যেমন হওয়া দরকার আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা

ফাইজ় তাইয়েব আহমেদ

কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভয়কে জয় করে স্কুল শিক্ষাকে মানসম্পন্ন ও মানবিক করুন। 

সমাজ ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দুর্বিত্তায়নের একমুখী ও ক্রমাগত পেনিট্রেশনের মধ্যে দিয়ে সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বিষয়াদির মধ্যে আছে আমাদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থাপনা। রাজনৈতিক দুর্বিত্তায়নের কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থাপনার মান, শ্রেণী শিক্ষার মান, শিক্ষকের মান ইত্যাদি পড়ে গেছে। জ্ঞান, প্রজ্ঞা, মূল্যবোধ ও নৈতিকতা তৈরি ও রক্ষার সামাজিক প্রতিষ্ঠান গুলো অধঃপাতে যাওয়ায়, “মান” বিষয়টা সব যায়গা থেকে হারিয়ে গেছে। রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন স্থানীয় সরকার এবং তৃণমূলের দিকে অগ্রসর হবার সাথে মেম্বার, চেয়ারম্যান, ওয়ার্ড কমিশনার, মেয়র কিংবা এমপি’রা স্থানীয় স্কুল গুলোর অবিভাবক কমিটির সভাপতির পদ বাগিয়ে নিয়েছে। ফলে স্কুল ভর্তি এবং শিক্ষক নিয়োগ বেপারোয়া রাজনৈতিক জালিয়াতির অতলে গেল এবং সেই সাথে গেল শিক্ষার মান এবং অবিভাবক সচেতনতা। বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তি হিসেবে নিজেদের পরিচিত করে একদল কালো টাকার মালিক, ব্যবসায়ী কাম রাজনৈতিক দুর্বিত্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় এসে চাঁদার বিনিময়ে স্কুল ভর্তির বাণিজ্য দাঁড়া করেছে। ফলে সব দিক থেকে শ্রেণী শিক্ষা ব্যবস্থাপনা নৈরাজ্যকর হয়ে উঠেছে। এই নৈরাজ্যের ব্যবস্থায় শিক্ষক নামধারী কিছু নির্বোধ তৈরি হয়েছে। ফলে সাধারণ অভিভাবকগণ স্কুল প্রশাসনের ভয়ে ভীত। আগের দিনে ভালো স্কুল গুলোর শিক্ষকদের বিএড, এম এড ডিগ্রি থাকা লাগতো। এই বিএড এবং এম এড কোর্সে শিক্ষকগণ শ্রেণী পাঠদানের পদ্ধতি, ছাত্র ছাত্রীর সাথে যোগাযোগের (মুড অফ কমিউনিকেশন) বিষয়ে ধারণা পেতেন। অর্থাৎ শিক্ষাকে অর্থবহ করার একটা চেষ্টা ছিল তাতে। কয়েকজনের সাথে আলাপ করে বোঝা গেল, এইসব ট্রেনিং এ কিভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক এজেন্ডার বাস্তবায়ন ঘটানো যায় তার নির্দেশনা আসে এখন। 

১। স্কুল প্রশাসনের শিক্ষাদান ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ট্রান্সপারেন্ট হচ্ছে কিনা, বৈষম্যহীন এবং মান্সসম্পন্ন হচ্ছে কিনা তার জন্য একটা স্থায়ী “স্টান্ডার্ড অডিটিং” সিস্টেম থাকা দরকার, যেখানে একটি স্কুল বছরে অন্তত একবার নিরীক্ষায় পড়বে এবং এর মধ্য দিয়ে বহুবিধ “মানের” ইনডেক্সে স্কুল ও শিক্ষকের র‍্যাংকিং হবে। এই অডিটিং ব্যবস্থার ফলাফল অনলাইন করা হবে যাতে যে কেউ যে কোন সময় স্কুল শিক্ষার মান, ব্যবস্থাপনা মান এবং শিক্ষক মূল্যায়নের স্কুল ভিত্তিক গড় স্কোর অনলাইনে দেখতে পাবে। শুধু ব্যক্তি শিক্ষকের শিক্ষাদান ও ডেভেলপমেন্ট স্কোর পাব্লিকলি এভেইলেবল হবে না যা স্কুল পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে। এর মাধ্যমে শিক্ষা প্রশাসনের মানগত ভিজিবিলিটি আসবে আর ব্যক্তি অভিভাবকও শিক্ষার মানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত কিংবা চাপ দিতে পারে। বাংলদেশে শিক্ষা প্রশাসনে ভিন্ন ভিন্ন খাত ব্যবস্থাপনায় উচ্চ হারে টাকা খরচ হলেও “নিয়মিত বাৎসরিক বা ষান্মাসিক” স্কুল শিক্ষা মান ও শিক্ষাদান পদ্ধতি যাচাইয়ের মানদণ্ড বা স্টান্ডার্ড চেকলিস্ট তৈরি হয়নি। পরিচালনা কমিটির নামে অভিভাবক কমিটি এবং রাজনৈতিক নেতারা এইসব কাজ করছে এবং যে যেভাবে পারছে নিজ নিজ ক্ষমতা প্রয়োগ করছে। যে অভিভাবক কমিটি স্কুলের সাধারণ কাজে সাহায্যকারী (খাবার, ক্লিনিং, ইভেন্ট আয়োজন) হিসেবে থাকার কথা শুধু, তারাই দেখা যাচ্ছে তারা স্কুল পরিচালনাকারী এবং নিয়োগদাতা হিসেবে কাজ করছে। তারাই সব খরচ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করছে, করছে ভর্তি বাণিজ্য। লাভজনক হয়ে যাবার কারণে রাজনৈতিক নির্বাচনের মতই অভিভাবক নির্বাচনও একটা বড় ব্যবসা হয়ে গেছে।

২। সর্বস্তরের শিক্ষায় শিক্ষক মূল্যায়ন (ট্রেনিং একাডেমী, বহিরাগত শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী, তবে স্কোরিং ওয়েট নিয়ে আলোচনা হতে পারে) চালু করা। শিক্ষকদের কোম্ফোর্ট জোন থেকে বের করে এনে কন্টিনিউস ডেভেলপমেন্ট এবং সিকুয়েনশিয়াল স্টেইজে বিন্যস্ত ট্রেনিং ফেইজে নিয়ে আসা দরকার। এই ট্রেনিং গুলোতে শিক্ষকদের জ্ঞানগত উন্নতি যেমন প্রাধান্য পাবে, তেমন শিক্ষা দানের মানবিক ও আনন্দময় পদ্ধতিও প্রাধান্য পাবে। 

৩। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষকের কোচিং নিষিদ্ধ করা এবং শিক্ষকের বেতন নগরে পরিবার নিয়ে চলার মত পরিমাণে (কষ্ট অফ লাইফ) বাড়ানো না গেলে স্কুল শিক্ষাকে প্রতিস্থাপন করে ফেলা কোচিং কখনই বন্ধ হবে না। 

৪। কোচিং বন্ধের পরোক্ষ পদক্ষেপ হিসেবে মূল সাবজেক্টে বাড়ির কাজ দিবার প্রথা উঠিয়ে দেয়া নিয়ে ভাবতে হবে, শিক্ষক কে বাধ্য করতে হবে বাড়ির কাজ শিক্ষার্থী স্কুলেই সারবেন। এটা করা হয় কিনা তার জন্য র‍্যান্ডম অডিট ব্যবস্থা চালু করতে হবে। বাড়ির কাজে যাবে শুধু নৈর্বত্তিক ও ঐচ্ছিক বিষয়াদি, যেমন দেশের বিভিন সমস্যা, দূষণ, পরিবেশ জলবায়ু পরিবর্তন গত বিষয়াদি, শৃঙ্খলা গত জ্ঞানের হোম ওয়ার্ক, যার সাথে পরিক্ষায় মার্ক পাবার কোন সম্পর্ক নেই। এর বাইরে যা করতে হবে, তা হচ্ছে দৈবচয়নে বহিরাগত শিক্ষক দিয়ে প্রশ্ন তৈরি ও উত্তরপত্র মূল্যায়নের নিশ্চয়তা। এতে করে বেশি নম্বর পাবার জন্য নির্দিস্ট শিক্ষকের বাসায় গিয়ে প্রাইভেট পড়ার বাধ্যবাধকতা কমে যাবে। 

৫। ছাত্র ছাত্রীর প্রমোশন একক লিখন পরিক্ষা নির্ভর না করে সেখানে কথন, বলন, লিখন, শ্রবণ ঝোঁক উপস্থাপনা এবং বুদ্ধিমত্তা নির্ণয় কেন্দ্রিক স্কুল পরিক্ষা মডেল চালু করুন। একক লিখন কেন্দ্রিক পরিক্ষায় বহু মুখস্ত করার ঝোঁক থাকে বলে নকলের প্রবণতা প্রবল।

৬। স্কুল কিভাবে অভিভাবকের সাথে যোগাযোগ করবে তার “মুড অফ কমিউনিকেশন” ঠিক করা চাই। অর্থাৎ একটা শিক্ষা সহায়ক এবং ইন্টারেক্টিভ স্কুল কমিউনিকেশন ব্যবস্থা দাঁড়া করানো দরকার যেখানে স্কুল বছরে অন্তত দুইবার শিক্ষার্থীর বহুবিধ ডেভেলপমেন্ট নিয়ে অভিভাবকের সাথে একটা মানবিক, মর্যাদাপুর্ণ এবং শিক্ষা সয়াহক পরিবেশে কমিউনিকেইট করবেন। আবার এই যোগাযোগের কতটা অনলাইন হবে এবং কতটা অফলাইন হবে সেটাও ঠিক করতে হবে।

৭। মাধ্যমিক পর্যন্ত পাবলিক স্কুলিং এলাকা ভিত্তিক করে এলাকা ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডেভেলপে মনঃ দেয়া দরকার। এতে ভর্তি বাণিজ্যে ভাটা আসবে এবং অভিভাবক কমিটির দাপট কমে আসবে। অন্যদিকে স্কুলিং এলাকা ভিত্তিক হলে নগরে যানজট কমবে, অর্থাৎ আন্তঃ এলাকা যান পরিবহণ কমিউটেশন কমে আসবে।

৮। স্কুল শিক্ষাকে লিখতে পারা, অংক পারা আর মুখস্ত বলতে “পারা”র হিসেব থেকে বের করে আনতে হবে। একটা বাচ্চার মানসিক, সামাজিক, ইমোশনাল, বিহেভিয়ারাল, এথিক্যাল, ফিজিক্যাল, বুদ্ধিগত ও শিক্ষা গ্রোথ মিলিয়ে বহুবিধ ডেভেলপমেন্ট যাচাই হোক মূল থিম। এতে কোন বাচ্ছার কোন ধরণের ডেভেলপমেন্ট এইড দরকার তা বেরিয়ে আসবে এবং সেভাবে স্কুলিং ব্যবস্থা সাজানো যাবে। স্কুলে ডাক্তার, মোনোবিদ রাখা, পরিবেশ সচেতন পরিচ্ছন্নতা কর্মী রাখা সময়ের দাবি। 

৯। শুধু মাত্র অতি নিন্ম মানের টয়েলেটের কারণে আমাদের ছেলে মেয়েরা স্কুলে যেতে চায় না। দীর্ঘ সময় টয়লেট চেপে থাকার কারণে তাঁদের রোগবালাই তৈরি হচ্ছে। স্কুলে স্যানিটারি ফ্যাসিলিটি না থাকায়, সীমিত কিছু স্কুলে থাকলেও তার মেইন্টেনেন্স না হওয়ায় শহর গ্রামের স্কুলে মেয়েদের খুব অসুবিধা হয়। অধিকাংশ স্কুলের টয়লেটে নাক চেপে যাওয়াও দায়। 

১০। মাথাপিছু শিক্ষার্থী সংখ্যার বিপরীতে শিক্ষক সংখ্যার মানদন্ড তৈরি করা আজ বড়ই দরকার। ভিকারুন্নিসা স্কুলে দেখা গেছে একটা মাত্র শ্রেনীকক্ষে ৮৪ জন শিক্ষার্থী, এই সমস্যা বহু স্কুলে। একজন শিক্ষকের পক্ষে এক ঘন্টায় ২০ বা ২৫ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে সময় দেয়া অসম্ভব। শ্রেণীতে অধিক সংখ্যক ছাত্র ছাত্রী থাকায় তারা ঝাঁকে ঝাঁকে আসছে, আর যাচ্ছে, কিন্তু শিক্ষক জানেন না তারা কি শিখছে! এভাবে চলে না। স্কুলে সংখ্যা বাড়াতে হবে, মাথাপিছু শিক্ষার্থী হিসেবে শিক্ষক সংখ্যা বাড়াতে হবে। শিক্ষকের ট্রেনিংকে কিন্টিনিউস ডেভেলপমেন্টে আনতে হবে। 

১১। বাংলাদেশের স্কুল গুলোতে ছোট ছোট সময়ের যেমন ৫০ মিনিটা বা ১ ঘন্টার ক্লাসে একই দিনে প্রায় সব বিষয় পড়ানোর চল আছে। এতে করে শিক্ষকরা গাল গল্প করে, পড়া ধরার নাম করে সময় ক্ষেপণ করে চলে যান। বিপরীতে দীর্ঘ পিরিয়ডে ক্লাস নিয়ে কিভাবে পড়ালেখা স্কুলেই সীমাবদ্ধ রাখা যায় রার স্থায়ী পদ্ধতি ডেভেলপ করতে হবে। অষ্টম পর্যন্ত (প্রাথমিক ও নিন্ম মাধ্যমিকে) বাড়ির কাজের নিময় একেবারেই তুলে দিয়ে স্কুলকেই প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষার কেন্দ্র বানাতে হবে। একটা দীর্ঘ সময় স্কুলে থাকার পরেও আমাদের সন্তানদের বাড়িতে এসে পড়তে হবে এটা মানা যায় না। তাই মাথাপিছু শিক্ষকের নিয়োগের মানদণ্ড ঠিক করে দিতে হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে।  
আমাদের দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হচ্ছে কিন্ত তা কর্মসংস্থান তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এর অন্যতম কারণ অল্প সংখ্যাক শিক্ষক দিয়ে অনেক বেশি সংখ্যক ছাত্র ছাত্রীর পাঠদান চালিয়ে নেয়া। অল্প সংখ্যক ডাক্তার নার্স দিয়ে চিকিৎসা চালিয়ে নেয়া। অল্প সংখ্যক পরিচ্ছতা কর্মী দিয়ে বর্জ্যব্যবস্থাপনা চালিয়ে নেয়া। অর্থাৎ সব সেবা খাতেই মানের বালাই না করে যেনতেন করে সেবা চালিয়ে নেয়া। ফলে মান জিনিসটা সব জায়গা থেকে উঠে গেছে। 

বার্ষিক সমাপনী পরিক্ষা শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে আরো একটি শিক্ষা বর্ষ শেষ হতে চলেছে। যেহেতু আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা একটা ভয় ও চাপের যৌথ প্রযোজনা, তাই বছরের এই শেষ কয়েকটা দিন যেন আমাদের শিক্ষার্থীদের হাঁফ ছেড়ে বাঁচার উপলক্ষ, অন্তত কয়েকটা দিনের জন্য হলেও। এই মুক্ত সময়ে কোমলমতি ছেলে মেয়েদের উচ্ছ্বাস গুলো যেন আকাশ ছুঁতে চায়। ইচ্ছারা সব মুক্ত বিহঙ্গ হয়ে বাতাসে উড়তে চায়।কিন্তু তাতেও বাঁধ সেধেছে পরিবেশ, পরিস্থিতি, রাজনীতি ও অটেকসই উন্নয়ন। খেলার মাঠ নেই। নগরীতে নিশ্চিন্তে বাইরে বেরুনোর নূন্যতম নিরাপত্তা নেই। যানজটে সম অপচয়ের অন্তঃ নেই। পৃথিবীর প্রথম তিনিটি অতি দূষিত শহরের তালিকায় থাকা রাজধানীর বাতাসে ধূলি ও ভারী ধাতুর উপস্থিতিতে, অতিমাত্রার স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে দীর্ঘ সময় বাইরে থাকার সুযোগ নেই। অতি কাজ ও যানজটের চাপে নেই বাবা মায়ের সময়। নেই বেড়াতে যাবার ফুসরত!গ্রামের সাথে সংযোগ হারিয়ে শহুরে ক্লেদ ও ক্লান্তির জীবনের সাথে ওয়ার্ক লাইফ ব্যালান্সের কোন যোগ নেই। বিচ্ছিন্ন পারিবারিক মডেলের বিস্তারের সাথে সাথে বর্ধিত পরিবারের সাথে নিবিড় সম্পর্ক নেই।ফলে বিরক্তি অনিচ্ছা, ভয় ও চাপের স্কুল, স্কুল পরিক্ষা আর ক্লাস থেকে আপাত রক্ষা পেলো মুক্তি ও স্বাধীনতার কোন উপলক্ষ নেই। তাই ঘরে বসেই অলস সময়ের বিরক্তি আর টিভির যন্ত্রণা উদযাপন। এরি মধ্য দিয়ে ছুটি নামের এই বিরক্তিকর দিনগুলো শেষ হবে। দ্রুতই ফিরতে হবে সেই স্কুল ও শিক্ষা নামের জেলখানায়।

শিক্ষা ও স্কুল নামের নামের এই জেলখানা গুলোকে মানসম্পন্ন, আকর্ষনীয়, মানবিক করার টেকসই ভাবনা নিয়ে কাজ শুরু করুক আমাদের শিক্ষা প্রশাসন। স্কুল ও শিক্ষা আনন্দময় করার রাজনৈতিক উদ্যোগ নিক আমাদের সরকার। স্কুল যেন আমাদের বাচ্চাদের কাছে ভয়ের বিষয় হয়ে না থাকে।

Facebook Comments
Content Protection by DMCA.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.