জাবেদ পাটোয়ারীকে আইজি করায় পুলিশ বাহিনীতে বিদ্রোহের আশংকা

দীর্ঘদিন পরে পুলিশ বাহিনীতে গোপালীদের আধিপত্য খর্ব হতে যাচ্ছে। তিন দিন আগে জাবেদ পাটোয়োরীকে পরবর্তী পুলিশ মহাপরিদর্শক নিয়োগ করা হয়। তাঁবর বাড়ি চাঁদপুরে। তবে জাবেদকে আইজিপি করা নিয়ে আওয়ামী ঘরানার বিশেষ করে গোপালী পুলিশ কর্তারা দারুণ বিক্ষুব্ধ। বেনজির মনিরের মত সিনিয়র অফিসাররা উচ্চ বাচ্য করছে। গ্রুপে গ্রুপে মিটিং করছেন তারা। পুলিশ বাহিনীতে বিদ্রোহের আশংকা দেখা দিয়েছে।

বিসিএস ৮৪ ব্যাচের প্রথম কর্মকর্তা জাবেদ পাটোয়োরী এতকাল বিএনপি ঘরানার কর্মকর্তা হিসাবে পরিচিত ছিল। কিন্তু হঠাৎ এই কর্মকর্তাকে আইজিপি করায় এতকাল ধরে আওয়ামী লীগকে সার্ভিস দেয়া দলবাজ কর্মকর্তারা ক্ষোভে আতঙ্কে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। তারা মনে করছেন, আগের আইজির মত জাভেদ পাটোয়ারীর কাছ থেকে সুবিধা পাওয়া যাবে না। অনেকেই পদ হারানো এবং শৃঙ্খলা মামলায় পড়ার আশঙ্কা করছেন। বেনজির, মনিরুল, হারুনরা প্রকাশ্যেই হুমকি দিচ্ছেন বিদ্রোহের।

আইজিপি পদের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় ছিলেন ৮৪ ব্যাচের মোখলেসুর রহমান, ৮৫ ব্যাচের বেনজির আহমেদ ও আসাদুজ্জামান। এর আগে শহীদুল হককে আইজিপি করার সময়ও নির্ভরযোগ্য মনে না করায় জাবেদ পাটোয়োরীকে সুপারসিড করা হয়। এবারে এমন কি কান্ড হলো যে জাবেদকে আইজিপি করতে হবে? অনেকেই মনে করছেন বাইরের কোনো শক্তি এই নিয়োগ দিয়েছে।

ডঃ জাবেদ পাটোয়োরী কখনই আওয়ামী ঘরানার কর্মকর্তা হিসাবে পরিচিত ছিল না। তবে আওয়ামী ঘরানার কর্মকর্তাদের বাড়াবাড়ি দেখে জাবেদ কৌশলে আগাতে থাকেন। এসবির দায়িত্বে থাকার সময় তিনি মহাফেজখানায় খুঁজে পান পাকিস্তান আমলে জেলখানায় শেখ মুজিবের বিভিন্ন দলিল ও চিঠিপত্র। ক্লাসিফাইড এসব ডকুমেন্টকে বাইরে নিয়ে আসেন জাবেদ। সেগুলো কপি করে পুস্তক আকারে শেখ হাসিনার কাছে হাজির করেন। সেখান থেকে পত্রপত্রিকায় প্রকাশ করা হয়। এ কীর্তির ফলে শেখ হাসিনার কাছে পয়েন্ট বেড়ে যায় জাবেদের। অফিসিয়াল সিক্রেসি আইন ভেঙে জাবেদের এই তেলবাজির কথা পুলিশ বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তা জানা ছিল্ কিন্তু জাবেদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন না করে তার ভাগ্যে আইজিপির শিকা ছিড়ে!

Content Protection by DMCA.com

গণশত্রুদের তালিকা-১

ক্যাটাগরি: পিলখানায় সেনা হত্যা:
১. শেখ হাসিনা
২. জেনারেল (অবঃ) মইনউদ্দিন আহমদ
৩. ফজলে নূর তাপস
৪. শেখ সেলিম
৫. সজীব ওয়াজেদ জয়
৬. জাহাঙ্গীর কবির নানক
৭. মির্জা আজম
৮. হাসানুল হক ইনু
৯. সাহারা খাতুন
১০. সোহেল তাজ
১১. হাজী সেলিম

ক্যাটাগরি: খুন গুম:
১২. তারিক সিদ্দিক
১৩. আকবর হোসাইন
১৪. বেনজির আহমেদ
১৫. মনিরুল ইসলাম
১৬. শহীদুল হক
১৭. মো. আছাদুজ্জামান মিয়া
১৮. মাহফুজুর রহমান নূরুজ্জামান
১৯. হারুন অর রশিদ
২০. বিপ্লব কুমার
২১. জলিল মন্ডল
২২. কৃষ্ণপদ দাস
২৩. জিয়াউল আহসান
২৪. এস এম মনিরুজ্জামান
২৫. মেহেদী হাসান

ক্যাটগরি: ব্যাংক লুটপাট, দুর্নীতি, রাষ্ট্রলুট:
৫. সজীব ওয়াজেদ জয়
২৬. ওবায়দুল কাদের
২৭. এডভোকেট কামরুল ইসলাম
২৮. শাজাহান খান
২৯. আসাদুজ্জামান খান কামাল
৩০. হাছান মাহমুদ
৩১. মাহবুবুল আলম হানিফ
৩২. শেখ হেলাল
৩৩. আ ক ম মোজাম্মেল হক
৩৪. মোহাম্মদ নাসিম
৩৫. জুনাইদ আহমেদ পলক
৩৬. তৌফিক এলাহী চৌধুরী
৩৭. আবদুর রহমান বদি
৩৮. সালমান রহমান
৩৯. আজিজ খান
৪০. ওবায়দুল করিম
৪১. আকবর সোবহান শাহআলম
৪২. সাইফুল আলম
৪৩. সিতাংশু সুর চৌধুরী
৪৪. মহিউদ্দিন খান আলমগীর
৪৫. সিদ্দিকী নাজমুল আলম
৪৬. কাজী বাহারুল ইসলাম
৪৭. শেখ আবদুল হাই বাচ্চু
৪৮. সুভাষ সিংহ রায়
৪৯. আবদুল মালেক
৫০. মোশাররফ হোসেন
৫১. মহিবুল হক
৫২. মাহবুবে আলম
৫৩. মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
৫৪. মোহাম্মদ এ আরাফাত

[৫৪ ধারা: ফৌজদারী কার্যবিধির এই ধারায় বলা হয়েছে, কেউ আমলযোগ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে বা জড়িত থাকার যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ বা সন্দেহ থাকলে, আইনসঙ্গত অজুহাত ছাড়া কারও কাছে ঘর ভাঙার সরঞ্জাম থাকলে, সংবাদপত্র বা গেজেটের মাধ্যমে ঘোষিত অপরাধী হলে, প্রতিরক্ষা বাহিনী থেকে পালিয়ে গেলে, পুলিশের কাজে বাধা দিলে বা পুলিশের হেফাজতে থেকে পালিয়ে গেলে, দেশের বাইরে অপরাধ করে পালিয়ে এলে, চোরাই মাল থাকলে বা অন্য কোন থানা থেকে গ্রেফতারের অনুরোধ থাকলে যে কোন ব্যক্তিকে পুলিশ সন্দেহবশত গ্রেফতার করতে পারবে।]

Content Protection by DMCA.com

মুখ খুলতে যাচ্ছেন জেনারেল আকবর কতৃক নির্যাতিত নারীরা!

বিশেষ প্রতিবেদক
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খোদ রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প থেকে শুরু করে বড় বড় রাজনীতিবিদরা যখন এক এক করে ধরাশায়ী হচ্ছে নির্যাতিত নারীদের আক্রমনে, এর দেখাদেখি বাংলাদেশেও অনেক নির্যাতিত নারীরা মুখ খুলতে যাচ্ছে। কয়েকজন নির্যাতিত নারী একাট্টা হয়েছে সেনাবাহিনীর এক জেনারেলের বিরুদ্ধে।

সূত্র জানাচ্ছে, নারী নির্যাতনের দায়ে এবার ধরাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ আর্মির নবম ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আকবর হোসাইন। অবশ্য জেনারেল এরশাদকে থাপড়ানো থেকে শুরু করে প্রধান বিচারপতি সিনহার মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে কাগজে সই নেয়া অবধি বহু রংবাজির কারনে আলোচিত সমালোচিত হয়ে আছে এই জেনারেল।

জানা গেছে, সেনাবাহিনীর ১৩ লংয়ের ব্যাচমেটদের কাছে ‘আকবইর‌্যা’ হিসাবে পরিচিত এই আফিসারটি চীনে কোর্স করতে গিয়ে বাংলাদেশী এক বনেদি পরিবারের মেয়ের সাথে অঘোষিত সংসার করার পরে তাকে মেরে ফেলার ঘটনা সেনাবাহিনীর কলঙ্ক তিলক হয়ে আছে। এরপরে শেখ হাসিনার অধীনে চার বছর ডিজি ডিজিএফআই থাকাকালে শত শত রাজনৈতিক অপহরন, গুম, হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িতে ছিলেন আকবর। মেজর জেনারেল আকবরকে গত মার্চে সাভারের নবম ডিভিশনের জিওসি করে বসায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জিওসি হয়েও আকবর খুনখারাবি, টাকা কামানোর ধান্দা, মদ ও নারী সঙ্গ ছাড়তে পারেনি আকবর। পদের অপব্যবহার করে নায়িকা সুমাইয়া শিমু, জয়া আহসান, পপি সহ শোবিজ জগতের বহু নারীর ইজ্জত লুটে নিয়েছে ১৮ ঘন্টা মাতাল থাকা আকবর। কয়েকমাস আগে কোলকাতায় গ্রান্ড হোটেলে জয়া আহসানের সাথে আকবরের আপত্তিকর ভিডিও ফুটেজ রয়েছে বিদেশী একটি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে। নারী নির্যাতনের অভিযোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চার জন জেনারেলকে নিয়ে তদন্ত চলছে এমন খবরের পরে আকবরের দ্বারা নির্যাতিত নারীরা জোট বেঁধে আগাচ্ছেন।

অবশ্য কেউ কেউ মনে করে আকবরের কিছু হবেনা। কারন সে নাকি শেখ হাসিনার এক্স-বয়ফ্রেন্ড! এ নিয়ে তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, সেই আকবর আর এই আকবর এক ব্যক্তি নয়। যদিও দু’জনেই ডিজি ডিজিএফআই ছিলেন। ঐ সৌভাগ্যবান লেডি কিলার হলেন জেনারেল মোল্লাহ আকবর। যার সম্পর্কে মতিউর রহমান রেন্টু “আমার ফাঁসি চাই” পুস্তকের ২২৯-৩০ পৃষ্ঠায় লিখেছেন,
…………. ‘মহাখালি স্বামী কোয়ার্টারে থাকতে এবং পরবর্তীতে ধানমন্ডি বত্রিশের পিত্রালয়ে বঙ্গবন্ধু ভবনে থাকতে, ১৯৮৭ সালে মুন্সিগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজ ছাত্র সংসদের ভি,পি মৃনাল কান্তি দাস নামের তরুণ যুবক আসার আগ পর্যন্ত শেখ হাসিনা নিয়মিত, রুটিন মাফিকভাবে প্রতিদিন ঠিক সন্ধ্যার একঘন্টা আগে গোসল করে পাউডার, পারফিউম মেখে লম্বা চুলে একটা বেনী করে, চকচকে নতুন শাড়ী ব্লাউজ পরে খুবই পরিপাটি হয়ে কাউকে সঙ্গে না নিয়ে শুধুমাত্র ড্রাইভার জালালকে সঙ্গে নিয়ে অজ্ঞাতস্থানে বেরিয়ে যেতেন (এটাই কর্নেল আকবরের বাসা) এবং ঘন্টা দু’য়েক পরে ফিরে আসতেন। শুধু অজ্ঞাত স্থানে যাওয়া ছাড়া শেখ হাসিনা কখনই একা শুধু জীপগাড়ী আর চালক নিয়ে বাইরে যেতেন না। ঐ সময় এবং ঐ অজ্ঞাত স্থান ছাড়া যেখনেই তিনি যেতেন তার সাথের সকলকে অবশ্যই নিয়ে যেতেন। ১৯৮৭ সালে মুন্সিগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি তরুন যুবক মৃনাল কান্তি দাসের (বর্তমানে এমপি ও আ’লীগের উপ প্রচার সম্পাদক) সাথে শেখ হাসিনার পরিচয় হয়। এবং পরিচয়ের পর থেকেই মৃনাল কান্তি দাস ধানমন্ডি বত্রিশ নাম্বারে দিবা-রাত্রি সার্বক্ষণিকভাবে থাকতে শুরু করলো। শেখ হাসিনা তখন ঐ বাড়িতেই থাকেন। শেখ হাসিনা ধীরে ধীরে নিয়মিত রুটিন মাফিক সন্ধার আগে অজ্ঞাত স্থানে যাওয়া ছেড়ে দিলেন। অধিক রাত পর্যন্ত, এমনকি গভীর রাত পর্যন্ত ধানমন্ডি বত্রিশের লাইব্রেরীতে হাসিনা এবং মৃনাল ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে কথাবার্তা বলত এবং হাসাহাসি করত। কিছু দিনের মধ্যেই কৃশকায় মৃনাল ফুলে ফেপে উঠতে থাকে। শেখ হাসিনার কাছে মৃনালের এত গভীর সম্পর্ক ছিলো, যে অন্যদের কাছে তা ঈর্ষার কারণ হয়। নেত্রীর কাছে মৃনালের গ্রহণযোগ্যতা বেশী হওয়ার কারণে আওয়ামীলীগের সকল পর্যায়ের নেতা মৃনালকে সম্মান করে চলতো। মৃনালই ছিলো হাসিনার রাজত্বের একমাত্র অধিপতি।”
অবশ্য, ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত চার বছরের প্রেমিক মৃনাল কান্তি দাস এবং তারও আগে কর্নেল মোল্লা আকবরের সাথে হাসিনার গোপন অভিসারের বহু গোয়েন্দা রিপোর্ট জেনারেল এরশাদের স্টকে জমা আছে।

Content Protection by DMCA.com

২২ ডিসেম্বর আতঙ্কে ভুগছে আওয়ামী লীগ

আগামী ২২ ডিসেম্বর সরকারের পতন হচ্ছে- বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম জুড়ে খবরটি চাউর হয়ে গেছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের মন্ত্রী নেতা পাতিনেতারা এ নিয়ে অস্থির। কেনো ওবায়দুল কাদের এবং শেখ হাসিনার কাছ থেকে গোপন খবর আসতেছে- মার্চ/এপ্রিলে ইলেকশনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে? সরকারের প্রোপাগান্ডা মেশিন বোরহান কবিরের ‘বাংলা ইনসাইডারও খবর লিখেছে- জানুয়ারীর এক তারিখের ভাষণে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করবেন শেখ হাসিনা! সব মিলিয়ে ক্ষমতাসীনদের কাছেও খুব গুরুত্বপূর্ন হয়ে দেখা দিয়েছে ২২ ডিসেম্বর ২০১৭।

এই তারিখটি তারকা চিহ্নিত হয়ে আছে বর্তমান সংসদের ১৫৪ বিনাভোটের এমপিকে অবৈধ ঘোষণার রায় প্রকাশের উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (গ্যাগ অর্ডার) প্রত্যাহৃত হওয়ার সময় হিসাবে। রায়টি প্রকাশ হওয়ার পরে বর্তমান সংসদ এবং সরকার উভয়ই অবৈধ হয়ে যাবে। এরপরে গোটা দেশজুড়ে শুরু হবে বিশৃঙ্খলা। অবৈধ সরকার হঠাতে দেশজুড়ে লোকজন নেমে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে অক্কা পেতে পারে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।

২২ ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের ভেতরে ভেতরে সাজ সাজ রব। যদিও অবৈধ প্রধানমন্ত্রী ও তার কিছু চেলাচামুন্ডা নাকশতা ঘটিয়ে সেনা নামানোর পায়তারা করছেন, আবার পেছনে ভয়- যদি আর্মি কথা না শোনে!

অন্যদিকে ঢাকায় ডলারের দাম বেড়ে গেছে, এয়ারলাইন্স গুলোর কাউন্টারে ২২ তারিখের আগের টিকেট পাওয়া খুব কঠিন। সব বুকড অথবা সৌল্ড। লন্ডন আমেরিকা মালয়েশিয়া, কানাডায় হুন্ডির পরিমান বেড়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক কেনেডি বিমান বন্দর, ওয়াশিংটন, হিথ্রো, টরোন্টোতে ঘোষণা দিয়ে হাজার হাজার ক্যাশ ডলার নিয়ে যাচ্ছে আওয়ামীলীগের নেতাদের পরিবার সদস্যরা। প্রায় সকল আওয়ামী বিনাভোটের এমপি মন্ত্রি এবং অনেক জেলার নেতারা ইতোমধ্যে তাদের পরিবার সরিয়ে ফেলেছে। কানাডার বেগমপাড়া, মালয়েশিয়া বা বিভিন্ন রেসিডেন্সি টাউনগুলি দারুন ব্যস্ত। আওয়ামীলীগ নেতা শেখ সেলিম তার পরিবার পাঠিয়ে দিয়েছেন আমেরিকার হিউস্টনে, মাহবুবুল আলম হানিফ পরিবার সরিয়েছেন কানাডার বেগম পাড়ায়।

ইতোমধ্যে বিদেশে পালিয়ে গেছে র‌্যাবে থাকাকালীন হাজারো খুন গুমের জন্য দায়ী কর্নেল (পরে ব্রিগেডিয়ার) জিয়াউল আহসান। তাকে অনুসরণ করতে আরও শ’খানেক পুলিশ র‌্যাবের খুনি অফিসাররা প্রস্তুতি শেষ করে ফেলেছে। আগামী দু’ সপ্তাহে তারা সব পার হয়ে যাবে। অন্যদিকে দীর্ঘদিন যাবৎ বঞ্ছিত অবহেলিত হাজারো পুলিশ কর্মকর্তারা তৈরী হয়ে আছে, সুযোগ পাওয়া মাত্র সদ্ব্যবহারের। সবচেয়ে বড় খুনোখুনি হতে পারে পুলিশে।

Content Protection by DMCA.com

কেয়ারটেকার আসছে এ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে

বিশেষ প্রতিবেদক
সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে চলতি মাসেই পটপরিবর্তন ঘটতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। শপথ নিচ্ছে কেয়ারটেকার সরকার। অনেক চেষ্টা চরিত্র করেও থামাতে ব্যর্থ হয়েছে হাসিনা।

গত ২২ আগস্ট ২০১৭ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সকল বিচারপতিদের সর্বসম্মত একটি রায়ে বর্তমান সংসদের বিনাভোটের ১৫৪ এমপিকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। এটি কার্যকর হলে বর্তমান সংসদের সাথে সরকারও অবৈধ হয়ে যাবে। জননিরাপত্তার কারনে রায়টি প্রকাশের উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (gag order) দিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। অবশ্য রাষ্ট্রপতি ছাড়াও কিছু গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তি ও কয়েকজন প্রভাবশালী রাষ্ট্রদূত রায় সম্পর্কে অবহিত আছেন। রায় বাস্তবায়ন নিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও শেখ হাসিনার সরকার এ পর্যন্ত টালবাহানা করে তিন মাস প করে। এই রায় দেয়ার কারনে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অস্ত্রের মুখে দেশত্যাগে বাধ্য করেন বিনাভোটের দখলদার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জানা গেছে, রায়টি অদ্যাবধি কার্যকর না করা হলেও রায় দেয়ার ১২০ দিন পরে গ্যাগ অর্ডার গ্যাগ অর্ডার আপনা আপনি উঠে যাবে। ফলে সংসদ ও সরকার অবৈধ হয়ে যাবে। সরকার অবৈধ হওয়ার পরে কেমন করে কেয়ারটেকার সরকার গঠিত হবে তার রূপরেখা রায়ে বলে দেয়া আছে। সে অনুযায়ী চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে শপথ নিবে কেয়ারটেকার সরকার। এসব কারনে বিএনপি তাদের বহুল আলোচিত সহায়ক সরকারের রূপরেখা উপস্থাপন করেনি।

শপথ গ্রহণের পরে দেশের প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা ও বিচার বিভাগ নতুন সরকারের প্রতি অানুগত্য পোষণ করে সার্বিক সহযোগিতা করবে।

গ্যাগ অর্ডার (gag order) কনসেপ্টটি বাংলাদেশে নতুন হলেও পশ্চিমা বিশ্বে ব্যাপকভাবে এটি ব্যবহৃত হয়। প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা গ্যাগ অর্ডার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বিধি বিধান জেনে বুঝেই রেফারেন্স সহ তা প্রয়োগ করেন। তবে শেখ হাসিনা ও তার আইন মন্ত্রী আনিসুল হক, এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ও আইন সচিব জহিরুল হক ওরফে পিস্তল দুলালের বাড়াবাড়ির ফলে গত তিনমাস যাবৎ সুপ্রিম কোর্টের উপর সরকারের চরম আক্রোশ ও জুলুম লক্ষ্য করা যায়। ফলে বিচার বিভাগে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিঞা অনেক কৌশল অবলম্বন করে বিচার বিভাগের মনোবল ধরে রাখার চেষ্টা করছেন।

তবে শেখ হাসিনাকে সুযোগ দেয়া হয়েছিল, রায় বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে কেয়ারটেকার সরকারে তার পছন্দের দু/একজন লোক দিতে। এখন তিনি সুযোগও হেলায় হারিয়েছেন।

তবে এই রায় প্রকাশের আগে শেখ হাসিনা চেষ্টা করছিলো, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে তথাকথিত অরফানেজ দুর্নীতির মামলায় সাজা ঘোষণা করে সংসদ ভেঙে দিয়ে একাদশ সংসদ নির্বাচন দিতে। কিন্তু সে কাজও এখন আর সম্ভব নয়। যদিও এ লক্ষ্য নিয়েই ডিসেম্বরের ৫,৬,৭ তারিখে মামলাটির যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) শেষ করার সময় নির্ধারন করে বিশেষ বিচারক ডঃ আখতারুজ্জামান। কিন্তু আনুষাঙ্গিক সকল বিষয় বেগম খালেদা জিয়া অবহিত আছেন, ফলে তার কৌশলের কাছে ধরাশায়ী হয় সরকারের কৌশল। অবশেষে যুক্তিতর্কের তারিখ পূনঃনির্ধারিত হয়েছে ১৯-২১ ডিসেম্বর। উল্লেখ করা যায় এই ১৯ ডিসেম্বরই হচ্ছে গ্যাগ অর্ডার শেষ হওয়ার ১২০তম দিন। তাছাড়া ২২ ডিসেম্বর ১৯৭১ প্রবাসী সরকার বাংলাদেশে প্রতাবর্তন করেছিল। তাই ২২ তারিখেও নতুন সরকার শপথ নিতে পারে। সূত্র জানায়, নতুন সরকার শপথ নেয়ার পরে বেগম জিয়ার মামলার গতিও বদলাবে।

এ ছাড়া হাসিনার দ্বিতীয় চেষ্টা ছিল, দেশে অশান্তি বাধিয়ে তার অনুগত জেনারেলদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে আপাতত সরে দাড়ানো। কিন্তু সেনাপ্রধানের ভাই মেয়র আনিসুল হকের রহস্যজনক মৃত্যুর সাথে শেখ হাসিনার সরকারের যোগসূত্র থাকার ফলে সে চেষ্টাতেও সাড়া মিলছে না। তাছাড়া মাঠে নামার জন্য সরকারের শত উস্কানি সত্ত্বেও বিএনপি চেয়ারপারসন যথেষ্ট সতর্ক আছেন। কোনো অবস্থাতেই দেশে হানাহানির পরিবেশ তৈরী হতে দিবেন না।

নতুন সরকার গঠন হলে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা দেশে ফিরে আসবেন এবং নিজ দায়িত্বে ফিরে যাবেন।

Content Protection by DMCA.com

সরকারে নেই আর সরকার!

বিশেষ প্রতিবেদক
দিন যতই যাচ্ছে, ৫ জানুয়ারির বিনাভোটের সরকারে অস্থিরতা তত বাড়ছে। বিশেষ করে বিচারপতি সিনহা ইস্যুতে সরকারের ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ড, এবং অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রহস্যজনক নিরবতা ও ঘর থেকে বের না হওয়া, এমনকি মাসখানেক ধরে একই চাদর জড়িয়ে সীমিত চলাফেরায় নানা দুর্ভাবনা ও জটিলতার মধ্যে পড়েছে সরকার ও সরকারী দল। বিচারবিভাগ কেন্দ্রিক বিপদ থেকে সরকারকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আকবর হোসাইন। তিন মাস ধরে চলমান তার নানা অবৈধ ও রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতায় এমনকি প্রধান বিচারপতিক মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে সই আদায় করে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়ার ঘটনা জানাজানি হলে সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা ও কমান্ড চরমভাবে ভূলুন্ঠিত হয়। মাঠ কমান্ডারদের চাপে বাধ্য হয়ে মেজর জেনারেল আকবরের রাশ টেনে ধরেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল বেলাল।

সেনাবাহিনীর ১৩ লং কোর্সের অফিসার আকবর হোসাইন তার আরেক বাচমেট মেজর জেনারেল ওয়াকার উজ জামানকে সাথে নিয়ে (হাসিনার ফুফা জেনারেল মোস্তাফিজের মেয়ে জামাই হলো ওয়াকার) কক্সবাজরের রামু সেনানিবাসে যান অক্টোবরের মাঝামাঝি। সেখানে ১০ম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মাকসুদ তাদের ব্যাচমেট। বেড়ানোর কথা বলে তিন ব্যাচমেট একত্র হয়ে রামুতে দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা নিয়ে নানা কথাবার্তা হয়। রামু থেকে ঘুরে এসে জেনারেল আকবর বৈঠক করেন এনটিএমসি প্রধান ব্রিগেডিয়ার জিয়াউল আহসানের সাথে। এনটিএমসিতে বসে ব্রিগেডিয়ার জিয়াউল দেশের গুরুত্বপূর্ন সব টেলিফোন ও অনলাইন যোগাযোগে আড়ি পেতে থাকে, এবং সরকারকে সরবরাহ করে থাকে। এর আগে জিয়া র‌্যাবে ছিলেন ৭ বছর, যেখানে বিরোধী দলের বহু নেতাকর্মী গুম ও খুনে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ আছে। জনদুর্নামের মুখে সেখান থেকে সরিয়ে তাকে প্রথমে ডিজিএফআইতে, পরে এনএসআইতে দেয়া হয়, এবং সর্বশেষে বসানো হয় বর্তমান পদে। জিয়ার অফিস ক্যাপসিটিতে রাজনৈতিক সংক্রান্ড কর্মকান্ড পারমিট না করলেও এখানে বসেই সে কুচক্রি আকবরদের সাথে ঘনিষ্টভাবে কাজ করছে, এবং রাজনৈতিক উস্কানিমূলক কর্মকান্ড চালাচ্ছে।

ব্রিগেডিয়ার জিয়ার সাথে পরামর্শ করার পরে বনানীতে সি ব্লকে ১১ নম্বর রোডের ৯৮ নম্বর বাড়ির নির্দিষ্ট স্থানে মিলিত হয় মেজর জেনারেল আকবর, মেজর জেনারেল ওয়াকার, ব্রিগেডিয়ার শায়েখ, ব্রিগেডিয়ার জিয়া, অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার হাফিজ সহ সার্ভিং এবং রিটায়র্ড অফিসাররা। এখানে দেশের রাজনীতি ও আগামী নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ন আলোচনা হয়। আগামী ইলেকশনের ফলাফল অা’লীগের কব্জায় নিতে বিভিন্ন খুটিনাটি ও নানা ফন্দি তৈরী করা হয়। আলোচনায় বলা হয়, যেকোনো ভাবে তারা আগামী ১৪ মাস এ সরকারকে টেনে নিয়ে যাবে। তারা মনে করে- we are the government. এক পর্যায়ে বর্তমান সরকারের প্রতি বৈরি (অর্থাৎ বিএনপি-মনা) ১৩৩ জন সামরিক অফিসারকে ঠান্ডা করতে ভয়ভতি, ডিসিপ্লিন, চাকরিচ্যুতি, আটক, গুম সহ নানা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। তখন এক রিটায়ার্ড কর্নেল (১০ লংয়ের) বলেন, তোমরা এত বাড়াবাড়ি করছ কেনো? খেয়াল করো পাকিস্তানের দিকে, কি হইছে সেখানে। স্মরণ করো, জেনারেল লতিফ বা আশরাফ বহুত যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছিল। এরশাদের অপকর্মের দায় জেনারেল লফিতকে নিতে হইছে- সিভিলিয়ান রগরানি খাইছে প্রচুর। তখন জুনিয়ার এক রিটায়ার্ড মেজর খন্দকার আবদুল হাফিজ (২৬ লং) লাফ দিয়ে উঠে বলে- স্যার, বাংলাদেশ পাকিস্তান না, এখানকার মানুষজন অনেক অনেক সহজ সরল। তাদেরকে একটু বুঝ দিলেই হয়ে যায়। বেগম জিয়াকে ঠান্ডা করতে হবে যেকোনো ভাবেই। বেশি তেড়িবেড়ি করলে বেনজিরের মত বোম মেরে তাকে উড়িয়ে দেয়া হবে! আমি এসএসএফে কাজ করেছি, দুই নেত্রীর সাথে ডিউটি করেছি, তাদের ভিতরকার অবস্থা আমি জানি। এটা কোনো ব্যাপারই না। উল্লেখ্য, এই অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ বর্তমানে টাঙ্গাইল আ’লীগ নেতা, হাকাম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, এবং হাজার কোটি টাকার ব্যবসা নিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র, টেলিযোগাযোগ, সোলার পাওয়ার, কনস্ট্রাকশন, গ্যাস, কয়লা, সিকিউরিটি আইটেম, এমনকি মিলিটারীতে ট্যাংকও নাকি সাপ্লাই দিচ্ছে সে।

এনটিসি ব্রিগেডিয়ার জিয়াউল আহসান বলে ওঠেন, প্রথমে তারা পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ফেস করুক। তারা ফেল করলেই না আর্মির প্রশ্ন। লাগলে থার্ড/ ফোর্থ পার্টিকে ক্ষমতায় বসাবো ২/১ বছরের জন্য, তারপরে আবার আমরা বসবো। কিন্তু বিএনপিকে কিছুতেই ক্ষমতায় আসতে দেয়া যাবে না।

জেনারেল আকবর বলেন, প্রয়োজনে সহায়ক সরকার বানিয়ে বিএনপিকে নির্বাচনে আনা হবে। ইলেকশন শুরু হওয়ার পরে নমিনেশন প্রত্যাহারের সময় ১৫৪ জন বিএনপি প্রার্থীকে ছুতানাতা দিয়ে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। এটা সিইসিকে চাপ দিয়ে করানো হবে। সে রাজী না হলে দরকারমত সিনহার মত সিইসির মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে এটা করানো হবে। ইতিমধ্যে সিইসির অপকর্মের বহু রেকর্ড রেডি করা হয়েছে। জেনারেল আকবর আরও বলে, আমি জানি কি করে এগুলারে দিয়ে কাজ করাতে হয়। ৫ জানুয়ারির আগে এরশাদও ঐ রকম ত্যাড়াবেকা করেছিল। কিন্তু এক থাপ্পড় খেয়ে যখন উল্টো পরে যায়, এরপরে সব সোজা। সিনহা বাবুও যথেষ্ট পেইন দিয়েছিল। কিন্তু লোডেড গান মাথায় ধরার বাপ বাপ করে সব সই করে দেয়। লাগলে আবারও তাই করবো। অবশ্য জেনারেল আকবরের অপকর্মের বহু রেকর্ড দাদাদের কাছেও আছে। গত ডিসেম্বরে কোলকাতায় আকবরকে জয়া আহসানের সাথে গলাগলি করে গ্রান্ড হোটেল থেকে বের হতে দেখা যায়।

আকবর বাহিনীর এসব তৎরতার খবর হাসিনার নলেজে আছে। তবে, তিনি আকবরদের এমনতরো বাড়াবাড়ি নিয়ে অনুমোদন বা হা না কিছুই বলতে পারছেন না। দু’এক যায়গায় বলেছে, আকবররা ফেল মারলে পরিণতি মারাত্মক হবে। প্রধানমন্ত্রী দেশে না থাকলে বা দেশে অস্থিরতা থাকলে জিওসিরা স্টেশন ত্যাগ করতে পারেন না। আর জরুরী কারনে করলেও সাথে সাথে লোকেশন এবং কন্টাক্ট পয়েন্ট জানাতে হয় সেনাপ্রধানকে। কিন্তু আকবরগং রামুতে গিয়ে সেটা অনুসরন করেনি। এসব বিষয় এবং গোয়েন্দা রিপোর্ট অবহিত হয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল বেলাল নির্দেশ দিয়ে মেঃ জেনারেল আকবরকে ঢাকায় ক্লোজ করেন। ঢাকা থেকে সাভারে গিয়ে অফিস করে চলে আসে আকবর। তার সাথে গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন। তবে আকবর এমন ন্যাক্কারজনকভাবে কমান্ড হারিয়েছে যে, আগামী কাল যদি কোনো ক্যাপ্টেনকে বলা হয়, যাও আকবরের একটা ঠ্যাং কেটে নিয়ে আসো, তোমার কিস্সু হবে না। তবে সে তাই করবে।

বর্তমানে দেশে একদিকে যখন চলছে রাজনীতিহীনতা, খুনখারাবি, অরাজকতা, তখন সরকারের ভেতরে আসল সরকার কে, তা নিয়ে জনগন বিভ্রান্ত। কখনও ঢাকা পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান দাবী করেন- ‘সরকার আমরা আনছি, এবং টিকায়া রাখছি, আমরাই সরকার’। এদের সাথে একই মত পোষন করেন র‌্যাবের ডিজি বেনজির, ডিএমপির কাউন্টার টেররিজমের মনিরুলের মত বেশ কিছু পুলিশ অফিসার। আবার সচিবালয়ের কিছু সচিব ও কর্মকর্তারা দাবী করেন- এ সরকার তাদের দয়ার দান। এখন জেনারেল আকবর ওয়াকাররাও দাবী করে সরকারের মালিকানা। এতে জনগন বড় কনফিউজড- সরকারের ভিতরে আসল সরকার কে?

Content Protection by DMCA.com
1 27 28 29