আবরার হত্যা কি ইসকন কর্ম, নাকি ছাত্রলীগের নিজস্ব এজেন্ডা?

শামসুল আলম

ঠিক যেসময় আবরারকে পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছিল, ঠিক একই সময়ে বাংলাদেশ সরকারের এক সচিবের সাথে দুই উর্ধতন সেনা কর্মকর্তার খোশগল্প হচ্ছিল। সচিবটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের, অল্প কিছুদিন আগে পদোন্নতি পেয়েছেন। তারা পূর্বপরিচিত ছিল।

একটি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্র সোর্স জানিয়েছে, আমরা এদেশে যতই মুসলমান-হিন্দু মিলে মিশে থাকতে চাইনা কেনো, সবচেয়ে এলার্মিং বিষয় হচ্ছে–ইসকনরা বাংলাদেশে হিন্দুরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে তলে তলে বহুপথ এগিয়েছে। পুলিশ ও সিভিল প্রশাসন প্রায় দখলে নিয়েছে ইসকন গ্রুপ। বাংলাদেশের প্রশাসনে, পুলিশের উর্ধতন মহলে, জজ ও বিচারপতিদের মধ্যে বহু হিন্দু কর্মকর্তারা গোপনে ইসকনে নাম লিখিয়েছে। তারা ইসকনকে নানাভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। তাদের অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা গিয়েছিলেন, পুলিশের হিন্দু কর্মকর্তারা পোষাক পড়েই চলে যান মন্ডপে মন্ডিরে গিয়ে পুজাও দেন পদক নেন, এসব করে ওদের খুনখারাবির সাহসও বাড়িয়ে দিয়ে আসেন। যে অবস্থা চলছে, তাতে সরকারি অফিস আদালত, ক্যাডার সার্ভিস, বেসরকারী চাকরি, পুলিশ, ব্যাংক, বীমা, সরকারি স্কুলগুলো হিন্দু দিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের প্রমোশন হয় সবার আগে, পোস্টিং হয় ভালো ভালো। স্কুলগুলোতে মুসলিম টিচার খুঁজে পাওয়া কঠিন, কিন্তু হিন্দু টিচার দিয়ে ভর্তি, এমনকি আজকাল ইসলাম ধর্ম পড়ায় হিন্দু শিক্ষকরা! চাকরি বাকরিতে ধীরে ধীরে মুসলমানরা সংখ্যালঘু হবার পথে!

একজন সেনা অফিসার কথা শুরু করেন- কি সচিব সাহেব, সব তো দিয়ে এলেন, দেশের একটা দিক ওপেন ছিল, সেই কোস্টাল বেল্টটা না দিলে হতো না?
#সচিব সাহেব চনমন করে উঠলেন। বলছেন কি ভাই, ওটা তো আমাদের নিরাপত্তার জন্য!
#সেনা অফিসার: নিরাপত্তা? আমাদের নিরাপত্তায় ভারত রাডার বসাবে কেনো?
#সচিব: আমরা যেহেতু পারছি না, তাই আমাদের প্রতিবেশীরা সাহায্য করছে! নিতে দোষ কি?
#সেনা অফিসার: আমরা তো এখন মধ্যম আয়ের দেশ, রাডার লাগলে আমরা কি বসাতে পারি না? আসলে এটা যে অন্যরকম ধান্দা, তা বুদ্ধিমান মাত্রই বুঝবে! দেশের প্রতিরক্ষাই আমাদের সাবজেক্ট। খবর তো আর গোপন থাকে না, কিভাবে প্রমোশন জোগাড় করেছেন সেটাও তো আমাদের অজানা নয়, আপনারা দিল্লি কানেকশনটা তো আর অজানা নয়! তা সচিব সাহেব, রিটায়ারমেন্টের আর কত বাকী? কোলকাতায় বাড়িঘর করছেন নি?
#সচিব: কোলকাতায় আর বাড়ি ঘর লাগবে না। যে সিস্টেম করা হইছে, এরপর কোলকাতা থেকেই লোকজন এসে এখানে বাড়ি করবে!
#সেনা অফিসার: তাই নাকি? বিষয়টা কি?
#সচিব: কেনো, প্রিয়া সাহার বক্তব্য মনে নাই? যারা ওপারে চলে গেছে তারা এসে দখল নেয়ার এটাইতো সময়। প্রশাসন পুলিশ সব রেডি করা হয়েছে।
#সেনা অফিসার: বলছেন কি! তাহলে দেশ জুড়ে অনাসৃষ্টি বাঁধাবেন নাকি?
#সচিব: বাঁধলে বাঁধবে। আমরা অনেক বছর অপেক্ষায় ছিলাম।
#সেনা অফিসার: কিন্তু ভাই, কাজটা তো অত সহজ না। ১৭ কোটি মানুষের মধ্যে ১৬ কোটিই মুসলমান, আরো না হয় ২ কোটি আপনাদের সমর্থক বাদ দিলাম। ১৪ কোটি মানুষের সাথে আপনারা কুলাবেন কি করে?
#সচিব: কেনো ভাই, প্রশাসন আছে না? দেখছেন না, আমাদের কোথাও কোনো সমস্যা হচ্ছে না- চাকরি বাকরিতে উন্নতি, যেকোনো সমস্যায় পরলে প্রশাসন থানা পুলিশ মিডিয়া সবাই কি রকম অস্থির হয়ে ওঠে!
#সেনা অফিসার: ওরে ভাই, এই অবস্খা থাকবে না, এটা একটা কৃত্রিম পরিস্থিতি। একটা নড়চড় হলে কোথায় যে হারিয়ে যাবে এই সুখ। এদেশের মানুষ কিরকম জানেন নিশ্চয়- সামান্য কারণে গণপিটুনি দিতে এরা দেরী করে না। এত কিছু লাগবে না, কেবল যদি মহিলারা ঝাড়ু নিয়া নামে তবে প্রশাসন ট্রাশসন সব উড়ে যাবে যাবে!
——————————-
উপরের কথপোকথন একটা নজির মাত্র। বুয়েটে আবরার হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা হচ্ছিল এক সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতির সাথে। তিনি যা বললেন, শেখ হাসিনার এমন নাজুক সময়ে ছাত্রলীগ এই খুন করতেই পারে না, এটা শিওর ভারতীয় চরদের বা ইসকনের কাজ! দেখেন না, অমিত সাহাকে খুনের মামলা থেকে বাদ দিল এবং তাকে বহিষ্কারও করেনি ছাত্রলীগ। তার মানে, এটা ভারতীয় দূতাবাসের নির্দেশেই করা হয়েছে। লক্ষ করুন- ভারতের বিরুদ্ধে লেখালেখি করার কারনে আবরারকে হুমকি দিয়েছিল অমিত সাহা, ধরে এনে তার রুমে মারপিট শুরু করে, ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি লেখক ভট্টাচার্যের হাতে ইসকনের ব্যান্ড, আবরারকে পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করার সময় অমিত সাহা বার বার ফোন করে লেখক ভট্টাচার্যকে জানাচ্ছিল আপডেট, সেই অমিত সাহাকে মামলা না দিয়ে পালিয়ে যেতে দেয়া হলো! আর এই কাজটা সারাদিন বুয়েটে থেকে সম্পাদন করেছে ঢাকা মেট্র পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়। কিন্তু কে এই কৃষ্ণপদ? পুলিশের ১৫ বিসিএসের কৃষ্ণপদ মাত্র ১ মাস আগেই ইসকনের পক্ষ থেকে ‘ক্ষত্রিয় রাজ’ উপাধি পেয়েছেন! আর সেই ক্ষত্রিয় রাজকেই পাঠানো হয় বুয়েটের আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে অপমৃত্যু বানাতে, খুনি ইসকন কর্মী অমিতকে ছেড়ে দিতে! কি সাংঘাতিক কানেকশন! তিনি চেয়েছিলেন সিসিটিভি ফুটেজ মুছতে, শেষে সাধারণ ছাত্রদের চাপে বাধ্য হয়েছে খানিকটা ফুটেজ দিতে। তার মানে দাড়াচ্ছে, ভারতের বিরুদ্ধে লেখার কারণে আবরারকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে ইসকন কর্মী অমিত সাহা, আরেক ইসকন কর্মী লেখক ভট্টাচার্য এতে সহায়তা দিয়েছে, আর হত্যার পরে ইসকনের সমর্থক ‘ক্ষত্রিয় রাজ’ পুলিশ কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ খুনি অমিতকে পার করে দেয়! এ এক ভয়াবহ চক্র! মানুষ কিন্তু ভোলেনি, এই কৃষ্ণপদ রায়ের হাতেই নিহত হয়েছিল খিলগাঁও ছাত্রদল নেতা তানুরুজ্জামান জনি।

কে এই কৃষ্ণপদ? পুলিশের ১৫ বিসিএসের কৃষ্ণপদ মাত্র ১ মাস আগেই ইসকনের পক্ষ থেকে ‘ক্ষত্রিয় রাজ’ উপাধি পেয়েছেন! আর সেই ক্ষত্রিয় রাজকেই পাঠানো হয় বুয়েটের আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে অপমৃত্যু বানাতে, খুনি ইসকন কর্মী অমিতকে ছেড়ে দিতে! কি সাংঘাতিক কানেকশন! তিনি চেয়েছিলেন সিসিটিভি ফুটেজ মুছতে, শেষে সাধারণ ছাত্রদের চাপে বাধ্য হয়েছে খানিকটা ফুটেজ দিতে। তার মানে দাড়াচ্ছে, ভারতের বিরুদ্ধে লেখার কারণে আবরারকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে ইসকন কর্মী অমিত সাহা, আরেক ইসকন কর্মী লেখক ভট্টাচার্য এতে সহায়তা দিয়েছে, আর হত্যার পরে ইসকনের সমর্থক ‘ক্ষত্রিয় রাজ’ পুলিশ কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ খুনি অমিতকে পার করে দেয়! এ এক ভয়াবহ চক্র! মানুষ কিন্তু ভোলেনি, এই কৃষ্ণপদ রায়ের হাতেই নিহত হয়েছিল খিলগাঁও ছাত্রদল নেতা তানুরুজ্জামান জনি।

‘ক্ষত্রিয় রাজ’ কৃষ্ণপদ রায়কে জানতে চাওয়া হোক, উনি কোনটা রাখবেন, পুলিশের সরকারী চাকরি, নাকি ইসকনের নেতাগিরি? এদের দিয়ে বাংলাদেশের কোনো কাজ হবে না, বরং ভারত মাতার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করে দিবে।

‘ক্ষত্রিয় রাজ’ কৃষ্ণপদ রায়কে জানতে চাওয়া হোক, উনি কোনটা রাখবেন, পুলিশের সরকারী চাকরি, নাকি ইসকনের নেতাগিরি? এদের দিয়ে বাংলাদেশের কোনো কাজ হবে না, বরং ভারত মাতার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করে দিবে।
——————————-
একটি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্র সোর্স জানিয়েছে, আমরা এদেশে যতই মুসলমান-হিন্দু মিলে মিশে থাকতে চাইনা কেনো, সবচেয়ে এলার্মিং বিষয় হচ্ছে–ইসকনরা বাংলাদেশে হিন্দুরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে তলে তলে বহুপথ এগিয়েছে। পুলিশ ও সিভিল প্রশাসন প্রায় দখলে নিয়েছে ইসকন গ্রুপ। বাংলাদেশের প্রশাসনে, পুলিশের উর্ধতন মহলে, জজ ও বিচারপতিদের মধ্যে বহু হিন্দু কর্মকর্তারা গোপনে ইসকনে নাম লিখিয়েছে। তারা ইসকনকে নানাভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। তাদের অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা গিয়েছিলেন, পুলিশের হিন্দু কর্মকর্তারা পোষাক পড়েই চলে যান মন্ডপে মন্ডিরে গিয়ে পুজাও দেন পদক নেন, এসব করে ওদের খুনখারাবির সাহসও বাড়িয়ে দিয়ে আসেন। যে অবস্থা চলছে, তাতে সরকারি অফিস আদালত, ক্যাডার সার্ভিস, বেসরকারী চাকরি, পুলিশ, ব্যাংক, বীমা, সরকারি স্কুলগুলো হিন্দু দিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের প্রমোশন হয় সবার আগে, পোস্টিং হয় ভালো ভালো। স্কুলগুলোতে মুসলিম টিচার খুঁজে পাওয়া কঠিন, কিন্তু হিন্দু টিচার দিয়ে ভর্তি, এমনকি আজকাল ইসলাম ধর্ম পড়ায় হিন্দু শিক্ষকরা! চাকরি বাকরিতে ধীরে ধীরে মুসলমানরা সংখ্যালঘু হবার পথে!
——————————-
কিছুদিন আগেও দেখা গেছে, হিন্দু সংগঠন ইসকনের প্রসাদ ও পুজার ভোগ মুসলমান শিশুদের মধ্যে বিতরণ করে ‘হরে কৃষ্ণ’ বলিয়ে ঈমান আকীদা নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তারা বাধা দিয়ে মসজিদের আজান বন্ধ করে দিচ্ছে, তারাবিহ বন্ধ করে দিচ্ছে, গরু জবাই করতে বাধা দিচ্ছে! এভাবে উগ্র হিন্দু সংগঠন ইসকন বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্মীয় উস্কানিসহ নানাভাবে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে চলেছে।

ইসকন কিন্তু বাংলাদেশের কোনো সংগঠন নয়। এর সদর দফতর ভারতের নদীয়া জেলায় অবস্থিত। তারপরেও বিদেশী একটি সংগঠন বাংলাদেশে অনাসৃষ্টি বাধাচ্ছে কোন অধিকার বলে? তাদের কি এদেশে কাজ করার অনুমতি আছে? এদের কাছ থেকে বাংলাদেশের পুলিশ পদক নেয় কি করে? এদের আর বাড়তে দেয়া যাবে না, এখনই থামাতে হবে। সাবধান। দেশ বাঁচাতে বাংলাদেশে ইসকন নিষিদ্ধ করতে হবে।

Facebook Comments
Content Protection by DMCA.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.