শেখ হাসিনাকে ‘রং হেডেড’ ঘোষণা করে সুপ্রীম কোর্ট

১৫ মার্চ ১৯৯৯

প্রধান বিচারপতি এটিএম আফজলের সভাপতিত্বে সুপ্রিম কোর্টের ৫ জন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত আপিল বিভাগের ফুল বেঞ্চ গতকাল এক আদেশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘রংহেডেড’ ঘোষণা করে সাংবিধানিক কার্যক্রম নিয়ে উপস্থিত মন্তব্য করতে আরো সতর্ক থাকতে নিদেশ দিয়েছেন।

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র এডভোকেট ও সুপ্রিমকোর্ট বার সমিতির সভাপতি হাবিবুল ইসলাম ভূঁইয়া আপিল বিভাগে একটি আবেদন দাখিল করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনেন। কর্মরত প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অভিযোগ আনতে গিয়ে এডভোকেট হাবিবুল ইসলাম ভূঁইয়া নিজেকে কোর্টের একজন কর্মকর্তা হিসেবে পুনরায় উল্লেখ করে গত ১ ফেব্রুয়ারী এই আবেদন করেন। আবেদনে তিনি গত ৩০ জানুয়ারি ১৯৯৯ দৈনিক দিনকাল ও দৈনিক সংগ্রামে প্রকাশিত কতিপয় বিবৃতি আমার নজরে আনেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ ভারত থেকে ফিরে গত ২৯ জানুয়ারি গণভবনে অনুষ্ঠিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব বক্তব্য রাখেন বলে অভিযোগে প্রকাশ। দেশের সর্বোচ্চ আদালতে একজন ক্ষমতাসীন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ শুনানি শেষে গতকাল আদেশে বলেন, ‘বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদের বিরুদ্ধে আনীত আদালত অবমাননার মামলাটি দেখলাম।

আবেদনে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে এই অভিযোগ করা হয় যে, কথিত বিবৃতিগুলো সুস্পষ্টভাবে আদালত অবমাননার শামিল। কেননা তিনি ভাল ভাবেই জানেন যে, এ ধরনের বিবৃতি সুপ্রিমকোর্টের বিজ্ঞ বিচারপতিগণ ও বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির ন্যায়পরায়ণতা ও বিচক্ষণতা নিয়ে জনমনে সন্দেহের সৃষ্টি করবে। তথাপি তিনি এ ধরনের মিথ্যা বিবৃতি দিয়ে সুপ্রিমকোর্টের বিজ্ঞ বিচারপতিগণ ও বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির উচ্চ ভাবমূর্তি এবং অভিযোগ করার অযোগ্য ন্যায়পরায়ণতা ও বিচক্ষণতাকে সচেতনভাবে খর্ব করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আবেদনকারী সুষ্ঠু বিচারের প্রার্থনা জানিয়েছেন।

এটর্নি জেনারেলকে অবহিত করে ১৯৯৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে শুনানির জন্য আবেদনটি তালিকাভুক্ত হয়। শুনানিকালে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতিতে কথিত আক্রমণাত্মক অংশ আবেদনকারী উল্লেখ করে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন “……… গত ২৫ ও ২৬ আগস্ট দু’’দিনে হাইকোর্টে ১২শ’ মামলার জামিন হয়েছিল। এটা কখনো হতে পারে না। এরপর কোর্ট পরিবর্তন করা হয়েছে। কিন্তু প্রধান বিচারপতি এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নেননি।

“…. বাংলাদেশের হাইকোর্টের এমন অবস্থা করে রেখে গেছে পূর্বের সরকার যে, দু’দিনে ১২শ’ মামলার জামিন হয়ে যায়। কিভাবে হলো, কেন হলো? এটা কোনদিন হয়? এটা প্রধান বিচারপতির দৃষ্টিতে আনা হয়েছে। যদিও কোর্ট চেঞ্জ করা হয়েছে কিন্তু কোন ব্যবস্থা তিনি নেননি। যদি তদন্ত করা হতো এবং ব্যবস্থা নেয়া হতো তবে জুডিসিয়ালি অনেক দায়-দায়িত্ব থেকে মুক্তি পেত। জুডিসিয়ালি সম্পর্কে মানুষের কোন সন্দেহ দেখা দিত না। শুনানিকালে অন্যান্য বেশ কয়েকটি পত্রিকা যেমন দৈনিক জনকণ্ঠ, প্রথম আলো, বাংলার বাণী, সংবাদ, মুক্তকণ্ঠ, দি নিউ নেশনে প্রকাশিত রিপোর্টও আমাদের কাছে উদ্ধৃত করা হয়। এতে দেখা যায় যে, ‘দিনকাল’ ও ‘সংগ্রাম’ ছাড়া আর কোনো সংবাদপত্রে কথিত মন্তব্য যথাক্রমে …. এটা কখনও হতে পারে না ….. কিভাবে হলো, কেন হলো? এটা কোনদিন হয়? ….. খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে সংবাদ এভাবে লেখা হয়েছে যে,……এদের জামিন কিভাবে হলো সেটাই প্রশ্ন। অনুরূপভাবে সংগ্রাম ছাড়া অন্য কোনো পত্রিকার রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি……বাংলাদেশের হাইকোর্টের এমন অবস্থা করে রেখে গেছে পূর্বের সরকার যে…..তবে প্রায়শই যেমনটা ঘটে তা হল প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, ২ দিনে (২৫ ও ২৬ আগষ্ট ১৯৯৮) হাইকোর্ট (তিনি হাইকোর্ট ডিভিশনের একটি বেঞ্চকে অর্থ করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে) ১২শ’ মামলায় জামিন মঞ্জুর করেছে। এ ব্যাপারে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি শুধু বেঞ্চটি পরিবর্তন করেন। তবে অন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। তিনি পদক্ষেপ নিলে বিচার বিভাগ সম্পর্কে জনগণের কোনো সংশয় থাকত না।

আমাদের এমনও অভিজ্ঞতা রয়েছে যে আমাদের দেশের সংবাদপত্রের খবরের ওপর সবসময় বিশ্বাস করাটা দুর্ভাগ্যজনক হলেও কষ্টকর। এই মামলায় সেই কষ্টকর অবস্থাটা না কমে বরং বেড়েছে। এর কারণ হল প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত (বিনা প্রস্তুতিতে) মন্তব্যের ভিত্তিতেই এ রিপোর্ট পরিবেশন করা হয়েছে। এটর্নি জেনারেল আমাদেরকে জানিয়েছেন যে, সাংবাদিক সম্মেলনে প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তুত করা বিবৃতির ক্যাসেট রেকর্ড আমাদের কাছে রয়েছে। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তার উপস্থিত মন্তব্যের কোনো রেকর্ড আমাদের কাছে নেই। 

২ দিনে ১২শ’ মামলার জামিন মঞ্জুর করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের একটি প্রেক্ষাপট রয়েছে। তা হল ১৯৯৮ সালের সেপ্টেম্বর অক্টোবর মাসে আদালতের বার্ষিক দীর্ঘ ছুটির প্রাক্কালে ২ দিনে (২৬ ও ২৭ আগস্ট, ১৯৯৮) হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চের একটি বেঞ্চ বিপুলসংখ্যক মামলায় জামিন মঞ্জুর নিয়ে কতিপয় সংবাদপত্রে কিছু কিছু রিপোর্ট/মন্তব্য প্রকাশিত হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদার কোন ব্যক্তির নিকট থেকে এ রকম সন্দেহজনক বিবৃতি দেখে আমরা অত্যন্ত বিস্মিত হয়েছি। হাইকোর্টের কার্যক্রম সম্পর্কে জ্ঞাত কোন ব্যক্তির পক্ষে এরকম মন্তব্য করা একেবারেই অসম্ভব। বিচারকদের এরকম হারে জামিন দেয়ার ক্ষমতা থাকলে আদালতে এত কাজ জমা থাকতো না। আমাদের সন্তুষ্টির জন্য বিষয়টি পরীক্ষা করে আমরা দেখেছি যে, বর্ণিত ২ দিনে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ কর্তৃক রুল ও জামিনের সংখ্যা মোট (৮৩+৭২) =১৫৫ এবং আগাম জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সংখ্যা (২১৯+১৪৮) =৩৬৭।

এ পরিস্থিতিতে আমরা সন্দেহজনক রিপোর্ট সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর একটি বিবৃতি চাওয়াটা উপযুক্ত বলে মনে করি ও সেমতে এটর্নি জেনারেলকে অনুরোধ করি। মুলতবীর দিনে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতি আমাদের কাছে আসে। বিবৃতিতে বলা হয়, ২৯ জানুয়ারি সাংবাদিক সম্মেলনে ভারত সফর সম্পর্কে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকগণ আমাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন যার উত্তর বিভিন্ন পত্রিকায় বিভিন্নভাবে পরিবেশন করা হয়েছে। প্রশ্ন-উত্তরের এক পর্যায়ে দুর্নীতি মোকদ্দমা বিচারে বিলম্ব হওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে আমি বলি যে, আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করছে, সেখানে সরকার হস্তক্ষেপ করতে পারে না। ইতিপূর্বে খবরের কাগজে প্রকাশিত হয়েছিল যে হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চে দু’দিনে ১২০০ জামিন দেয়া হয়। এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় বিভিন্ন ধরনের সংবাদ/মন্তব্য আমার নজরে আসে। সংবাদ প্রকাশিত হয় যে, জাতীয় সংসদের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটিতে এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে, যা জাতীয় সংসদের গণসংযোগ শাখা সঠিক নয় বলে প্রকাশ করেছে। একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় এমনও মন্তব্য করা হয়েছে, “When the hate campaign was building, the Law Minister and the Attorney General met the helpless Chief Justice almost daily, Reportedly trying to influence the latter…..” (Weekly Holiday of 6011-1998. Page-1, Caption : “Supreme Court under clouds” by Akbar Imam).

মাস তিনেক আগে খবরের কাগজে আগাম জামিনের শুনানির ব্যাপারে হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চে এই অপ্রীতিকর ঘটনার বিবরণ দেয়া হয়। সেখানে একজন সিনিয়র এডভোকেট বলেন যে, ঐ বেঞ্চে তার মক্কেলগণ সুবিচার পাবে না। এ সকলের প্রেক্ষিতে যখন সাংবাদিক সম্মেলনে মোকদ্দমা বিচার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয় তখন খবরের কাগজে প্রকাশিত উপরোক্ত সংখ্যার উল্লেখ করে, আমার যতটুকু মনে পড়ে, আমি বলেছিলাম ঐ ঘটনা প্রধান বিচারপতিকে জানানো হলে তিনি বেঞ্চ পরিবর্তন করে দেন আর কোন ব্যবস্থা নেননি, ব্যবস্থা নিলে জুডিসিয়াল অনেক দায়-দায়িত্ব থেকে মুক্তি পেতো এবং জুডিসিয়ালি সম্পর্কে মানুষের মনে কোন সন্দেহ দেখা দিত না। দেশে আইন-শৃঙ্খলা ও সেই প্রসঙ্গে প্রকাশিত সংবাদ/মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আমি এ অভিমত প্রকাশ করেছিলাম। এ অভিমত প্রকাশ করতে গিয়ে বিচারকদের সততা সম্পর্কে কোন সন্দেহ প্রকাশ করিনি, বা এ অভিমত প্রকাশ করার পেছনে আদালতের বা প্রধান বিচারপতির মর্যাদা ক্ষুণ করার বা বিচার বিভাগের কাজে হস্তক্ষেপ করার কোন অভিপ্রায় আমার ছিল না।

প্রধানমন্ত্রীর ১২শ’ মামলার সংখ্যার সূত্র হিসাবে পত্রিকার রিপোর্টের উল্লেখ করেছেন, যদিও পত্রিকাগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে এরকম হতে পারে যে, পত্র-পত্রিকায় তিনি এ ধরনের সংখ্যা দেখে থাকতে পারেন। সর্বোপরি তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং সংবাদপত্রে পূর্বেই উচ্চতর আদালতের কার্যক্রম নিয়ে মন্তব্য করেছেন। কোন সত্য ঘটনা কিংবা সংখ্যা দেয়ার পূর্বে তার আরো সতর্ক ও সাবধান হওয়া উচিত ছিল এবং সংবাদপত্রের রিপোর্টের ওপর নির্ভর করাটা ঠিক হয়নি। সঠিক সংখ্যা পেলেও আরো অনেক মামলায় ঐ জামিন মঞ্জুর করা হয়েছিল এমনটা মনে করে তিনি মন্তব্য করলেও আমাদের কিছুই বলার থাকতো না। কারণ প্রধান নির্বাহী হিসেবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কিত বিষয়ে তিনি নিজস্ব মন্তব্য দিতে পারেন। আদালতের কার্যক্রম ও অসুবিধা সম্পর্কিত বিষয় প্রধান বিচারপতির নজরে আনাটা নির্বাহীর জন্য কোন ভুল নয়। তবে প্রধান বিচারপতিকে জড়িয়ে সংবাদপত্রকে প্রধান নির্বাহী কোন কিছু বললে বেশি বিব্রতকর কোন কিছুই হবে না। কেননা তার মত প্রধান বিচারপতি কোন জবাব প্রদানে সংবাদপত্রে মন্তব্য করতে পারে না। হাইকোর্ট ডিভিশনের বেঞ্চ গঠন কিংবা পুনর্গঠন নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ পুরোপুরি প্রধান বিচারপতির এখতিয়ারভুক্ত। এ বিষয়ে কারোর কোন মন্তব্য নেই কিংবা কারোর আদেশে এটা করা হয়নি। ইহা পুরোপুরি প্রধান বিচারপতির এখতিয়ারভুক্ত ও তার ব্যক্তিগত রায়ের ওপর নির্ভরশীল। সঠিক তথ্যাবলি জানতে কেবল তিনি সতর্ক থাকলে বর্তমান ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য কেমন বিব্রতকর তা ধারণা করা যেতো। জামিন মঞ্জুরের বিষয়টি সংবাদপত্রে আলোচিত হওয়ার বহু আগেই সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের গঠন (কার্যক্রম বণ্টন) প্রধান বিচারপতি পরিবর্তন করেছিলেন। এমনকি ১৯৯৮ সালের ২৬ আগস্টের আগেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে এমনটা ফুটে উঠেছে যে সরকারের কারণেই বেঞ্চের গঠন পরিবর্তন করা হয়েছে যা সঠিক নয় প্রধান বিচারপতি তাকে কেন্দ্র করে মন্তব্যে যথেষ্ট অস্বস্তি অনুভব করেছেন। এর কোন সরাসরি জবাব তিনি দিতে পারেন না কিংবা তার প্রশাসনের আওতায় পড়ে এমন কোন বিষয় ব্যাখ্যা কিংবা পালনেও তিনি বাধ্য নহেন। আদালত অবমাননার বিচারের জন্য আমাদের কাছে পেশ করা ঘটনাবলি নিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে গিয়ে আমরা লর্ড এ্যাটকীনের বাণী এখানে উদ্ধৃত করছি। আদালতে সর্বদাই আমরা এ বাণী মেনে চলি লর্ড এ্যাটকীন বলেছেনঃ
“… The path of critism in a public way; The worngheaded are permitted to carr therein; provided that members of the public abstain from imputting improper motives to those taking part in the administration of justice, and are genuinely exercising a right of criticism and not acting in malice or attempting to impair the administration of justice is not a cloistered virtue; she must be allowed to suffer the security and respectrul even though outspoken comments of ordinary men.”

সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে লক্ষ রাখতে হবে যে, প্রধানমন্ত্রীকে তার পদে থেকে সাংবিধানিক কার্যক্রম নিয়ে উপস্থিত মন্তব্য করার ব্যাপারে আরো সতর্ক হতে হবে বলে আদালত আশা করে। এসব কারণে উপরোক্ত মন্তব্যের আলোকে আবেদনটি নিষ্পত্তি করা হল।

Facebook Comments
Content Protection by DMCA.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.