‘হাসিনা খতম হবে; লাশও খুঁজে পাওয়া যাবে না’ : ব্রিগেডিয়ার জিয়াউল আহসান

কানাডা প্রতিনিধি

বাংলাদেশের স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার সময় শেষ, তার লাশও খুঁজে পাওয়া যাবে না- এমনই কঠিন কঠোর মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জিয়াউল আহসান! অথচ এক সময় র্যাবে থাকতে এই জিয়াউলই ছিলেন হাসিনার বিশ্বস্ত, এবং শত শত খুন গুমের হোতা। সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশের বিনাভোটের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পুত্র জয়, ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের রাষ্ট্রবিরোধী নানা গোপন নির্দেশ, দুর্নীতির প্রমান সম্বলিত টেলিকথপোকথনের রেকর্ড এখন ব্রিগেডিয়ার জিয়ার হাতে। মূলত হাসিনার প্রাণ ভোমরা জিয়ার কব্জায়!

দীর্ঘ সাত বছর ধরে শেখ হাসিনার সরকারের জন্য তার কৃত খুন-গুম-অনিয়ম কর্মকান্ডের ব্যাক-আপ হিসাবে নিজের সেফ কাস্টডিতে রেখে দিয়েছিলেন ব্রিগেডিয়ার জিয়া। কিন্তু বন্ধুদের নিয়ে মদের আসরে বেসামাল অবস্থায় গল্পে গল্পে সেটা তার মুখ ফস্কে বের হয়ে গেলে এক কান দু’কান হয়ে পৌছে যায় শেখ হাসিনার কানে। এরপরে শেখ হাসিনাও সতর্ক হয়ে যান। জিয়ার ব্যাপরে পরিষ্কার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন- ‘ওর কাজ শেষ, তাই সাফ করে ফেলো’- এমন নির্দেশ দেন। মোটকথা, সাক্ষ্য প্রমান মুছে ফেলতে ব্রিগেডিয়ার জিয়াকে হত্যা করতে নির্দেশ দিয়েছেন, এমন খবর পাওয়ার পরে জিয়াউল আহসান পালিয়ে গেছে কানাডায়। যদিও বছরখানেক আগে জিয়া একবার কানাডা চলে গিয়েছিলেন, তবে পরে আবার ফিরে আসলেও সেনাবাহিনী তাকে গ্রহন করতে রাজী হয়নি।

বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, গার্মেন্টস শ্রমিক নেতা আমিনুলকে গুম করার মূল কারিগর ছিলেন র্যাবের পরিচালক এই জিয়া। বিএনপি নেতা ও সাবেক মন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদকেও উঠিয়ে নিয়ে কয়েক মাস গুম করে রাখে এই জিয়াই। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের হেফাজত গণহত্যার অপারেশন ইনচার্জ ছিলেন কর্নেল জিয়া, টেলিভিশন সাক্ষাতকারে তিনি তা নিজেই স্বীকার করেছেন। সৌদি কূটনীতিক খালাফ আলী হত্যা, সাংবাদিক জুটি সাগর-রুনির হত্যাকান্ড এবং নারায়ণগঞ্জে সেভেন মার্ডারের ঘটনার সাথে সাংঘাতিকভাবে জড়িত ছিলেন কর্নেল জিয়াউল হাসান। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর বিএনপির ‘ঢাকা চলো’ কর্মসূচি বানচাল করতে এবং বিরোধী দল নিধনের মূল হাতিয়ার ছিল এই জিয়া।

জিয়াউলে আহসানের কর্নেল/ব্রিগেডিয়ার হিসাবে ৭ বছর র্যাবে অবস্খানকালে দেশজুড়ে বিরোধী দলের হাজারো নেতাকর্মী হত্যা/গুমের সাথে জড়িত ছিলেন তিনি। রাজনৈতিক গুম ও খুনে তিনি যেমন সরাসরি নেতৃত্ব দিতেন, তেমনি মাঠের কাজও তত্ত্বাবধান করতেন। এনিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক লেখালেখি শুরু হলে সেখান থেকে সরিয়ে তাকে পাঠানো হয় ডিজিএফআইতে, পরে এনএসআইতে দেয়া হয়। এরি মাঝে তাকে ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতি হয় এবং সর্বশেষে বসানো হয় টেলিফোন আড়ি পাতার সংস্খা এনটিএমসির প্রধান হিসাবে। ২০১৬ সালের মার্চে এনটিএমসিতে বসার পরে ব্রিগেডিয়ার জিয়া বিরোধী রাজনীতিকের গুরুত্বপূর্ন সব টেলিফোন ও অনলাইন যোগাযোগে আড়ি পাতার অধিকার লাভ করে, এবং সরকারকে সরবরাহ করে থাকতেন। তবে জিয়াউল আহসান যতখানি না শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত, তারও চেয়ে বেশী ছিলেন অনুগত ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এর অনুগত।

ব্রিগেডিয়ার জিয়ার কাছে শেখ হাসিনার গোপন অডিও রেকর্ড আছে, এবং তা প্রকাশ হয়ে পড়তে পারে, এমন খবর জানার পরে তাকে নিয়ে সন্দেহ বেড়ে যায় শেখ হাসিনার। এর পরেই তাকে ক্রস ফায়ার বা গাড়ি এক্সিডেন্ট করে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত দেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী তাকে খেয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে- ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা মারফত এমন নিশ্চিত খবর পাওয়ার পরে সিদ্ধান্ত নিতে আর দেরী করেনি ব্রিগেডিয়ার জিয়া। র-য়ের সাহায্য নিয়ে গত সপ্তাহে সপরিবারে ভারত হয়ে পৌছে গেছেন কানাডায়। আপাতত অন্টারিও প্রদেশে মিনহাজের বাসায় উঠলেও সহসাই নিজের বাড়িতে উঠবেন। নিরাপত্তার কারনে ঘন ঘন ফোন নম্বর বদলাচ্ছেন। অচিরেই খুব গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ হবে তার। এরপরে শেখ হাসিনার অনেক চ্যাঞ্চল্যকর অডিও ক্লিপ অনলাইনে আসবে। হাসিনার পতন এমন ভাবে হবে যে তার লাশও হয়ত খুঁজে পাওয়া যাবে না, মন্তব্য ব্রিগেডিয়ার জিয়ার।

DISCLAIMER: This is an investigative report by BD Politico Team. We reserve the right to protect our sources by law.

Content Protection by DMCA.com

সিনহার বইয়ে নানা অভিযোগ এবং নারী ঘটিত কেলেঙ্কারী : আবেদীনের পরিবারে ঝড়!

সামরিক গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের প্রধান মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীনকে নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় এবং সামাজিক মাধ্যমে নানাবিধ খবরের পরে রেশ বইছে তার ডিপার্টমেন্ট এবং পরিবারে। এ নিয়ে নিজ গৃহে চলছে বিবাদ। স্ত্রী ফাতেমা-তুজ-জোহরা ক্যামেলিয়া চড়াও হয়েছে আবেদীনের ওপরে। কথা বলে অভিযোগ করেছেন তার বন্ধু বান্ধব ও স্বজনদের সাথে। এর মধ্যে সাবেক ক্লাশমেট তুরিন আফরোজও আছেন। সাংঘতিক সে ক্যাচাল পরিবারের গন্ডি ছাড়িয়ে বাইরে চলে এসেছে।

বন্ধুবান্ধব সূত্রে জানা গেছে, স্ত্রী ক্যমেলিয়া বলেছেন,”তোমার এইসব অপকর্মের খবর ছড়িয়েছে সারা দেশে, এখন মুখ দেখাব কিভাবে। বিশেষ করে ক্যান্টনমেন্টে ভাবীরা এ নিয়ে মুখরোচক আলোচনায় ব্যস্ত। ক্লাব পার্টি সব শেষ। এনিয়ে তোমাকে বহুত মানা করেছি, কিন্তু তুমি আর ভালো হলে না। শেষ পর্যন্ত মেয়ের চেয়েও ছোট বয়সী নিয়ে!! ছি ছি ছি! তোমার কি ভীমরতিতে ধরেছে। আমি আর পারছি না।”

অন্যদিকে আবেদীন সাহেবও স্ত্রীর ওপর পাল্টা চোটপাট নেন, “এই সামান্য বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করে তুমিই বড় করেছে! এক কান দু’কান ঘুরে এখন রাষ্ট্র হয়েছে। তোমাদের মেয়েদের নিয়ে এই এক বিপদ। নিজেরা যা বোঝো, সেটা নিয়েই থাকো। প্রফেশনের জন্য আমাকে কত যায়গায় যেতে হয়, কতকিছু করতে হয়, অথচ তোমরা থাকো বিছানা আর মেয়েলী ইস্যু নিয়ে! এখন ডিপার্টমেন্ট আমার মুখ দেখানোই দায় হয়ে পড়েছে।”

পরিবারিক বন্ধু কর্নেল পদমর্যাদার এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, “পারিবারিক কলহের খবর পেয়ে আমরা ছুটে যাই, কিন্তু পারিবারিক বিবাদের মধ্যে কতটা আর কি করা যায়? তাও আমরা বুঝিয়ে এসেছি। ভাবী তো ভীষন ক্ষেপে গেছেন। বাপের বাড়ি চলে যাওয়ার হুমকি দিয়ে রেখেছেন। এমনকি আমেরিকাতে মেয়ের কাছেও চলে যেতে পারেন। যাই হোক, ছেলের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাদেরকে মানিয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে এসেছি।”

নাম না প্রকাশ করার শর্তে সংস্থাটির এক কর্মকর্তা জানান, ডিজি ভীষন ডিস্টার্বড। অফিসারদের উপর চড়াও হচ্ছেন কারনে অকারনেই। এসব খবরের সুত্র বের করার জন্য তিনি সর্বতোভাবে লাগার হুকুম জারী করেছেন। আইটি বিভাগেকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন এর সোর্স বের করতে, কারা কোত্থেকে এত খবর প্রকাশ করে। অন্যদিকে ডিপার্টমেন্টের কিছু কিছু অফিসারদের প্রতি নজরদারী বাড়ানো হয়েছে। ফোন কল এবং নেট কানেকশন পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে। ডিপার্টেমেন্টর ভিতরে চলছে জরুরী অবস্থা। ডিজি এখন ভয়ে আছেন, কখন প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে ডাক পড়ে।

DISCLAIMER: This is an investigative report by BD Politico Team. We reserve the right to protect our sources by law.

Photo source: Facebook

Content Protection by DMCA.com

বিডি পলিটিকোর রিপোর্টে বিধ্বস্ত ডিজিএফআই : এডমিনদের খোঁজে হন্যে হয়ে খোঁজাখুজি : ডিজির খবর প্রকাশ হয়ে পড়ায় সংস্থার ভেতরেই নিজেদের অফিসারদের দিকে সন্দেহের তীর!

বাংলাদেশের শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইর প্রধানকে নিয়ে তিন পর্বের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পরে সংস্থাটিতে চলছে চরম অস্থিরতা। এরপরে বিডি পলিটিকোর এডমিনদের অনুসন্ধানে ডিজিএফআই সারা বিশ্বব্যাপি তৎপরতা শুরু করেছে। দেশের ভিতরেও বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর করেছে। কয়েকদিন আগে DGFI এর সিগনাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো থেকে LETHD/EM/CONF/P1/SEP201825/567764 রেফেরেন্সে একটি চিঠি পাঠানো হয়, যাতে বিডি পলিটিকোর এডমিনদের খোঁজে নানা জনকে অনুরোধ করা হয়েছে। নিজস্ব সোর্সে বিডি পলিটিকো টিম সেই চিঠির কপি হস্তগত হয়েছে। এখানে চিঠির কপি তুলে দেয়া হলো।

এ ছাড়াও ডিজিএফআইর কর্মকর্তারা বেনামে ইমেইল ও ফেসবুক একাউন্ট খুলে ডিজিএফআই সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ চটকদার তথ্য দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এমনকি আমাদের কাছ থেকে জবাব নেয়ারও চেষ্টা করে। Replied message থেকে আমাদের লোকেশন এবং আইপি খোঁজ করতে না পেরে IP logger সম্বলিত শর্ট লিঙ্ক দিয়ে কমেন্ট পাঠায়। তাই চিঠির সম্পূর্ণ স্ক্রীনশট তুলে দিতে বাধ্য হলাম।

এছাড়াও সূত্র জানাচ্ছে, সংস্থাটির মহাপরিচালক সম্পর্কে স্পর্শকাতর তথ্যাদির বিস্তারিত বাইরে চলে আসায় নিজেদের অফিসারদের এমনকি তাদের পরিবারের লোকদেরকে সন্দেহ করা শুরু করেছে। বিডি পলিটিকো আতঙ্কে বর্তমানে সংস্খাটিতে চলছে ব্যাপক তোলপাড়। ডিজিএফআইর প্রতিদিন অফিস শুরু হয় পলিটিকো দিয়ে শেষও হয় পলিটিকো দিয়ে। কর্মকর্তারা অনেকে ঠিকমত কাজে মনোনিবেশ করতে পারছেন না। ব্যাপক রদবদলের আশংকা করছে।

Content Protection by DMCA.com

সাইফুল আবেদীন- ৩য় পর্ব: টিনেজ প্রণয় নাকি শিশু নির্যাতন?

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
মাত্র ১৯ বছরের একটা বালিকা দেশের সবচেয়ে শক্তিমান গোয়েন্দা সংস্থা প্রধানের গার্লফ্রেন্ড! কল্পনা করা যায়? হ্যা, ঠিক ধরেছেন। নানজীবা খান। গেলো বছর উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। সাদামাটা ব্যাংকার পরিবারের এই টিনেজার মেয়েটির এতই প্রভাব যে তাকে খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব অনলাইনে। নিজ কন্যার চাইতে ৬/৭ বছরের কনিষ্ঠ এই নানজীবা সাইফুল আবেদীনের গার্লফ্রেন্ড হয়ে ইতোমধ্যে হাতিয়ে নিয়েছে নানান সুযোগ সুবিধা।

আরিরাং এভিয়েশনে ট্রেইনি পাইলট হলেও নানজীবার ঝোক নাটক ও সিনেমা নির্মানে। ক্যামব্রিয়ান কলেজে পড়াকালে সেলুলয়েড জগত এবং উত্তরপাড়ার লোকদের সাথে তার যোগাযোগ ঘটে। সেনা কর্মকর্তা সাইফুল আবেদীনের সাথে পরিচয় থেকে সম্পর্কে গড়ায়। তাকে নিয়ে হোটেল রেস্তরা, এমনকি রেস্ট হাউজে সময় কাটান সাইফুল। বিনিময়ে নানজীবা পেয়ে যায় ক্যারিয়ার গড়ার ওপরে ওঠার সিড়ি। একে একে চ্যানেল আইয়ে প্রেজেন্টার, বিডি নিউজ-২৪ সংবাদকর্মীর যায়গা করে নেয়। বিটিভিতে এঙ্করিংও জুটে যায়। বর্তমানে উপস্থাপনা, রেডিওর আরজে ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণে ব্যস্ত সময় পার করছে নানজীবা। ব্রিটিশ আমেরিকান রিসোর্স সেন্টারে ব্রান্ড এম্বেসেডর, টিভি সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অর্ধশতাধিক ভিআইপির। ইউনিসেফেও পার্টটাইম এসাইনমেন্ট জোগাড় করে দিয়েছেন প্রভাবশালী ডিজি মাহেদয়। এছাড়া মিডিয়া জগতে বড় বড় আর্টিস্টদের কাছে জায়গা হয়েছে। ইতেমধ্যে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরকে নানজীবার বইয়ের অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে শ্রীবৃদ্ধি করতে দেখা গেছে। গানও করে নানজীবা- চিরকুট ব্রান্ডের গান, সুমির গান, জলের গানে গলা মেলায়।

পুত্র কন্যা এবং সুন্দরী স্ত্রী ক্যামেলিয়াকে নিয়ে আবেদীনের পারিবারিক জীবন দৃশ্যত সুখের হলেও পর নারী ছাড়া তিনি একদম চলতে পারেন না। একমাত্র কন্যা কারিবু নর্থ সাউথ থেকে পরিবেশ বিজ্ঞানে গ্রাজুয়েশন করে যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে গিয়ে বিয়ে করে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার অশবার্নে প্রবাসী হয়েছে, সম্প্রতি নতুন এক বাচ্চা জন্ম নিযেছে। সেই বাচ্চা দেখতে সপরিবারে আমেরিকা ঘুরে এসেছে আবেদীন পবিবার। কন্যার এহেন দশার পরেও আবেদীন তার পুরানা খাসলত ছাড়তে পারেনি, নিজ কন্যার চেয়ে ৫/৭ বছরের বাচ্চা মেয়ের সাথে বৈসাদৃশ্য প্রণয় শিশু নির্যাতনের কাতারে পড়ে বলে অনেকে মনে করেন। স্ত্রী ক্যামেলিয়ার কানে এসব খবর পৌছলেও মানইজ্জতের ভয়ে নিরব থাকতে বাধ্য হয়েছেন। তাছাড়া বেশিরভাগ বিষয়কে ‘সরকারী কাজ’ বলে চিালিয়ে দিয়ে অনলা্লাইন চ্যাটিং এবং ফোনালাপের মাধ্যমে নিত্য নতুন বান্ধবী জোগাড় করা এই ক্ষমতাধর লোকটির হবি। এ কাজের জন্য অনেকগুলো ভুয়া ফেসবুক একাউন্ট খুলে নিয়েছেন। একটা খুলেন তো আরেকটা বন্ধ করেন। ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর, লন্ডনের মোবাইল চালান সরকারী খরচে। আর এসব মোবাইল ও ফেসবুক দিয়ে চলে তার লীলা খেলা। অবশ্য তার ধারণা তিনি মনিটরিংয়ের বাইরে। বাস্তবে তা নয়, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স তার সবকিছু মনিটর করেছে। তার চ্যাটিং লগ সেভ করা হয়েছে। হয়ত কখনও পৌছে যেতে  পারে পাঠকের কাছে।

বিডি পলিটিকোর প্রথম রিপোর্ট করার পরে আবেদীন খবর পেয়ে সতর্ক হয়ে যান। যেসব আইডি দিয়ে নানজীবা সহ অন্য গার্লফ্রেন্ডদের সাথে সংযুক্ত ছিলেন, তার কয়েকটি ইতোমধ্যেই বন্ধ করে দিয়েছেন। দু’টো টেলিফোন নম্বরও বদলে ফেলেছেন। কিন্তু নতুনগুলোর ডিটেইলস হাতে আসতে আর কতক্ষণ?

 

Content Protection by DMCA.com

হাসিনাকে খালেদা- “দেখতে এসেছেন খুশি হয়েছি, চলে গেলে আরও খুশি হই”……সংলাপ শেষ!

৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, দিবাগত মধ্য রাত! অবশ্য ক্যলেন্ডারে তখন ৮ তারিখ। রাজধানী ঢাকার লোকেরা যখন ঘুমাতে যাবার আয়োজন করছিল, হঠাৎ ত্রস্ত ব্যস্ত হয়ে ওঠে একটি নির্দিষ্ট রুটের সড়ক। গণভবন থেকে নাজিমুদ্দিন রোড। ঠিক যেনো কত কালের চেনা। তিন স্তরের নিরাপত্তায় ঢেকে ফেলা হলো পুরো সড়ক। নাজিমউদ্দিন রোডের আশেপাশের সিকিউরিটি বাড়ানো হলো। গাড়ি ঘোড়া মানুষ জন সব সরিয়ে দেয়া হয় রাস্তা থেকে। রাতভর অনলাইনে গুজব ছড়িয়ে পড়ে- নাজিমুদ্দিন রোডে বন্দী খালেদা জিয়া ভীষন অসুস্থ, তাকে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে! এ নিয়ে বিএনপির নেতা কর্মী শুভাকাঙ্খিরা ব্যস্ত শঙ্কিত হয়ে খোঁজ খবর নিতে থাকে। এক পর্যায়ে কেন্দ্রিয় অফিসে অবস্থানরত সিনিয়র যুগ্মমহাসচিবের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া যায়- খালেদা জিয়া সুস্থই আছেন। পরে অবশ্য রাত তিন টার দিকে নাজিমউদ্দিন রোডের বাড়তি নিরাপত্তা শিথিল হয়ে যায়। তখনই একটি সূত্র জানিয়েছিল, ওটা ছিল ভিভিআইপি মানের নিরাপত্তা। ঐ রাতে কারাগারে ঢুকেছিলেন (বিনাভোটের) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দু’সপ্তাহের খোঁজ খবরের পরে নিশ্চিতভাবে জানা গেলো- ঘটনা সত্য। ঐ ৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত গভীর রাতে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে নাজিমুদ্দিন রোডের কারাগারে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

সুত্র জানায় শেখ, হাসিনা দেখা করে বেগম খালেদা জিয়াকে প্রস্তাব ‍দিয়েছিলেন- ‘আসেন, একসাথে সিস্টেম করে ইলেকশন করি। আপনারে ১২০ সিট দিব। নইলে তো ওরা নিয়া যাবে, তাতে আপনার আমার দুজনেরই লস। তারেককে ২১ আগস্ট মামলায় খালাস দিব। আপনি মুক্তি পাবেন। সম্মানের সাথে থাকবেন!’

বেগম জিয়া  বলেন, “আপনাকে ধন্যবাদ। দেখতে এসেছেন তাতে খুশি হয়েছি, চলে গেলে আরও খুশি হই!”

Content Protection by DMCA.com

ডিজি ডিজিএফআই- দ্বিতীয় কিস্তিঃ সিনহা এপিসোডের খলনায়ক কে? আবেদীন নাকি আকবর?

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে বলপূর্বক অপসারণ করার ঘটনায় ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল সাইফুলের নাম (পরে মে.জে. আবেদীন হিসাবে উল্লেখ করা হবে) বেশ করে উঠে এসেছে। বলা হচ্ছে, ডিজি ডিজিএফআই প্রধান বিচারপতিকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে দেশান্তরী করা হয়ে, পরে চাপ দিয়ে পদত্যাগ করানো হয়। ঘটনাপ্রবাহে বলে দিচ্ছে ঐসব বলপ্রয়োগের ঘটনার সাথে সবচেয়ে বেশি জড়িত ছিলেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আকবর হোসাইন।গত বছর আগস্ট মাসে বিচারপতি সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগ সংবিধানের ১৬তম সংশোধনী বাতিল করা সংক্রান্ত লিখিত রায় প্রকাশ করার পরে শেখ হাসিনার সরকারে অসন্তোষ ও অস্থিরতা শুরু হয়। ধীরে ধীরে তা বাড়তে থাকে, এবং নানাভাবে তা প্রকাশ পায়। ঐ রায়ে শেখ মুজিবকে খাটাে করা হয়েছে এবং শেখ হাসিনার সরকার ও সংসদকে অবৈধ বলা হয়েছে এমন বিষয় কেন্দ্র করে সরকারের সাথে প্রধান বিচারপতির দ্বন্দ্ব, মনোমালিন্য থেকে শুরু করে মারাত্মক বিরোধ ও বিরোধিতায় গড়ায়। যদিও এই রায়টি নিজেদের পক্ষে নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বতোপ্রকারের চেষ্টা চালান। ২ জুলাই ’১৮ রাতে বিচারপতি সিনহাকে রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে বঙ্গভবনে ডেকে নিয়ে রায়টি সরকারের পক্ষে দেয়ার জন্য শেখ হাসিনা চাপ প্রয়োগ করেন। সেচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় শেখ হাসিনা ভীষন রেগে যান, এবং রাষ্ট্রপতির সামনেই বিচারপতি সিনহাকে ‘মালাউনের বাচ্চা’ বলে গালিও দেন!

বঙ্গভবনের ব্যর্থ মিশনের পরে শেখ হাসিনা বিচারপতি সিনহাকে সাইজ করার দায়িত্ব দেন ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল সাইফুলকে। অন্যদিকে সরকারের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের মন্ত্রী ও নেতারা ঐ রায়ের জন্য প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাকে দায়ী করে বক্তৃতা বিবৃতি, অপমানজনক উক্তি, চরিত্রহনন, হুমকি ধামকি সবই দিতে থাকেন। আগস্ট মাসের মাঝামাঝি ডিজিএফআই ডিজি মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীন বেশ কয়েকবার দেখা করেন প্রধান বিচারপতি সিনহার সাথে। তিনি ষোড়শ সংশোধনীর রায় বদল করার জন্য প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করেন। তাতে কাজ না হওয়াতে বিচারপতি সিনহাকে পদত্যাগ, বা দেশত্যাগ, বা অসুস্থ হয়ে অসৌজন্যমূলকভাবে চাপ সৃষ্টি করেন জিডি ডিজিএফআই সাইফুল। কিন্তু বিচারপতি সিনহা কোনোটাই মানতে রাজী হননি।

জেনারেল আবেদীন চরিত্রহীন ও ভীতু টাইপের হওয়াতে শক্তভাবে কোনো কাজ ঠিকমত করতে পারেন না, তাই সিনহার মত ঘাড়ত্যাড়া পাহাড়িকে সাইজ করার দায়িত্ব দেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আকবর হুসাইনকে। এর আগে আকবর ছিলেন ডিজিএফআইর প্রধান, এসব বিষয়ে তা অভিজ্ঞতাও আছে বেশ। দায়িত্ব পেয়েই জেনারেল আকবর তার পুরোনো সেট-আপের অফিসার দিয়ে কাজে নেমে পড়েন, এবং সাথে নেন ঢাকার বাইরে থেকে আনা কিছু সেনা অফিসারকে। শেখ হাসিনার নিরাপত্তা উপদেষ্টা (অবঃ) জেনারেল তারিক সিদ্দিকের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে জেনারেল আকবর সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করে তাদেরকে প্রধান বিচারপতি সিনহার বিরুদ্ধে উস্কাতে থাকেন। ১৮ আগস্ট জেনারেল আকবরের নেতৃত্বে ডিজিএফআই প্রধান জেনারেল সাইফুল আবেদীন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বাড়িতে ঢুকে তাকে অস্ত্র বের করে ভয় দেখান, কিন্তু কোনোভাবেই রায় বদলাতে সিনহাকে রাজী করানো যায়নি। বিষয়টি সামজিক মাধ্যমে জানাজানি হয়ে গেলে কিছুটা পিছু হটে গোপনে তৎপরতরা চালাতে থাকে আকবর বাহিনী।

এরি মাঝে সুপ্রিমকোর্ট শীতকালীন ‍ছুটিতে গেলে বিচারপতি সিনহা কানাডায় তার মেয়েকে দেখতে এবং জাপানে একটি বিচার বিভাগীয় সম্মেলনে যোগ দিতে বাংলাদেশ ছাড়েন সেপ্টেম্বরের ৯ তারিখে। ডিজি ডিজিএফআই জেনারেল আবেদীন প্রধান বিচারপতির ওপরে গোয়েন্দা তৎপরতা চালাতে তার এক গোয়েন্দা অফিসার লেফটেনেন্ট কর্নেল নাজিমউদ্দৌলাকে জাপানে পাঠান। এর আগে জাপানে এবং ২৩ সেপ্টেম্বর লে. কর্নেল নাজিম সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি এয়ারপোর্ট থেকে বিচারপতি সিনহার সাথে দেখা করে অসৌজন্যমূলক ব্যবহার করেন। লে. কর্নেল নাজিম প্রধান বিচারপতির সাথে একই বিমানে ঢাকায় আসেন। বিচারপতি সিনহা ঢাকা এয়ারেপোর্টে নামার সাথে সাথেই ডিজিএফআইয়ের অফিসাররা তাকে ঘিরে ফেলে এবং প্রধান বিচারপতির গাড়িতে জোর করে উঠে তাকে নিজের বাসভবনে নিয়ে গৃহবন্দী করে রাখে। পরবর্তী একসপ্তাহ বিচারপতি সিনহা নিয়ন্ত্রিত কিছু চলাফেরা করতে পারতেন কেবল। ৩ অক্টোবর ছিল কোর্ট খোলার তারিখ। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরি মানিকের দেয়া ফরমুলা অনুযায়ী বিচারপতি সিনহাকে আর কোর্টে না বসতে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন হাসিনা। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রে ছেলের বাসাতে অবস্থান করছিলেন। সিদ্ধান্ত দেন, তিনি বাইরে থাকতেই সিনহাকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিতে হবে। আদেশ পেয়ে আবার কাজে নেমে পড়েন জেনারেল আকবর।

২ অক্টোবর রবিবার প্রধান বিচারপতির এসকে কাছে পৌছে যান জেনারেল আকবর, জেনারেল আবেদীন সহ বেশ কিছু মিলিটারী ও সিভিল কর্মকর্তা। এ সময় গোটা সুপ্রিম কোর্ট ডিজিএফআইর অফিসাররা দখলে নিয়ে নেয়, ঠিক ওয়ান ইলেভেনে যেভাবে বঙ্গভবন দখল করেছিল। জেনারেল আকবর প্রধান বিচারপতিকে গালাগালি করে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে জোর করে ছুটির কাগজে সই করিয়ে নেন। এরপর থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২ সপ্তাহ বিচারপতি সিনহাকে তার সরকারী বাসভবনে গৃহবন্দী করে রাখা হয়। সিনহা সাহেবের আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, সহকর্মী, এমনকি আইজীবিকেও সেখানে যেতে দেয়া হয়নি। মাঝখানে দু’জন ডাক্তার বাসায় এনে তাঁকে কৃত্রিমভাবে অসুস্থ বানিয়ে হাসপাতালে ভর্তির চেষ্টা করে ডিজিএফআই। এরি মধ্যে আইনমন্ত্রী তার বাসায় গিয়ে বিচারপতি সিনহাকে বিদেশে চলে যাওয়ার বিষয়ে চাপ দিতে থাকেন। তার আগেই পারিবারিক বন্ধু কূটনীতিক অনিরুদ্ধ রায় এবং সিনহার শ্যালককে আটক করে ডিজিএফআই হেফাজতে নিয়ে সিনহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিংয়ের কাগজপত্র বানানো হয়। এসব খবরাদি মিডিয়াতে ফাঁস করে সিনহার ওপর মনস্তাত্বিক চাপ বাড়ানো হয়। অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতিদের ডেকে নেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। তিনি বিচারপতিদের আলাদাভাবে মগজ ধোলাই করে সিনহার বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলেন। রাষ্ট্রপতি তাদেরকে বলেন যে, সিনহা দুর্নীতিবাজ, তাই তাঁর সাথে যেনো কেউ কোর্টে না বসে। অন্যদিকে সিনিয়রমোস্ট বিচারপতি ওয়াহহাব মিয়াকে টোপ দেয়া হয় প্রধান বিচারপতি বানানো হবে। অবশ্য ‘ক্যারট এন্ড স্টিক’ পলিসিতে আপিল বিভাগের বাকী পাঁচ বিচারপতিকেই রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি বানানোর টোপ দিয়েছিলেন। অবশেষে সহকর্মী বিচারপতিদের অসহযোগিতা এবং উল্টে যাওয়া, নিকটাত্মীয়দেরকে গুম ও জিম্মি করে রাখা, নিজের বিরুদ্ধে গোয়েন্দাদের বানানো ১১টি অভিযোগ, এমনকি ঘরে পারিবারিক বিবাদ বাধানোর জন্য নারী কেলেঙ্কারীর ঘটনাও সাজানো হয়- সব মিলিয়ে বিচারপতি সিনহা রণে ভঙ্গ দিতে বাধ্য হন এবং ছুটিতে যেতে রাজী হন। অবশ্য এক মাসের ছুটির দরখাস্তটি বিচারপতি সিনহা বা তাঁর সেক্রেটারি লিখেননি। লিখেছিলেন একজন গোয়েন্দা অফিসার, যাতে ৪ লাইন দরখাস্তে ১০/১২টি ভুলে ভরা ছিল!

প্রধান বিচারপতির উপর চালানো ঐ নারকীয় হামলায় জেনারেল আকবরের সঙ্গে আরও যারা সক্রিয় ভাবে অংশ নেন, তাদের মধ্যে রয়েছে- ডিজি ডিজিএফআই মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীন, আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক দুলাল ওরফে পিস্তল দুলাল, ডিএমপির ডিসি বিপ্লব কুমার সরকার। জানা গেছে, জেনারেল আকবর রুমে ঢুকেই প্রথমে লাথি দিয়ে চেয়ার থেকে নীচে ফেলে দেন প্রধান বিচারপতিকে, পরে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করার ভয় দেখান। সবচেয়ে জুনিয়র পুলিশ অফিসার বিপ্লব সরকার (যিনি বিএনপির চীফ হুইপ জয়নাল আবেদীনকে পিটিয়েছিলেন) থাপ্পড় দিয়ে বলানো হয়, ‘তোর মত বটতলার উকিলকে প্রধান বিচারপতি বানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা কেবল হিন্দু বলে; অথচ তুই করছিস বেইমানী; তুই হিন্দু নামের কলঙ্ক, তোকে গুলি করে মেরে ফেললেও কম হয়’-  এভাবে চুড়ান্ত অপমান করা হয়। আইন সচিব দুলাল ভয়ানক গালাগালি ও হুমকি দেন- মালাউনের বাচ্চা থেকে তুই তোকারি সবি করা হয়। নিউ ইয়র্কের টাইম টিভির সাথে সাক্ষাৎকারে বিচারপতি সিনহা নিজেই বলেন, শেখ হাসিনা সেনা অফিসারদের দিয়ে আমাকে পায়ের নীচে ফেলে দেয়!

কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ১৩ অক্টোবর গভীর রাতে বিচারপতি সিনহা এক মাসের ছুটিতে অস্ট্রেলিয়া পাঠিয়ে দেয়া হয়। তবে তার স্ত্রী সুষমা সিনহাকে যেতে দেয়া হয়নি। মূলত সিনহার মুখ বন্ধ রাখতেই স্ত্রীকে ঢাকায় জিম্মি করে রাখা হয়। ঢাকা ছাড়ার আগে সরকারী কড়াকড়ির ভেতরেও প্রেস ও মিডিয়াকে একটি বার্তা দিয়ে যান বিচারপতি সিনহা – “আমি অসুস্থও না, বা পালিয়েও যাচ্ছি না: আমি আবার ফিরে আসব!” কিন্তু সেই ফেরা আর তিনি ফিরতে পারেননি। একমাস পরে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফেরার পথে সিঙ্গাপুরে যাত্রাবিরতির সময় বাংলাদেশ থেকে যাওয়া গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বিচারপতি সিনহার সাথে দেখা করে তাদের বানানো পদত্যাগ পত্রে সই দিয়ে দেশে যাওয়ার বদলে কানাডা চলে যেতে নির্দেশ দেন। সিনহা বাবু তাতে রাজী হন না। তখন ঢাকাতে ডিজিএফআই কাস্টডিতে আটক থাকা তার শ্যালককে ক্রসফায়ার করতে নিয়ে যাওয়া হয়। অতঃপর স্ত্রী সুষমা সিনহার ফোনে কান্নকাটিতে উপায়ান্তর না পেয়ে প্রধান বিচারপতির পদত্যাগপত্রে সই করে কানাডা চলে যান বিচারপতি সিনহা। তবে বিদেশের মাটিতে দেয়া ঐ জোর জবরদস্তির পদত্যাগ পত্রের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকায় আ’লীগ সরকার এটি আর কার্যকর না করে দীর্ঘসূত্রিতায় ফেলে দেয়। ফলে বিচারপতি সিনহা কানাডায় নির্বাসিত জীবনে থেকেই তার বয়সপুর্তির অবসরে যান ৩১ জানুয়ারি ২০১৮।

আর এভাবেই বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা প্রধান বিচারপতিকে মর্মান্তিকভাবে বিদায় নিতে হয় আওয়ামী লীগ সরকারের হাতে। প্রধান বিচারপতিকে যে প্রকৃয়ায় বিতাড়ন করা হয়ে- মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করার হুমকি দেয়া, লাথি দিয়ে চেয়ার থেকে ফেলে দেয়া, ছুটির দরখাস্তে বলপূর্বক সই নেয়া, গৃহবন্দী করা, স্বজনদের জিম্মি করে দেশত্যাগে বাধ্য করা, সর্বশেষে আত্মীয় স্বজনকে ক্রসফায়ারে নিয়ে প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগ করানো- ইত্যাদি অপকর্ম বাংলাদেশে নজিরবিহীন। পৃথিবীর আর কোথাও হয়েছে কি না কারও জানা নেই। তবে বাংলাদেশের বিনাভোটের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এই কাজ করেছে সেনাবাহিনীর ঢাকা ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আকবর বেশ কিছু সেনা, গোয়েন্দা, ও সিভিল অফিসারা। যদিও পুরো বিষয়টিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন জেনারেল আকবর, কিন্তু দুর্নাম হয়েছে মিলিটারী গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের ডিজি মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীনের। তবে জেনারেল আকবরের প্রতিটি অপরেশনে ডিজিএফআইয়ের অফিসাররা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিল। প্রধান বিচারপতিকে অন্যায়ভাবে বিতাড়নের শাস্তি সম্ভবত ক্যাপিটেল পানিশমেন্ট। কিন্তু দায় কার? এসব অকান্ড ও অরাজকতায় জেনারেল আবেদীনের নাম উঠলেও তার পেছনে ছিলেন জেনারেল আকবর এবং শেখ হাসিনা।

This is an investigating report based on sources and required information. The article is seconded by Former Chief Justice of Bangladesh Mr S K Sinha in his book “A BROKEN DREAM: Status of Rule of Law, Human Rights and Democracy”
Photo source: Facebook

(আগামীকাল….. ৩য় কিস্তি)

Content Protection by DMCA.com

ডিজি ডিজিএফআই আবেদীন কি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন খুঁজছেন?

বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর, যা ডিজিএফআই হিসাবে পরিচিতি, এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাইফুল  আবেদীন গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ব্যক্তিগত সফরে আছেন। দেশে যখন রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকে, তখন এই সংস্থাটি বেশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। যেকোনো বিচারে, এখন সরকারের শেষ সময়ে খুব খারাপ অবস্থা যাচ্ছে, এমন সময়ে ডিজিএফআইয়ের ডিজির অনির্দিষ্টকাল বিদেশে পড়ে থাকা নিয়ে নানান রকম কথা উঠেছে সামাজিক মাধ্যমে। জেনারেল আবেদীন কি কোনো বিশেষ এসাইনমেন্ট নিয়ে আমেরিকাতে অবস্থান করছেন, নাকি পরিবার সমেত যুক্তরাষ্ট্রে রেসিডেন্সি খুঁজছেন? কেননা মাত্র ক’দিন আগেই খোদ র‌্যাবের ডিজি বেনজির আহমেদ এবং অনেক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তারা অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রে সহায় সম্পদ সরানো এবং ইমিগ্রান্ট হওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে খবরে প্রকাশ!

মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীন, যিনি আবেদীন হিসাবে পরিচিত, সেনাবাহিনীতে ১৫তম বিএমএ লংকোর্সে কমিশন পান ১৯৮৬ সালে। এর আগেও তিনি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহা-পরিদপ্তরে কাজ করেছেন। ১/১১ পিরিয়ডে এই সাইফুল আবেদীন লেফটেনেন্ট কর্নেল হিসাবে গুরুতর অপরাধ দমন কমিটির প্রধান লে. জেনারেল মাসুদের অধীনে কাজ করে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের ধরপাকড়ে কাজও করেছেন। এক সময় বাংলাদেশ ইনফ‌্যানন্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের কমান্ড‌্যান্টের দায়িত্ব পালন করা এই সেনা কর্মকর্তা আইভরি কোস্টে জাতিসংঘ শান্তি মিশনেও কাজ করেছেন।

ভীতু ও আত্মকেন্দ্রিক টাইপের মানুষ হয়েও সাইফুলের খুব নারীপ্রীতির কথা সেনাবাহিনীতে চাউর হয়ে আছে। ঘরে সুন্দরী স্ত্রী রেখে রাতভর সস্তা মেয়ে মানুষের পিছনে সময় কাটানোর জন্য তিনি খ্যাতি অর্জন করেছেন। রাতভর, ফোন আলাপ, অ্যাডাল্ট চ্যাট, ন্যুড ছবি বিনিময়, এমনকি ফোনসেক্স, শেষে তার বিশেষ বাড়িতে শয্যাসঙ্গী করা তার নিয়মিত বিষয়। তার বান্ধবী তালিকায় হাইব্রিড রাজনীতিক শাহেদা ওবায়েদ থেকে শুরু করে মিলিটারীর জুনিয়ার মহিলা কর্মকর্তা, বিমানের ট্রেইনি পাইলট নানজীবা খান, গৃহবধু, গার্মেন্ট কর্মীরা, এমনকি অপ্রাপ্ত বয়স্করাও আছেন (অনেকে তার মেয়ের চেয়েও কম বয়সী)! তার মেয়ে অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পড়াশুনা করে। কোনো সরকারী কাজ নিয়ে তার কাছে যাওয়া নারী সুন্দরী হলে আর কথা নাই, ছলে বলে কলে কৌশলে তাকে ভোগ করবেই।

জেনারেল সাইফুল আবেদীন দেশে ভিতরে বিএনপিকে সাইজ করার দায়িত্ব পালন করলেও বিদেশে গেলে তিনি ভিন্ন মানুষ হয়ে যান। তার শ্বাশুড়ি আ’লীগ এমপি হওয়ার সুবাদে যদিও তার এই গুরুত্বপূর্ন পদ প্রাপ্তি, তবুও তার পুরো সার্কেল ঘিরে আছে বিএনপির লোকজন। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে জেনারেল সাইফুল ওঠেন ওয়াশিংটন বিএনপির সভাপতি ফারুকের ব্যবস্খায় হোটেল, থাকা খাওয়া, বেড়ানো, কাসিনো, নাইট ক্লাব, নারী সঙ্গ সব কিছুই লাভ করেন। সেখান থেকে তিনি কানাডার বিএনপি সভাপতির আয়োজনে টরেন্টো সফর করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত এসে আটলান্টা বিএনপি সভাপতির আতিথেয়তা গ্রহণ করেন। শেখ হাসিনার সরকার অবশ্য এসব বিষয়ে বেশ উদাসীন!                                                                                       (আগামী কাল ২য় কিস্তি……)

This is an investigating report based on sources information. The authority reserved all sources and records.
Photo source: Facebook

Content Protection by DMCA.com

জাতিসংঘের এক ধমকে উড়ে গেলো ফখরুলের ওপর নিষেধাজ্ঞা!

জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সেখানে যাচ্ছেন, এমন খবর গোয়েন্দা মারফত আগেই জানতে পারেন বিনাভোটের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি গোয়েন্দাদের নির্দেশ দেন মির্জা ফখরুলকে আটকে দিতে। কারন বিএনপি মহাসচিব জাতিসংঘে গেলে তাতে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামীলীগ ভয়াবহ বিপদে পড়তে পারে। এমনকি আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সংকটে পড়তে পারে। তাই যেকোনো মূল্যে আটকাতে হবে ফখরুলকে। খবর গোয়েন্দা সূত্রের।
 
সরকারের এমন সিদ্ধান্তের খবর দ্রুতই পৌছে যায় জাতিসংঘের ঢাকাস্থ আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সিপ্পোর কাছে। তিনি হেড কোয়ার্টারের অনুমতি নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার চ্যানেলে সরকারকে জানিয়ে দেন, বিএনপি মহাসচিব জাতিসংঘে যাচ্ছেন জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরিসের আমন্ত্রণে। এ অবস্থায় মীর্জা ফখরুলকে আটকে দিলে জাতিসংঘ মহাসচিব নাখোশ হবেন। এবং এর প্রভাব পড়তে পারে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশী সৈন্যদের নিয়োগের ওপর।
 
এরপরে গোয়েন্দারা প্রধানমন্ত্রীকে আসন্ন এ বিপদের কথা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিবকে না আটকানোর পরামর্শ দেন। অবশেষ খুব চুপেচাপে মির্জা ফখরুল দেশ ছাড়ার পরে সংবাদ মাধ্যমে খবর ছাড়া হয়। এর আগে সরকার নিজেরাই খবরটি ধামাচাপা দেয়, যাতে করে বিনাবাধায় ফখরুল দেশ ছাড়াতে পারেন। অর্থাৎ মির্জা ফখরুলের জাতিসংঘে সফরটি জটিলতা বিহীনভাবে সফল করতে সরকারই বাধ্য হয়!
 
Content Protection by DMCA.com

সংসদ নির্বাচন নিয়ে ডিজিএফআইয়ের গোয়েন্দা প্রতিবেদন!

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের বিশেষ প্রতিবেদন পেশ করেছে। এ সপ্তাহে ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীন তার ৩০ দফা বিশিষ্ট এ রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টার মা্যেমে রিপোর্টটি দাখিল করে। রিপোর্টের মূল বিষয়গুলো হলোঃ

  • ৫ জানুয়ারির মত বিনাপ্রতিদ্বন্দিতায় ও বিনাভোটে নির্বাচন করা যাবে না। তেমন কিছু করতে গেলে দেশে ভয়াবহ বিপর্যয় সৃষ্টি হবে।
  • নির্বাচনটি অংশগ্রহনমূলক করা প্রয়োজন। অন্যথায় রাজনৈতিক সংঘাত মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। গোলোযোগ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
  • নির্বাচনের আগেই সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের ইনভলমেন্ট নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
  • বিশেষ করে, দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপিকে নির্বাচনে আনার নানা উপায় ও কৌশল সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। তবে মাঠের খবর বিএনপির অনুকূলে।
  • জোর জবরদস্তির নির্বাচন যেমন গ্রহনযোগ্য হবে না, তেমনি তা রক্তপাত বাড়াবে।
  • রাজনৈতিক হানাহানি সৃষ্টি হলে তা দমনে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করা উচিত হবে না। এ কাজে মিলিটারী ইনভল্ব করা হলে তারা সেখানে আইন অনুযায়ী কাজ করবে। কোনোভাবেই পক্ষপাতমূলকভাবে কিছু করবে না। কেননা মিলিটারীকে পুলিশের মত ব্যবহার করা যাবে না। তাছাড়া মিলিটারী নিজস্ব আইন মোতাবেক চলে। জনগনের কাছে তাদের ইমেজ নষ্টকারী কোনো কাজে সেনারা জড়িত হবে না।এই রিপোর্ট পাওয়ার পরে সরকারের লোকজন বিচলিত।
Content Protection by DMCA.com

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাথে ব্যক্তিগত যুদ্ধে নেমেছে সরকার: এয়ারপোর্ট থেকে ব্যাগ চুরি: এর আগে গায়ে হাত দেয় সরকারী সন্ত্রাসীরা!

যুক্তরাষ্ট্রের হেডকোয়ার্টারে কাজ শেষে গত সপ্তাহে ঢাকায় ফেরার পথে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বানিক্যাট শাহজালাল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট কাস্টমস এলাকা থেকে লাগেজ চুরির শিকার হন।

জানা গেছে, ঢাকা এয়ারপোর্টের কনভেয়ার বেল্ট থেকে রাষ্ট্রূদূতের ব্যক্তিগত একটি ব্যাগ হাওয়া করে দেয়ার ঘটনায় জড়িত ছিল রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন। ঐ ব্যাগে নাকি সরকার বদলের ‘ফরমুলা’ থাকতে পারে এমন ধারণা ছিল টিকটিকিদের! কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি- ফরমুলা ওভাবে থাকেওনা, আসেওনা! ব্যাগ চুরির ঘটনাটি মিডিয়াতে চাপা দেয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে ভিতরে ভিতরে তুলকালাম কান্ড চলছে। সরকার হাতে পায়ে ধরে মাফ চেয়েও কাজ হচ্ছে না! ফরমুলা তো পাওয়া যায়নি, উল্টো এখন ব্যাগ চুরির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে সরকার!

অন্যদিকে,  গত ৪ আগস্ট ঢাকার মোহাম্মদপুরে সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের গাড়িতে হামলার সময়ে রাষ্ট্রদূত বার্নিকাটের ওপরে ব্যক্তিগতভাবে হামলা হয়েছিল। সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা রাষ্ট্রদূতের গায়েও হাত দিয়েছিল। ঐরাতে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের বাসায় অন্যান্য অতিথিদের সাথে রাষ্ট্রদূত বার্নিকাটও নৈশভোজে যোগ দিয়েছিলেন। ভোজ শেষে রাত ১১ নাগাদ ওই বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগেই একদল সশস্ত্র যুবক বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ে। এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেলও ছিল। সন্ত্রাসীরা রাষ্ট্রদূতকে বহনকারী গাড়িতে হামলা চালায় এবং গাড়ি ভাঙচুর করে, হামলাকারীদের মধ্যে একজন রাষ্ট্রদূতরকে গায়ে ধাক্কা দিয়ে গাড়িতে তুলে দেয়।

বিষয়গুলো খুব কঠোরভাবে দেখছে মার্কিনরা। 
বিএনপির আমলে সিলেটে আনোয়ার চৌধুরীর ওপর বোমা হামলার ঘটনায় বিএনপির উদাসীনতায় যেভাবে ক্ষমতা হারাতে হয়েছিল, বার্নিক্যটের গাড়িতে হামলা, এমনকি তাঁর গায়ে হাত দেয়া, সবশেষে ব্যাগ চুরি করা- সব মিলিয়ে শেখ হাসিনার কপাল পুড়ছে, বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো।

Content Protection by DMCA.com
1 2 3 4 5