সাকিবের নিষেধাজ্ঞা ও বাংলাদেশ ক্রিকেটের ক্রান্তিকাল!

এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞাসহ ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। আজ অফিসিয়াল বিবৃতিতে সাকিবকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ৩টি অভিযোগে সাকিবকে আর্টিকেল ২.৪.৪ অনুযায়ী শাস্তি দিয়েছে আইসিসি।

২০১৮ আইপিএলে এবং সেই বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে মোট ৩ বার ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েছিলেন সাকিব। আইপিএলে ২৬শে এপ্রিল হায়দরাবাদ-পাঞ্জাবের মধ্যকার ম্যাচ পাতানোর কথা উল্লেখ করেছে আইসিসি। কিন্তু আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট আকসুর কাছে বিষয়টি জানাননি সাকিব। এই কারণে আর্টিকেল ২.৪.৪ অনুযায়ী শাস্তি পেলেন সাকিব।

সাকিব তার অপরাধ স্বকীর করে নেয়ায় ১ বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন। সে হিসেবে ২০২০ সালে ২৯শে অক্টোবর থেকে আবার ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন তিনি। তবে শর্ত আছে। আকসুর বিভিন্ন দুর্নীতি বিরোধী ক্যাম্পেইনে তাকে অংশ নিতে হবে। আকসু যদি সাকিবের কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট হয় তবেই সে ক্রিকেটে ফিরতে পারবে।

আইসিসিকে সাকিব বলেন, “আমি খুবই ব্যথিত।যেই খেলাটাকে এতো ভালোবাসি সেখানে নিষিদ্ধ হলাম।”

“তবে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব আইসিসিতে না জানানোয়, আমি আমার নিষেধাজ্ঞা মেনে নিচ্ছি। আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ইউনিট খেলোয়াড়দের দুর্নীতিমুক্ত রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমি আমার অংশটা ঠিকঠাক পালন করতে পারিনি।”

পাপনের দুর্নীতি ও ক্রিকেট বোর্ডের সবার অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার কারণে সাকিবের আজ এই অবস্থা বলে অনেকে মনে করছেন। এদিকে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে যে ধর্মঘটে নেতৃত্ব দেয়ার কারণে শেখ হাসিনা প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হন এবং সাকিবের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে বলেন। আর মাশরাফি এই ব্যাপারে সম্পূর্ণ অবগত ছিলেন। মাশরাফিও সাকিবের ব্যাপারে ব্যাবস্থা নিতে সুপারিশ করেন দলে “শৃঙ্খলা” ফিরিয়ে আনার জন্য। উল্লেখ্য যে বাজিকরের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের বিষয়টি মাশরাফি আর জুয়াড়ি পাপন ছাড়াও “গতিদানব” খালেদ মাহমুদ সুজনও জানতেন। বোর্ডের ইঙ্গিতেই সাকিব আকসুকে ওই ব্যাপারে কিছুই জানান নি।

ভারতে সম্ভাব্য পাতানো খেলা খেলতে অনীহা জানানো আর আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়াটা সাকিবের জন্য কাল হয়ে দাড়ায়। উল্লেখ্য যে একই কারণে আর ভারতে সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় তামিম ইকবালও নিজেকে সরিয়ে ফেলেন। মুশফিক আর মাহমুদ উল্লাহ তাই বাধ্য হয়ে সফরে যাচ্ছেন প্রশাসনিক আক্রমণ থেকে নিজেদের পরিবারদের রক্ষা করার জন্য। মাশরাফির সঙ্গে সাকিবের পারিবারিক পর্যায়ে সম্পর্কের অবনতি এটাকে আরও তরান্বিত করে। অবশেষে সরকারী চাপ থেকে নিজের পরিবারকে রক্ষা করার জন্য সাকিব শেষ পর্যন্ত “সাজানো” প্রেস ব্রিফিং এ পাপনের সঙ্গে আসতে বাধ্য হয়। এই দুঃসময়ে তাই সাকিবের পাশে প্রয়োজন সব বাংলাদেশীদের যারা ক্রিকেট বোর্ডকে দুর্নীতি ও জুয়া মুক্ত দেখতে চান।

Content Protection by DMCA.com

বিজিবির ঘটনা আর ভোলায় সংঘর্ষ একই সূত্রে গাঁথা!

ফেসবুকে আল্লাহ ও রাসূল (স.) সম্পর্কে অবমাননাকর পোস্ট দেয়ার প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে ভোলায় পুলিশের গুলিতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন, আহত অন্তত ১৫০ জন! এখনও ধরপাকড় ও দমন পীড়ন চলছে!

ইসকনের মাসিক ভাতা প্রাপ্ত পুলিশ সুপারের নির্দেশে আর দীর্ঘদিনের বন্ধু শ্যামল দত্তের সহযোগিতায় খুব তাড়াতাড়ি “হ্যাকড আই ডি” তত্ত্বের জন্ম দেয়। তৌহিদী জনতাকে প্রশাসনিক সহযোগিতার বদলে বা তাদের সাথে বসে বিষয়টার শান্তিপূর্ণ মিমাংসা না করে পুলিশ বাহিনীর এই ধরনের হত্যাযজ্ঞ দেশবাসী মেনে নেয় নি।

সাধারণ জনতার উপর গুলির নির্দেশদাতা

উল্লেখ্য যে কয়েকদিন আগে বিজিবির গুলিতে একজন অপেশাদার বিএসএফের মৃত্যুবরণ বাংলাদেশের ইসকন মেনে নিতে পারে নি। আজকের এই ঘটনা ইসকনের স্লিপার সেলের কাজ হওয়ার সুনির্দিষ্ট আলামত পাওয়া গেছে। মূলত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার দিকে দেশকে উস্কে দেওয়া ইসকনের লক্ষ্য।

তাই দল মত নির্বিশেষে ইসকন ও তার সুবিধাভোগী অঙ্গ সংগঠন আর সহযোগীদের নির্মূল করা এখন জাতীয় দায়িত্ব। বর্তমানে আনসার আর পুলিশ বাহিনীতে প্রায় ১৪ হাজারেরও বেশি ইসকনের স্লিপার সেল হিসেবে কাজ করছে যারা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

Content Protection by DMCA.com

গুরতর আহত অবস্থায় র‍্যাব সদস্যদের ফেরত ও বেনজিরকে হাসিনার ধমক

চরম উদ্বেগ-উৎকন্ঠার মাঝে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আশাবাড়ি সীমান্ত থেকে ৩ র‌্যাব সদস্য ও ২ নারী সোর্সকে ধরে নিয়ে যাওয়ার ১০ ঘন্টা পর গুরতর আহত অবস্থায় ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার আশাবাড়ি সীমান্তের ২০৫৯নং পিলারের ১০ নম্বর গেট এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ।

পরে বিকাল ৫টায় ৬০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) উর্দ্বতন কর্মকর্তা ও বিএসএফের মধ্যে এক ঘণ্টা পতাকা বৈঠকের পর আটক ৩ র‌্যাব সদস্য ও ২ নারী সোর্সকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

৩ র‌্যাব সদস্য হলেন কনস্টেবল রিদান বড়ুয়া, আবদুল মজিদ ও সৈনিক মো: ওয়াহিদ। র‌্যাবের সঙ্গে থাকা ২ নারী সোর্স হলেন, কুমিল্লার শুভপুরের জাকির হোসেনেরে স্ত্রী লিজা আক্তার ফুফি, সুজানগরের মাইনুদ্দিনের স্ত্রী মনি বেগম।

৬০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সংকুচাইল ক্যাম্পের সুবেদার নুরুল ইসলাম র‌্যাব ১১’র তিন সদস্য ও সোর্সদের গ্রহণ করেন। র‌্যাব সদস্যদের কাছে থাকা একটি পি’স্তল, ১টি ম্যাগজিন, আট রা’উন্ড গু’লি, দুটি হাতকড়া ফেরত দিয়েছে বিএসএফ।

র‌্যাব ১১’র এসপি মুহিদুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় মা’দক মামলার আসামিকে আটক করে নিয়ে আসার সময় ভারতীয় বিএসএফ র‌্যাব সদস্যদের আটক করে নিয়ে যায়।

বিজিবির সংকুচাইল ক্যাম্পের সুবেদার নুরুল ইসলাম জানান, আশাবাড়ি ভারতীয় অংশে বাড়ি দুলা মিয়ার ছেলে আবুল খায়েরকে আটক করতে যায় র‌্যাব ১১’র একটি টিম।

ওই বাড়িটি নো-ম্যানস ল্যন্ডের ১ শ গজের বাইরে ভারতীয় অংশে। আবুল খায়েরকে আটক করে নিয়ে আসার সময় স্থানীয় ভারতীয় লোকজন বিএসএফকে খবর দেয়।

বিএসএফ সদস্যরা র‌্যাব সদস্য ও সোর্সদের তাদের ক্যাম্পে নিয়ে যায়। বিএসএফ ক্যাম্পে তাদের বেধড়ক মা’রধর করা হয়। র‍্যাবের ৩ সদস্যার মধ্যে দুই জন পুলিশের সদস্য এবং একজন সেনাবাহিনীর সদস্য।

অন্য একটি সূত্র জানায়, আশা বাড়ি সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকে জলিল ও হাবিলের বাড়িতে যায় র‌্যাবের দুই নারী সোর্স। তাদের বাড়িতে গিয়ে দুই সোর্স মা’দক সেবন (ফে’নসিডিল) শেষে মা’দক ক্রয় করতে চাইলে তারা বিক্রি করতে রাজি হয়।

পরে পাঁচ লাখ টাকার জা’ল টাকা নিয়ে ভারতের ২০৫৯ পিলালের ১০ গজ ভিতরে ঢুকে ব্যবসায়ী জলিল ও হাবিলকে আটকের চেষ্টা করে র‌্যাব। এসময় তাদের আটক করে বিএসএফ।

সকালে র‌্যাব সদস্যদের আটকের পর বেলা ১১টার সময় বিএসএফকে আনুষ্ঠানিক ভাবে চিঠি দিয়ে পতাকা বৈঠকের আমন্ত্রণ জানায় বিজিবি।

প্রায় ১০ ঘণ্টা অপেক্ষার পর বিকাল ৪টায় ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আশাবাড়ি সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলার সংলগ্ন এলাকায় এক ঘণ্টা পতাকা বৈঠকের পর তিন র‌্যাব সদস্য ও দুই সোর্সকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে বিএসএফ। এসময় র‌্যাব সদস্যদের গুরতর আহত দেখাচ্ছিল বলে জানায় স্থানীয় সাংবাদিকরা।

পতাকা বৈঠকে র‌্যাব ১১, ৬০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও কুমিল্লা জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাজাহান চৌধুরী।

র‍্যাবের বর্তমান ডি জি বেনজির আহমেদ এই ব্যাপারে কূটনীতিক চ্যানেলে তৎপরতা চালানোর জন্য সুপারিশ করলে শেখ হাসিনা বিরক্তি প্রকাশ করেন আর ধমক দেন। এই ঘটনা নিয়ে বেশী ঘাটা ঘাটি করারও নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য যে বর্তমানে র‍্যাবের ভিতরে কোন্দলের সময়ে ভারতের প্রতি হাসিনার স্বভাবসুলভ আত্মসমর্পণ অনেক র‍্যাব সদস্যকেই পীড়া দিয়েছে। কিন্তু নিজেরাও অবৈধ টাকা ভাগাভাগির অংশীদার বলে তেমন কেউ উচ্চবাচ্য করছেন না। পর নারীতে আসক্ত এবং মানসিক বিকারগ্রস্ত বেনজিরও তেমন উচ্চবাচ্য করছেন না ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে নিজের নাম আসার কারনে।

Content Protection by DMCA.com

হাসিনাকে সরিয়ে দেয়ার চক্রান্ত হয়েছে, নেতকর্মীদের সতর্ক থাকতে বললেন কাদের!

আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নেত্রীকে (শেখ হাসিনা) সরিয়ে দেয়ার চক্রান্ত হয়েছে। দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকুন অনেক খেলা আছে, অনেক চক্রান্ত আছে।

সোমবার আওয়ামী লীগ সভাপতি মিডনাইট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

অবশ্য বেশ কিছু দিন যাবৎ সামজিক মাধ্যমগুলিতে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, শেখ হাসিনা ক্যান্সারে ভুগছেন, এমনকি অবস্থা খুব আশংকাজনক, যেকেনো সময় তার মত্যু হতে পারে, তিনি কেবল নেতাকর্মীদের ধরে রাখতে অসুস্থতা গোপন করে নাটক করে যাচ্ছেন। তাকে সরিয়ে সেখানে ছোট বোন শেখ রেহানা বসতে চাইছেন। এ নিয়ে পরিবার এবং প্রভাবশালীদের মধ্যে প্রবল গৃহবিবাদ চলছে। অন্যদিকে, শেখ হাসিনা চাইছেন, তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে উত্তরাধিকার করতে। এ নিয়ে নানা গুজব এবং চক্রান্তের খবর হাওয়ায় ভাসছিল।

অবশেষে দলীয় সাধারণ সম্পাদক সেই গুজবকে সত্য হিসাবে প্রকাশ করলেন!

Content Protection by DMCA.com

আসছে জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল!

সংগৃহীত

ঢাকা মহানগরীতে রাষ্ট্রীয় খুন গুম ও অত্যাচারের নির্দেশদাতা ও কালাকার ডিএমপির অবসরপ্রাপ্ত কমিশনার আছাদুজ্জামানকে নবগঠিতব্য ‘জাতীয় নিরাপত্তা সেল’ প্রধান নির্বাহী নিয়োগ করা হয়েছে ৩ বছরের জন্য চুক্তিতে! প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কোনো একটা কক্ষে আসাদকে বসার জন্য অফিস তৈরী করা হচ্ছে বলে সূত্রমতে জানা যায়। তবে তার যোগ দেয়ার সম্ভাবনা আছে আরও দিন দশেক পরে।

এর মধ্য দিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা সমুহ দেখভাল করার জন্য একটি নতুন সংস্থা গঠিত হল। কিন্তু কারা থাকবেন এতে? সরকারী সূত্র জানাচ্ছে- মন্ত্রিসভার সিনিয়র সদস্য, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তা, পুলিশ-র‌্যাবের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এর ফোরাম পরিচালিত হবে। নিরাপত্তাবিষয়ক যেকোনো সিদ্ধান্ত স্বল্পতম সময়ের মধ্যে নেয়াসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ে কাজ করার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, বহির্বিশ্বের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলাসহ জঙ্গিবাদের মতো বিষয় নিয়েও কাজ করবে এটি।

ইতোমধ্যে জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠন সংক্রান্ত কিছু খবর ছড়ানো হয়েছে। দেখা গেছে, অতীতে প্রায় সকল সরকারের সময়েই জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠনের চেষ্টা হয়: ১৯৮১ সালে, ১৯৮৫ সালে, ১৯৯৬ সালে, ২০০৭-৮ সালে, ২০১২ সালে নিরাপত্তা কাউন্সিল নিয়ে কথা ও কাজ হয়েছিল। তবে ১৯৮১ সালে বিচারপতি সাত্তারের সরকারের সময় সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদ পত্রিকায় স্টেটমেন্ট দিয়ে নিরাপত্তা কাউন্সিলের জন্য চাপ দিয়ে ৮২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তা গঠন করতে সক্ষম হন। রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে ঐ কাউন্সিলে কয়েকজন মন্ত্রী, তিনবাহিনী প্রধান, বেসামারিক বাহিনীগুলোর প্রধান ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর সপ্তাহখানেক পরে ১১ই ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ কয়েকজন জেনারেলকে বঙ্গভবনে পাঠান সেনাপতি এরশাদ, যারা রাষ্ট্রপতি সাত্তারকে পদত্যাগ করে সেনাবাহিনীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চাপ দেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতি সে চাপ মোকাবেলা করেন কেবিনেট ভেঙে দিয়ে। কিন্তু ‍তাতেও বিপদ কাটেনি, ৪০ দিন পরে ২৪ মার্চ ১৯৮২ অস্ত্রের মুখে রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাত্তারকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করে এরশাদ।

নিরাপত্তা কাউন্সলের এই ইতিহাসটা বোধ হয় বর্তমান বিনাভোটের অবৈধ মিডনাইট সরকারের মনে আছে। তাই জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল না করে বানাচ্ছে ‘সেল’। সেলের সিইও (প্রধান নির্বাহী) করা হয়েছে আসাদুজ্জামানকে। তার আন্ডারের কমিটি, তাতে আবার মন্ত্রিরা থাকবে সদস্য, গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরাও থাকবে – আসলে পুরটাই জগাখিচুড়ী।

প্রস্তাবিত এই কমিটি ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পুলিশ র‌্যাব আনসার ডিজিএফআই, এসবি, এনএসআই প্রধানদের নিয়ে একটি ইনফরমাল ফোরাম আছে, বিশেষ প্রয়োজনে যেমন হরতাল অবরোধ বা বড় কোনো নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে যেখানে সভা বসে আলাপ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তাহলে ’আসাদুজ্জামান সেলের কাজটা কি? শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে, আসাদু পিএম অফিসের একটা লিয়াঁজো অফিসারে পরিণত হয়েছে, যার কাজ হবে রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ, বিরোধী দল দমন, এবং গুম খুনের সেন্ট্রাল বডি। আর সে চালাবে ডিএমপি কমিশনার স্টাইলে। অর্থাৎ পুলিশী রাষ্ট্রের আরেকটা কোতায়াল।

বাংলাদেশে ছাড়াও প্রতিবেশী দেশ এমনকি উন্নত দেশগুলিতে নিরাপত্তা কাউন্সিল আছে, সেই হাইপাওয়ার কমিটি জাতীয় পর্যায়ে অনেক বড় বড় ডিসিশন নিয়ে থাকে। যেমন ভারতে
ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে (এনএসসি) দেশের প্রেসিডেন্টের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষাবিষয়ক সংসদীয় কমিটির প্রধান, তিন বাহিনীর প্রধান, সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী বাহিনীগুলোর প্রধান, পুলিশপ্রধান ও জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রধানরা থকেন, সঙ্কটকালে সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান, সাবেক বাহিনীপ্রধানদেরও প্রয়োজনে এতে সম্পৃক্ত করা হয়ে থাকে। এর সাথে যুক্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা পরিষদ, যেখানে সারা দেশের প্রতিষ্ঠিত, নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষকেরা সম্পৃক্ত থাকে। ১৫ দিন পরপর একবার এই কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তাহলে বাংলাদেশে এটা কি বানালো? সেনাবাহিনী ক্ষমতা নিয়ে যাবে এই ভয়ে তিন বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করলো না। অথচ জাতীয় নিরাপত্তা তিন বাহিনী ছাড়া অসম্ভব। নাকি আসাদুজ্জামানের কমান্ড মিলিটারী বাহিনীগুলো শুনবে? মিলিটারীকে ডরমেন্ট রেখে পুলিশ-র‌্যাবকে দিয়ে জাতীয় নিরাপত্তার নামে যা করছে, তা একটি হাস্যকর বিষয়ে পরিণত হবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে হেয় প্রতিপন্ন করাই এর মূল উদ্দেশ্য।

Content Protection by DMCA.com

ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের দেড় হাজার কোটি টাকার কমিশন হাতিয়ে নিতেই জার্মানীতে সফর করেছিলেন শেখ হাসিনা!

বাংলাদেশের সাথে ব্যবসা করে এমন একটি ভারতীয় ডিজিটাল নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের মিডনাইট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ই-পাসপোর্ট প্রকল্প থেকে দেড় হাজার কোটি টাকার কমিশন হাতিয়ে নিতে গত ফেব্রুয়ারিতে জার্মানীতে সফর করেছিলেন। এরপরে সেই অর্থ তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নিকট হস্তান্তর করতে আরব আমিরাতের আবুধাবিতে গিয়েছিলেন। ই-ব্যাংকিং লেনদেনে কমিশন স্থানান্তর করতে গেলে রেকর্ড থাকার রিস্ক এড়াতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রটোকল সুবিধার অধীনে লাগেজ ব্যবহার করে সাথে বহন করেন।
উল্লেখ্য ২০১৪ সালে পদ্মাসেতু দুর্নীতিতে লাভালিন কোম্পানীর কাছ থেকে ১৭ মিলিয়ন ডলার কমিশন হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠার পরে শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং তার স্বামী খন্দকার মাশরুর হোসেন মিতু কানাডার নাগরিকত্ব ও সেখানকার ব্যবসা বানিজ্য হারান। এরপর থেকে তারা বাংলাদেশে ফের এসে শেষে আবুধাবিতে থিতু হয়।
জানা গেছে, বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজনীয় ৩ কোটি ২০ লাখ ই-পাসপোর্টের মধ্যে ৩০ লাখ ই-পাসপোর্ট বই সরবরাহ করতে জার্মান কোম্পানি ভেরিডোসকে কাজ দিয়ে গত বছর জুলাইতে একটি চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার। এ প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা। এই প্রজেক্ট থেকে প্রায় ৩৫ ভাগ অর্থ কমিশন বা স্পীড মানি বাবদ রাখা হয়। ঐ অর্থ গ্রহণ করে তার কন্যার কাছে নিরাপদে পৌছাতেই শেখ হাসিনা চলতি বছর ১৪ ফেব্রুয়ারিতে একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনের নামে মিউনিখে সফরে যান।
চলতি বছরের জুন মাসে ই-পাসপোর্ট হাতে পাবে বাংলাদেশের নাগরিকরা। ই-পাসপোর্ট পাসপোর্ট হবে ১০ বছর মেয়াদের। ফি নির্ধারণ কমিটির প্রস্তাবে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য ৬ হাজার (২১ দিন), এক্সপ্রেস ডেলিভারির জন্য ১২ হাজার (৭ দিন) এবং সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারির জন্য ১৫ হাজার টাকা (১ দিন) প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়াও পাসপোর্টের দুই ধরনের ক্যাটাগরি হচ্ছে। একটা ৪৮ পৃষ্টার। আরেকটা ৭২ পৃষ্টার। যারা বেশি নিতে চান তাদের ফি-টাও একটু বেশি দিতে হবে।
২০১৪ সালে বাংলাদেশে একদলীয় ভোটে শেখ হাসিনা ক্ষমতাসীন হওয়ার পরে দ্রুত একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে উৎসাহ দিতে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলির সাথে জার্মানীও সোচ্চার ছিল। ঐসময় ঢাকায় কর্মরত রাষ্ট্রদূতদের সংগঠন ‘ফ্রেন্ডস গ্রুপের’ মুখপাত্র হিসাবে কাজ করছিল জার্মান রাষ্ট্রদূত। এরপরে দীর্ঘ দিনের প্রচেষ্টায় জার্মান কোম্পানি ভেরিডোসকে ই-পাসপোর্টের কাজ দেয়ার মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকার জার্মানীকে শান্ত করতে সক্ষম হয় বলে অনেকে মনে করেন। ভেডিডোসের সাথে ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদনের অনুষ্ঠানে জার্মানির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নেইলসকে বিশেষ অতিথি করে ঢাকায় আনা হয়। তবে এই সূত্র ধরে এবছর ফেব্রুয়ারির মিউনিখ সফরকালে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেলের সাথে সাক্ষাৎ করে একটি বিশেষ সম্পর্ক তৈরি করতে শেখ হাসিনার চেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। অবশ্য এর আগেই ৩০ ডিসেম্বরে বাংলাদেশে গণতন্ত্রহরণকারী ভোটডাকাতির নির্বাচনের পরে ইউরোপ আমেরিকা ও জাতিসংঘের সাথে জার্মানীও নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে বিবৃতি দিয়েছিল। এর পর পরই শেখ হাসিনা জার্মানীতে গিয়ে চ্যান্সেলরের সাক্ষাৎ চেয়ে বিফল হন।

Content Protection by DMCA.com

গৃহবিবাদ থেকে রাষ্ট্রবিবাদে জড়িয়ে পড়েছে শেখ ডাইনেস্টি। বাদপড়া বৃদ্ধরা রেহানাকে নিয়ে ক্ষমতা দখলে আগাচ্ছে । ভারত তৈল সংযোগ দিচ্ছে তাতে । ডাঃ ইকবাল এবং তারিক সিদ্দিকের সাথে যৌন কেলেঙ্কারীর ভিডিও নিয়ে মোকাবেলার জন্য রেডি হাসিনা!

বিশেষ প্রতিবেদন।।

কথা ছিল, ২০১৮ সালের নির্বাচনের পরে রেহানাকে সাইড দিবে হাসিনা। অনেক তো হলো। কিন্তু রেহানা এবং ভারতের সব লোক বাদ দেয়ার পরে রেহানা বুঝে গেছে হাসিনা তাকে ব্লাফ দিয়েছে। যে কেবিনেট সাজিয়েছে, তা শুধু জয়ের ভবিষ্যতে ল্যান্ডিয়ের জন্য। এতে ভারত আউট হয়েছে, সাথে রেহানা ও তার ছেলে ববিরও কপাল পুড়েছে। যতই মাথা নষ্ট হোক না কেনো, বাবা জয়ের জন্য ক্ষেত্র তৈরি করেছে চার বারের ক্ষমতায় থাকা বড় বোন হাসিনা। প্রয়োজনে বোধে রাজাকারদের পুত্রবধু পুতুল বসবে!

রেহানার সাইডে থাকায় দীর্ঘ তিন বারের মত কেবিনেট থেকে বাদ পড়লো কাজিন শেখ সেলিম। এরপরে আর কোনো ভরসা নাই। তাই সেলিম, আমু, তোফায়েলরা সবাই রেহানাকে নিয়ে সামনে দিকে আগানোর পরিকল্পনা চুড়ান্ত করেছে। ভারতের সাথে কথাবার্তা হয়েছে। তাদের সামনে এর চেয়ে আর কোনো ভালো বিকল্প নাই।

বাইরে যতই দৃশ্যমান গলাগলির নাটক হোক না কেনো, শীঘ্রই হাসিনাকে দলীয়ভাবে চ্যালেঞ্জ করতে যাচ্ছে রেহানা। ভোট কারচুপির দুর্নামের পরে সারা বিশ্বে যখন অবস্থা নাজুক, চীন কানেকশনে ভারত বৈরী- এখনই উপযুক্ত সময় হিট করার। নইলে পরে আর হবে না। এভাবে গৃহবিবাদ থেকে রাষ্ট্র বিবাদে জড়িয়ে পড়েছে শেখ ডাইনেস্টি। হাসিনাও কম যান না। তিনিও খোঁজখবর রাখছেন চারদিকে। মাল মশলা নিয়ে তৈরি হয়ে আছেন। গত ২২ বছর ধরে রেহানার স্বামী শফিক সিদ্দিক প্যারালাইজ্ড হয়ে বসবাস করেন বনানী ১৫ নম্বর রোডে। এই সময়ে রেহানার পুকিপুকি খেলার পার্টনার হলো ডা. ইকবাল, আবুল হোসেন, এবং আপন দেওর তারিক সিদ্দিক। তাদের রঙ্গলীলার বেশ কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ ও সচিত্র রেকর্ড নিয়ে বড়’পা তৈরি হয়ে আছেন। সাথে আছে লন্ডনের শত বাড়ি, বিলিয়ন পাউন্ডের ব্যাংক ব্যালেন্স, চাঁদাবাজির হাজার হাজার ডকুমেন্ট। ঝামেলা বাধালেই ফাঁস করে দিয়ে পাবলিক নুইসেন্সের সম্মুখীন করা হবে রেহানাকে।

খবরের সূত্র শফিক সিদ্দিকী।

Content Protection by DMCA.com

বিএনপিতে নতুন মুখের জয়জয়কার

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে নতুনদের প্রাধান্য দিয়েছে বিএনপি। দলটির ৯৫ জন প্রার্থী প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছেন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে। সবচেয়ে বেশি নতুন মুখ ঢাকা বিভাগে। বিএনপির পাশাপাশি ২০ দলীয় জোটের শরিক দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের মধ্যেও অনেকেই এবার প্রথম জাতীয় নির্বাচনে লড়বেন। অনেক জেলায় একজনও পুরনো প্রার্থী পাননি ধানের শীষের টিকিট। প্রার্থী  চূড়ান্তকরণে নতুনদের প্রাধান্য দিলেও গুরুত্ব পেয়েছে তাদের স্থানীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা। নতুন প্রার্থীদের অনেকেই অতীতে উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। কেউ কেউ সেসব পদ থেকে পদত্যাগ করেই অংশ নিচ্ছেন জাতীয় নির্বাচনে।

এক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়েছে স্থানীয় নির্বাচনে তাদের প্রমাণিত জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক শক্তির বিষয়গুলো। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। সদ্য পঁচিশ পেরুনো ডা. সানসিলা জেবরিন মনোনয়ন পেয়েছেন শেরপুর-১ আসনে। তরুণ ভোটারদের কাছে টানার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে প্রার্থী চূড়ান্তকরণে। নতুনদের পাশাপাশি অন্তত ১০০জন রয়েছেন যারা অতীতে এক বা একাধিক জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন। অনেকেই মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। দলটির দায়িত্বশীল নেতারা জানান, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও যেন প্রার্থীরা ভোটের মাঠে টিকে থাকতে পারে সেজন্য সমন্বয় করা হয়েছে নবীন-প্রবীণ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে অভিজ্ঞদের। এবারের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন ১৬ জন নারী ও ৭ জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী।

বিএনপির দলীয় নতুন প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- রংপুর বিভাগ: পঞ্চগড়-১ আসনে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ আসনে ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে জাহিদুর রহমান, দিনাজপুর-২ আসনে সাদিক রিয়াজ, দিনাজপুর-৩ আসনে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, লালমনিরহাট-১ আসনে হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনে রোকনউদ্দিন বাবুল, রংপুর-৬ আসনে সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে আজিজুর রহমান, গাইবান্ধা-৪ আসনে ফারুক কবির আহমেদ, গাইবান্ধা-৫ আসনে ফারুক আলম সরকার;

রাজশাহী বিভাগ: জয়পুরহাট-১ আসনে ফজলুর রহমান, বগুড়া-৩ আসনে  মাসুদা মোমিন, বগুড়া-৪ আসনে মোশাররফ হোসেন, বগুড়া-৭ আসনে মোরশেদ মিল্টন, নওগাঁ-১ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-৩ আসনে পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী, নওগাঁ-৫ আসনে জাহিদুল ইসলাম ধলু, রাজশাহী-৩ আসনে শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, নাটোর-৩ আসনে দাউদার মাহমুদ, নাটোর-৪ আসনে আবদুল আজিজ, সিরাজগঞ্জ-১ রুমানা মোরশেদ কনকচাঁপা, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে আমিরুল ইসলাম খান আলিম, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে ডা. এমএ মুহিত;

খুলনা বিভাগ: মেহেরপুর-২ আসনে জাভেদ মাসুদ মিল্টন, কুষ্টিয়া-৩ আসনে জাকির হোসেন সরকার, চুয়াডাঙ্গা-১ শরিফুজ্জামান শরিফ, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে মাহমুদ হাসান খান, ঝিনাইদহ-১ আসনে অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ, ঝিনাইদহ-২ আসনে আবদুল মজিদ, ঝিনাইদহ-৪ আসনে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ঝিনাইদহ-৫ আসনে মতিউর রহমান, যশোর-৩ আসনে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মাগুরা-১ আসনে মনোয়ার হোসেন খান, বাগেরহাট-১ আসনে মাসুদ রানা, খুলনা-৩ আসনে রকিবুল ইসলাম বকুল;

বরিশাল বিভাগ: ভোলা-১ আসনে গোলাম নবী আলমগীর, ঝালকাঠি-২ আসনে জেবা আমিন খান, পটুয়াখালী-২ আসনে সালমা আলম, পিরোজপুর-৩ আসনে রুহুল আমিন দুলাল; ময়মনসিংহ বিভাগ: শেরপুর-১ আসনে ডা. সানসিলা জেবরিন, শেরপুর-২ আসনে ফাহিম চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১ আসনে আলী আজগর, ময়মনসিংহ-৪ আসনে আবু ওয়াহাব আখন্দু, নেত্রকোনা-২ আসনে ডা. আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৪ আসনে তাহমিনা জামান শ্রাবণী ও নেত্রকোনা-৫ আসনে আবু তাহের তালুকদার; ঢাকা বিভাগ: কিশোরগঞ্জ-১ আসনে রেজাউল করিম খান চুন্নু, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, টাঙ্গাইল-১ আসনে সরকার শহীদ, মানিকগঞ্জ-১ আসনে এসএ জিন্নাহ কবীর, ঢাকা-১ আসনে খন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা-২ আসনে ইরফান ইবনে আমান, ঢাকা-৫ আসনে নবীউল্লাহ নবী, ঢাকা-৯ আসনে আফরোজা আব্বাস, ঢাকা-১১ আসনে শামীম আরা বেগম, ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা-১৪ আসনে সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, ঢাকা-১৬ আসনে আহসান উল্লাহ হাসান, গাজীপুর-২ আসনে সালাহউদ্দিন সরকার, গাজীপুর-৪ আসনে শাহ রিয়াজুল হান্নান, নরসিংদী-৩ আসনে মঞ্জুর এলাহী, নরসিংদী-৫ আসনে আশরাফউদ্দিন বকুল, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে আজহারুল ইসলাম মান্নান, ফরিদপুর-৪ আসনে ইকবাল হোসেন খন্দকার সেলিম, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে এসএম আফজাল হোসেন, মাদারীপুর-১ আসনে সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী লাভলু, মাদারিপুর-২ আসনে মিল্টন বৈদ্য, মাদারিপুর-৩ আসনে আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার, শরিয়তপুর-৩ আসনে মিয়া নুরুদ্দিন অপু;
সিলেট বিভাগ: সুনামগঞ্জ-৫ আসনে মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-১ আসনে খন্দকার আবদুল মোক্তাদির, সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৬ আসনে ফয়সল আহমেদ চৌধুরী, মৌলভীবাজার-১ আসনে নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু;

চট্টগ্রাম বিভাগ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মুসলিম উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে কাজী নাজমুল হোসেন তাপস, কুমিল্লা-৩ আসনে কাজী মুজিবুল হক, চাঁদপুর-১ আসনে মোশারফ হোসেন, চাঁদপুর-২ আসনে ড. জালালউদ্দিন, চাঁদপুর-৪ আসনে এমএ হান্নান, ফেনী-১ আসনে রফিকুল ইসলাম মজনু, ফেনী-৩ আসনে আকবর হোসেন, চট্টগ্রাম-১ আসনে নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-২ আসনে আজিমউল্লাহ বাহার, চট্টগ্রাম-৪ আসনে ইসহাক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৬ আসনে জসিমউদ্দিন সিকদার, চট্টগ্রাম-৮ আসনে আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-৯ আসনে ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১২ আসনে এনামুল হক এনাম ও পাবর্ত্য খাগড়াছড়ি শহীদুল ইসলাম ভূঁইয়া ফরহাদ।

নারী প্রার্থী: ধানের শীষের টিকিট পেয়েছেন ১৬ জন নারী প্রার্থী। তারা হলেন- রংপুর-৩ আসনে রিটা রহমান, বগুড়া-৩ আসনে মাসুদা মোমিন, নাটোর-২ আসনে সাবিনা ইয়াসমিন, সিরাজগঞ্জ-১ রুমানা মোরশেদ কনকচাঁপা, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে রুমানা মাহমুদ, ঝালকাঠি-২ আসনে জেবা আমিন খান, পটুয়াখালী-২ আসনে সালমা আলম, শেরপুর-১ আসনে ডা. সানসিলা জেবরিন, নেত্রকোনা-৪ আসনে তাহমিনা জামান শ্রাবণী, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খানম রীতা, টাঙ্গাইল-৮ আসনে ব্যারিস্টার কুঁড়ি সিদ্দিকী (কৃশ্রজলীগ), ঢাকা-৯ আসনে আফরোজা আব্বাস, ঢাকা-১১ আসনে শামীম আরা বেগম, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ ইসলাম, সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা ও কক্সবাজার-১ আসনে হাসিনা আহমেদ। এর মধ্যে ১৪জন বিএনপি ও দুইজন শরিক দলের প্রার্থী।

সংখ্যালঘু প্রার্থী: ধানের শীষের টিকিট পেয়েছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৭ জন প্রার্থী। তারা হলেন- মাগুরা-২ আসনে নিতাই রায় চৌধুরী, টাঙ্গাইল-৬ আসনে অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী, ঢাকা-৩ আসনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৬ আসনে সুব্রত চৌধুরী (গণফোরাম), মাদারিপুর-২ আসনে মিল্টন বৈদ্য, পার্বত্য রাঙ্গামাটি মনি স্বপন দেওয়ান ও পার্বত্য বান্দরবান সাচিং প্রু জেরি। এর মধ্যে ৬ জন বিএনপি ও একজন গণফোরাম নেতা।
/মানবজমিন

Content Protection by DMCA.com

ঐক্যফ্রন্টের চুড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা: ধানের শীষ ২৯৮ এবং ছাতা ২

 

৩০০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে ঐক্যফ্রন্ট।
রোববার নির্বাচন কমিশনে এই তালিকাসহ চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপার্সনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, ২০দলীয় জোট ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। উক্ত জোটবদ্ধ দল সমূহের আসন ভিত্তিক ২৯৮ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকা  সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হলো।’ বাকী দু’টি ছাতা মার্কার।

ধানের শীষের প্রার্থী যাঁরা
————————–————-
২৯৮ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন বিএনপি, ২০ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা। ২৯৮ জন প্রার্থীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। একই সাথে সেই তালিকা নির্বাচন কমিশনেও পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

৩০০ আসনের মধ্যে বাকি দুটিতে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদ চট্টগ্রাম-১৪ আসনে দলীয় ছাতা প্রতীকে নির্বাচন করবেন এবং কক্সবাজার-২ আসনে হামিদুর রহমান আযাদ নির্বাচন করবেন স্বতন্ত্র প্রতীকে।

২৯৮ জন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা হলেন:

১. পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির বিএনপি, ২. পঞ্চগড়-২ ফরহাদ হোসেন আজাদ বিএনপি, ৩. ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপি, ৪. ঠাকুরগাঁও-২ মো; আব্দুল হাকিম বিএনপি, ৫. ঠাকুরগাঁও-৩ মো: জাহিদুর রহমান (জাহিদ) বিএনপি, ৬. দিনাজপুর-১ মোহাম্মদ হানিফ বিএনপি, ৭. দিনাজপুর-২ মো: সাদিক রিয়াজ বিএনপি, ৮. দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বিএনপি, ৯. দিনাজপুর-৪ মো: আকতারুজ্জামান মিয়া বিএনপি, ১০. দিনাজপুর- ৫ এ জেড এম রেজওয়ানুল হক বিএনপি, ১১. দিনাজপুর-৬ মো: আনোয়ারুল ইসলাম বিএনপি, ১২. নীলফামারী-১ রফিকুল ইসলাম বিএনপি, ১৩. নীলফামারী-২ মো: মনিরুজ্জামান (মন্টু) বিএনপি, ১৪. নীলফামারী-৩ মো: আজিজুল ইসলাম বিএনপি, ১৫. নীলফামারী-৪ আমজাদ হোসেন সরকার বিএনপি, ১৬. লালমনিরহাট-১ মো: হাসান রাজীব প্রধান বিএনপি, ১৭. লালমনিরহাট-২ মো: রোকন উদ্দিন বাবুল বিএনপি, ১৮. লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবিব দুলু বিএনপি, ১৯. রংপুর-১ মো: রহমতউল্লা বিএনপি, ২০. রংপুর-২ মোহাম্মদ আলী সরকার বিএনপি, ২১. রংপুর-৩ রিটা রহমান বিএনপি, ২২. রংপুর-৪ মোহাম্মদ এমদাদুল হক (ভরসা) বিএনপি, ২৩. রংপুর-৫ মো: গোলাম রব্বানী বিএনপি, ২৪. রংপুর-৬ মো: সাইফুল ইসলাম বিএনপি, ২৫. কুড়িগ্রাম-১ সাইফুর রহমান রানা-বিএনপি, ২৬. কুড়িগ্রাম-২ আমসা আমিন গণফোরাম, ২৭. কুড়িগ্রাম-৩ তাসভীর উল ইসলাম বিএনপি, ২৮. কুড়িগ্রাম-৪ আজিজুর রহমান বিএনপি, ২৯. গাইবান্ধা-১ মো: মাজেদুর রহমান বিএনপি, ৩০. গাইবান্ধা-২ মো: আব্দুর রশীদ সরকার বিএনপি, ৩১. গাইবান্ধা-৩ ড. টি আই এম ফজলে রাব্বী চৌধুরী বিএনপি, ৩২. গাইবান্ধা-৪ ফারুক কবির আহমেদ বিএনপি, ৩৩. গাইবান্ধা-৫ ফারুক আলম সরকার বিএনপি, ৩৪. জয়পুরহাট-১ মো: ফজলুর রহমান বিএনপি, ৩৫. জয়পুরহাট-২ এ ই এম খলিলুর রহমান বিএনপি।

৩৬. বগুড়া-১ কাজী রফিকুল ইসলাম বিএনপি, ৩৭. বগুড়া-২ মাহমুদুর রহমান মান্না বিএনপি, ৩৮. বগুড়া-৩ মাছুদা মোমিন বিএনপি, ৩৯. বগুড়া-৪ মো: মোশারফ হোসেন বিএনপি, ৪০. বগুড়া-৫ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ বিএনপি, ৪১. বগুড়া-৬ মির্জা ফখরুল ইসলাম বিএনপি, ৪২. বগুড়া-৭ মোরশেদ মিল্টন বিএনপি, ৪৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ মো: শাহজাহান মিঞা বিএনপি, ৪৪. চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ মো: আমিনুল ইসলাম বিএনপি, ৪৫. চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ মো: হারুনুর রশীদ বিএনপি, ৪৬. নওগাঁ-১ মো: ছালেক চৌধুরী বিএনপি, ৪৭. নওগাঁ-২ মো: সামসুজ্জোহা খান বিএনপি, ৪৮. নওগাঁ-৩ পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকি বিএনপি, ৪৯. নওগাঁ-৪ আবু হায়াত মোহাম্মাদ সামসুল আলম প্রামাণিক বিএনপি, ৫০. নওগাঁ-৫ মো: জাহিদুল ইসলাম ধলু বিএনপি, ৫১. নওগাঁ-৬ আলমগীর কবির বিএনপি, ৫২. রাজশাহী-১ মো: আমিনুল হক বিএনপি, ৫৩. রাজশাহী-২ মো: মিজানুর রহমান মিনু বিএনপি, ৫৪. রাজশাহী-৩ মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন বিএনপি, ৫৫. রাজশাহী-৪ মো: আবু হেনা বিএনপি, ৫৬. রাজশাহী-৫ নাদিম মোস্তফা বিএনপি, ৫৭. রাজশাহী-৬ মো: আবু সাইদ চাঁদ বিএনপি, ৫৮. নাটোর-১ মনজুরুল ইসলাম কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ৫৯. নাটোর-২ সাবিনা ইয়াসমিন বিএনপি, ৬০. নাটোর-৩ মো: দাউদার মাহমুদ বিএনপি, ৬১. নাটোর-৪ মো: আব্দুল আজিজ বিএনপি, ৬২. সিরাজগঞ্জ-১ রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা বিএনপি, ৬৩. সিরাজগঞ্জ-২ রুমানা মাহমুদ বিএনপি, ৬৪. সিরাজগঞ্জ-৩ আব্দুল মান্নান তালুকদার বিএনপি, ৬৫. সিরাজগঞ্জ-৪ মো: রফিকুল ইসলাম খান বিএনপি, ৬৬ সিরাজগঞ্জ-৫ মো: আমিরুল ইসলাম খান বিএনপি, ৬৭. সিরাজগঞ্জ-৬ এম এ মুহিত বিএনপি, ৬৮. পাবনা-১ অধ্যাপক আবু সাইদ গণফোরাম, ৬৯. পাবনা-২ এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব বিএনপি, ৭০. পাবনা-৩ কে এম আনোয়ার ইসলাম বিএনপি, ৭১. পাবনা-৪ মো: হাবিবুর রহমান (হাবিব) বিএনপি, ৭২. পাবনা-৫ মো: ইকবাল হোসেন বিএনপি।

৭৩. মেহেরপুর-১ মাসুদ অরুণ বিএনপি, ৭৪. মেহেরপুর-২ মো: জাভেদ মাসুদ বিএনপি, ৭৫. কুষ্টিয়া-১ রেজা আহম্মেদ বিএনপি, ৭৬. কুষ্টিয়া-২ মোহাম্মাদ আহসান হাবীব লিংকন-বিএনপি, ৭৭. কুষ্টিয়া-৩ মো: জাকির হোসেন সরকার বিএনপি, ৭৮. কুষ্টিয়া-৪ সৈয়দ মেহেদী আহ্মেদ রুমী বিএনপি, ৭৯. চুয়াডাঙ্গা-১ মো: শরীফুজ্জামান বিএনপি, ৮০. চুয়াডাঙ্গা-২ মাহমুদ হাসান খান বিএনপি, ৮১. ঝিনাইদহ-১ আসাদুজ্জামান বিএনপি, ৮২. ঝিনাইদহ-২ মো: আব্দুল মজিদ বিএনপি, ৮৩. ঝিনাইদহ-৩ মো: মতিয়ার রহমান বিএনপি, ৮৪. ঝিনাইদহ-৪ মো: সাইফুল ইসলাম ফিরোজ-বিএনপি, ৮৫. যশোর-১ মো: মফিকুল হাসান তৃপ্তি বিএনপি, ৮৬. যশোর-২ আবু সাঈদ মুহা: শাহাদৎ হুসাইন বিএনপি, ৮৭. যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিএনপি, ৮৮. যশোর-৪ টি এস আইয়ুব বিএনপি, ৮৯. যশোর-৫ মুহাম্মদ ওয়াক্কা বিএনপি, ৯০. যশোর-৬ মো: আবুল হোসেন আজাদ বিএনপি, ৯১. মাগুরা-১ মো: মনোয়ার হোসেন বিএনপি, ৯২. মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী বিএনপি, ৯৩. নড়াইল-১ জাহাঙ্গীর বিশ্বাস বিএনপি, ৯৪. নড়াইল-২ এ জেড এম ফরিদুজ্জামান বিএনপি, ৯৫. বাগেরহাট-১ মো: শেখ মাসুদ রানা বিএনপি, ৯৬. বাগেরহাট-২ এম, এ, সালাম বিএনপি, ৯৭. বাগেরহাট-৩ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ সেখ বিএনপি, ৯৮. বাগেরহাট-৪ মো: আব্দুল আলীম বিএনপি, ৯৯. খুলনা-১ আমীর এজাজ খান বিএনপি, ১০০. খুলনা-২ নজরুল ইসলাম মঞ্জু বিএনপি, ১০১. খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম বিএনপি, ১০২. খুলনা-৪ আজিজুল বারী হেলাল বিএনপি, ১০৩. খুলনা-৫ মিয়া গোলাম পরোয়ার বিএনপি, ১০৪. খুলনা-৬ মো: আবুল কালাম আজাদ বিএনপি, ১০৫. সাতক্ষীরা-১ মো: হাবিবুল ইসলাম হাবিব বিএনপি, ১০৬. সাতক্ষীরা-২ মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক বিএনপি. ১০৭. সাতক্ষীরা-৩ মো: শহিদুল আলম বিএনপি, ১০৮. সাতক্ষীরা-৪ জি এম নজরুল ইসলাম বিএনপি।

১০৯. বরগুনা-১ মতিয়ার রহমান তালুকদার বিএনপি, ১১০. বরগুনা-২ খন্দকার মাহবুব হোসেন বিএনপি, ১১১. পটুয়াখালী-১ এয়ার ভাইস মার্শাল (অব:) আলতাফ হোসেন চৌধুরী বিএনপি, ১১২. পটুয়াখালী-২ সালমা আলম বিএনপি, ১১৩. পটুয়াখালী-৩ মো: গোলাম মাওলা রনি বিএনপি, ১১৪. পটুয়াখালী- ৪ এ বি এম মোশাররফ হোসেন বিএনপি, ১১৫. ভোলা-১ আলমগীর কবির, বিএনপি, ১১৬. ভোলা-২ হাফিজ ইব্রাহীম বিএনপি, ১১৭. ভোলা-৩ হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ (বীর বিক্রম) বিএনপি, ১১৮. ভোলা-৪ নাজিম উদ্দিন আলম বিএনপি, ১১৯. বরিশাল-১ জহির উদ্দিন স্বপন বিএনপি, ১২০. বরিশাল-২ সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ বিএনপি, ১২১. বরিশাল-৩ জয়নুল আবেদীন বিএনপি, ১২২. বরিশাল-৪ নুরুর রহমান জাহাঙ্গীর বিএনপি, ১২৩. বরিশাল-৫ মো: মজিবর রহমান সরওয়ার বিএনপি, ১২৪. বরিশাল-৬ আবুল হোসেন খান বিএনপি, ১২৫. ঝালকাঠি-১ মুহাম্মদ শাহজাহান ওমর বিএনপি, ১২৬. ঝালকাঠি-২ জীবা আমিনা খান বিএনপি, ১২৭. পিরোজপুর-১ শামীম সাঈদী বিএনপি, ১২৮. পিরোজপুর-২ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বিএনপি, ১২৯. পিরোজপুর-৩ মো: রুহুল আমীন দুলাল বিএনপি।

১৩০. টাংগাইল-১ শহীদুল ইসলাম বিএনপি, ১৩১. টাংগাইল-২ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিএনপি, ১৩২. টাংগাইল-৩ মো: লুৎফর রহমান খান আজাদ বিএনপি, ১৩৩. টাংগাইল-৪ মো: লিয়াকত আলী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ১৩৪. টাংগাইল-৫ মাহমুদুল হাসান বিএনপি, ১৩৫. টাংগাইল-৬ গৌতম চক্রবর্তী বিএনপি, ১৩৬. টাংগাইল-৭ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বিএনপি, ১৩৭. টাংগাইল-৮ কুড়ি সিদ্দিকী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ১৩৮. জামালপুর-১ রশিদুজ্জামান মিল্লাত-বিএনপি, ১৩৯. জামালপুর-২ এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু বিএনপি, ১৪০. জামালপুর-৩ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বিএনপি, ১৪১. জামালপুর-৪ মো: ফরিদুল কবীর তালুকদার (শামীম) বিএনপি, ১৪২. জামালপুর-৫ শাহ মো: ওয়ারেছ আলী মামুন বিএনপি, ১৪৩. শেরপুর-১ সানসিলা জেবরিন বিএনপি, ১৪৪. শেরপুর-২ ফাহিম চৌধুরী বিএনপি, ১৪৫. শেরপুর-৩ মো: মাহমুদুল হক রুবেল বিএনপি, ১৪৬. ময়মনসিংহ-১ আলী আজগর বিএনপি, ১৪৭. ময়মনসিংহ-২ শাহ শহীদ সারোয়ার বিএনপি, ১৪৮. ময়মনসিংহ-৩ এম ইকবাল হোসেন বিএনপি, ১৪৯. ময়মনসিংহ-৪ আবু ওহাব আকন্দ বিএনপি, ১৫০. ময়মনসিংহ-৫ মোহাম্মদ জাকির হোসেন বিএনপি, ১৫১. ময়মনসিংহ-৬ শামছউদ্দিন আহমদ বিএনপি, ১৫২. ময়মনসিংহ-৭ মো: জয়নাল আবেদীন/ডা: মাহবুবুর রহমান বিএনপি, ১৫৩. ময়মনসিংহ-৮ এ এইচ এম খালেক্জ্জুামান, গণফোরাম, ১৫৪. ময়মনসিংহ-৯ খুররম খান চৌধুরী বিএনপি, ১৫৫. ময়মনসিংহ-১০ সৈয়দ মাহমুদ মোরর্শেদ এলডিপি, ১৫৬. ময়মনসিংহ-১১ ফখর উদ্দিন আহমেদ-বিএনপি, ১৫৭. নেত্রকোনা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিএনপি, ১৫৮. নেত্রকোনা-২ মো: আনোয়ারুল হক বিএনপি, ১৫৯. নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হিলালী বিএনপি, ১৬০. নেত্রকোনা-৪ তাহমিনা জামান বিএনপি, ১৬১. নেত্রকোনা-৫ আবু তাহের তালুকদার বিএনপি।

১৬২. কিশোরগঞ্জ-১ মো: রেজাউল করিম খান বিএনপি, ১৬৩. কিশোরগঞ্জ-২ মেজর আখতারুজ্জামান বিএনপি, ১৬৪. কিশোরগঞ্জ-৩ প্রফেসর ড. মো: সাইফুল ইসলাম জেএসডি, ১৬৫. কিশোরগঞ্জ-৪ মো: ফজলুর রহমান বিএনপি, ১৬৬. কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বিএনপি, ১৬৭. কিশোরগঞ্জ-৬ মো: শরীফুল আলম বিএনপি, ১৬৮. মানিকগঞ্জ-১ এস এম জিন্নাহ কবির বিএনপি, ১৬৯. মানিকগঞ্জ-২ মঈনুল ইসলাম খান বিএনপি, ১৭০. মানিকগঞ্জ-৩ আফরোজা খান রিতা বিএনপি, ১৭১. মুন্সীগঞ্জ-১ শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন বিএনপি, ১৭২. মুন্সীগঞ্জ-২ মিজানুর রহমান সিনহা বিএনপি, ১৭৩. মুন্সীগঞ্জ-৩ আবদুল হাই বিএনপি, ১৭৪. ঢাকা-১ খোন্দকার আবু আসফাক বিএনপি, ১৭৫. ঢাক-২ ইরফান ইবনে আমান অমি বিএনপি, ১৭৬. ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিএনপি, ১৭৭. ঢাকা-৪ সালাহ উদ্দিন আহমেদ বিএনপি, ১৭৮. ঢাকা-৫ নবীউল্লা বিএনপি, ১৭৯. ঢাকা-৬ সুব্রত চৌধুরী গণফোরাম, ১৮০. ঢাকা-৭ মোস্তফা মহসীন মন্টু গণফোরাম, ১৮১. ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ বিএনপি, ১৮২. ঢাকা-৯ আফরোজা আব্বাস বিএনপি; ১৮৩. ঢাকা-১০ আবদুল মান্নান বিএনপি; ১৮৪. ঢাকা-১১ শামীম আরা বেগম-বিএনপি; ১৮৫. ঢাকা-১২ সাইফুল আলম নীরব-বিএনপি; ১৮৬. ঢাকা-১৩ মো: আব্দুস সালাম-বিএনপি; ১৮৭. ঢাকা-১৪ সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক-বিএনপি; ১৮৮. ঢাকা-১৫ ডা: মো: শফিকুর রহমান-বিএনপি; ১৮৯. ঢাকা-১৬ মো: আহসান উল্লাহ হাসান-বিএনপি; ১৯০. ঢাকা -১৭ আন্দালিব রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি; ১৯১. ঢাকা-১৮ শহীদ উদ্দিন মাহমুদ, জেএসডি; ১৯২. ঢাকা-১৯ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন-বিএনপি; ১৯৩. ঢাকা-২০ তমিজ উদ্দিন-বিএনপি; ১৯৪. গাজীপুর-১ অ্যাড. চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী-বিএনপি; ১৯৫. গাজীপুর-২ মো: সালাহ উদ্দিন সরকার-বিএনপি; ১৯৬. গাজীপুর-৩ ইকবাল সিদ্দিকী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ; ১৯৭. গাজীপুর-৪ শাহ রিয়াজুল হান্নান-বিএনপি; ১৯৮. গাজীপুর-৫ এ কে এম ফজলুল হক মিলন-বিএনপি; ১৯৯. নরসিংদী-১ খায়রুল কবির খোকন-বিএনপি; ২০০. নরসিংদী-২ ড. আবদুল মঈন খান-বিএনপি; ২০১. নরসিংদী-৩ মনজুর এলাহী-বিএনপি; ২০২. নরসিংদী-৪ সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন-বিএনপি; ২০৩. নরসিংদী-৫ ইঞ্জি. আশরাফ-বিএনপি; ২০৪. নারায়ণগঞ্জ-১ কাজী মনিরুজ্জামান-বিএনপি; ২০৫. নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম আজাদ-বিএনপি; ২০৬. নারায়ণগঞ্জ-৩ মো: আজহারুল ইসলাম মান্নান-বিএনপি; ২০৭. নারায়ণগঞ্জ-৪ মনির হোসেন, জমিউতে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ; ২০৮. নারায়ণগঞ্জ-৫ এস এম আকরাম-বিএনপি; ২০৯. রাজবাড়ী-১ আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম-বিএনপি; ২১০. রাজবাড়ী-২ মো: নাসিরুল হক সাবু-বিএনপি; ২১১. ফরিদপুর-১ শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর-বিএনপি; ২১২. ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম-বিএনপি; ২১৩. ফরিদপুর-৩ চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ-বিএনপি; ২১৪. ফরিদপুর-৪ খন্দকার ইকবাল হোসেন (সেলিম)-বিএনপি; ২১৫. গোপালগঞ্জ-১ এফ ই শরফুজ্জামান-বিএনপি; ২১৬. গোপালগঞ্জ-২ মো: সিরাজুল ইসলাম সিরাজ-বিএনপি; ২১৭. গোপালগঞ্জ-৩ এস এম জিলানী-বিএনপি; ২১৮. মাদারীপুর-১ সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী বিএনপি, ২১৯ মাদারীপুর-২ মিল্টন বৈদ্য বিএনপি, ২২০. মাদারীপুর-৩ মো: আনিসুর রহমান তালুকদার বিএনপি, ২২১. শরীয়তপুর-১ সরদার এ, কে, এম, নাসির উদ্দীন বিএনপি, ২২২. শরীয়তপুর-২ মো: শফিকুর রহমান কিরণ বিএনপি, ২২৩. শরীয়তপুর-৩ মিয়া নুরুদ্দিন অপু বিএনপি।

২২৪. সুনামগঞ্জ-১ নজির হোসেন বিএনপি, ২২৫. সুনামগঞ্জ-২ মো: নাছির চৌধুরী বিএনপি, ২২৬. সুনামগঞ্জ-৩ মো: শাহিনুর পাশা চৌধুরী, জমিউতে উলামায় ইসলাম বাংলাদেশ, ২২৭. সুনামগঞ্জ-৪ ফজলুল হক আসপিয়া বিএনপি, ২২৮. সুনামগঞ্জ-৫ মো: মিজানুর রহমান চৌধুরী বিএনপি, ২২৯. সিলেট-১ খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর চৌধুরী বিএনপি, ২৩০. সিলেট-২ তাহসিনা রুশদীর বিএনপি, ২৩১. সিলেট-৩ আলহাজ শফি আহমদ চৌধুরী বিএনপি, ২৩২. সিলেট-৪ দিলদার হোসেন সেলিম বিএনপি, ২৩৩. সিলেট-৫ ওবায়দুল্লাহ ফারুক, জমিয়তে ওলাময়ে ইসলাম বাংলাদেশ, ২৩৪. সিলেট-৬ ফয়সাল চৌধুরী বিএনপি, ২৩৫. মৌলভীবাজার-১ নাছির উদ্দিন আহমেদ বিএনপি, ২৩৬. মৌলভীবাজার-২ সুলতান মোহাম্মাদ মনসুর আহমেদ, গণফোরাম, ২৩৭. মৌলভীবাজার-৩ নাসের রহমান বিএনপি, ২৩৮. মৌলভীবাজার-৪ মো: মজিবুর রহমান চৌধুরী বিএনপি, ২৩৯. হবিগঞ্জ-১ রেজা কিবরিয়া, গণফোরাম, ২৪০. হবিগঞ্জ-২ আব্দুল বাসিত আজাদ, খেলাফত মজলিস, ২৪১. হবিগঞ্জ-৩ আলহাজ মো: জি কে গউছ বিএনপি, ২৪২. হবিগঞ্জ-৪ আহমদ আবদুল কাদের, খেলাফত মজলিস।

২৪৩. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ এস, এ কে একরামুজ্জামান বিএনপি, ২৪৪. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উকিল আব্দুস সাত্তার বিএনপি, ২৪৫. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মো: খালেদ হোসেন মাহবুব বিএনপি, ২৪৬. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মো: মুসলিম উদ্দিন বিএনপি, ২৪৭. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ কাজী নাজমুল হোসেন বিএনপি, ২৪৮. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আবদুল খালেক বিএনপি, ২৪৯. কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিএনপি, ২৫০. কুমিল্লা-২ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিএনপি, ২৫১. কুমিল্লা-৩ কে, এম, মজিবুল হক বিএনপি, ২৫২. কুমিল্লা-৪ আবদুল মালেক রতন, জেএসডি, ২৫৩. কুমিল্লা-৫ মো: ইউনুস বিএনপি, ২৫৪. কুমিল্লা-৬ মোহাম্মাদ আমিন উর রশিদ বিএনপি, ২৫৫. কুমিল্লা-৭ রেদওয়ান আহমেদ, এলডিপি, ২৫৬. কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের বিএনপি, ২৫৭. কুমিল্লা-৯ এম আনোয়ার উল আজিম বিএনপি, ২৫৮. কুমিল্লা-১০ মো: মনিরুল হক চৌধুরী বিএনপি, ২৫৯. কুমিল্লা-১১ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বিএনপি, ২৬০. চাঁদপুর-১ মোহাম্মাদ মোশাররফ হোসেন বিএনপি, ২৬১. চাঁদপুর-২ মো: জালাল উদ্দিন বিএনপি, ২৬২. চাঁদপুর-৩ শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বিএনপি, ২৬৩. চাঁদপুর-৪ মো: আব্দুল হান্নান বিএনপি, ২৬৪. চাঁদপুর-৫ মো: মমিনুল হক বিএনপি, ২৬৫. ফেনী-১ মুন্সি রফিকুল আলম বিএনপি, ২৬৬. ফেনী-২ জয়নাল আবদিন বিএনপি, ২৬৭. ফেনী-৩ আকবর হোসেন বিএনপি, ২৬৮. নোয়াখালী-১ এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বিএনপি, ২৬৯. নোয়াখালী-২ জয়নাল আবেদিন ফারুক বিএনপি, ২৭০. নোয়াখালী-৩ মো: বরকত উল্লাহ বুলু বিএনপি, ২৭১. নোয়াখালী-৪ মো: শাহজাহান বিএনপি, ২৭২. নোয়াখালী-৫ মওদুদ আহমদ বিএনপি, ২৭৩. নোয়াখালী-৬ মো: ফজলুল আজিম বিএনপি, ২৭৪. লক্ষ্মীপুর-১ শাহাদৎ হোসেন সেলিম, এলডিপি, ২৭৫. লক্ষ্মীপুর-২ মো: আবুল খায়ের ভূঁইয়া বিএনপি, ২৭৬. লক্ষ্মীপুর-৩ মো: শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বিএনপি, ২৭৭. লক্ষ্মীপুর-৪ আ স ম আব্দুর রব, জেএসডি, ২৭৮. চট্টগ্রাম-১ নুরুল আমিন বিএনপি, ২৭৯. চট্টগ্রাম-২ মো: আজিম উল্লাহ চৌধুরী বাহার বিএনপি, ২৮০. চট্টগ্রাম-৩ কামাল পাশা বিএনপি, ২৮১. চট্টগ্রাম-৪ ইসহাক চৌধুরী বিএনপি, ২৮২. চট্টগ্রাম-৫ সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, কল্যাণ পার্টি, ২৮৩. চট্টগ্রাম-৬ জসিম উদ্দিন শিকদার বিএনপি, ২৮৪. চট্টগ্রাম-৭ নুরুল আলম, এলডিপি, ২৮৫. চট্টগ্রাম-৮ আবু সুফিয়ান বিএনপি, ২৮৬. চট্টগ্রাম-৯ শাহাদাত হোসেন বিএনপি, ২৮৭. চট্টগ্রাম-১০ আব্দুল্লাহ আল নোমান বিএনপি, ২৮৮. চট্টগ্রাম-১১ আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিএনপি, ২৮৯. চট্টগ্রাম-১২ মো: এনামুল হক বিএনপি, ২৯০. চট্টগ্রাম-১৩ সরওয়ার জামাল নিজাম বিএনপি, ২৯২. চট্টগ্রাম-১৫ আ. ন. ম. শামসুল ইসলাম বিএনপি, ২৯৩. চট্টগ্রাম-১৬ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বিএনপি, ২৯৪. কক্সবাজার-১ হাসিনা আহমেদ বিএনপি, ২৯৬. কক্সবাজার-৩ লুৎফুর রহমান বিএনপি, ২৯৭. কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী বিএনপি, ২৯৮. খাগড়াছড়ি মো: শহিদুল ইসলাম ভূইয়া বিএনপি, ২৯৯. রাংগামাটি মনি স্বপন দেওয়ান বিএনপি, ৩০০. বান্দরবান সাচিং প্রু জেরি বিএনপি।

Content Protection by DMCA.com

সরকারের মন্ত্রী লোটাস কামালের হুশিয়ারি: ২৭ তারিখের মধ্যে বিএনপি-জামায়াত এলাকা না ছাড়লে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না!  

২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে বিরোধী নেতাকর্মীরা এলাকা না ছাড়লে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী ও কুমিল্লা-১০ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল)।


বুধবার রাতে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার কনকশ্রী মধ্যমপাড়ায় বাইন্না বাড়িতে আয়োজিত উঠান বৈঠকে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। বৈঠকে লোটাস কামালের দেয়া ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভাইরাল হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনেও এ অভিযোগ করেছেন। ওই সংবাদ সম্মেলনে
রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগের অবৈধ মন্ত্রী লোটাস কামালের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ভোট ডাকাতির ভয়াবহ পরিকল্পনা ফাঁস করেছেন। প্রকাশ্যে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিয়ে শেয়ার বাজার ও ব্যাংক লুটেরাদের ‌অন্যতম আ হ ম মোস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামাল বলছেন-‘একটা একটা করে খুঁজবেন, ২৭ তারিখের আগে যদি এলাকা ছেড়ে না যায় তা হলে আর ছাড় নাই। তাদের চৌদ্দগুষ্টি পর্যন্ত উৎখাত করবো’।

ওই উঠান বৈঠকে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর আমি হামলা-মামলা করে কাউকে হয়রানি করিনি। আগামী ২৭ (নির্বাচনের ৩ দিন আগে) ডিসেম্বরের পর কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
তিনি বলেন, ‘২০০১ সালের নির্বাচনের পর আমার ও আমার বড় ভাইয়ের নামে অনেক মামলা হয়েছিল। বিএনপির আমলে একটি রাতও আমি বাড়িতে ঘুমাতে পারিনি। অনেকের গরুর ঘর থেকে তারা গরু নিয়ে গিয়ে পিকনিক করেছে, পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে গেছে এবং জমি থেকে ফসল কেটে নিয়ে গেছে। তারা ভালো মানুষ না। তারা আমাকে খুনের মামলায় এক নম্বর আসামি করেছে। আমাকে ইলেকট্রিক চেয়ারে বসিয়েছে। আগামী নির্বাচনে আমাকে নয়, উন্নয়নের মার্কা নৌকাকে বিজয়ী করে তাদের প্রতিরোধ করতে হবে।’

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে একটা কথা বলে গেলাম, তাদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা করি নাই, মামলা করবো না। ২৭ তারিখ পর্যন্ত মামলা করবো না। ২৭ তারিখের পর কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমি আবারও বলে গেলাম, জামায়াত হোক, শিবির হোক, যেই গোষ্ঠিই হোক- এদের চৌদ্দ গোষ্ঠি পর্যন্ত শেষ করবো ইনশাল্লাহ। এদের কাছে  দেশ সেইফ না। আমি আজ বলে গেলাম- এরা এখানে থাকতে পারে, যেখানে সেখানে থাকতে পারে। আপনারা খুঁজে দেখবেন। ২৭ তারিখ পর্যন্ত দেখবো। যদি ২৭ তারিখের মধ্যে এলাকা ছেড়ে চলে না যায়, যদি আমাদের সঙ্গে কোনও কম্প্রোমাইজ না করে, না আসে, তাহলে ২৭ তারিখের পরে আর ছাড় নাই।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাতির পিতার স্বপ্ন সোনার বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমি তার সহকর্মী হিসেবে সাহায্য করি। দেশকে এগিয়ে নিতে আজীবন কাজ করে যাব।’

পেরুল দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান এজিএম শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ওই উঠান বৈঠকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এমএ হামিদ, লালমাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মজুমদার, স্থানীয় ইউপি আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, বিজয়পুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম জিলানী এবং সদর দক্ষিণ ও লালমাই উপজেলাসহ স্থানীয় এলাকার দল ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
শীর্ষ নিউজ

Content Protection by DMCA.com
1 2 3 30