ক্যান্সারের চিকিৎসা, পারিবারিক কলহ নিষ্পত্তি এবং জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌছেছেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা


আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের মিডনাইট প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্টের নিউইয়র্কে পৌছেছেন। এসময় তিনি তার শারীরিক চিকিৎসা করাতে পারেন এবং ক্ষমতার উত্তরাধিকার নিয়ে সৃষ্ট পারিবারিক বিবাদ নিষ্পত্তির চেষ্টা হতে পারে।

গত জুলাই মাস থেকে সামাজিক মাধ্যমে দেশ জুড়ে চাউর হয়েছে, শেখ হাসিনা মরণঘাতি ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত। আর এরই চিকিৎসা নিতে তিনি ঘন ঘন যুক্তরাজ্য সফর করে থাকেন। খবরের প্রথম সূত্র হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর মেডিকেল টিমের এক সদস্য নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানান, পরে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিবরা এটি নিশ্চিত করেন। ১৯ জুলাই ইউরোপীয় অঞ্চলের বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতদের একটি সভার অস্বাভাবিক অযুহাত দেখিয়ে শেখ হাসিনা লন্ডনে যান। এরপরে টানা ১৩ দিন তিনি কোথায় ছিলেন সে সম্পর্কে জাতিকে সরকারীভাবে কিছু জানানো হয়নি। তখনই গুজব ছড়িয়ে পড়ে তিনি বেঁচে আছেন কি না। এর ফলশ্রুতিতে দিশাহারা হয়ে তার মন্ত্রিসভার বেশির ভাগ সদস্য বিদেশে পড়ি জমান অথবা দেশের মধ্যেই লুকিয়ে থাকেন বলে জানায় সচিবরা। দলের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং আর ২/১ জন মন্ত্রী ব্যতিত সচিবালয়ের অফিসে মন্ত্রীদের কামরাগুলি খা খা করতে থাকে। দলীয় বিনাভোটের এমপিরা এবং লুটপাটে ওস্তাদ নেতারা অনেকেই ব্যাংকক, কোলকাতা, দুবাই, সিঙ্গাপুরে গিয়ে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন।

অবশেষে লন্ডনে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, ২২ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত লন্ডনে পাকিস্তানীদের নির্মিত বুপা ক্রমওয়েল হসপিটালের ক্যান্সার সেন্টারে তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশের কোনো সরকারী মাধ্যম থেকে বিষয়টি জনগনকে জানানো হয়নি, বা খবরটির স্বীকার অস্বীকার কিছুই করা হয়নি। এসময়কালে আরো একটি খবর জানা যায় যে, তাঁর আসন্ন মৃত্যুর পরে ক্ষমতার উত্তরাধিকার নিয়ে লন্ডন, ফিনল্যান্ড, এবং ঢাকায় একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাতে তিনি চান তার কন্যাকে উত্তরাধিকার করতে, অন্যদিকে ছোট বোন চান নিজে ক্ষমতায় বসতে। কেননা প্রধানমন্ত্রী অতীতে কথা দিয়েছিলেন- চতুর্থবার ক্ষমতায় বসার এক বছরের মধ্যে ছোটবোনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। ছোটবোন এখন সেই ঘোষণা পূরণ চান। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সেকথা থেকে বার বার সরে যাচ্ছেন। তাই পারিবারিক কলহ জটিল আকার ধারণ করেছে।

বুপা হাসপাতালের একটি সূত্রে জানা যায়, এটি কোলোন ক্যান্সার এবং চতুর্থ ধাপের।

এর আগে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ অধিবেশনে এসে ২৫ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের একটি নাম না জানা হাসপাতালে কোলোন সার্জারি করেন, যদিও তারা প্রকাশ করে পিত্তথলির অপারেশন বলে। এ প্রসঙ্গে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ নিজের ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাসে পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেন, ‘গত সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে মা’র গল-ব্লাডারের সার্জারি হয়। আমাদের পাশের হাসপাতালে আমার এক ডাক্তার বন্ধুই সার্জারিটি করেন। সার্জারিটি অত্যন্ত সফল ছিল। পরদিন সকালেই মা বাসায় ফিরে আসেন। তিনি এখন খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন।’ কিন্তু তিনি এর আগে প্রথমবার বিরোধী দলে থাকতে কানাডায় পিত্তথলি অপসারণ করেছিলেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। যাই হোক, প্রায় তিন সপ্তাহ পরে তিনি মোটা কাপড়ে শরীর ঢেকে দেশে ফিরেন, তবে দীর্ঘ প্রায় দু’মাস বাসভবনের ভিতরেই কাটান, হয়ত খুব অল্প সময়ের জন্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে যেতেন সপ্তাহে বা পক্ষে একবার। আরও পেছনে গেলে পাওয়া যাবে ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের এক প্রভাবশালী এমপি যিনি গণভবন-ঘনিষ্ট এবং পরে একজন প্রখ্যাত সনোলজিস্ট কনফার্ম করেন যে, তার শরীরে মরণঘাতি ক্যান্সার বাসা বেঁধেছে ২০১২ সালের জানুয়ারী মাস থেকে, অবশ্য সেই থেকে চিকিৎসায় তা নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রোগটি আবার বেপরোয়া হয়ে উঠলে প্রায় তিন মাস অঘোষিত ছুটিতে থেকে চিকিৎসা ও নিবিড় পরিচর্যায় থাকেন। এর কিছুদিন পরেই তিনি লন্ডনে গিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নিজের শারীরিক অবস্থা যাচাই করেন এবং চিকিৎসা নিতে শুরু করেন। আমেরিকা ইউরোপ যেখানেই তিনি যান না কেনো, লন্ডনে তার কিছুদিন থাকতেই হবে। এবছর মে মাসে ১০ দিন এবং আগস্ট মাসে প্রায় একমাস লন্ডনে চিকিৎসা নেন। ক্যান্সারের বিষয়টি এবারে নিশ্চিত করেছেন তার চিকিৎসা টিম এবং গোয়েন্দা সূত্র। আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক দু’দিন আগে প্রথম জানান দিলেন, প্রধানমন্ত্রী অসুস্থ অবস্থায় নিউইয়র্কে গেছেন, তবে কি অসুস্থতা তা পরিষ্কার করেননি!

জানাগেছে, চলমান জাতিসংঘ সফরকালে তিনি সাধারণ পরিষদের অধিবেশেনের ফাঁকে ফাঁকে অন্তত দু’টি হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসা নিবেন, এরমধ্যে একটি হচ্ছে ক্যান্সারের চিকিৎসা। এর পাশাপাশি ক্ষমতার উত্তরাধিকার প্রশ্নে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তি করার জন্য বোন, কন্যা ও অন্যান্যদের সাথে সমঝোতার আরও চেষ্টা চালাবেন। এমনকি প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে তার প্রভাব কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে পারেন।

Content Protection by DMCA.com

‘মোবাইল চোর’ বলে ৫০ সাংবাদিককে আটকে দেহ তল্লাশি করলেন শমী কায়সার!

24 Apr, 2019

নিজের দুটি স্মার্টফোন চুরি যাওয়ায় প্রায় অর্ধশত সংবাদকর্মীকে আধঘণ্টারও বেশি আটকে রেখেছেন অভিনেত্রী শমী কায়সার। এ সময় তিনি সাংবাদিকরা মোবাইল চুরি করেছে বলে অভিযোগ করেন এবং তার নিরাপত্তাকর্মীদের দিয়ে সংবাদকর্মীদের দেহ তল্লাশিও করান। এ সময় কেউ কেউ বের হতে চাইলে ‘চোর’ বলে ওঠেন শমী কায়সারের নিরাপত্তাকর্মী। শমী নিজে গেটে দাড়িয়ে যান, এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন সংবাদকর্মীরা। ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনুষ্ঠানস্থলে। পরে অবশ্য সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় অজ্ঞাতনামা কোনো এক চোর ফোন দুটি সরায়। ঘন্টাখানেক হৈচৈয়ের পরে আয়োজকরা ক্রমাগতভাবে ক্ষমা চাইতে থাকে। এসব গন্ডগোলের মধ্যে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসনা মাহমুদ উপস্থিত হননি।

জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে এ ঘটনা ঘটে। প্রায় অর্ধশত ফটো ও ভিডিও ক্যামেরা এবং শতাধিক মানুষের সামনে চুরি হয় ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই- ক্যাব) প্রেসডেন্ট শমী কায়সারের দুটি স্মার্টফোন।

শমী কায়সার জানান, ফোন দু’টিতে তার অনেক গুরুত্বপূর্ন ডকুমেন্ট ভিডিও রয়েছে, যা ফাঁস হয়ে যাবার ভয়ে তিনি অস্থির হয়ে পড়েছিলেন!

Content Protection by DMCA.com

নির্বাচনের পরে সম্পর্কের নতুন ভারসাম্য

Content Protection by DMCA.com

বিএনপির তৃণমূলে ‘না’

Content Protection by DMCA.com

টক-শো’তে যাওয়ার আগে নীতিমালা তৈরী করে দিলো বিএনপি

Content Protection by DMCA.com

আ’লীগ আরেকবার ক্ষমতায় গেলেই পূর্ণ বাকশাল : আর্মি হবে পোষাকী বাহিনী

।।বিশেষ প্রতিবেদক।।
শেখ হাসিনার গত এক দশকের শাসনে বাংলাদেশের সবগুলো সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভারতীয়করণ করা মোটামুটি শেষ হয়েছে। এবারে শেষ ধাপে বাকশাল পূর্ণপ্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এটা শেষ করতে পারলেই দেশে আর কোনো শক্তি আ’লীগকে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না। তখন ২০৪১ কেনো, এ শতাব্দিও পার করে দেয়া যাবে।

এ পরিকল্পনা বাস্তবায়কারীদের অন্যতম চালক হলেন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তারিক সিদ্দিক, যিনি একাধারে ভারতের স্বার্থ এবং শেখ হাসিনার স্বার্থ উভয়ের সমন্বয় সাধন করে সশস্ত্র বাহিনী পরিচালনা করছেন। প্রতিরক্ষা নয়, বরং নিরাপত্তা উপদেষ্টা হয়েও মূলত তিনিই জয়েন্ট চীফ অব স্টাফের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন!

সেনাবাহিনী নিয়ে তারেক সিদ্দিকীর চিন্তাভাবনা সম্পর্কে লন্ডন প্রবাসী তার এক বিজনেস পার্টনার জানান, গত দশ বছর ধরে দেশে পুরোপুরি বাকশাল কায়েম করতে মোটামুটি সকল বিভাগে বাস্তবায়িত করা হয়েছে। এনিয়ে ভারত সহ বাকশালের পুরোনা নেতাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ চলছে। কেবল সেনাবাহিনীকে পুরোপরি নিরাপদ করা বাকী। ইতোমধ্যে তাদেরকে পদোন্নতিসহ নানাবিধ আর্থিক সুবিধা, সুযোগাসুবিধা ও লোভ টোপ দিয়ে বশে আনার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা নানা ভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন যে, এসব অষুধে কাজ হচ্ছে। সেনা অফিসারদের ভেতরে আগের মত আর এগ্রেসিভ ভাব নাই। বিশেষ করে মেজর/লেফটেনেন্ট কর্নেল পর্যায়ে ফুল টাইম গাড়ি সহ নানা সুযোগ সুবিধা দিয়ে সেনাবাহিনীর মাঠপর্যায়ের মূল অর্গানকে বিলাসিতায় অভ্যস্ত করে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে তারা প্রশিক্ষণ এবং পেশাদারিত্ব ও সমষ্টিগত মর্যাদা রক্ষার চেয়ে ব্যক্তিগত আরাম আয়েশ ও স্বার্থের বিষয়টিই প্রাধান্য দিচ্ছেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। যেমন কয়েকটি টেস্ট কেসে দেখা গেছে, সাভারে কর্মরত মেজরকে পুলিশ পিটানোর পরে, রাজশাহীতে পুলিশের হাতে সেনাসদস্য মার খেলে, ব্রিগেডিয়ার আযমী ও কর্নেল হাসিনের মত ডেকোরেটেড রিটায়ার্ড অফিসারদেরকে অন্যায়ভাবে ধরে নিয়ে যাওয়া বা গুমের পরেও আর্মি সদস্যেদের মাঝে নিজেদের ভাবমুর্তি রক্ষার জন্য উল্লেখযোগ্য ব্যাবস্থা গ্রহণ করার মত কোন পদক্ষেপ গ্রহন করতে দেখা যায়নি। এসব ঘটনায় সরকারের নীতিনির্ধারকরা উৎসাহিত বোধ করছেন।

শেখ হাসিনার প্লান হচ্ছে, আরেবার ক্ষমতায় গেলেই ‍মূল টার্গেট হবে বাকশাল স্টাইলে আর্মি সাজানো। আর ভারতও চায় এদেশে তাদের অনুগত বাহিনী। এ বিষয়ে জেনারেল তারিক সিদ্দিকের ভাবনা হলো- দেশ রক্ষার পরিবর্তিত নীতিতে ভারতের সাথে যুদ্ধ হওয়ার কোনো সম্ভবনা নাই। ভারত এখন আর আমাদের শত্রু নয়। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী এখন আর ভারতকে টার্গেট করে বাহিনীকে প্রশিক্ষিত করেনা। ভারত এখন পরিপূর্ন মিত্র রাষ্ট্র। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন ডিফেন্সিভ ফোর্স। দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশ এবং র‌্যাব সহ অন্যান্য বাহিনী যথেষ্ট সক্ষম। সীমান্ত পাহারা নিয়ে ভারতের সাথে এখন আর তেমন কোনো বিরোধ নাই। শুধু বার্মার সাথে যে বর্ডার আছে, তাতে আমাদের বিজিবি রয়েছে। সেখানে কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে বৃহৎ প্রতিবেশীরা আমাদের সহায়তা করবে। তাই এই সেক্টর নিয়েও সেনাবাহিনীর কোনো বড় ইনস্টলেশন প্রয়োজন নাই।

মোট কথা, শেখ হাসিনার সরকার আগামীতে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারলে, সেনাবাহিনীকে মুলত রক্ষীবাহিনীর ধাচে ব্যবহারের সকল বন্দোবস্ত বা আয়োজন সম্পন্ন করা যাবে। লক্ষণীয়, শেখ হাসিনা এবারে ২০৪১এর শ্লোগান বাদ দিয়ে কেবল আরেকটি বার ক্ষমতা চান সেনাবাহিনীকে বাকশাল ধাচের সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনে বাধ্য করার জন্য।

Content Protection by DMCA.com

বিডি পলিটিকোর আতঙ্কে সরকারের গলদঘর্ম

বিডি পলিটিকো নিয়ে বাংলাদেশের বর্তমান স্বৈরাচার সরকারের উদ্বেগ উৎকন্ঠার খবরে বিডিপলিটিকো কতৃপক্ষ অনুপ্রাণিত বোধ করছে।
“বিদেশে বসে গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা” শিরোনামে আজ দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় সরকারের স্কুপ নিউজ প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে সমকাল পত্রিকার নিবন্ধটি ছিল সবচেয়ে বড়। আর তার মধ্যে উঠে এসেছে বিডিপিলিটিকো। ৫৪টি অনলাইন পোর্টাল বন্ধ করার মধ্যে পলিটিকো অন্যতম। উক্ত নিবন্ধে মাত্র দু’টি নাম উল্লেখ করা হয়ে হয়েছে, যার মধ্যে পলিটিকো প্রথমে। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে, পলিটিকো নিয়ে সরকারের কি কাপাকাপি দশা। যে গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই দিয়ে সারা দেশ ঠেঙায়, সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধানকেই ছাড়েনি পলিটিকো। ঘুম হারাম দিয়েছে। এরপরে আমাদের পোর্টালে আক্রমন চালিয়ে, নানান যায়গায় শত সহস্ত্র চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। বরং উল্টো তাদের গোপনীয় চিঠি প্রকাশ করে দিয়েছে পলিটিকো।

সরকার দাবী করছে বিডিপলিটিকো বন্ধ করতে পেরে তারা সন্তোষ প্রকাশ করছে! কিন্তু আসলেই কি তাই? আসলে এ দাবী সত্যি নয়। পলিটিকো বন্ধ করতে পারেনি ওরা। করার ক্ষমতাও নেই। তারা কেবল বাংলাদেশে ব্লক করতে পেরেছে। কিন্তু, পারেনি সেনাবাহিনী সহ ক্যান্টনমেন্টে বন্ধ করতে। তারা সিস্টেম করে প্রতিদিন অন্তত একবার করে পলিটিকো সাইট দেখে নেয়। কারন এটি সত্য কথা বলে। কষ্টের কথা বলে। প্রাণে স্পন্দন জাগায়।

বিনাভোটের সরকারকে ধন্যবাদ জানাই আমাদের সাইটের গুরুত্বের স্বীকৃতির জন্য। তবে সেই সাথে চ্যালেঞ্জ জানায়- সত্যের মুখ কখনও বন্ধ করা যায় না। কোনো না কোনো ভাবে তা প্রকাশ পায়।

Content Protection by DMCA.com

যারা আমাদের বন্ধুদের উপর হামলা করবে, আমাদের অর্থায়নে শান্তিরক্ষী দলে তাদের আমরা নিবে কেনো: যুক্তরাষ্ট্র

১৪ ডিসেম্বর রাজধানীতে ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেনের উপর আক্রমনে দারুণ ক্ষেপেছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা জাতিসংঘকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের ২৮% ব্যয় যোগান দেয়। কাজেই সেই অর্থায়নে চলা শান্তিরক্ষী কার্যক্রমে মানবাধিকার হরণকারী কোনো বাহিনীর নিয়োগলাভের সুযোগ থাকা উচিত নয়। এরপরেই জাতিসংঘ থেকে বাংলাদেশ সরকারকে শক্ত চাপ দেয়া হয়।

ঢাকায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার দু’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বাংলাদেশের সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যে বিল পাশ করা হয়েছে, তার অনুলিপি বাংলাদেশ সরকারকে অবহিত করা হয়েছে। বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে যাবে, এমনকি নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে, শান্তিরক্ষী টিমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সংকটে পড়তে পারে তা জানানো হয়েছে বাংলাদেশ সরকারকে। এমন খবর জানাজানি হলে ওয়াশিংটনে ‍নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্টদূত শেখ হাসিনাকে উদ্ধার করার চেষ্টায় ছুটোছুটি করছেন।

তবে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে বাংলাদেশের তিন বাহিনী প্রধান রাষ্ট্রদূত মিলারের সাথে অচিরেই বৈঠকে বসছেন। এনিয়ে সরকার কিছুটা গরিমসি করলেও ঘটনা যা ঘটার, তা ঘটবেই।

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য জাতিসংঘ এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রবল চাপ অব্যাহত। ব্যর্থ হলে ২০০৭ সালের পূনরাবৃত্তি ঘটবে। প্রস্ততি চলছে।

Content Protection by DMCA.com
1 2 3 7