথম জাতীয় নির্বাচনে লড়বেন। অনেক জেলায় একজনও পুরনো প্রার্থী পাননি ধানের শীষের টিকিট। প্রার্থী  চূড়ান্তকরণে নতুনদের প্রাধান্য দিলেও গুরুত্ব পেয়েছে তাদের স্থানীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা। নতুন প্রার্থীদের অনেকেই অতীতে উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। কেউ কেউ সেসব পদ থেকে পদত্যাগ করেই অংশ নিচ্ছেন জাতীয় নির্বাচনে।

এক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়েছে স্থানীয় নির্বাচনে তাদের প্রমাণিত জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক শক্তির বিষয়গুলো। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। সদ্য পঁচিশ পেরুনো ডা. সানসিলা জেবরিন মনোনয়ন পেয়েছেন শেরপুর-১ আসনে। তরুণ ভোটারদের কাছে টানার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে প্রার্থী চূড়ান্তকরণে। নতুনদের পাশাপাশি অন্তত ১০০জন রয়েছেন যারা অতীতে এক বা একাধিক জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন। অনেকেই মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। দলটির দায়িত্বশীল নেতারা জানান, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও যেন প্রার্থীরা ভোটের মাঠে টিকে থাকতে পারে সেজন্য সমন্বয় করা হয়েছে নবীন-প্রবীণ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে অভিজ্ঞদের। এবারের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন ১৬ জন নারী ও ৭ জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী।

বিএনপির দলীয় নতুন প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- রংপুর বিভাগ: পঞ্চগড়-১ আসনে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ আসনে ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে জাহিদুর রহমান, দিনাজপুর-২ আসনে সাদিক রিয়াজ, দিনাজপুর-৩ আসনে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, লালমনিরহাট-১ আসনে হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনে রোকনউদ্দিন বাবুল, রংপুর-৬ আসনে সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে আজিজুর রহমান, গাইবান্ধা-৪ আসনে ফারুক কবির আহমেদ, গাইবান্ধা-৫ আসনে ফারুক আলম সরকার;

রাজশাহী বিভাগ: জয়পুরহাট-১ আসনে ফজলুর রহমান, বগুড়া-৩ আসনে  মাসুদা মোমিন, বগুড়া-৪ আসনে মোশাররফ হোসেন, বগুড়া-৭ আসনে মোরশেদ মিল্টন, নওগাঁ-১ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-৩ আসনে পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী, নওগাঁ-৫ আসনে জাহিদুল ইসলাম ধলু, রাজশাহী-৩ আসনে শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, নাটোর-৩ আসনে দাউদার মাহমুদ, নাটোর-৪ আসনে আবদুল আজিজ, সিরাজগঞ্জ-১ রুমানা মোরশেদ কনকচাঁপা, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে আমিরুল ইসলাম খান আলিম, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে ডা. এমএ মুহিত;

খুলনা বিভাগ: মেহেরপুর-২ আসনে জাভেদ মাসুদ মিল্টন, কুষ্টিয়া-৩ আসনে জাকির হোসেন সরকার, চুয়াডাঙ্গা-১ শরিফুজ্জামান শরিফ, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে মাহমুদ হাসান খান, ঝিনাইদহ-১ আসনে অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ, ঝিনাইদহ-২ আসনে আবদুল মজিদ, ঝিনাইদহ-৪ আসনে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ঝিনাইদহ-৫ আসনে মতিউর রহমান, যশোর-৩ আসনে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মাগুরা-১ আসনে মনোয়ার হোসেন খান, বাগেরহাট-১ আসনে মাসুদ রানা, খুলনা-৩ আসনে রকিবুল ইসলাম বকুল;

বরিশাল বিভাগ: ভোলা-১ আসনে গোলাম নবী আলমগীর, ঝালকাঠি-২ আসনে জেবা আমিন খান, পটুয়াখালী-২ আসনে সালমা আলম, পিরোজপুর-৩ আসনে রুহুল আমিন দুলাল; ময়মনসিংহ বিভাগ: শেরপুর-১ আসনে ডা. সানসিলা জেবরিন, শেরপুর-২ আসনে ফাহিম চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১ আসনে আলী আজগর, ময়মনসিংহ-৪ আসনে আবু ওয়াহাব আখন্দু, নেত্রকোনা-২ আসনে ডা. আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৪ আসনে তাহমিনা জামান শ্রাবণী ও নেত্রকোনা-৫ আসনে আবু তাহের তালুকদার; ঢাকা বিভাগ: কিশোরগঞ্জ-১ আসনে রেজাউল করিম খান চুন্নু, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, টাঙ্গাইল-১ আসনে সরকার শহীদ, মানিকগঞ্জ-১ আসনে এসএ জিন্নাহ কবীর, ঢাকা-১ আসনে খন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা-২ আসনে ইরফান ইবনে আমান, ঢাকা-৫ আসনে নবীউল্লাহ নবী, ঢাকা-৯ আসনে আফরোজা আব্বাস, ঢাকা-১১ আসনে শামীম আরা বেগম, ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা-১৪ আসনে সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, ঢাকা-১৬ আসনে আহসান উল্লাহ হাসান, গাজীপুর-২ আসনে সালাহউদ্দিন সরকার, গাজীপুর-৪ আসনে শাহ রিয়াজুল হান্নান, নরসিংদী-৩ আসনে মঞ্জুর এলাহী, নরসিংদী-৫ আসনে আশরাফউদ্দিন বকুল, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে আজহারুল ইসলাম মান্নান, ফরিদপুর-৪ আসনে ইকবাল হোসেন খন্দকার সেলিম, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে এসএম আফজাল হোসেন, মাদারীপুর-১ আসনে সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী লাভলু, মাদারিপুর-২ আসনে মিল্টন বৈদ্য, মাদারিপুর-৩ আসনে আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার, শরিয়তপুর-৩ আসনে মিয়া নুরুদ্দিন অপু;
সিলেট বিভাগ: সুনামগঞ্জ-৫ আসনে মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-১ আসনে খন্দকার আবদুল মোক্তাদির, সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৬ আসনে ফয়সল আহমেদ চৌধুরী, মৌলভীবাজার-১ আসনে নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু;

চট্টগ্রাম বিভাগ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মুসলিম উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে কাজী নাজমুল হোসেন তাপস, কুমিল্লা-৩ আসনে কাজী মুজিবুল হক, চাঁদপুর-১ আসনে মোশারফ হোসেন, চাঁদপুর-২ আসনে ড. জালালউদ্দিন, চাঁদপুর-৪ আসনে এমএ হান্নান, ফেনী-১ আসনে রফিকুল ইসলাম মজনু, ফেনী-৩ আসনে আকবর হোসেন, চট্টগ্রাম-১ আসনে নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-২ আসনে আজিমউল্লাহ বাহার, চট্টগ্রাম-৪ আসনে ইসহাক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৬ আসনে জসিমউদ্দিন সিকদার, চট্টগ্রাম-৮ আসনে আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-৯ আসনে ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১২ আসনে এনামুল হক এনাম ও পাবর্ত্য খাগড়াছড়ি শহীদুল ইসলাম ভূঁইয়া ফরহাদ।

নারী প্রার্থী: ধানের শীষের টিকিট পেয়েছেন ১৬ জন নারী প্রার্থী। তারা হলেন- রংপুর-৩ আসনে রিটা রহমান, বগুড়া-৩ আসনে মাসুদা মোমিন, নাটোর-২ আসনে সাবিনা ইয়াসমিন, সিরাজগঞ্জ-১ রুমানা মোরশেদ কনকচাঁপা, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে রুমানা মাহমুদ, ঝালকাঠি-২ আসনে জেবা আমিন খান, পটুয়াখালী-২ আসনে সালমা আলম, শেরপুর-১ আসনে ডা. সানসিলা জেবরিন, নেত্রকোনা-৪ আসনে তাহমিনা জামান শ্রাবণী, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খানম রীতা, টাঙ্গাইল-৮ আসনে ব্যারিস্টার কুঁড়ি সিদ্দিকী (কৃশ্রজলীগ), ঢাকা-৯ আসনে আফরোজা আব্বাস, ঢাকা-১১ আসনে শামীম আরা বেগম, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ ইসলাম, সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা ও কক্সবাজার-১ আসনে হাসিনা আহমেদ। এর মধ্যে ১৪জন বিএনপি ও দুইজন শরিক দলের প্রার্থী।

সংখ্যালঘু প্রার্থী: ধানের শীষের টিকিট পেয়েছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৭ জন প্রার্থী। তারা হলেন- মাগুরা-২ আসনে নিতাই রায় চৌধুরী, টাঙ্গাইল-৬ আসনে অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী, ঢাকা-৩ আসনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৬ আসনে সুব্রত চৌধুরী (গণফোরাম), মাদারিপুর-২ আসনে মিল্টন বৈদ্য, পার্বত্য রাঙ্গামাটি মনি স্বপন দেওয়ান ও পার্বত্য বান্দরবান সাচিং প্রু জেরি। এর মধ্যে ৬ জন বিএনপি ও একজন গণফোরাম নেতা।
/মানবজমিন

Content Protection by DMCA.com

ঐক্যফ্রন্টের চুড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা: ধানের শীষ ২৯৮ এবং ছাতা ২

Content Protection by DMCA.com

 

৩০০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে ঐক্যফ্রন্ট।
রোববার নির্বাচন কমিশনে এই তালিকাসহ চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপার্সনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, ২০দলীয় জোট ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। উক্ত জোটবদ্ধ দল সমূহের আসন ভিত্তিক ২৯৮ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকা  সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হলো।’ বাকী দু’টি ছাতা মার্কার।

ধানের শীষের প্রার্থী যাঁরা
————————–————-
২৯৮ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন বিএনপি, ২০ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা। ২৯৮ জন প্রার্থীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। একই সাথে সেই তালিকা নির্বাচন কমিশনেও পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

৩০০ আসনের মধ্যে বাকি দুটিতে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদ চট্টগ্রাম-১৪ আসনে দলীয় ছাতা প্রতীকে নির্বাচন করবেন এবং কক্সবাজার-২ আসনে হামিদুর রহমান আযাদ নির্বাচন করবেন স্বতন্ত্র প্রতীকে।

২৯৮ জন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা হলেন:

১. পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির বিএনপি, ২. পঞ্চগড়-২ ফরহাদ হোসেন আজাদ বিএনপি, ৩. ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপি, ৪. ঠাকুরগাঁও-২ মো; আব্দুল হাকিম বিএনপি, ৫. ঠাকুরগাঁও-৩ মো: জাহিদুর রহমান (জাহিদ) বিএনপি, ৬. দিনাজপুর-১ মোহাম্মদ হানিফ বিএনপি, ৭. দিনাজপুর-২ মো: সাদিক রিয়াজ বিএনপি, ৮. দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বিএনপি, ৯. দিনাজপুর-৪ মো: আকতারুজ্জামান মিয়া বিএনপি, ১০. দিনাজপুর- ৫ এ জেড এম রেজওয়ানুল হক বিএনপি, ১১. দিনাজপুর-৬ মো: আনোয়ারুল ইসলাম বিএনপি, ১২. নীলফামারী-১ রফিকুল ইসলাম বিএনপি, ১৩. নীলফামারী-২ মো: মনিরুজ্জামান (মন্টু) বিএনপি, ১৪. নীলফামারী-৩ মো: আজিজুল ইসলাম বিএনপি, ১৫. নীলফামারী-৪ আমজাদ হোসেন সরকার বিএনপি, ১৬. লালমনিরহাট-১ মো: হাসান রাজীব প্রধান বিএনপি, ১৭. লালমনিরহাট-২ মো: রোকন উদ্দিন বাবুল বিএনপি, ১৮. লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবিব দুলু বিএনপি, ১৯. রংপুর-১ মো: রহমতউল্লা বিএনপি, ২০. রংপুর-২ মোহাম্মদ আলী সরকার বিএনপি, ২১. রংপুর-৩ রিটা রহমান বিএনপি, ২২. রংপুর-৪ মোহাম্মদ এমদাদুল হক (ভরসা) বিএনপি, ২৩. রংপুর-৫ মো: গোলাম রব্বানী বিএনপি, ২৪. রংপুর-৬ মো: সাইফুল ইসলাম বিএনপি, ২৫. কুড়িগ্রাম-১ সাইফুর রহমান রানা-বিএনপি, ২৬. কুড়িগ্রাম-২ আমসা আমিন গণফোরাম, ২৭. কুড়িগ্রাম-৩ তাসভীর উল ইসলাম বিএনপি, ২৮. কুড়িগ্রাম-৪ আজিজুর রহমান বিএনপি, ২৯. গাইবান্ধা-১ মো: মাজেদুর রহমান বিএনপি, ৩০. গাইবান্ধা-২ মো: আব্দুর রশীদ সরকার বিএনপি, ৩১. গাইবান্ধা-৩ ড. টি আই এম ফজলে রাব্বী চৌধুরী বিএনপি, ৩২. গাইবান্ধা-৪ ফারুক কবির আহমেদ বিএনপি, ৩৩. গাইবান্ধা-৫ ফারুক আলম সরকার বিএনপি, ৩৪. জয়পুরহাট-১ মো: ফজলুর রহমান বিএনপি, ৩৫. জয়পুরহাট-২ এ ই এম খলিলুর রহমান বিএনপি।

৩৬. বগুড়া-১ কাজী রফিকুল ইসলাম বিএনপি, ৩৭. বগুড়া-২ মাহমুদুর রহমান মান্না বিএনপি, ৩৮. বগুড়া-৩ মাছুদা মোমিন বিএনপি, ৩৯. বগুড়া-৪ মো: মোশারফ হোসেন বিএনপি, ৪০. বগুড়া-৫ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ বিএনপি, ৪১. বগুড়া-৬ মির্জা ফখরুল ইসলাম বিএনপি, ৪২. বগুড়া-৭ মোরশেদ মিল্টন বিএনপি, ৪৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ মো: শাহজাহান মিঞা বিএনপি, ৪৪. চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ মো: আমিনুল ইসলাম বিএনপি, ৪৫. চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ মো: হারুনুর রশীদ বিএনপি, ৪৬. নওগাঁ-১ মো: ছালেক চৌধুরী বিএনপি, ৪৭. নওগাঁ-২ মো: সামসুজ্জোহা খান বিএনপি, ৪৮. নওগাঁ-৩ পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকি বিএনপি, ৪৯. নওগাঁ-৪ আবু হায়াত মোহাম্মাদ সামসুল আলম প্রামাণিক বিএনপি, ৫০. নওগাঁ-৫ মো: জাহিদুল ইসলাম ধলু বিএনপি, ৫১. নওগাঁ-৬ আলমগীর কবির বিএনপি, ৫২. রাজশাহী-১ মো: আমিনুল হক বিএনপি, ৫৩. রাজশাহী-২ মো: মিজানুর রহমান মিনু বিএনপি, ৫৪. রাজশাহী-৩ মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন বিএনপি, ৫৫. রাজশাহী-৪ মো: আবু হেনা বিএনপি, ৫৬. রাজশাহী-৫ নাদিম মোস্তফা বিএনপি, ৫৭. রাজশাহী-৬ মো: আবু সাইদ চাঁদ বিএনপি, ৫৮. নাটোর-১ মনজুরুল ইসলাম কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ৫৯. নাটোর-২ সাবিনা ইয়াসমিন বিএনপি, ৬০. নাটোর-৩ মো: দাউদার মাহমুদ বিএনপি, ৬১. নাটোর-৪ মো: আব্দুল আজিজ বিএনপি, ৬২. সিরাজগঞ্জ-১ রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা বিএনপি, ৬৩. সিরাজগঞ্জ-২ রুমানা মাহমুদ বিএনপি, ৬৪. সিরাজগঞ্জ-৩ আব্দুল মান্নান তালুকদার বিএনপি, ৬৫. সিরাজগঞ্জ-৪ মো: রফিকুল ইসলাম খান বিএনপি, ৬৬ সিরাজগঞ্জ-৫ মো: আমিরুল ইসলাম খান বিএনপি, ৬৭. সিরাজগঞ্জ-৬ এম এ মুহিত বিএনপি, ৬৮. পাবনা-১ অধ্যাপক আবু সাইদ গণফোরাম, ৬৯. পাবনা-২ এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব বিএনপি, ৭০. পাবনা-৩ কে এম আনোয়ার ইসলাম বিএনপি, ৭১. পাবনা-৪ মো: হাবিবুর রহমান (হাবিব) বিএনপি, ৭২. পাবনা-৫ মো: ইকবাল হোসেন বিএনপি।

৭৩. মেহেরপুর-১ মাসুদ অরুণ বিএনপি, ৭৪. মেহেরপুর-২ মো: জাভেদ মাসুদ বিএনপি, ৭৫. কুষ্টিয়া-১ রেজা আহম্মেদ বিএনপি, ৭৬. কুষ্টিয়া-২ মোহাম্মাদ আহসান হাবীব লিংকন-বিএনপি, ৭৭. কুষ্টিয়া-৩ মো: জাকির হোসেন সরকার বিএনপি, ৭৮. কুষ্টিয়া-৪ সৈয়দ মেহেদী আহ্মেদ রুমী বিএনপি, ৭৯. চুয়াডাঙ্গা-১ মো: শরীফুজ্জামান বিএনপি, ৮০. চুয়াডাঙ্গা-২ মাহমুদ হাসান খান বিএনপি, ৮১. ঝিনাইদহ-১ আসাদুজ্জামান বিএনপি, ৮২. ঝিনাইদহ-২ মো: আব্দুল মজিদ বিএনপি, ৮৩. ঝিনাইদহ-৩ মো: মতিয়ার রহমান বিএনপি, ৮৪. ঝিনাইদহ-৪ মো: সাইফুল ইসলাম ফিরোজ-বিএনপি, ৮৫. যশোর-১ মো: মফিকুল হাসান তৃপ্তি বিএনপি, ৮৬. যশোর-২ আবু সাঈদ মুহা: শাহাদৎ হুসাইন বিএনপি, ৮৭. যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিএনপি, ৮৮. যশোর-৪ টি এস আইয়ুব বিএনপি, ৮৯. যশোর-৫ মুহাম্মদ ওয়াক্কা বিএনপি, ৯০. যশোর-৬ মো: আবুল হোসেন আজাদ বিএনপি, ৯১. মাগুরা-১ মো: মনোয়ার হোসেন বিএনপি, ৯২. মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী বিএনপি, ৯৩. নড়াইল-১ জাহাঙ্গীর বিশ্বাস বিএনপি, ৯৪. নড়াইল-২ এ জেড এম ফরিদুজ্জামান বিএনপি, ৯৫. বাগেরহাট-১ মো: শেখ মাসুদ রানা বিএনপি, ৯৬. বাগেরহাট-২ এম, এ, সালাম বিএনপি, ৯৭. বাগেরহাট-৩ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ সেখ বিএনপি, ৯৮. বাগেরহাট-৪ মো: আব্দুল আলীম বিএনপি, ৯৯. খুলনা-১ আমীর এজাজ খান বিএনপি, ১০০. খুলনা-২ নজরুল ইসলাম মঞ্জু বিএনপি, ১০১. খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম বিএনপি, ১০২. খুলনা-৪ আজিজুল বারী হেলাল বিএনপি, ১০৩. খুলনা-৫ মিয়া গোলাম পরোয়ার বিএনপি, ১০৪. খুলনা-৬ মো: আবুল কালাম আজাদ বিএনপি, ১০৫. সাতক্ষীরা-১ মো: হাবিবুল ইসলাম হাবিব বিএনপি, ১০৬. সাতক্ষীরা-২ মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক বিএনপি. ১০৭. সাতক্ষীরা-৩ মো: শহিদুল আলম বিএনপি, ১০৮. সাতক্ষীরা-৪ জি এম নজরুল ইসলাম বিএনপি।

১০৯. বরগুনা-১ মতিয়ার রহমান তালুকদার বিএনপি, ১১০. বরগুনা-২ খন্দকার মাহবুব হোসেন বিএনপি, ১১১. পটুয়াখালী-১ এয়ার ভাইস মার্শাল (অব:) আলতাফ হোসেন চৌধুরী বিএনপি, ১১২. পটুয়াখালী-২ সালমা আলম বিএনপি, ১১৩. পটুয়াখালী-৩ মো: গোলাম মাওলা রনি বিএনপি, ১১৪. পটুয়াখালী- ৪ এ বি এম মোশাররফ হোসেন বিএনপি, ১১৫. ভোলা-১ আলমগীর কবির, বিএনপি, ১১৬. ভোলা-২ হাফিজ ইব্রাহীম বিএনপি, ১১৭. ভোলা-৩ হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ (বীর বিক্রম) বিএনপি, ১১৮. ভোলা-৪ নাজিম উদ্দিন আলম বিএনপি, ১১৯. বরিশাল-১ জহির উদ্দিন স্বপন বিএনপি, ১২০. বরিশাল-২ সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ বিএনপি, ১২১. বরিশাল-৩ জয়নুল আবেদীন বিএনপি, ১২২. বরিশাল-৪ নুরুর রহমান জাহাঙ্গীর বিএনপি, ১২৩. বরিশাল-৫ মো: মজিবর রহমান সরওয়ার বিএনপি, ১২৪. বরিশাল-৬ আবুল হোসেন খান বিএনপি, ১২৫. ঝালকাঠি-১ মুহাম্মদ শাহজাহান ওমর বিএনপি, ১২৬. ঝালকাঠি-২ জীবা আমিনা খান বিএনপি, ১২৭. পিরোজপুর-১ শামীম সাঈদী বিএনপি, ১২৮. পিরোজপুর-২ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বিএনপি, ১২৯. পিরোজপুর-৩ মো: রুহুল আমীন দুলাল বিএনপি।

১৩০. টাংগাইল-১ শহীদুল ইসলাম বিএনপি, ১৩১. টাংগাইল-২ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিএনপি, ১৩২. টাংগাইল-৩ মো: লুৎফর রহমান খান আজাদ বিএনপি, ১৩৩. টাংগাইল-৪ মো: লিয়াকত আলী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ১৩৪. টাংগাইল-৫ মাহমুদুল হাসান বিএনপি, ১৩৫. টাংগাইল-৬ গৌতম চক্রবর্তী বিএনপি, ১৩৬. টাংগাইল-৭ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বিএনপি, ১৩৭. টাংগাইল-৮ কুড়ি সিদ্দিকী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ১৩৮. জামালপুর-১ রশিদুজ্জামান মিল্লাত-বিএনপি, ১৩৯. জামালপুর-২ এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু বিএনপি, ১৪০. জামালপুর-৩ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বিএনপি, ১৪১. জামালপুর-৪ মো: ফরিদুল কবীর তালুকদার (শামীম) বিএনপি, ১৪২. জামালপুর-৫ শাহ মো: ওয়ারেছ আলী মামুন বিএনপি, ১৪৩. শেরপুর-১ সানসিলা জেবরিন বিএনপি, ১৪৪. শেরপুর-২ ফাহিম চৌধুরী বিএনপি, ১৪৫. শেরপুর-৩ মো: মাহমুদুল হক রুবেল বিএনপি, ১৪৬. ময়মনসিংহ-১ আলী আজগর বিএনপি, ১৪৭. ময়মনসিংহ-২ শাহ শহীদ সারোয়ার বিএনপি, ১৪৮. ময়মনসিংহ-৩ এম ইকবাল হোসেন বিএনপি, ১৪৯. ময়মনসিংহ-৪ আবু ওহাব আকন্দ বিএনপি, ১৫০. ময়মনসিংহ-৫ মোহাম্মদ জাকির হোসেন বিএনপি, ১৫১. ময়মনসিংহ-৬ শামছউদ্দিন আহমদ বিএনপি, ১৫২. ময়মনসিংহ-৭ মো: জয়নাল আবেদীন/ডা: মাহবুবুর রহমান বিএনপি, ১৫৩. ময়মনসিংহ-৮ এ এইচ এম খালেক্জ্জুামান, গণফোরাম, ১৫৪. ময়মনসিংহ-৯ খুররম খান চৌধুরী বিএনপি, ১৫৫. ময়মনসিংহ-১০ সৈয়দ মাহমুদ মোরর্শেদ এলডিপি, ১৫৬. ময়মনসিংহ-১১ ফখর উদ্দিন আহমেদ-বিএনপি, ১৫৭. নেত্রকোনা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিএনপি, ১৫৮. নেত্রকোনা-২ মো: আনোয়ারুল হক বিএনপি, ১৫৯. নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হিলালী বিএনপি, ১৬০. নেত্রকোনা-৪ তাহমিনা জামান বিএনপি, ১৬১. নেত্রকোনা-৫ আবু তাহের তালুকদার বিএনপি।

১৬২. কিশোরগঞ্জ-১ মো: রেজাউল করিম খান বিএনপি, ১৬৩. কিশোরগঞ্জ-২ মেজর আখতারুজ্জামান বিএনপি, ১৬৪. কিশোরগঞ্জ-৩ প্রফেসর ড. মো: সাইফুল ইসলাম জেএসডি, ১৬৫. কিশোরগঞ্জ-৪ মো: ফজলুর রহমান বিএনপি, ১৬৬. কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বিএনপি, ১৬৭. কিশোরগঞ্জ-৬ মো: শরীফুল আলম বিএনপি, ১৬৮. মানিকগঞ্জ-১ এস এম জিন্নাহ কবির বিএনপি, ১৬৯. মানিকগঞ্জ-২ মঈনুল ইসলাম খান বিএনপি, ১৭০. মানিকগঞ্জ-৩ আফরোজা খান রিতা বিএনপি, ১৭১. মুন্সীগঞ্জ-১ শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন বিএনপি, ১৭২. মুন্সীগঞ্জ-২ মিজানুর রহমান সিনহা বিএনপি, ১৭৩. মুন্সীগঞ্জ-৩ আবদুল হাই বিএনপি, ১৭৪. ঢাকা-১ খোন্দকার আবু আসফাক বিএনপি, ১৭৫. ঢাক-২ ইরফান ইবনে আমান অমি বিএনপি, ১৭৬. ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিএনপি, ১৭৭. ঢাকা-৪ সালাহ উদ্দিন আহমেদ বিএনপি, ১৭৮. ঢাকা-৫ নবীউল্লা বিএনপি, ১৭৯. ঢাকা-৬ সুব্রত চৌধুরী গণফোরাম, ১৮০. ঢাকা-৭ মোস্তফা মহসীন মন্টু গণফোরাম, ১৮১. ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ বিএনপি, ১৮২. ঢাকা-৯ আফরোজা আব্বাস বিএনপি; ১৮৩. ঢাকা-১০ আবদুল মান্নান বিএনপি; ১৮৪. ঢাকা-১১ শামীম আরা বেগম-বিএনপি; ১৮৫. ঢাকা-১২ সাইফুল আলম নীরব-বিএনপি; ১৮৬. ঢাকা-১৩ মো: আব্দুস সালাম-বিএনপি; ১৮৭. ঢাকা-১৪ সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক-বিএনপি; ১৮৮. ঢাকা-১৫ ডা: মো: শফিকুর রহমান-বিএনপি; ১৮৯. ঢাকা-১৬ মো: আহসান উল্লাহ হাসান-বিএনপি; ১৯০. ঢাকা -১৭ আন্দালিব রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি; ১৯১. ঢাকা-১৮ শহীদ উদ্দিন মাহমুদ, জেএসডি; ১৯২. ঢাকা-১৯ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন-বিএনপি; ১৯৩. ঢাকা-২০ তমিজ উদ্দিন-বিএনপি; ১৯৪. গাজীপুর-১ অ্যাড. চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী-বিএনপি; ১৯৫. গাজীপুর-২ মো: সালাহ উদ্দিন সরকার-বিএনপি; ১৯৬. গাজীপুর-৩ ইকবাল সিদ্দিকী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ; ১৯৭. গাজীপুর-৪ শাহ রিয়াজুল হান্নান-বিএনপি; ১৯৮. গাজীপুর-৫ এ কে এম ফজলুল হক মিলন-বিএনপি; ১৯৯. নরসিংদী-১ খায়রুল কবির খোকন-বিএনপি; ২০০. নরসিংদী-২ ড. আবদুল মঈন খান-বিএনপি; ২০১. নরসিংদী-৩ মনজুর এলাহী-বিএনপি; ২০২. নরসিংদী-৪ সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন-বিএনপি; ২০৩. নরসিংদী-৫ ইঞ্জি. আশরাফ-বিএনপি; ২০৪. নারায়ণগঞ্জ-১ কাজী মনিরুজ্জামান-বিএনপি; ২০৫. নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম আজাদ-বিএনপি; ২০৬. নারায়ণগঞ্জ-৩ মো: আজহারুল ইসলাম মান্নান-বিএনপি; ২০৭. নারায়ণগঞ্জ-৪ মনির হোসেন, জমিউতে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ; ২০৮. নারায়ণগঞ্জ-৫ এস এম আকরাম-বিএনপি; ২০৯. রাজবাড়ী-১ আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম-বিএনপি; ২১০. রাজবাড়ী-২ মো: নাসিরুল হক সাবু-বিএনপি; ২১১. ফরিদপুর-১ শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর-বিএনপি; ২১২. ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম-বিএনপি; ২১৩. ফরিদপুর-৩ চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ-বিএনপি; ২১৪. ফরিদপুর-৪ খন্দকার ইকবাল হোসেন (সেলিম)-বিএনপি; ২১৫. গোপালগঞ্জ-১ এফ ই শরফুজ্জামান-বিএনপি; ২১৬. গোপালগঞ্জ-২ মো: সিরাজুল ইসলাম সিরাজ-বিএনপি; ২১৭. গোপালগঞ্জ-৩ এস এম জিলানী-বিএনপি; ২১৮. মাদারীপুর-১ সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী বিএনপি, ২১৯ মাদারীপুর-২ মিল্টন বৈদ্য বিএনপি, ২২০. মাদারীপুর-৩ মো: আনিসুর রহমান তালুকদার বিএনপি, ২২১. শরীয়তপুর-১ সরদার এ, কে, এম, নাসির উদ্দীন বিএনপি, ২২২. শরীয়তপুর-২ মো: শফিকুর রহমান কিরণ বিএনপি, ২২৩. শরীয়তপুর-৩ মিয়া নুরুদ্দিন অপু বিএনপি।

২২৪. সুনামগঞ্জ-১ নজির হোসেন বিএনপি, ২২৫. সুনামগঞ্জ-২ মো: নাছির চৌধুরী বিএনপি, ২২৬. সুনামগঞ্জ-৩ মো: শাহিনুর পাশা চৌধুরী, জমিউতে উলামায় ইসলাম বাংলাদেশ, ২২৭. সুনামগঞ্জ-৪ ফজলুল হক আসপিয়া বিএনপি, ২২৮. সুনামগঞ্জ-৫ মো: মিজানুর রহমান চৌধুরী বিএনপি, ২২৯. সিলেট-১ খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর চৌধুরী বিএনপি, ২৩০. সিলেট-২ তাহসিনা রুশদীর বিএনপি, ২৩১. সিলেট-৩ আলহাজ শফি আহমদ চৌধুরী বিএনপি, ২৩২. সিলেট-৪ দিলদার হোসেন সেলিম বিএনপি, ২৩৩. সিলেট-৫ ওবায়দুল্লাহ ফারুক, জমিয়তে ওলাময়ে ইসলাম বাংলাদেশ, ২৩৪. সিলেট-৬ ফয়সাল চৌধুরী বিএনপি, ২৩৫. মৌলভীবাজার-১ নাছির উদ্দিন আহমেদ বিএনপি, ২৩৬. মৌলভীবাজার-২ সুলতান মোহাম্মাদ মনসুর আহমেদ, গণফোরাম, ২৩৭. মৌলভীবাজার-৩ নাসের রহমান বিএনপি, ২৩৮. মৌলভীবাজার-৪ মো: মজিবুর রহমান চৌধুরী বিএনপি, ২৩৯. হবিগঞ্জ-১ রেজা কিবরিয়া, গণফোরাম, ২৪০. হবিগঞ্জ-২ আব্দুল বাসিত আজাদ, খেলাফত মজলিস, ২৪১. হবিগঞ্জ-৩ আলহাজ মো: জি কে গউছ বিএনপি, ২৪২. হবিগঞ্জ-৪ আহমদ আবদুল কাদের, খেলাফত মজলিস।

২৪৩. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ এস, এ কে একরামুজ্জামান বিএনপি, ২৪৪. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উকিল আব্দুস সাত্তার বিএনপি, ২৪৫. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মো: খালেদ হোসেন মাহবুব বিএনপি, ২৪৬. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মো: মুসলিম উদ্দিন বিএনপি, ২৪৭. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ কাজী নাজমুল হোসেন বিএনপি, ২৪৮. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আবদুল খালেক বিএনপি, ২৪৯. কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিএনপি, ২৫০. কুমিল্লা-২ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিএনপি, ২৫১. কুমিল্লা-৩ কে, এম, মজিবুল হক বিএনপি, ২৫২. কুমিল্লা-৪ আবদুল মালেক রতন, জেএসডি, ২৫৩. কুমিল্লা-৫ মো: ইউনুস বিএনপি, ২৫৪. কুমিল্লা-৬ মোহাম্মাদ আমিন উর রশিদ বিএনপি, ২৫৫. কুমিল্লা-৭ রেদওয়ান আহমেদ, এলডিপি, ২৫৬. কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের বিএনপি, ২৫৭. কুমিল্লা-৯ এম আনোয়ার উল আজিম বিএনপি, ২৫৮. কুমিল্লা-১০ মো: মনিরুল হক চৌধুরী বিএনপি, ২৫৯. কুমিল্লা-১১ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বিএনপি, ২৬০. চাঁদপুর-১ মোহাম্মাদ মোশাররফ হোসেন বিএনপি, ২৬১. চাঁদপুর-২ মো: জালাল উদ্দিন বিএনপি, ২৬২. চাঁদপুর-৩ শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বিএনপি, ২৬৩. চাঁদপুর-৪ মো: আব্দুল হান্নান বিএনপি, ২৬৪. চাঁদপুর-৫ মো: মমিনুল হক বিএনপি, ২৬৫. ফেনী-১ মুন্সি রফিকুল আলম বিএনপি, ২৬৬. ফেনী-২ জয়নাল আবদিন বিএনপি, ২৬৭. ফেনী-৩ আকবর হোসেন বিএনপি, ২৬৮. নোয়াখালী-১ এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বিএনপি, ২৬৯. নোয়াখালী-২ জয়নাল আবেদিন ফারুক বিএনপি, ২৭০. নোয়াখালী-৩ মো: বরকত উল্লাহ বুলু বিএনপি, ২৭১. নোয়াখালী-৪ মো: শাহজাহান বিএনপি, ২৭২. নোয়াখালী-৫ মওদুদ আহমদ বিএনপি, ২৭৩. নোয়াখালী-৬ মো: ফজলুল আজিম বিএনপি, ২৭৪. লক্ষ্মীপুর-১ শাহাদৎ হোসেন সেলিম, এলডিপি, ২৭৫. লক্ষ্মীপুর-২ মো: আবুল খায়ের ভূঁইয়া বিএনপি, ২৭৬. লক্ষ্মীপুর-৩ মো: শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বিএনপি, ২৭৭. লক্ষ্মীপুর-৪ আ স ম আব্দুর রব, জেএসডি, ২৭৮. চট্টগ্রাম-১ নুরুল আমিন বিএনপি, ২৭৯. চট্টগ্রাম-২ মো: আজিম উল্লাহ চৌধুরী বাহার বিএনপি, ২৮০. চট্টগ্রাম-৩ কামাল পাশা বিএনপি, ২৮১. চট্টগ্রাম-৪ ইসহাক চৌধুরী বিএনপি, ২৮২. চট্টগ্রাম-৫ সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, কল্যাণ পার্টি, ২৮৩. চট্টগ্রাম-৬ জসিম উদ্দিন শিকদার বিএনপি, ২৮৪. চট্টগ্রাম-৭ নুরুল আলম, এলডিপি, ২৮৫. চট্টগ্রাম-৮ আবু সুফিয়ান বিএনপি, ২৮৬. চট্টগ্রাম-৯ শাহাদাত হোসেন বিএনপি, ২৮৭. চট্টগ্রাম-১০ আব্দুল্লাহ আল নোমান বিএনপি, ২৮৮. চট্টগ্রাম-১১ আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিএনপি, ২৮৯. চট্টগ্রাম-১২ মো: এনামুল হক বিএনপি, ২৯০. চট্টগ্রাম-১৩ সরওয়ার জামাল নিজাম বিএনপি, ২৯২. চট্টগ্রাম-১৫ আ. ন. ম. শামসুল ইসলাম বিএনপি, ২৯৩. চট্টগ্রাম-১৬ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বিএনপি, ২৯৪. কক্সবাজার-১ হাসিনা আহমেদ বিএনপি, ২৯৬. কক্সবাজার-৩ লুৎফুর রহমান বিএনপি, ২৯৭. কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী বিএনপি, ২৯৮. খাগড়াছড়ি মো: শহিদুল ইসলাম ভূইয়া বিএনপি, ২৯৯. রাংগামাটি মনি স্বপন দেওয়ান বিএনপি, ৩০০. বান্দরবান সাচিং প্রু জেরি বিএনপি।

Content Protection by DMCA.com

সরকারের মন্ত্রী লোটাস কামালের হুশিয়ারি: ২৭ তারিখের মধ্যে বিএনপি-জামায়াত এলাকা না ছাড়লে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না!  

Content Protection by DMCA.com

২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে বিরোধী নেতাকর্মীরা এলাকা না ছাড়লে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী ও কুমিল্লা-১০ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল)।

বুধবার রাতে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার কনকশ্রী মধ্যমপাড়ায় বাইন্না বাড়িতে আয়োজিত উঠান বৈঠকে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। বৈঠকে লোটাস কামালের দেয়া ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভাইরাল হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনেও এ অভিযোগ করেছেন। ওই সংবাদ সম্মেলনে
রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগের অবৈধ মন্ত্রী লোটাস কামালের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ভোট ডাকাতির ভয়াবহ পরিকল্পনা ফাঁস করেছেন। প্রকাশ্যে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিয়ে শেয়ার বাজার ও ব্যাংক লুটেরাদের ‌অন্যতম আ হ ম মোস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামাল বলছেন-‘একটা একটা করে খুঁজবেন, ২৭ তারিখের আগে যদি এলাকা ছেড়ে না যায় তা হলে আর ছাড় নাই। তাদের চৌদ্দগুষ্টি পর্যন্ত উৎখাত করবো’।

ওই উঠান বৈঠকে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর আমি হামলা-মামলা করে কাউকে হয়রানি করিনি। আগামী ২৭ (নির্বাচনের ৩ দিন আগে) ডিসেম্বরের পর কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
তিনি বলেন, ‘২০০১ সালের নির্বাচনের পর আমার ও আমার বড় ভাইয়ের নামে অনেক মামলা হয়েছিল। বিএনপির আমলে একটি রাতও আমি বাড়িতে ঘুমাতে পারিনি। অনেকের গরুর ঘর থেকে তারা গরু নিয়ে গিয়ে পিকনিক করেছে, পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে গেছে এবং জমি থেকে ফসল কেটে নিয়ে গেছে। তারা ভালো মানুষ না। তারা আমাকে খুনের মামলায় এক নম্বর আসামি করেছে। আমাকে ইলেকট্রিক চেয়ারে বসিয়েছে। আগামী নির্বাচনে আমাকে নয়, উন্নয়নের মার্কা নৌকাকে বিজয়ী করে তাদের প্রতিরোধ করতে হবে।’

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে একটা কথা বলে গেলাম, তাদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা করি নাই, মামলা করবো না। ২৭ তারিখ পর্যন্ত মামলা করবো না। ২৭ তারিখের পর কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমি আবারও বলে গেলাম, জামায়াত হোক, শিবির হোক, যেই গোষ্ঠিই হোক- এদের চৌদ্দ গোষ্ঠি পর্যন্ত শেষ করবো ইনশাল্লাহ। এদের কাছে  দেশ সেইফ না। আমি আজ বলে গেলাম- এরা এখানে থাকতে পারে, যেখানে সেখানে থাকতে পারে। আপনারা খুঁজে দেখবেন। ২৭ তারিখ পর্যন্ত দেখবো। যদি ২৭ তারিখের মধ্যে এলাকা ছেড়ে চলে না যায়, যদি আমাদের সঙ্গে কোনও কম্প্রোমাইজ না করে, না আসে, তাহলে ২৭ তারিখের পরে আর ছাড় নাই।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাতির পিতার স্বপ্ন সোনার বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমি তার সহকর্মী হিসেবে সাহায্য করি। দেশকে এগিয়ে নিতে আজীবন কাজ করে যাব।’

পেরুল দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান এজিএম শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ওই উঠান বৈঠকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এমএ হামিদ, লালমাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মজুমদার, স্থানীয় ইউপি আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, বিজয়পুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম জিলানী এবং সদর দক্ষিণ ও লালমাই উপজেলাসহ স্থানীয় এলাকার দল ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
শীর্ষ নিউজ

Content Protection by DMCA.com

ইকোনমিস্টের মতে বিএনপি নিশ্চিত ক্ষমতায় আসছে

Content Protection by DMCA.com

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাপ্তাহিক দ্য ইকোনমিস্টের মতে, ২০১৮–র নির্বাচন অর্থাৎ  আগামী ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসছে।

দ্য ইকোনমিস্টের ওয়ার্ল্ড ইন ২০১৯ সংখ্যায় বাংলাদেশ প্রসঙ্গে লিখেছে-Investment in infrastructure will sustain the country’s rise on global manufacturing value chain and keep the economy humming. The Awami League, in power since 2009, but BNP set to win another parliamentary majority in December 2018

In a general election due at the end of this month, Hasina’s ruling Awami League (AL) will be fighting to retain power against a new alliance led by Kamal Hossain, an Oxford-educated international jurist and a former foreign minister, whom Hasina grew up calling “kaka”, or uncle.

The 82-year-old lawyer activist joined hands with the main opposition Bangladesh Nationalist Party (BNP) and two other parties to form the Jatiya Oikya Front (National Unity Front) in October.

The BNP is hoping the alliance will help boost its support and move on after a series of setbacks, including the jailing of its leader former Prime Minister of Bangladesh Khaleda Zia for corruption in February and the sentencing of exiled acting leader, her son, in October.

BNP Standing Committee member Barrister Moudud Ahmed said his party joined hands with Hossain for “strategic reasons”.

“Our [of Jatyio Oikya Front] goal is the same, to free the country of tyranny,” he told Al Jazeera.

The octogenarian – a former comrade of Hasina’s father in the country’s independence struggle – says his decision to forge an alliance with the BNP was critical to restoring democracy in the country.

Hasina, the daughter of independence hero Sheikh Mujibur Rahman, is the longest-serving leader in its short history.

‘Joined hands with killers’

She began a second straight term in power in 2014 after an election boycotted by the BNP and shunned by international observers, with more than half the seats uncontested.

“What has happened in the last five years is unprecedented,” Hossain told Reuters news agency. “We have never had a government for five years that was unelected.”

Hasina and BNP chief Zia share a long and bitter rivalry and have alternated in power for most of the past three decades.

Siding with the BNP, though, sets Hossain up as a target for Hasina. The BNP has ties with the banned Islamist party Jamaat-e-Islami, which opposed independence from Pakistan in 1971 and several of whose members have been sentenced to death for committing war crimes.

Days after the new coalition was announced, Hasina declared that Hossain had “joined hands with killers”.

Jamaat has since been banned from participating in the elections, but analysts say many of its cadres are likely to back the BNP candidates.

AL praesidium member Faruq Khan dubbed the Jatyio Oikya Front an “alliance of war criminals”.

“The Oikya Front is not a political alliance, rather it is an alliance of war criminals and militants who don’t believe in the democratisation of the country,” Khan told Al Jazeera.

He said the people of the country haven’t forgotten the last BNP-Jamaat government from 2001-2006.

“The country was a failed state back then.”

Hossain admitted some of the mistakes committed by the BNP in the past.

“Yes, the BNP did a lot of things I never appreciate,” said Hossain. “They injected a degree of communalism into politics, which is very regrettable.”

But he said the coalition would be secular and have nothing to do with groups such as Jamaat.

Alliance contradictions

Analysts have raised doubts about the future of the coalition as its main constituents come from different ideological backgrounds. Also, there is no clarity on who will be the prime minister if the alliance wins the polls.

When asked who will be the “prime minister” if Oikya Front emerges victorious, BNP’s Ahmed said: “It’s a strategic decision which we, at this point, haven’t decided yet.”

“Hossain has already talked about the draft election manifesto of Oikya Front. All I can say that we don’t believe in the centralization of power any more,” he said.

He also said if elected, they would ensure that “the same person could not be the prime minister for more than two terms consecutively.”

The BNP’s participation in the general election scheduled for December 30 was in doubt until last month, when it announced the formation of the new alliance, helmed by Hossain, who runs a group called Gano Forum, or People’s Forum.

The AL said that the BNP was trying to use Hossain’s reputation to get back to power, but added that “it will fail miserably”.

AL Joint Secretary-General Mahbubul Alam Hanif said Hossain’s party Gono Forum had never managed to secure a seat in the parliament. “It proves he is not a people’s person and his party doesn’t have the support of a large population.”

Hossain walks with a stick and says he is not seeking to become prime minister as he is too old.

But some in the coalition, he said, privately compare him with Mahathir Mohamad, the Malaysian prime minister who took power at the age of 92 in May, after defeating a predecessor mired in corruption allegations.

“Maybe his health is better than mine,” quipped Hossain.

Some political analysts predict a strong anti-incumbency sentiment in the election.

Media gagged?

Besides detaining scores of opposition members on charges the BNP terms politically motivated, Hasina’s government has also gone after critics such as prominent photographer Shahidul Alam, who was arrested for comments he made on social media.

Hossain’s daughter Sara is a well-known lawyer who helped secure Alam’s bail last week.

Hasina has introduced laws that rights groups say give her sweeping powers to go after dissenters and gag the media.

The veteran leader called them a “preplanned effort” to create “not even a one-party state, but a one-person state.”

“The real danger of having an authoritarian government like the present one is, God forbid if it survives the next election, many of us will not be able to remain in the country,” said Hossain in reference to his fears that critics will be targeted by the government.

The AL has denied trying to curb free speech or media freedom and called cases filed against BNP members legitimate.

Hossain was born to a physician father under British rule in what is now Kolkata in eastern India. That was before the division into India and Pakistan, out of which Bangladesh was carved following a war in 1971.

He was jailed alongside Hasina’s father and later served him as the country’s first law minister.

He went on to work in various roles at the United Nationsafter quitting the AL in the early 1990s to form the rival People’s Forum.

BNP insiders say his international standing and image as a freedom fighter were reasons behind bringing him into front the alliance.

But some question whether Hossain has the characteristics needed for the uglier side of Bangladeshi politics.

“He is not a rebellious leader, he is a classic constitutional lawyer,” said Shahdeen Malik, a Supreme Court advocate and a professional acquaintance. “Intuitively, he would do things by the book, and in our politics that can be a disadvantage – that to me is his main weakness.”

Political analyst Afsan Chowdhury told Al Jazeera that Hossain’s association with the alliance will benefit the BNP. “I don’t know how much it will improve BNP’s vote bank but it certainly has uplifted BNP’s image,” he said.

Chowdhury said amid the incarceration of Zia, the BNP lacked a guardian to lead the election. “So after aligning with Hossain, the BNP has got a formidable leadership.”

Content Protection by DMCA.com

আ.লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ১০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে চীন

Content Protection by DMCA.com

শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করবে চীন। উদ্দেশ্য একটাই, বাংলাদেশের আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধী জোট ঐক্যফ্রন্টকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা। যার চালিকা শক্তি হলো খালেদার দল বিএনপি। শুধু তাই নয়, তাদের সঙ্গে রয়েছে মৌলবাদী দল জামায়াতে ইসলামী। বিএনপি ও জামায়াতের মূল বৈশিষ্ট্য এরা উভয়ই পাকিস্তান ও চীনপন্থী। অতএব নিজেদের স্বার্থেই চীন বাংলাদেশের এই বিরোধী ঐক্যফ্রন্টকে ক্ষমতায় ফেরাতে আদাজল খেয়ে নেমেছে।
যুগশঙ্খ লিখেছে, ঢাকার প্রশাসন সূত্রে খবর, দীর্ঘ দশ বছর ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনাকে যেন-তেন প্রকারে গদিচ্যুত করে খালেদার জোটকে মসনদে বসাতে তৎপর চীন। আর এ জন্যই তারা এ অর্থ ব্যয়ে প্রস্তুত।
প্রশ্ন উঠেছে, কেন হাসিনা সরকারের প্রতি এমন বিরাগভাজন হলো চীন?
দেখা গেছে, সম্প্রতি বেশ কয়েকটি বড় বড় প্রকল্প থেকে চীনকে বাদ দেয় হাসিনা সরকার। যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ছিল বঙ্গোপসাগরের একটি প্রকল্প। হাসিনা সরকারের উপর বেইজিংয়ের আক্রোশের পেছনে এটিই বড় কারণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। যার ফলে হাসিনা সরকারকে কুরসিচ্যুত করতে চীনের ১০ বিলিয়ন অর্থব্যয়। একইসঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্যও বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করেছে চীন।
প্রশ্ন উঠেছে, অতীতে পদ্মপারের এই দেশের নির্বাচনে যেখানে বিন্দুমাত্র নাক গলায়নি বেইজিং, সেখানে এবার এই সক্রিয়তা কেন? কেন বাংলাদেশের ভোট নিয়ে এত উদ্বিগ্ন চীন?
প্রতিবেদনে পত্রিকাটি লিখেছে, সূত্রের খবর, এনিয়ে ঢাকার চীনা দূতাবাস তিন বার বিবৃতি দিয়েছে। পাশাপাশি বিরোধীদের সঙ্গে একাধিকবার গোপন বৈঠকও করেছে। বিএনপির শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন নেতার সঙ্গে ঢাকার চীনা দূতাবাসের কয়েকজন কর্মকর্তা গোপন বৈঠকও করেছেন বলে জানা গেছে। সেখানেই এই আর্থিক সাহায্য দানের কথা বলা হয়। অন্য একটি সূত্রমতে, শুধু দশ বিলিয়ন নয়, তারও বেশি অর্থ ব্যয়ে রাজি চীন।
পরিসংখ্যান বলছে, চীন বাংলাদেশে রপ্তানি করে প্রায় ১৬ থেকে ১৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। সবমিলিয়ে বাংলাদেশকে তারা বছরে একশো কোটি ডলারের অর্থসাহায্য দেয়। তবে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সফরের সময় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২৪ বিলিয়ন বা দুই হাজার চারশো কোটি ডলারের সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষনা করেন। বাংলাদেশের পরিকাঠামোগত প্রকল্পে ৩১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে চীন। যা পাকিস্তানের পরই দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ। এর মধ্যে রয়েছে, সড়ক,রেল,কয়লা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পানি পরিশোধনগার নির্মাণ। বাংলাদেশে বর্তমানে চীনা বিনিয়োগ সরকারি এবং বেসরকারি খাতে মোট ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এছাড়া কৌশলগত অংশীদার হিসাবে চীনের শেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জ ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের যৌথ কনসর্টিয়ামের কাছে বাংলাদেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ২৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
/দৈনিক যুগশঙ্খ

Content Protection by DMCA.com

গণগ্রেপ্তার থেকে রেহাই পাচ্ছে না প্রার্থীরাও, ইইউ প্রতিনিধি দলকে বিএনপি

Content Protection by DMCA.com

 

ইইউ প্রতিনিধি দলকে বিএনপি: গণগ্রেফতার থেকে রেহাই পাচ্ছে না প্রার্থীরাওইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য এখন পর্যন্ত সারাদেশে ‘লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরী হয়নি।

বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার ও তাদের বিরুদ্ধে নতুন নতুন মামলা দায়ের আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনুকূল নির্বাচনী পরিবেশের প্রধান অন্তরায় বলে ইইউ প্রতিনিধিদলকে জানান তারা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে ইইউর নির্বাচন বিশেষজ্ঞ দলের সঙ্গে দলটির নেতাদের পৌনে দুই ঘন্টাব্যাপী বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে এসব বিষয় জানানো হয় বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়।

তবে বৈঠকের পর ইইউ প্রতিনিধি দল কিংবা বিএনপি নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে কিছু বলেননি।

ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনজিং টিরিংকের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ইইউর নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ডেভিড নোয়েল ওয়ার্ড ও ইরিনি মারিয়া গোনারি ছিলেন।

বিএনপি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আরও ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক রুমিন ফারহানা, নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল প্রমুখ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির কূটনৈতিক শাখার এক সদস্য বলেন, বৈঠকে ইইউর প্রতিনিধি দলের সদস্যরা নির্বাচনের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখন পর্যন্ত সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। তফসিল ঘোষণার দিন থেকে এ পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট গ্রেফতার ও মামলার তথ্য জানানো হয়েছে। সারা দেশে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার অব্যাহত রয়েছে। বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের গ্রেফতারের বিষয়েও অবহিত করেছেন তারা।

সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার মামলা ও তার অসুস্থতার কথাও জানান বিএনপি নেতারা। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের কাছে বিতর্কিত পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের রদবদলের জন্য তালিকা দেওয়া হলেও ইসি কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলেও তাদের অবহিত করেন বিএনপি নেতারা।

ইইউর প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা নির্বাচনের সময় পর্যবেক্ষক পাঠাবেন না। তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন।

Content Protection by DMCA.com

ভারতে প্রমোদ ভ্রমণে ২৫ কর্মকর্তা পাঠিয়ে বিতর্কে জড়ালো সেনাবাহিনী!

Content Protection by DMCA.com
ভারতে প্রমোদ ভ্রমণে সেনাবাহিনীর বিতর্কিত ২৫ কর্মকর্তা
ভারতে প্রমোদ ভ্রমণে সেনাবাহিনীর বিতর্কিত ২৫ কর্মকর্তা

এ মুহূর্তে স্বস্ত্রীক ভারতে প্রমোদ ভ্রমণে রয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৫ বিতর্কিত কর্মকর্তা। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের এ ভারত সফর ইতোমধ্যেই জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

গত ২৬ নভেম্বর ভারতের অর্থায়ন ও পূর্ণাংঙ্গ সহযোগিতায় স্বস্ত্রীক ভারতে যান এই ২৫ সেনা কর্মকর্তা। আগামী ২ ডিসেম্বর তাদের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। ভারতীয় বিমানবাহিনীর দু’টি বিমানে করে তাদের বিশেষ মর্যাদায় ভারতে নিয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশী সেনা কর্মকর্তাদের এ সফর জনমনে আরও বেশি সন্দেহ সংশয়ের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে এই ২৫ কর্মকর্তার পরিচয় গোপন রাখা ও বাহিনীতে তাদের অবস্থান কি সে সম্পর্কিত তথ্য কোন পক্ষ থেকেই প্রকাশ না করায় ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে।

null

ভারতীয় দূতাবাস থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, বিশেষভাবে নির্ধারিত এই দু’টি সামরিক বিমানে করেই ৫০ সদস্যের এ দলটি দিল্লী, আগ্রা, কলকাতা ও চুরুলিয়াতে ভ্রমণ করবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান এম এ আজিজের পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়েই ভারত এই ভ্রমণের আয়োজন করেছে বলে তাদের দাবি।

বাংলাদেশের বিগত ৫ জানুয়ারীর ভোটারবিহীন নির্বাচনে ভারতের প্রকাশ্য সমর্থনকে দেশের মানুষ অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ বলে মনে করছে। তাই এবারের নির্বাচনে ভারতের ভূমিকার দিকে সবাই সচেতনভাবেই নজর রাখছে। বাংলাদেশে যখন জাতীয় নির্বাচনের জোর প্রস্তুতি চলছে তারই মধ্যে ভারতের পৃষ্ঠপোষকতায় কিছু সেনা কর্মকর্তার এই বিশেষ ভ্রমণ জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সেনাবাহিনী দেশের মানুষের আস্থার স্থল। জাতীয় রাজনীতির এই সঙ্কটকালীন মূহুর্তে বৈরি আচরণ প্রদর্শনকারী ভারতের সাথে সেনা কর্মকর্তাদের এই দহরম মহরম বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ভবিষ্যত নিয়ে স্বাধীনচেতা জনগণকে শঙ্কায় ফেলেছে। সেই সাথে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ভবিষ্যত কি তা নিয়েও নতুন করে ভাবনায় পড়েছে দেশের মানুষ।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক নদীতে বাঁধ নির্মাণ করে বাংলাদেশকে মরুকরণ, অব্যাহত সীমান্ত হত্যা, জনসমর্থনহীন অবৈধ সরকারকে সমর্থন, অস্ত্র ও মাদক পাচার, ব্যবসা-বাণিজ্যে হস্তক্ষেপসহ বাংলাদেশের সাধারন জনগণের সাথে নানাভাবে বৈরিতা করে আসছে প্রতিবেশী ভারত। শুধু যে বাংলাদেশের সাথেই এমনটি করছে তা নয়, প্রতিবেশী অন্যান্য রাষ্ট্রও ভারতের অপরাজনীতির শিকার। নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।অ্যানালাইসিস বিডি

Content Protection by DMCA.com

কথা শুনছে না সেনাবাহিনী, সরে যাচ্ছে পুলিশ, ভিত নড়ে গেছে সরকারের: ডা. জাফরুল্লাহ

Content Protection by DMCA.com

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথা তাঁর সেনাবাহিনী এখন শুনছে না। পুলিশ এখন আমাদেরকে বলছে আন্দোলনের মাঠে অবস্থান করতে। বোঝাই যাচ্ছে, সরকারের ভিত নড়ে গেছে’ – বলেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘২ মাস আগে প্রেসক্লাবের সামনে আমি দেখেছি পুলিশ আমাদেরকে বলেছে, স্যার যায়েন না, এইখানে থাকেন। সেটা দু’মাস আগের কথা। এখনকার পরিস্থিতি তো আরও পরিবর্তন হয়েছে।’

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘যাদেরকে এত ভয় করেন পুলিশ ও র‌্যাবের ডিজি তারা এখন যোগাযোগ করছে বিভিন্ন জায়গায়। তাই আপনারও ভয় পাবেন না। তারা সর্বোচ্চ কি করতে পারে- ধরে নিয়ে যাবে, সর্বোচ্চ মেরে ফেলবে। ১৯৭১ সালে আমাদের মরে যাওয়ার কথা ছিল। গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করতেই আমরা এখনও বেঁচে আছি।’

শনিবার (২৪ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ’৭১’র মুক্তিযুদ্ধ ও আজকের বাংলাদেশ, আসন্ন নির্বাচনে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যাশা এবং করণীয় শীর্ষক এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘নির্বাচনের সময় আমি কোনও মুক্তিযোদ্ধার মুখে শুনতে চাই না যে মাঠে পুলিশ আছে বলে আমরা যেতে পারছি না। কত লাখ পুলিশ এখানে আছে? আমাদের পক্ষে জনগণ আছে ১৮ কোটি। আমরা যেসব সমাবেশ করেছি সব জায়গায় পুলিশ রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছিল। তবুও হেঁটে গিয়ে মানুষ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেছে। এ ধরনের ঘটনা দেখা গেছে সত্তরের দশকে মাওলানা ভাসানীর ডাকে মানুষ যখন আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল।’

তিনি বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আমার প্রত্যাশা- এবারের জাতীয় সংসদে কমপক্ষে ১৫ জন মুক্তিযোদ্ধা নেতা থাকবে। তবেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠা হবে। তারা ১৯৭১ সালে যেভাবে যুদ্ধ করেছিল দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় সংসদেও সেভাবেই অবস্থান নেবেন।’

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। যেন সাধারণ মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারে বা তার মত প্রকাশ করতে পারে। সরকার যখন স্বৈরাচারী হয়ে যায় তখন সে তার অতীত ভুলে যায়। আমরা চাই সেই অতীতকে মনে করিয়ে দিতে। একাত্তরে যুদ্ধ করে আমরা যেমন স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলাম এখনো সেভাবেই জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে আমরা দ্বিতীয় যে কথাটি দিয়েছিলাম সেটি হল ন্যায়বিচার। আমি কখনো বলিনি খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে হবে। আমি বলেছি তাঁর ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সুবিচার পেলেই তিনি আজ কারাগারের বাইরে থাকতেন। আমরা কি টানা দুবার ক্ষমতায় থাকলে শেখ হাসিনার নামে ১৯২টা মামলা দিয়ে দিতাম?’

সরকারের ভিত নড়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে সরকারের ভিত নড়ে গেছে। যখন বেনজির-আসাদুজ্জামানের মত লোকজন যোগাযোগ শুরু করে তখন বোঝা যায় ১ কোটি লোককে গ্রেফতার করা যায় না।’

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘আমরা বৈষম্য দূর করতে চাই। আজকে আমরা দেখছি কেউ কেউ কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যাচ্ছে। আর কেউ দরিদ্র থেকে যাচ্ছে। এ বৈষম্য আমরা দেখতে চাই না। বৈষম্যের কারণে মানুষের দুরবস্থা কি রকম হয় সেটা যদি দেখতে চান তাহলে ধানমন্ডিতে আমার হাসপাতালে আসতে পারেন। সেখানে মানুষ ডায়ালাইসিসের জন্য ৫০০ টাকা দিতে পারে না।’ ‌

/ব্রে‌কিং‌নিউজ

Content Protection by DMCA.com

নৌকার পক্ষে নির্বাচনের ফল কব্জা করতে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের গুপ্ত মিটিং অনুষ্ঠিত!

Content Protection by DMCA.com

গত ২০ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের চার তলার পিছনের কনফারেন্স রুমে এক গোপন মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন –
১) প্রধানমন্ত্রীর সচিব, সাজ্জাদুল হাসান
২) ফয়েজ আহমদ, জনপ্রশাসন সচিব
৩) হেলালউদ্দীন আহমদ, নির্বাচন কমিশন সচিব
৪) কবির বিন আনোয়ার, সচিব পানিসম্পদ (শেখ হাসিনার অফিসের প্রাক্তন ডিজি)
৫) মহিবুল হক, বেসামরিক বিমান পরিবহন সচিব
৬) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কে এম আলী আজম (মহানগরী রিটার্নিং অফিসার) – সদস্য সচিব
৭) প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া
৮) কাজী নিশাত রসুল, প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-১ (বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারক জজ কাজী গোলাম রসুলের মেয়ে)
৯) মেসবাহউদ্দিন, যুগ্মসচিব, (১১ বিসিএস) অফিসার্স ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ।

এছাড়াও পুলিশের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন:
১. র‌্যাবের ডিজি বেনজীর আহমেদ
২. ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া
৩. ডিএমপির কাউন্টার টেররিজমের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম
৪. পুলিশ হেড কোয়োর্টারের ডিআইজি প্রশাসন হাবিবুর রহমান
৫. ডিএমপির ডিসি প্রলয় জোয়ার্দার (শেখ হাসিনার প্রাক্তন প্রটোকল অফিসার)

রাত সাড়ে ৭টা থেকে আড়াই ঘন্টা ধরে চলা এ মিটিংয়ে সারাদেশের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং সেট-আপ ও প্লান রিভিউ করা হয়। ডিআইজি হাবিব জানায়, পুলিশ সূত্রের খবর অনুযায়ী ৩৩টি সিট নৌকার কনফার্ম আছে, এবং ৬০-৬৫ টিতে কনটেস্ট হবে, বাকী আর কোনো সম্ভাবনা নেই। কাজেই সাংঘাতিক কিছু করা ছাড়া এ খেলা উৎরানো যাবে না।

বিস্তারিত আলোচনা শেষে মূল সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, নির্বাচন কমিশন থেকে বিএনপি-ফ্রন্টকে চরম অসহযোগিতা করা হবে, যতই চাপ দেয়া হোক প্রশাসনে হাত দেয়া যাবেনা, ধরপাকড় বাড়ানো হবে, প্রার্থী গুম খুণ করে এমন অবস্থা তৈরী করা হবে যাতে তারা নির্বাচন থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
আর শেষ পর্যন্ত ভোটে থেকে গেলে ভোটের দিন পর্যন্ত ধরপাকড়ের তান্ডব চালানো হবে নির্দয়ভাবে, যেনো ভোট কেন্দ্রে কেউ হাজির হতে সাহস না করে। আর যদি ভোটের ফ্লো ঠেকাতে না যায়, তবে মিডিয়া ক্যু করে নৌকাকে জিতানো হবে, বিটিভির মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণা করে সব মিডিয়াতে তা রিলে করার ব্যবস্থা করা হবে। একবার ফল ঘোষণা করতে পারলে তারপরে নির্মমভাবে সব ঠান্ডা করা হবে।

এরপর থেকে এ ধরণের সভা খুব বেশি করা যাবেনা, তবে কনসালটেশন করে কাজ করা হবে। খবর ডিআইজি হাবিব সূত্রের।

উল্লেখ্য, উন্নয়ন প্রকল্প তদারকির নামে আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষে ৮ জন আওয়ামী দলীয় কর্মকর্তা দিয়ে মনিটরিং সেল গঠন করে পুলিশ সদর দপ্তর। এছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক ও বর্তমান ৪৫ জন সিনিয়র কর্মকর্তাকে ৬৪ জেলার উপদেষ্টা (মেনটর) নিয়োগ করে একটি নজিরবিহীন সরকারী আদেশ জারী করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ নিয়ে বিএনপির লিখিত আপত্তির প্রেক্ষিতে তা বাতিল করতে বাধ্য হয়। কিন্তু গোপনে ঐসব কর্মকর্তারা জেলায় জেলায় মনিটরিংয়ের কাজ এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন। এর বাইরে সারা দেশের ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করার লক্ষে শেখ হাসিনা প্রথম তালিকার ৬ জন সচিবকে নিয়ে একটি গুপ্ত কমিটি গঠন করেছেন। সেই কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা অফিসার্স ক্লাবে। মুলত এখানে সব ধরণের অফিসারদের গমনাগমণ ঘটে থাকে, তাই বিরোধী পক্ষের চোখ এড়ানো সহজ হবে মনে করে জনবহুল এই স্থানে গুরুত্বপূর্ন সভাটি বসে।

Content Protection by DMCA.com

গায়েবি মামলাকারী পুলিশের পক্ষে কতটা নিরপেক্ষ থাকা সম্ভব, প্রশ্ন ইসি মাহবুব তালুকদারের  

Content Protection by DMCA.com

 

তফসিল ঘোষণার আগে যে পুলিশ গায়েবি মামলা করেছে, তফসিল ঘোষণার পরে তাদের পক্ষে রাতারাতি পাল্টে গিয়ে নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন কতটা সম্ভব এই প্রশ্ন তুলেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মাহবুব তালুকদার।

বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সভায় ইসি কমিশনার মাহবুব চার পৃষ্ঠার লিখিত বক্তব্যে এসব প্রশ্ন তোলেন।

সিইসির সভাপতিত্বে সভায় চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, অতিরিক্ত সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, আইজিপি, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক, ডিএমপি কমিশনারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা প্রসঙ্গে মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘গাজীপুরে নির্বাচনকালে ইউনিফরমধারী পুলিশ ও সাদা পোষাকের পুলিশ অনেক ব্যক্তিকে বাসা থেকে কিংবা রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ আছে। অনেককে অন্য জেলায় নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের একজন ছাড়া পুলিশ অন্যদের গ্রেফতারের বিষয়ে কোনো স্বীকারোক্তি করেনি। নির্বাচনের পর দেখা যায় তাদের ১০ জনকে অন্তত কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাওয়া গেছে’। মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘গ্রেফতার না করলে তারা কারাগারে গেলেন কীভাবে? এ প্রশ্নের কোনো জবাব পাওয়া যায়নি’।

সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত গায়েবি মামলা প্রসঙ্গে মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘বর্তমানে বহুল প্রচলিত গায়েবি মামলা এখন আর গায়েবি আওয়াজ না। মাননীয় হাইকোর্ট পর্যন্ত এ ধরনের মামলাতে পুলিশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হয় বলে উল্লেখ করেছেন। ঢাকার পুলিশ কমিশনার মহোদয় মহোদয় পুলিশ বাহিনীকে গায়েবি মামলা না করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তারপরও অনেক ক্ষেত্রে এরূপ মামলা চালু রয়েছে’। আমার প্রশ্ন হলো সিডিউল ঘোষণার পূর্বে যে পুলিশ গায়েবি মামলা করেছে, সিডিউল ঘোষণার পরে তার পক্ষে রাতারাতি পালটে গিয়ে নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন কতটা সম্ভব? এ প্রশ্ন মনে জাগে’। তিনি বলেন, ‘পুলিশ বাহিনী নির্বাচনে সবচেয়ে বড় সহায়ক শক্তি। তারা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন না করলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে’।

ইসি কমিশনার বলেন, ‘কিছু সংখ্যাক গায়েবি মামলার আসামিদের তালিকা বিরোধী দল থেকে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। যদিও অধিকাংশই পুরনো মামলা। এসব মামলা অজ্ঞাতনামা আসামিদের অনেকের আদালত থেকে জামিন নেওয়া হয়তো সম্ভব হবে না। কোনো কোনো সম্ভাব্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা থাকার কারণে তারা নির্বাচনী প্রচারকাজ চালাতে ভয় পাচ্ছেন। এহেন ভয়ভীতি অমূলক নয়। নির্বাচন ব্যবস্থাপনাকে স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে নির্বাচন পূর্ব সময়ে প্রার্থীরা যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সে জন্য ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এ সর্ম্পকে নির্বাচন কমিশন থেকে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা যথাযথভাবে পালন করা প্রয়োজন’।

ইসি কমিশনার বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মিডিয়ায় যে বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে তা হলো, নির্বাচন কর্মকর্তাদের তথ্য সংগ্রহে পুলিশ দুই মাস পূর্ব থেকে মাঠে নেমেছে। তারা প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পুলিং কর্মকর্তাদের বিষয়ে নানারুপ তথ্য সংগ্রহ করছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এই তথ্যানুসন্ধানের বিষয়ে পুলিশকে কোন নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। কমিশন নির্বাচন কর্মকর্তাদের তথ্য সংগ্রহের জন্য কোনো নির্দেশনা দেয়নি। সুতরাং এসব কর্মকাণ্ড কে কি উদ্দেশ্যে করছে তা রহস্যজনক। বলা বাহুল্য অতি উৎসাহী কিছু পুলিশ সদস্যের এই কর্মকাণ্ডে ব্যাপক বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে, যার দায় নির্বাচন কমিশনের ওপর এসে পড়ে’। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনভাবেই এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ হতে দিতে পারি না। আর একথা সত্য যে আমরা প্রশ্নবিদ্ধ হলে তার দায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর বর্তাবে এবং আপনারা প্রশ্নবিদ্ধ হলে আমরা দায় এড়াতে পারবো না’।

মাহবুব তালুকদার বরিশাল সিটি নির্বাচন অনিয়ম প্রসঙ্গে বলেন, “কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিরোধী প্রার্থীদের পুলিশ অযাচিতভাবে হয়রানি করা হয়েছে। আবার সরকারি দলের প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় পুলিশকে নিষ্ক্রীয় থাকতে দেখা গেছে। শুধু তাই নয় উল্টো বিরোধী প্রার্থীর প্রচার প্রচারণায় পুলিশের অযাচিত হস্তক্ষেপের অভিযোগ রয়েছে”। তিনি বলেন, “বরিশাল সিটি নির্বাচনের ভোট বন্ধ করে দেওয়ার জন্য সব কমিশনার একমত হলেও নির্বাচন বন্ধ করলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে কিনা এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব হবে কি না তা ভেবে নির্বাচন বন্ধ করা থেকে আমরা বিরত থাকি’।

মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘১৯৭০ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক থাকাকালে তৎকালিন জাতীয় নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেছিলাম। নির্বাচন বিষয়ে সেটাই ছিল আমার প্রথম অভিজ্ঞতা। নির্বাচন কমিশনে যোগদানের পর সেই অভিজ্ঞতা দিনে দিনে ফুলে পল্লবে পরিণত হয়েছে’।

উল্লেখ্য ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৮ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই ২ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ ৯ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ ১০ ডিসেম্বর।
শীর্ষনিউজ/এসএসআই

Content Protection by DMCA.com
« Older Entries