আলোচিত সেই পেইজ বন্ধের নির্দেশ

বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স ডিপার্টমেন্টের একটা পেইজে অনেক অত্যাচারের তথ্য দিয়েছে অত্যাচারিত স্টুডেন্টরা। সরকার সেই পেইজটা ব্লক করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের ইন্টারনেট গেইটওয়ে এবং আইএসপিদেরকে।
ব্লক করার নির্দেশের কপি।

Content Protection by DMCA.com

আসছে গুজব – আবরারকে খাটো করার পাঁয়তারা

আবরারকে চরিত্রহীন করার উদ্দেশ্যে শীঘ্রই ইভ টিজিং সংক্রান্ত গুজব ছড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর জন্য ঢাকায় অবস্থিত ইসকনের একনিষ্ঠ কর্মী অমিত সাহার নির্দেশে তাঁর সহচর বিকাশ ও কিংশুক তিনজন ছাত্রীকে প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করেছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য যে পুলিশের ডিআইজি কৃষ্ণপদ রায়ের সরাসরি হস্তক্ষেপে এই অমিত সাহার নাম দোষীদের তালিকা থেকে উহ্য রাখা হয়।


এদিকে ফেসবুক আর WhatsApp সাময়িকভাবে বন্ধ করার জন্য সুপারিশ করা হচ্ছে মন্ত্রীসভার পক্ষ থেকে। সেটা না হলে ইন্টারনেটের তরঙ্গ শিথিল করা হতে পারে যাতে ছাত্ররা বিক্ষোভে সফল হতে না পারে।

Content Protection by DMCA.com

ক্যান্সারের চিকিৎসা, পারিবারিক কলহ নিষ্পত্তি এবং জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌছেছেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা


আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের মিডনাইট প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্টের নিউইয়র্কে পৌছেছেন। এসময় তিনি তার শারীরিক চিকিৎসা করাতে পারেন এবং ক্ষমতার উত্তরাধিকার নিয়ে সৃষ্ট পারিবারিক বিবাদ নিষ্পত্তির চেষ্টা হতে পারে।

গত জুলাই মাস থেকে সামাজিক মাধ্যমে দেশ জুড়ে চাউর হয়েছে, শেখ হাসিনা মরণঘাতি ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত। আর এরই চিকিৎসা নিতে তিনি ঘন ঘন যুক্তরাজ্য সফর করে থাকেন। খবরের প্রথম সূত্র হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর মেডিকেল টিমের এক সদস্য নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানান, পরে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিবরা এটি নিশ্চিত করেন। ১৯ জুলাই ইউরোপীয় অঞ্চলের বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতদের একটি সভার অস্বাভাবিক অযুহাত দেখিয়ে শেখ হাসিনা লন্ডনে যান। এরপরে টানা ১৩ দিন তিনি কোথায় ছিলেন সে সম্পর্কে জাতিকে সরকারীভাবে কিছু জানানো হয়নি। তখনই গুজব ছড়িয়ে পড়ে তিনি বেঁচে আছেন কি না। এর ফলশ্রুতিতে দিশাহারা হয়ে তার মন্ত্রিসভার বেশির ভাগ সদস্য বিদেশে পড়ি জমান অথবা দেশের মধ্যেই লুকিয়ে থাকেন বলে জানায় সচিবরা। দলের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং আর ২/১ জন মন্ত্রী ব্যতিত সচিবালয়ের অফিসে মন্ত্রীদের কামরাগুলি খা খা করতে থাকে। দলীয় বিনাভোটের এমপিরা এবং লুটপাটে ওস্তাদ নেতারা অনেকেই ব্যাংকক, কোলকাতা, দুবাই, সিঙ্গাপুরে গিয়ে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন।

অবশেষে লন্ডনে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, ২২ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত লন্ডনে পাকিস্তানীদের নির্মিত বুপা ক্রমওয়েল হসপিটালের ক্যান্সার সেন্টারে তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশের কোনো সরকারী মাধ্যম থেকে বিষয়টি জনগনকে জানানো হয়নি, বা খবরটির স্বীকার অস্বীকার কিছুই করা হয়নি। এসময়কালে আরো একটি খবর জানা যায় যে, তাঁর আসন্ন মৃত্যুর পরে ক্ষমতার উত্তরাধিকার নিয়ে লন্ডন, ফিনল্যান্ড, এবং ঢাকায় একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাতে তিনি চান তার কন্যাকে উত্তরাধিকার করতে, অন্যদিকে ছোট বোন চান নিজে ক্ষমতায় বসতে। কেননা প্রধানমন্ত্রী অতীতে কথা দিয়েছিলেন- চতুর্থবার ক্ষমতায় বসার এক বছরের মধ্যে ছোটবোনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। ছোটবোন এখন সেই ঘোষণা পূরণ চান। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সেকথা থেকে বার বার সরে যাচ্ছেন। তাই পারিবারিক কলহ জটিল আকার ধারণ করেছে।

বুপা হাসপাতালের একটি সূত্রে জানা যায়, এটি কোলোন ক্যান্সার এবং চতুর্থ ধাপের।

এর আগে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ অধিবেশনে এসে ২৫ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের একটি নাম না জানা হাসপাতালে কোলোন সার্জারি করেন, যদিও তারা প্রকাশ করে পিত্তথলির অপারেশন বলে। এ প্রসঙ্গে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ নিজের ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাসে পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেন, ‘গত সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে মা’র গল-ব্লাডারের সার্জারি হয়। আমাদের পাশের হাসপাতালে আমার এক ডাক্তার বন্ধুই সার্জারিটি করেন। সার্জারিটি অত্যন্ত সফল ছিল। পরদিন সকালেই মা বাসায় ফিরে আসেন। তিনি এখন খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন।’ কিন্তু তিনি এর আগে প্রথমবার বিরোধী দলে থাকতে কানাডায় পিত্তথলি অপসারণ করেছিলেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। যাই হোক, প্রায় তিন সপ্তাহ পরে তিনি মোটা কাপড়ে শরীর ঢেকে দেশে ফিরেন, তবে দীর্ঘ প্রায় দু’মাস বাসভবনের ভিতরেই কাটান, হয়ত খুব অল্প সময়ের জন্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে যেতেন সপ্তাহে বা পক্ষে একবার। আরও পেছনে গেলে পাওয়া যাবে ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের এক প্রভাবশালী এমপি যিনি গণভবন-ঘনিষ্ট এবং পরে একজন প্রখ্যাত সনোলজিস্ট কনফার্ম করেন যে, তার শরীরে মরণঘাতি ক্যান্সার বাসা বেঁধেছে ২০১২ সালের জানুয়ারী মাস থেকে, অবশ্য সেই থেকে চিকিৎসায় তা নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রোগটি আবার বেপরোয়া হয়ে উঠলে প্রায় তিন মাস অঘোষিত ছুটিতে থেকে চিকিৎসা ও নিবিড় পরিচর্যায় থাকেন। এর কিছুদিন পরেই তিনি লন্ডনে গিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নিজের শারীরিক অবস্থা যাচাই করেন এবং চিকিৎসা নিতে শুরু করেন। আমেরিকা ইউরোপ যেখানেই তিনি যান না কেনো, লন্ডনে তার কিছুদিন থাকতেই হবে। এবছর মে মাসে ১০ দিন এবং আগস্ট মাসে প্রায় একমাস লন্ডনে চিকিৎসা নেন। ক্যান্সারের বিষয়টি এবারে নিশ্চিত করেছেন তার চিকিৎসা টিম এবং গোয়েন্দা সূত্র। আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক দু’দিন আগে প্রথম জানান দিলেন, প্রধানমন্ত্রী অসুস্থ অবস্থায় নিউইয়র্কে গেছেন, তবে কি অসুস্থতা তা পরিষ্কার করেননি!

জানাগেছে, চলমান জাতিসংঘ সফরকালে তিনি সাধারণ পরিষদের অধিবেশেনের ফাঁকে ফাঁকে অন্তত দু’টি হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসা নিবেন, এরমধ্যে একটি হচ্ছে ক্যান্সারের চিকিৎসা। এর পাশাপাশি ক্ষমতার উত্তরাধিকার প্রশ্নে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তি করার জন্য বোন, কন্যা ও অন্যান্যদের সাথে সমঝোতার আরও চেষ্টা চালাবেন। এমনকি প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে তার প্রভাব কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে পারেন।

Content Protection by DMCA.com

টেলিযোগাযোগ খাত লুটপাটে প্রধানমন্ত্রী পুত্রের তুঘলকি কান্ড: ৫ বছর বয়স জালিয়াতি করে বিটিআরসি চেয়ারম্যান পদে অবৈধভাবে নিয়োগ লাভ করেন শাজাহান মাহমুদ!

জালিয়াতি প্রতারণার চরম এক নজির স্থাপন করা হয়েছে বিটিআরসির চেয়ারম্যান নিয়োগে। বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত তথা ইন্টারনেট বানিজ্যের নিয়ন্ত্রক ও ভিওআইপি দুর্নীতির প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন, যা সংক্ষেপে বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে ড. শাহজাহান মাহমুদ নামে এক ব্যক্তিকে। তিনি পেশায় প্রকৌশলী হলেও ছিলেন ওয়াশিংটন মেট্রো আওয়ামীলীগ সভাপতি এবং মার্কিন নাগরিক। টেলিযোগাযোগ খাত লুটপাট করতে শেখ হাসিনার তনয় সজীব ওয়াজেদ জয় ফিট করেন তার পরম ঘনিষ্ট এই শাজাহান মাহমুদকে। এর মাধ্যমে ১ হাজার কোটি টাকার স্যাটেলাইট পাঠাতে গিয়ে খরচ করেন ৩ হাজার কোটি টাকা, বাকী ২ হাজার কোটি টাকা লুটপাট। এছাড়াও ভিওআইপি,
আইজিডব্লিউ ও আইসিএক্স লাইসেন্স দেয়া বাবদ কমিশন বাবদ প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা, এটুআই প্রজেক্ট থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা তুলে নেয়ার কাজ করে দেন শাজাহান। আইসিটির খাতে জয়ের দুর্নীতির সকল কাজের কাজী প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলককে দিয়ে মন্ত্রণালয়টি নিয়ন্ত্রণ করেন জয়। এখানেই পূর্ণমন্ত্রী ছিলেন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, যিনি ২০১৪ সালে আমেরিকাতে এক ইনফর্মাল সমাবেশে হজ্জ ও ওমরা নিয়ে বেফাঁস কথা বলার দায়ে কেবল মন্ত্রী পদ হারাননি, মামলা খেয়ে জেলেও গেছেন, শেষে রাজনীতি ছাড়া হয়েছেন। মুলত, তার চাকরিচ্যুতির মূল কারণ ছিল জয়ের গোপন ডিলিংস অর্থাৎ প্রতিমাসে ২ লাখ ডলার বেতনের খবর তিনি ফাঁস করে দিয়েছিলেন। এর বাইরে মেক্সিকান টেলিকম টাইকুন কার্লোস স্লিম হেলুকে বাংলাদেশে ব্যবসা করতে দেয়ার বিনিময়ে ২৫ মিলিয়ন ডলার কমিশন মেরে দিয়েছিলেন লতিফ সিদ্দিকী, জয়কে ভাগ না দিয়েই।

এরপরেই জয় বিটিআরসিতে নিজের লোক বসানোতে উদ্যোগী হয়ে ওঠেন। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে মায়ের নিয়োগ করা ড. ইকবাল মাহমুদকে জয়েন করতে না দিয়ে সেখানেই নিয়োগ দেন আওয়ামীলীগ সভাপতি ড. শাজাহান মাহমুদকে। এই নিয়োগ পেতে শাজাহান মাহমুদ নিজের নাম, বয়স, পিতার নাম, ঠায় ঠিকানা সবকিছু নিয়েই জালিয়াতির আশ্রয় নেন। মেট্রিক সনদ অনুযায়ী শাজাহানের জন্ম তারিখ ছিল ০৩/০১/১৯৪৮, আর তাতে ২০১৫ সালে তার বয়স দাড়ায় ৬৭ বছর। যেহেতু, বিটিআরসি আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৬৫ বছর, কাজেই তিনি ঐপদে নিয়োগ লাভের অনুপযুক্ত। কিন্তু শাজাহান সাহেব তার জন্ম তারিখ বদলে ফেলেন ১২ মে ১৯৫৩! শুধু জন্মতারিখ নয়, তিনি তার নিজের নাম মো. শাজাহান থেকে করেছেন শাজাহান মাহমুদ, পিতার নাম– ইয়াসিন আলী থেকে করেন মৃত মন্সী মো. ইয়াসিন, ঠিকানা- মুলতলী রংপুর থেকে হয়ে যায় বাড়ি-১৫, রোড-৫, সেক্টর-৭ উত্তরা ঢাকা ১২৩১। এর কারন যাতে করে তাকে কেউ খুঁজে না বের করতে পারে! তিনি আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

শাজাহান মাহমুদের জন্ম তারিখ যে ০৩/০১/১৯৪৮, তার রেকর্ড আছে মেট্রিক সনদে। তিনি বুয়েট থেকে ১৯৬৯ সালে গ্রাজুয়েট হন। ৫৩ সালে জন্ম হলে ১৯৬৯ সালে, অর্থাৎ ১৬ বছর বয়সে বুয়েট থেকে গ্রাজুয়েট হওয়া সম্ভব নয়। প্রকৃতপক্ষে তার জন্ম ১৯৪৮ সাল, মেট্রিক পাশ করেন ১৯৬৩ সালে রংপুর জেলা স্কুল থেকে, ইন্টারমিডিয়েট ১৯৬৫ সালে কারমাইকেল কলেজ থেকে। ২০০৭ সালে বুয়েটের রিইউনিয়নে ১৯৬৯ ব্যাচে মো. শাজাহান রেজিস্ট্রেশন করেন ৬৫২৮৪, তাতে তিনি লিখেন জন্মতারিখ ০৩/০১/১৯৪৮, ভর্তি ১৯৬৫ সাল।

কাজেই দেখা যাচ্ছে, বিটিআরসি আইন অনুসারে শাজাহান মাহমুদের নিয়োগ অবৈধ। তিনি জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে যে নিয়োগ লাভ করেছেন, তা শুধু অবৈধই নয়, ফৌজদারী অপরাধ, এবং গত চার বছরের তার সকল কর্মকান্ড বাতিলযোগ্য, তার গৃহিত বেতন ভাতা সব পিডিআর অ্যাক্ট অনুসারে আদায়যোগ্য। তার এই মারাত্মক অপরাধের বিচার করা হলে ৭ থেকে ১৪ বছর বা অধিক কারাদন্ড হতে পারে।

যার নিয়োগ বাতিল করে এই শাজাহান মাহমুদকে নিয়োগ দেয়া হয় সেই ইকবাল মাহমুদ এখন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান। দুদক চেয়ারম্যান কি শাজাহান মাহমুদের অবৈধ নিয়োগ, দুর্নীতি, এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি অনুসন্ধান ও তদন্ত করে বিচারের সম্মুখিণ করার ক্ষমতা রাখেন?


জাল জালিয়াতির ক্ষেত্র গুলো:

নাম: মো. শাজাহান থেকে পরিবর্তন করেন শাহজাহান মাহমুদ,
জন্ম তারিখ: ০৩/০১/১৯৪৮ থেকে বদলান ১২/৫/১৯৫৩
পিতার নাম: ইয়সিন আলী থেকে করেন মৃত মন্সী মো. ইয়াসিন
ঠিকানা: মুলতলী, রংপুর থেকে করেন হাউজ ১৫, রোড ৫, সেক্টর ৭ উত্তরা ঢাকা ১২৩১

Content Protection by DMCA.com

র‌্যাবের ডিজি বেনজিরের যুক্তরাষ্ট্রে অঢেল সম্পত্তি, মাতলামি, যৌন কেলেঙ্কারির খতিয়ান-১

বাংলাদেশের র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমদের যুক্তরাষ্ট্রে মহা কেলেঙ্কারী উদঘাটন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের শিমুল নামে এক ব্যক্তি হলেন বেনজীরের বন্ধু। এই শিমুল হলো ময়মনসিংহের ব্যারিস্টার দেলোয়ার হোসেনের পুত্র। অবশ্য শিমুল অন্যদিক দিয়ে শেখ হাসিনারও ঘনিষ্ট। শিমুলের সঙ্গে বেনজীরের এতই গভীর সখ্যতা যে, নিউ ইয়র্কে এলে তারা দু’জনে একসঙ্গে মৌজ মাস্তি, মাতলামি, জুয়া, আন্ডারওয়ার্ল্ড, স্ট্রীপারদের সঙ্গে সেক্স- নানাভাবে জীবনকে ভোগ করায় ব্যস্ত থাকেন। এরকম অনেকগুলো ঘটনায় ভিডিও কয়েকটি রেকর্ডও রয়েছে যেখানে বেনজিরকে দেখা যাচ্ছে মাতাল অবস্থায় পতিতাদের সঙ্গে টানাটানি বা যৌণতায় ব্যস্ত ছিল। শিমুল জানান, বেনজির মদ এবং মাতলামি, সেক্স, নাইট ক্লাব, জুয়া, এবং নিষিদ্ধ সব কারবারে বেশ পটু।

শিমুলের মাধ্যমে বেনজীর নিউইয়র্কে ১৪টি ইয়োলো ট্যাক্সির মেডেলিয়নের মালিকানা কিনে নেন, যখন প্রতিটার দাম ছিল ১ মিলিয়ন ডলারেরও অধিক। এছাড়া একাধিক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় বেনজীর মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার লগ্নি করেছে। বেনজির বড় মেয়ে রিশতাকে পাড়াচ্ছেন নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সটিতে। নিউ ইয়র্ক শহরের লং আইল্যান্ড সিটিতে ৬ মিলিয়ন ডলারে বাড়ি কিনে মেয়েকে রেখেছেন। হাই-ফাই ফেরারি গাড়ি চালিয়ে উদ্যাম জীবন যাপন করে রিশতা। এছাড়াও নিজ মেয়ের নামে এস্টেরিয়া, এলমহার্স্ট, ম্যানহাটন, এবং লংআইল্যান্ডে বেশ কয়েকটি বা এবং এপার্টমেন্ট কিনে ভাড়া দিয়েছেন বেনজীর।

নিউইয়র্কের শিমুলের নাম শুনলেই বেনজীরের আত্মারাম খাঁচা হয়ে যায়, কারন তার অপকর্মের অনেকগুলি ভিডিও আছে শিমুলের কাছে। এজন্য বেশ কয়েকবার শিমুলকে হত্যার চেষ্টাও করেছেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের হাজার হাজার গুম খুন, রাজনৈতিক হত্যা, ও বিচারবহির্ভুত হত্যাকান্ড, সাজানো জঙ্গি অপারেশনে ওস্তাদ, দুর্নীতিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত বেনজির আহমেদ নারী কেলেঙ্কারীতে সবার শীর্ষে অবস্থান করছেন। দেশেও বেশ ক`জন রক্ষিতা আছে তার। এ তালিকায় কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা, ছোট পর্দা ও বড় পর্দার নায়িকা, র্যা ম্প মডেল, জুনিয়র সুন্দরী পুলিশ অফিসার, এমনকি সুন্দরী ভাবীরাও রয়েছে।

Content Protection by DMCA.com

সেন্ডেল খুলে কিবরিয়ার দিকে তেড়ে যান হাসিনা!

১৯৯৭ সালের একদিন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডাক পড়লো অর্থমন্ত্রী শাহ এস এম কিবরিয়ার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে বলেন, কয়েকটা নতুন ব্যাংক দিতে হবে। কিবরিয়া সাহেব রাজী হন না। বলেন, এভাবে এব্রাপ্টলি ব্যাংক দেয়া যায় না। প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ক্ষেপে উঠে বলেন, আমাকে আইন শিখান? না পারলে ছেড়ে দেন।
এরপরে আরও কিছু বলতে গেলে হাসিনা পা থেকে সেন্ডেল খুলে মারতে যান। উপস্থিত দু’জন লোকের মধ্যে একজন ছুটে যান ….আপা আপা বলে থামান। অপমানিত হয়ে শাহ কিবরিয়া বেরিয়ে যান।
পরে পদত্যাগ করতে চান অর্থমন্ত্রী। এক সিনিয়র নেতাকে পাঠিয়ে হাসিনা তাকে থামান।

Content Protection by DMCA.com

নৌকায় ভোট চাওয়া এবং সুন্দরী স্ত্রী ব্যবহার করে উন্নতিতে সফল ফেনীর এসপি জাহাঙ্গীর!

এস এম জাহাঙ্গীর আলম সরকার বর্তমানে এসপি হিসেবে ফেনী জেলায় কর্মরত। ২২তম বিসিএস-এর মাধ্যমে পুলিশে যোগদান করেন। ছাএ অবস্থায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে ছাত্রলীগের রাজনীতি করতেন, তবে কিছু সময় বাম রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। শেখ হাসিনাকে নিয়ে গান লিখে ইউটিউবে আপলোড করে রাতারাতি সরকারের খাস লোক বনে যান জাহাঙ্গীর।

শুধু তাই নয় এসপি জাহাঙ্গীর তার স্ত্রী মোনালিসা পারভীন সোনি দ্বারা পরিচালিত। তার পোষ্টিং প্রমোশন ইত্যাদির জন্য তার সুন্দরী স্ত্রীকে উচ্চ মহলে নিয়মিত যাতায়াত করতে দেখা গেছে।

সরকারকে খুশি করতে গত বছরে ফেনি জেলায় বিএনপি ও জামায়াতের অসংখ্য নেতা কর্মী গুম খুনের শিকার হয় এসপির সরাসরি নির্দেশে। এছাড়া গত ২৯ অক্টোবর বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া কক্সবাজার যাবার পথে ফেনীতে তার গাড়ি বহরে হামলার পরিকল্পনাকারী ছিলেন আ’লীগের এমপি নিজাম হাজার, এবং তাকে সার্বিক সহায়তা ও যোগান দিয়েছিলেন এসপি জাহাঙ্গীর নিজে। বিভিন্ন মিটিংয়ে গিয়ে প্রকাশ্যে নৌকা মার্কায় ভোট চান তিনি।

গত ১৭-১১-২০১৮ তারিখে পুলিশ লাইন্সে মাসিক কল্যাণ সভায় এসপি জাহাঙ্গির বলেন, বর্তমান শেখ হাসিনার সরকারকে পূণরায় নির্বাচিত করতে যা যা করার, তাই করতে হবে। প্রয়োজনে ভোটের আগের রাতে ব্যালট পেপারে সিল মেরে বাক্স ভর্তি করে রাখতে হবে। যে যে অফিসার/ ফোর্স এ কাজ করবে না, তাকে দেখে নেওয়া হবে বলে হুমকি দেন। তার এ ধরনের কথায় পুলিশ সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িতে পড়ে। অনেকেই মন্তব্য করে- এ তো দিন ঘুষের টাকা চাইতো, এখন দেখি নৌকায় ভোটও চায়!

যে অফিসার একটা রাজনৈতিক দলের প্রধানকে নিয়ে গান লিখে নিজেই সুর দিয়ে গাইতে পারেন, প্রকাশ্যে ঐ দলের পক্ষে ভোট চাইতে পারেন, তার কাছ থেকে নির্বাচনের সময় নিরপেক্ষতা কতটুকু পাওয়া যাবে, তা বোধগম্য। এ অবস্থায়, বিতর্কিত এসপি জাহাঙ্গিরকে অবিলম্বে জেলা থেকে প্রত্যাহার করা নির্বাচন কমিশনের অবশ্য কর্তব্য।

Content Protection by DMCA.com

ভোটের টার্নআউট কমাতে আ’লীগের হিজড়া ব্যবহারের পরিকল্পনা: বাস্তবায়নে গোপালী ডিআইজি হাবিব

ঢাকা মহাগরীর ১৫০-২০০ কেন্দ্রের প্রতিটিতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ২৩ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্র কমিটি গঠন করতে যাচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্র কমিটিতে ২/৩ জন মহিলা সদস্য এবং কয়েকজন করে হিজড়াদের রাখা হবে। এইসব হিজড়াদের দিয়ে ভোটকেন্দ্রে গোলোযোগ বাধানো হবে, এমনকি বিএনপি বা ফ্রন্টের চিহ্নিত ভোটারদের অপদস্থ করে কেন্দ্র ছাড়তে বাধ্য করা হবে। হিজড়াদের উল্টাপাল্টা আচরন এবং পাগলামীর কারনের সাধারণ মানুষজন খুব সহজেই এড়িয়ে চলতে চায়।

হিজড়াদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও পুর্নবাসনের নামে পুলিশের ডিআইজি হেডকোয়ার্টার প্রশাসন হাবিবুর রহমান কর্তৃক উত্তরণ ফাউন্ডেশনের মা্যেমে বিভিন্ন কর্মসুচী বাস্তবায়নাধীন আছে। ঢাকার আশুলিয়া, আমিনবাজার ও বি-বাড়িয়ায় হিজড়াদের বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বেদে ্কএবং হিজড়াদেকের নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন ডিআইজি হাবিব। এদেরেকে এবার নির্বাচনে নেতিবাচক কাজে ব্যবহারর উদ্যোগ নিয়েছে হাবিব। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হিজড়াদের একত্রিত করত: বিভিন্ন কেন্দ্র কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তাদের দিয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে গোলযোগ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ইস্যু বানানো হবে। এলক্ষে হিজড়াদেরকে প্রয়োজনীয় ব্রিফিং এবং ট্রেনিংয়ের ব্যবহস্থা করবে ডিআইজি হাবিব। বিষয়টি  নাগরিকদের ভোটাধিকার সংশ্লিষ্ট, তাই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, ও নগরবাসীকে এ বিষয়ে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

Content Protection by DMCA.com

সচিব-পুলিশ গুপ্ত-সভায় সবুজ, হলুদ, লাল নির্বাচন পরিকল্পনা!

সচিবালয় প্রতিবেদক

আগামী সংসদ নির্বাচনকে সবুজ, হলুদ, ও লাল তিনটি রঙে ভাগ করে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে প্রশাসনিক কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। গত ২০ নভেম্বর ঢাকা অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত সচিব ও পুলিশ অফিসারদের গোপন মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

গ্রীন এরিয়া: আওয়ামী লীগ কনফার্ম জিতবে এমন এলাকা, গোয়েন্দা সংস্থার হিসাবে এর সংখ্যা ৩৩ আসন।
ইয়োলো এরিয়া:  আওয়ামী লীগের সঙ্গে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে এমন সীটের সংখ্যা ৬৫,
রেড এরিয়া: যেসব আসনে আওয়ামী লীগের কোনো কন্ট্রোলে নাই। এমন আসনের সংখ্যা ২০২।

এ বিষয়ে করণীয় ঠিক করা হয়েছে:
ক) গ্রীন এলাকা মূলত আওয়ামী অধ্যুষিত এলাকা। এখানে তেমন কোনো কিছু করার দরকার নাই। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সংখ্যা কমিয়ে দিয়ে দেশী দিদেশী অবজারভার ও মিডিয়া দিয়ে প্রজেকশন করতে হবে যে, সুষ্ঠু ভোট হচ্ছে।
খ) হলুদ বা গ্রে এরিয়া, এখানে কিছুটা হলেও আ’লীগের সম্ভাবনা আছে। তাই বিএনপি বা ঐক্যজোটের কর্মীদেরকে শক্তিপ্রয়োগ করে দূরে সরিয়ে রাখতে হবে। গন্ডগোল বাধিয়ে ভোটের টার্নআউট কম রাখার প্রয়াস প্রচেষ্টা চালাতে হবে।
গ) রেড এলাকাগুলোতে আ’লীগ ভোটে আসতে পারবে না। তাই এসব এলাকায় সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করে কেন্দ্র দখল ও মিডিয়া ক্যুর কৌশল প্রয়োগ করতে হবে। এসব এলকায় নৌকার কর্মীরা এবং পুলিশ র‌্যাব একসাথে কাজ করবে। না পারলে সন্ত্রাস করে ভোট বানচাল করতে হবে, যাতে পরে নির্বাচন করে নৌকাকে জিতিয়ে আনা যায়। এর জন্য নো কম্প্রোমাইজ। দরকার হলে ডামি পুলিশ ব্যবহার করতে হবে।

গোয়েন্দা রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে এরিয়ার কালার নির্বাচন, এবং নিয়মিতভাবে আপডেট করার জন্য মাঠ প্রশাসন, পুলিশ, গোয়েন্দা, এবং দলীয় রিপোর্ট সংগ্রহ করা হবে। ফলাফল পক্ষে নিতে বিভিন্ন কৌশল শক্তির সমন্বয় করতে অফিসারদের মধ্যে এলাকা ভাগ করে দেয়া হয়েছে। পুলিশ র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থা প্রয়োজনীয় সাপোর্ট সরবরাহ করবে।

উল্লেখ্য, গত ২০ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের চার তলার পিছনের কনফারেন্স রুমে সরকারের গুরুত্বপূর্ন সচিব ও পুলিশ অফিসারদের এক গোপন মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সচিব সাজ্জাদুল হাসান, জনপ্রশাসন সচিব ফয়েজ আহমদ, নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালউদ্দীন আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর অফিসের প্রাক্তন ডিজি ও বর্তমান পানিসম্পদ সচিব কবির বিন আনোয়ার, বেসামরিক বিমান পরিবহন সচিব মহিবুল হক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার (প্রধানমন্ত্রীর অফিসের প্রাক্তন ডিজি) আলী আজম যিনি ঢাকা মহানগরী রিটার্নিং অফিসার, প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-১ কাজী নিশাত রসুল (যিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার জজ কাজী গোলাম রসুলের মেয়ে), এবং অফিসার্স ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ১১ বিসিএসের যুগ্মসচিব মেসবাহউদ্দিন। এছাড়াও পুলিশের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন র‌্যাবের ডিজি বেনজীর আহমেদ, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, ডিএমপির কাউন্টার টেররিজমের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম, পুলিশ হেড কোয়ার্টারের ডিআইজি প্রশাসন হাবিবুর রহমান, ডিএমপির ডিসি প্রলয় জোয়ার্দার (শেখ হাসিনার প্রাক্তন প্রটোকল অফিসার)। আড়াই ঘন্টা ধরে চলা উক্ত সভায় সারা দেশের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং সেট-আপ ও প্লান রিভিউ করা হয়। বিস্তারিত আলোচনা শেষে মূল সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, নির্বাচন কমিশন থেকে বিএনপি-ফ্রন্টকে চরম অসহযোগিতা করা হবে, যতই চাপ দেয়া হোক প্রশাসনে হাত দেয়া যাবেনা, ধরপাকড় বাড়ানো হবে, প্রার্থী গুম খুণ করে এমন অবস্থা তৈরী করা হবে যাতে তারা নির্বাচন থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হয়। আর শেষ পর্যন্ত ভোটে থেকে গেলে ভোটের দিন পর্যন্ত ধরপাকড়ের তান্ডব চালানো হবে নির্দয়ভাবে, যেনো ভোট কেন্দ্রে কেউ হাজির হতে সাহস না করে। আর যদি ভোটের ফ্লো ঠেকাতে না যায়, তবে মিডিয়া ক্যু করে নৌকাকে জিতানো হবে, বিটিভির মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণা করে সব মিডিয়াতে তা রিলে করার ব্যবস্থা করা হবে। একবার ফল ঘোষণা করতে পারলে তারপরে নির্মমভাবে সব ঠান্ডা করা হবে।

সচিব ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ষড়যন্ত্রমূলক উক্ত মিটিংয়ের খবর প্রথম প্রকাশ করে বিডিপলিটিকো। এরপরে বিএনপির পক্ষ থেকে প্রেস কনফারেন্স করা হয় শনিবার। দেশের সবগুলো মিডিয়াতে খবরটি ফলাও করে প্রকাশ করা হয়। সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হয়। নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালউদ্দিন আহমদ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহমদ যদিও মিটিংয়ে থাকার কথা অস্বীকার করলেও বেসামরিক বিমান সচিব মহিবুল হক স্বীকার করেন, তারা ব্যাচমেটরা মিটিং করেছিলেন, তবে তিনি দাবী করেন ওটা রাজনৈতিক বিষয়ে ছিল না। এ প্রসঙ্গে বিডি পলিটিকো শতভাগ নিশ্চিত যে, ঐ বৈঠকটি নির্বাচন সংক্রান্ত ষড়যন্ত্র মিটিং ছিল, সেখানে বিসিএস ৭ম ব্যাচ থেকে ২৪ তম ব্যাচের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, গুপ্ত মিটিং সংক্রান্ত উক্ত প্রতিবেদনটির কারনে আগামীতে গুরুত্বপূর্ন ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে।

Content Protection by DMCA.com

লাশ প্যাকেট করায় ওস্তাদ রাজশাহীর এসপি শহিদুল্লাহ!

২৪ বিসিএস পুলিশের মো. শহিদুল্লাহ রাজশাহী জেলায় এস পি হিসাবে পদায়ন হওয়ার আগে চট্টগ্রাম জেলায় কর্মরত ছিলেন। সেখানে তার বস ছিল হাফিজ আক্তার, ‍যিনি এখন আরএমপি কমিশনার। বিরোধীদলের নেতা-কর্মীদের নিপীড়ন করার কাজে দু’জনের ক্রেজি মনোভাব ও বোঝাপড়া ছিল চরম, সে অবস্থায় উত্তরবঙ্গ ঠান্ডা করতে তাদের চট্টগ্রাম থেকে রাজশাহী এলাকায় আগমন।

চাকরিতে নবীন হলেও গায়েবী মামলা তৈরির কাজে শহিদুল্লাহ সিদ্ধহস্ত। চট্টগ্রামে থাকাকালে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিরোধীদল ও মতের লোকজনকে মেরে প্যাকেট করা লাশ নদীতে, সমুদ্রে, নাকি পাহাড়ি জংগলে ডাম্পিং করা হবে, তা হাফিজ ও শহিদুল্লার যৌথ আলাপ ও উদ্যোগে বাস্তবায়ন করতেন!

বাস্তবতা হলো চিটাগাং এর আগের সেট-আপ এখন পুরাটাই দেশের উত্তর জনপদ রাজশাহীতে। রাজশাহী জেলায় পদায়নের পরপরই শহিদুল্লাহ একটা কন্সটেবল রিক্রুটমেন্ট পায়। জীবনের প্রথম রিক্রুটমেন্ট হওয়ার কারণে তিনি লোভ সামলাতে পারেননি। ফলে তার বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে পুলিশ হেড কোয়ার্টার্স ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে একটি ইনকোয়ারি টিম গঠিত হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হয়, কিন্তু টাকা ও পলিটিক্যাল লবিং এবং হাফিজ আক্তারের সাহায্য নিয়ে সে যাত্রায় পার পেয়ে যান শহিদুল্লাহ।

এসপি শহিদুল্লাহ অত্যন্ত বিকৃত ও আগ্রাসী মানসিকতার অফিসার। গুম ও খুনের পাশাপাশি তিনি তার একটি বিশেষ টিমকে দিয়ে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের হাতে নেশাদ্রব্য ধরিয়ে দিয়ে গ্রেফতার ও হাতে-পায়ে গুলি করে পংগু করে দিচ্ছেন। গত জুন/১৮ মাসের দিকে বাগমারা থানার বিএনপি’র এক কর্মীকে সে তার বিশেষ টিম দিয়ে রাতের আধারে দুই পায়ে গুলি করিয়ে পংগু করান। ফায়ারিং জায়েজ করার জন্য রাজনৈতিক ঐ কর্মীর হাতে মাদক ধরিয়ে দেওয়া হয়। নতুন এই কৌশল প্রয়োগ করে রাজশাহী এলাকায় বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের সারা জীবনের মতো পংগু বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইলেকশনে মহাজোটের প্রার্থী লিটনকে জোর করে জিতিয়ে আনার জন্য পুলিশের যে ছোট গ্রুপ কাজ করেছিল তার অন্যতম সদস্য ছিল শহিদুল্লাহ। বাকী সদস্যরা ছিল গোপালগঞ্জের সন্তান ১৭ ব্যাচের ডিআইজি হাবিবুর রহমান, আরএমপি কমিশনার হাফিজ আক্তার ও ১৮ ব্যাচের এডিশনাল ডিআইজি আসাদুজ্জামান। এরা মেয়র প্রার্থী লিটনের সাথে গোপন বৈঠক করে এবং জিতিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে বিশাল অংকের টাকা উৎকোচ নেয়। এসময় তারা নতুন কৌশল নেয়। রাজশাহী শহরের বিএনপি’র এক্টিভ নেতা-কর্মীদেরকে খুঁজে বের করে ভোটের আগে থেকে বাইরের জেলাগুলোতে থানা হাজত ও গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ভোটের পর টাকার বিনিময়ে কাউকে কাউকে ছেড়ে দেওয়া হয়, বাকীদেরকে পেন্ডিং ভুতুড়ে মামলায় কোর্টে পাঠানো হয়।

সাবেক এসপি আলমগীরের সময় জেলার পুলিশ লাইনের গেটটি প্রায় কোটি টাকায় নির্মাণ করা হয়েছিল। কিছুদিন আগে থেকে নবনির্মিত গেটটি আবারও ভেংগে ফেলা হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় নতুন এই গেটটি সুদর্শন করানোর কথা বলে পুলিশ হেড কোয়ার্টার থেকে থেকে শহীদুল্লাহ দেড় কোটি টাকা আনিয়েছেন। বিভিন্ন থানার বাউন্ডারি ওয়াল ও গেট মেরামতের নামেও কয়েক কোটি টাকা নিয়ে এসেছেন তিনি। এসব টাকা বরাদ্দ পেতে সহায়তা করেছেন পুলিশের বহুল আলোচিত-সমালোচিত ১৭ ব্যাচের এডিশনাল ডিআইজি গাজী মোজাম্মেল হক। গাজী মোজাম্মেল বিএনপি’র আমলে শুরু হওয়া পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোশাইটি (POHS) প্রজেক্টের দেখাশুনার দায়িত্ব নিয়ে গত ১৩ বছরে কিছুই করেননি। এই প্রজেক্টটির উন্নয়নের নামে তিনি শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন পুলিশ অফিসারদের পকেট থেকে। পূর্বাচলের পাশে এখন তার “আনন্দ হাউজিং প্রজেক্ট” নামে একটি হাউজিং, শত বিঘা জমি ও প্লট রয়েছে।

এসপি শহিদুল্লাহ তার সাথে থাকা এডিশনাল এসপি সুমিত চৌধুরীকে সব ব্যাপারে লাই দিতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছেন। সুমিতের মাদকাসক্তি, ফোর্স ও অফিসারদের সাথে দুর্বিনীত আচরণ, ব্যাপক ঘুষ ও দুর্নীতি দেখেও না দেখার ভান করতেন শহিদুল্লাহ। কয়েক মাস আগে জমে থাকা এসব অভিযোগে সুমিত চৌধুরীকে নৌ পুলিশে বদলি করা হয়। সুমিত চৌধুরী প্রকাশ্যে নিজেকে ভাররে গোয়েন্দা সংস্খা র-এর এজেন্ট হিসাবে পরিচয় দেন।

Content Protection by DMCA.com
1 2 3 5