নির্বাচনের পরে সম্পর্কের নতুন ভারসাম্য

Content Protection by DMCA.com

বিএনপির তৃণমূলে ‘না’

Content Protection by DMCA.com

টক-শো’তে যাওয়ার আগে নীতিমালা তৈরী করে দিলো বিএনপি

Content Protection by DMCA.com

আ’লীগ আরেকবার ক্ষমতায় গেলেই পূর্ণ বাকশাল : আর্মি হবে পোষাকী বাহিনী

।।বিশেষ প্রতিবেদক।।
শেখ হাসিনার গত এক দশকের শাসনে বাংলাদেশের সবগুলো সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভারতীয়করণ করা মোটামুটি শেষ হয়েছে। এবারে শেষ ধাপে বাকশাল পূর্ণপ্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এটা শেষ করতে পারলেই দেশে আর কোনো শক্তি আ’লীগকে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না। তখন ২০৪১ কেনো, এ শতাব্দিও পার করে দেয়া যাবে।

এ পরিকল্পনা বাস্তবায়কারীদের অন্যতম চালক হলেন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তারিক সিদ্দিক, যিনি একাধারে ভারতের স্বার্থ এবং শেখ হাসিনার স্বার্থ উভয়ের সমন্বয় সাধন করে সশস্ত্র বাহিনী পরিচালনা করছেন। প্রতিরক্ষা নয়, বরং নিরাপত্তা উপদেষ্টা হয়েও মূলত তিনিই জয়েন্ট চীফ অব স্টাফের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন!

সেনাবাহিনী নিয়ে তারেক সিদ্দিকীর চিন্তাভাবনা সম্পর্কে লন্ডন প্রবাসী তার এক বিজনেস পার্টনার জানান, গত দশ বছর ধরে দেশে পুরোপুরি বাকশাল কায়েম করতে মোটামুটি সকল বিভাগে বাস্তবায়িত করা হয়েছে। এনিয়ে ভারত সহ বাকশালের পুরোনা নেতাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ চলছে। কেবল সেনাবাহিনীকে পুরোপরি নিরাপদ করা বাকী। ইতোমধ্যে তাদেরকে পদোন্নতিসহ নানাবিধ আর্থিক সুবিধা, সুযোগাসুবিধা ও লোভ টোপ দিয়ে বশে আনার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা নানা ভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন যে, এসব অষুধে কাজ হচ্ছে। সেনা অফিসারদের ভেতরে আগের মত আর এগ্রেসিভ ভাব নাই। বিশেষ করে মেজর/লেফটেনেন্ট কর্নেল পর্যায়ে ফুল টাইম গাড়ি সহ নানা সুযোগ সুবিধা দিয়ে সেনাবাহিনীর মাঠপর্যায়ের মূল অর্গানকে বিলাসিতায় অভ্যস্ত করে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে তারা প্রশিক্ষণ এবং পেশাদারিত্ব ও সমষ্টিগত মর্যাদা রক্ষার চেয়ে ব্যক্তিগত আরাম আয়েশ ও স্বার্থের বিষয়টিই প্রাধান্য দিচ্ছেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। যেমন কয়েকটি টেস্ট কেসে দেখা গেছে, সাভারে কর্মরত মেজরকে পুলিশ পিটানোর পরে, রাজশাহীতে পুলিশের হাতে সেনাসদস্য মার খেলে, ব্রিগেডিয়ার আযমী ও কর্নেল হাসিনের মত ডেকোরেটেড রিটায়ার্ড অফিসারদেরকে অন্যায়ভাবে ধরে নিয়ে যাওয়া বা গুমের পরেও আর্মি সদস্যেদের মাঝে নিজেদের ভাবমুর্তি রক্ষার জন্য উল্লেখযোগ্য ব্যাবস্থা গ্রহণ করার মত কোন পদক্ষেপ গ্রহন করতে দেখা যায়নি। এসব ঘটনায় সরকারের নীতিনির্ধারকরা উৎসাহিত বোধ করছেন।

শেখ হাসিনার প্লান হচ্ছে, আরেবার ক্ষমতায় গেলেই ‍মূল টার্গেট হবে বাকশাল স্টাইলে আর্মি সাজানো। আর ভারতও চায় এদেশে তাদের অনুগত বাহিনী। এ বিষয়ে জেনারেল তারিক সিদ্দিকের ভাবনা হলো- দেশ রক্ষার পরিবর্তিত নীতিতে ভারতের সাথে যুদ্ধ হওয়ার কোনো সম্ভবনা নাই। ভারত এখন আর আমাদের শত্রু নয়। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী এখন আর ভারতকে টার্গেট করে বাহিনীকে প্রশিক্ষিত করেনা। ভারত এখন পরিপূর্ন মিত্র রাষ্ট্র। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন ডিফেন্সিভ ফোর্স। দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশ এবং র‌্যাব সহ অন্যান্য বাহিনী যথেষ্ট সক্ষম। সীমান্ত পাহারা নিয়ে ভারতের সাথে এখন আর তেমন কোনো বিরোধ নাই। শুধু বার্মার সাথে যে বর্ডার আছে, তাতে আমাদের বিজিবি রয়েছে। সেখানে কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে বৃহৎ প্রতিবেশীরা আমাদের সহায়তা করবে। তাই এই সেক্টর নিয়েও সেনাবাহিনীর কোনো বড় ইনস্টলেশন প্রয়োজন নাই।

মোট কথা, শেখ হাসিনার সরকার আগামীতে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারলে, সেনাবাহিনীকে মুলত রক্ষীবাহিনীর ধাচে ব্যবহারের সকল বন্দোবস্ত বা আয়োজন সম্পন্ন করা যাবে। লক্ষণীয়, শেখ হাসিনা এবারে ২০৪১এর শ্লোগান বাদ দিয়ে কেবল আরেকটি বার ক্ষমতা চান সেনাবাহিনীকে বাকশাল ধাচের সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনে বাধ্য করার জন্য।

Content Protection by DMCA.com

বিডি পলিটিকোর আতঙ্কে সরকারের গলদঘর্ম

বিডি পলিটিকো নিয়ে বাংলাদেশের বর্তমান স্বৈরাচার সরকারের উদ্বেগ উৎকন্ঠার খবরে বিডিপলিটিকো কতৃপক্ষ অনুপ্রাণিত বোধ করছে।
“বিদেশে বসে গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা” শিরোনামে আজ দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় সরকারের স্কুপ নিউজ প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে সমকাল পত্রিকার নিবন্ধটি ছিল সবচেয়ে বড়। আর তার মধ্যে উঠে এসেছে বিডিপিলিটিকো। ৫৪টি অনলাইন পোর্টাল বন্ধ করার মধ্যে পলিটিকো অন্যতম। উক্ত নিবন্ধে মাত্র দু’টি নাম উল্লেখ করা হয়ে হয়েছে, যার মধ্যে পলিটিকো প্রথমে। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে, পলিটিকো নিয়ে সরকারের কি কাপাকাপি দশা। যে গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই দিয়ে সারা দেশ ঠেঙায়, সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধানকেই ছাড়েনি পলিটিকো। ঘুম হারাম দিয়েছে। এরপরে আমাদের পোর্টালে আক্রমন চালিয়ে, নানান যায়গায় শত সহস্ত্র চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। বরং উল্টো তাদের গোপনীয় চিঠি প্রকাশ করে দিয়েছে পলিটিকো।

সরকার দাবী করছে বিডিপলিটিকো বন্ধ করতে পেরে তারা সন্তোষ প্রকাশ করছে! কিন্তু আসলেই কি তাই? আসলে এ দাবী সত্যি নয়। পলিটিকো বন্ধ করতে পারেনি ওরা। করার ক্ষমতাও নেই। তারা কেবল বাংলাদেশে ব্লক করতে পেরেছে। কিন্তু, পারেনি সেনাবাহিনী সহ ক্যান্টনমেন্টে বন্ধ করতে। তারা সিস্টেম করে প্রতিদিন অন্তত একবার করে পলিটিকো সাইট দেখে নেয়। কারন এটি সত্য কথা বলে। কষ্টের কথা বলে। প্রাণে স্পন্দন জাগায়।

বিনাভোটের সরকারকে ধন্যবাদ জানাই আমাদের সাইটের গুরুত্বের স্বীকৃতির জন্য। তবে সেই সাথে চ্যালেঞ্জ জানায়- সত্যের মুখ কখনও বন্ধ করা যায় না। কোনো না কোনো ভাবে তা প্রকাশ পায়।

Content Protection by DMCA.com

যারা আমাদের বন্ধুদের উপর হামলা করবে, আমাদের অর্থায়নে শান্তিরক্ষী দলে তাদের আমরা নিবে কেনো: যুক্তরাষ্ট্র

১৪ ডিসেম্বর রাজধানীতে ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেনের উপর আক্রমনে দারুণ ক্ষেপেছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা জাতিসংঘকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের ২৮% ব্যয় যোগান দেয়। কাজেই সেই অর্থায়নে চলা শান্তিরক্ষী কার্যক্রমে মানবাধিকার হরণকারী কোনো বাহিনীর নিয়োগলাভের সুযোগ থাকা উচিত নয়। এরপরেই জাতিসংঘ থেকে বাংলাদেশ সরকারকে শক্ত চাপ দেয়া হয়।

ঢাকায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার দু’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বাংলাদেশের সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যে বিল পাশ করা হয়েছে, তার অনুলিপি বাংলাদেশ সরকারকে অবহিত করা হয়েছে। বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে যাবে, এমনকি নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে, শান্তিরক্ষী টিমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সংকটে পড়তে পারে তা জানানো হয়েছে বাংলাদেশ সরকারকে। এমন খবর জানাজানি হলে ওয়াশিংটনে ‍নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্টদূত শেখ হাসিনাকে উদ্ধার করার চেষ্টায় ছুটোছুটি করছেন।

তবে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে বাংলাদেশের তিন বাহিনী প্রধান রাষ্ট্রদূত মিলারের সাথে অচিরেই বৈঠকে বসছেন। এনিয়ে সরকার কিছুটা গরিমসি করলেও ঘটনা যা ঘটার, তা ঘটবেই।

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য জাতিসংঘ এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রবল চাপ অব্যাহত। ব্যর্থ হলে ২০০৭ সালের পূনরাবৃত্তি ঘটবে। প্রস্ততি চলছে।

Content Protection by DMCA.com

গ্রেফতার হামলা বন্ধ করতে মির্জা ফখরুলের হুশিয়ারি

রাজধানীতে বিজয় দিবস উপলক্ষে র‌্যালী করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। র‌্যালীর উদ্বোধন করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমি সরকারকে হুশিয়ারি করে দিচ্ছি, এই গ্রেফতার বন্ধ করুন। অন্যথায় এর দায়-দায়িত্ব সব কিছু আপনাদের নিতে হবে। গণতন্ত্র ধ্বংস করার দায়-দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে। পরিস্কার ভাষায় বলতে চাই, নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করবেন না, নির্বাচনকে এভাবে হামলা-মামলা, অত্যাচার-নির্যাতন, হত্যা-গুম করে নির্বাচন থেকে জনগনকে বিরত করতে পারবেন না।

মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ বিসর্জনকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি শ্রদ্ধা জানাই স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে গোটা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। সেই সাথে নিজে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন। আজকের এই বিজয় দিবস হওয়া উচিৎ ছিলো আমাদের আনন্দের উৎসবের।

কিন্তু আমরা অত্যন্ত ভরাক্রান্ত। আমরা আতঙ্কিত, উৎকন্ঠিত দেশের গণতন্ত্র নিয়ে। যে নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন যে তফসিল দিয়েছেন, এই নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনে সব রকমের পক্ষপাতিত্ব শুরু করেছে সরকার। ইতোপূর্বে আমরা কখনো এই ধরনের নির্বাচন দেখিনি। নজিরবিহীনভাবে তারা(সরকার) বিরোধী দলের নেতা-কর্মী এমনকি প্রার্থীদেরকেও গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা দিচ্ছে এবং প্রার্থীদেরকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছে। এই নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, এই নির্বাচনে সিদ্ধান্ত হবে বাংলাদেশের মানুষ স্বৈরতন্ত্রে থাকবে না গণতন্ত্রের থাকবে, বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতার ফল ভোগ করবে নাকি ফল ভোগ করবে না, বাংলাদেশের মানুষ নির্যাতিত হয়ে স্বৈরতন্ত্রের মধ্যে একদলীয় শাসন ব্যবস্থার মধ্যে যাবে নাকি বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের দিকে যাবে। এই নির্বাচনে সিদ্ধান্ত হবে আমাদের গণতন্ত্রের নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এই অন্যায়-অবিচার থেকে তাকে মুক্ত করতে পারবো কি পারবো না।

নির্বাচনের প্রচারনায় ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষ প্রার্থী মির্জা আব্বাসের ওপর হামলার ঘটনাকে নজিরবিহীন অভিহিত করে ফখরুল বলেন, একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে এই ধরনের হামলা হওয়ার পরও নির্বাচন কমিশন নির্বাক হয়ে তাকিয়ে থাকে, সরকার কিছুই করে না। নোয়াখালী-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মাহবুবউদ্দিন খোকনকে গুলি করা হয়েছে। সে আহত হয়ে হাসপাতালে রয়েছেন। ঢাকা-৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সুব্রত চৌধুরীর ওপরে গতকাল হামলা হয়েছে, তাকে প্রচারণা করতে দেয়নি। ঢাকা-৪ আসনে সালাহ উদ্দিন আহমেদের নির্বাচনী এলাকায় একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আজকে আমাদের এই র‌্যালী করতেও বাধাগ্রস্থ করা হয়েছে। বহু নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমাদের র‌্যালী ছিলো ২টায়। সেটাকে তারা(পুলিশ) পরিবর্তন করে সকাল ১০টায় নিয়ে এসেছে। এজন্য এটা করা আমাদের জন্য অসম্ভব ছিলো। তারপরও নানা বাধার মধ্যে যারা এই র‌্যালীতে যোগ দিয়েছেন তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

সুব্রত চৌধুরী দেশবাসীকে বিজয়ের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আমি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। আপনারা সকলে অবগত আছেন, এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে আমরা নির্বাচনে যেতে রাজি হয়েছি। যারা ক্ষমতাসীন আছেন তারা জনগনের ভোটাধিকার হরণ করে আবারো ক্ষমতায় থাকার জন্য নীল নকশার ষড়যন্ত্র, নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। আমাদের পুলিশ বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দলীয় কাজে ব্যবহার করে এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি করেছে যাতে আমরা নির্বাচনের মাঠ ছেড়ে দেই।

তিনি বলেন, ১৬ কোটি মানুষ ও ১০ কোটি ভোটারের ওপর নির্ভর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বিএনপি এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছে। ৩০ ডিসেম্বর জনগন ধানের শীষ প্রতীকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে রায় দিয়ে বিপুল ভোটে বিজয় করবে এই হলো আজকের বিজয় দিবসের আহবান।

এতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরিক গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি ঢাকা-৬ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, ঢাকা-১৩ আসনের প্রার্থী আবদুস সালাম, ঢাকা-১ আসনের প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Content Protection by DMCA.com

সরকারের মন্ত্রী লোটাস কামালের হুশিয়ারি: ২৭ তারিখের মধ্যে বিএনপি-জামায়াত এলাকা না ছাড়লে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না!  

২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে বিরোধী নেতাকর্মীরা এলাকা না ছাড়লে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী ও কুমিল্লা-১০ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল)।


বুধবার রাতে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার কনকশ্রী মধ্যমপাড়ায় বাইন্না বাড়িতে আয়োজিত উঠান বৈঠকে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। বৈঠকে লোটাস কামালের দেয়া ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভাইরাল হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনেও এ অভিযোগ করেছেন। ওই সংবাদ সম্মেলনে
রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগের অবৈধ মন্ত্রী লোটাস কামালের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ভোট ডাকাতির ভয়াবহ পরিকল্পনা ফাঁস করেছেন। প্রকাশ্যে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিয়ে শেয়ার বাজার ও ব্যাংক লুটেরাদের ‌অন্যতম আ হ ম মোস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামাল বলছেন-‘একটা একটা করে খুঁজবেন, ২৭ তারিখের আগে যদি এলাকা ছেড়ে না যায় তা হলে আর ছাড় নাই। তাদের চৌদ্দগুষ্টি পর্যন্ত উৎখাত করবো’।

ওই উঠান বৈঠকে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর আমি হামলা-মামলা করে কাউকে হয়রানি করিনি। আগামী ২৭ (নির্বাচনের ৩ দিন আগে) ডিসেম্বরের পর কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
তিনি বলেন, ‘২০০১ সালের নির্বাচনের পর আমার ও আমার বড় ভাইয়ের নামে অনেক মামলা হয়েছিল। বিএনপির আমলে একটি রাতও আমি বাড়িতে ঘুমাতে পারিনি। অনেকের গরুর ঘর থেকে তারা গরু নিয়ে গিয়ে পিকনিক করেছে, পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে গেছে এবং জমি থেকে ফসল কেটে নিয়ে গেছে। তারা ভালো মানুষ না। তারা আমাকে খুনের মামলায় এক নম্বর আসামি করেছে। আমাকে ইলেকট্রিক চেয়ারে বসিয়েছে। আগামী নির্বাচনে আমাকে নয়, উন্নয়নের মার্কা নৌকাকে বিজয়ী করে তাদের প্রতিরোধ করতে হবে।’

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে একটা কথা বলে গেলাম, তাদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা করি নাই, মামলা করবো না। ২৭ তারিখ পর্যন্ত মামলা করবো না। ২৭ তারিখের পর কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমি আবারও বলে গেলাম, জামায়াত হোক, শিবির হোক, যেই গোষ্ঠিই হোক- এদের চৌদ্দ গোষ্ঠি পর্যন্ত শেষ করবো ইনশাল্লাহ। এদের কাছে  দেশ সেইফ না। আমি আজ বলে গেলাম- এরা এখানে থাকতে পারে, যেখানে সেখানে থাকতে পারে। আপনারা খুঁজে দেখবেন। ২৭ তারিখ পর্যন্ত দেখবো। যদি ২৭ তারিখের মধ্যে এলাকা ছেড়ে চলে না যায়, যদি আমাদের সঙ্গে কোনও কম্প্রোমাইজ না করে, না আসে, তাহলে ২৭ তারিখের পরে আর ছাড় নাই।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাতির পিতার স্বপ্ন সোনার বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমি তার সহকর্মী হিসেবে সাহায্য করি। দেশকে এগিয়ে নিতে আজীবন কাজ করে যাব।’

পেরুল দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান এজিএম শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ওই উঠান বৈঠকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এমএ হামিদ, লালমাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মজুমদার, স্থানীয় ইউপি আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, বিজয়পুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম জিলানী এবং সদর দক্ষিণ ও লালমাই উপজেলাসহ স্থানীয় এলাকার দল ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
শীর্ষ নিউজ

Content Protection by DMCA.com

ধানের শীষের ২৭৬ প্রার্থী চূড়ান্ত: বিএনপি ২১৬, জামায়াত ২৫, ঐক্যফ্রন্ট ১৯

 

ইতোমধ্যে ২৭৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এসব প্রার্থীদের চিঠি দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে বিএনপির এককভাবে ২১৬ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। জামায়াতে ইসলামীকে দেয়া হয়েছে ২৫টি আসন, এর মধ্যে একটিতে আইনি জটিলতায় পড়েছে দলটির প্রার্থী। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ইতোমধ্যে ১৯টিতে ধানের শীর্ষের প্রতীকের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। এর মধ্যে গণফোরাম ৬, জেএসডি ৫, নাগরিক ঐক্য ৫, ঐক্যপ্রক্রিয়া ১, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ২। অপরদিকে ২০ দলীয় জোটের অপর শরীক বিজেপি: ঢাকা-১৭ আসন, এনপিপি: নড়াইল-২ আসন, পিপিবি: রংপুর-৩ আসন, কল্যাণ পার্টি: চট্টগ্রাম- ৫ আসন, এলডিপি: চট্টগ্রামের দুইটিসহ ৫টি, খেলাফত মজলিশ: ২টি আসন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম: ৩টি আসন ও জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর):  দুইটি আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। শনিবার বিএনপির গুলশান কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। বাকী ২৪ আসনের বিষয়ে রোববার সকালেই জানা যাবে।

শুক্রবার (০৭ ডিসেম্বর) ২০৬ প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকা প্রকাশের পর শনিবার (০৮ ডিসেম্বর) আরও দশজনের নাম প্রকাশ করেছে বিএনপি।

দলটির এ ১০ জনের চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকায় রয়েছেন- গাইবান্ধা-২ আসনে আবদুর রশীদ সরকার, পটুয়াখালী-২ এ শহীদুল আলম তালুকদার, নারায়ণগঞ্জ-১ কাজী মুনীর, ময়মনসিংহ-১ আলী আজগর, কুমিল্লা-৬ আমিন উর রশীদ ইয়াসিন, জামালপুর-১ রশীদুজ্জামান মিল্লাত, সিলেট-১ খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, নেত্রকোনা-৫ আবু তাহের তালুকদার, চাঁদপুর-৩ শেখ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এবং বরগুনা-২ নির্বাচনী এলাকায় খন্দকার মাহবুব হোসেন।

এরআগে গতকাল ২০৬ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে বিএনপি।
শুক্রবার (০৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা পাঠ করে শোনান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

২০৬ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা
চট্টগ্রাম বিভাগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে একরামুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-২ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-৩ কাজী মজিবুল হক, কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ আনোয়ারুল আজিম, চাঁদপুর-১ মোশাররফ হোসেন, চাঁদপুর-২ ডা. জালাল উদ্দিন, চাঁদপুর-৪ আবদুল হান্নান, চাঁদপুর-৫ মমিনুল হক, ফেনী-২ জয়নাল আবেদীন, ফেনী-৩ আকবর হোসেন, নোয়াখালী-১ ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-২ জয়নুল আবদিন ফারুক, নোয়াখালী-৩ বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নোয়াখালী-৬ ফজলুল আজিম, লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, চট্টগ্রাম-১ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-২ আজিবুল্লাহ বাহার, চট্টগ্রাম-৪ ইসহাক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৬ জসিম উদ্দিন সিকদার, চট্টগ্রাম-৭ কুতুব উদ্দিন বাহার, চট্টগ্রাম-৯ ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১০ আব্দুল্লাহ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১১ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৩ সারোয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৬ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, কক্সাবাজার-১ হাসিনা আহমেদ, কক্সাবাজার-৩ লুৎফর রহমান কাজল, কক্সাবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী, খাগড়াছড়ি- শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, রাঙামাটি- মনি স্বপন দেওয়ান ও বান্দরবান- সাচিং প্রু বিএনপির মনোয়নয়ন পেয়েছেন।

ঢাকা বিভাগ
কিশোরগঞ্জ-১ রেজাউল করিম খান চুন্নু, কিশোরগঞ্জ-২ মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ-৪ ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মুজিবর রহমান ইকবাল, কিশোরগঞ্জ-৬ শরীফুল আলম, টাঙ্গাইল-১ শহীদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-২ সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-৫ মাহমুদুল হাসান, টাঙ্গাইল-৬ গৌতম চক্রবর্তী, টাঙ্গাইল-৭ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, মানিকগঞ্জ-১ এস এ জিন্নাহ কবির, মানিকগঞ্জ-২ মাঈনুল ইসলাম খান, মুন্সিগঞ্জ-১ শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, মুন্সিগঞ্জ-২ মিজানুর রহমান সিনহা, মুন্সিগঞ্জ-৩ আবদুল হাই, ঢাকা-২ ইরফান ইবনে আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ সালাহউদ্দিন আহম্মেদ, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-১০ আবদুল মান্নান, ঢাকা-১১ শামীম আরা বেগম, ঢাকা-১২ সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা-১৩ আবদুস সালাম, ঢাকা-১৬ আহসান উল্লাহ হাসান, ঢাকা-১৯ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও ঢাকা-২০ তমিজ উদ্দিন।

গাজীপুর-১ আসনে চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী, গাজীপুর-২ সালাহউদ্দিন সরকার, গাজীপুর-৪ শাহ রিয়াজুল হান্নান, গাজীপুর-৫ ফজলুল হক মিলন, নরসিংদী-১ খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-২ ড. মঈন খান, নরসিংদী-৪ সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম আজাদ, রাজবাড়ি-১ আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, রাজবাড়ি-২ নাসিরুল হক সাবু, ফরিদপুর-১ শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর, ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ, ফরিদপুর-৩ চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ খন্দকার ইকবাল হোসেন, গোপালগঞ্জ-১ এফ ই সরফুজ্জামান, গোপালগঞ্জ-২ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, গোপালগঞ্জ-৩ আফজাল হোসেন, মাদারীপুর-১ সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী, মাদারীপুর-২ মিলটন বৈদ্য, মাদারীপুর-৩ আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, শরীয়তপুর-২ শফিকুর রহমান কিরণ ও শরীয়তপুর-৩ মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু।

রংপুর বিভাগ
পঞ্চগড়-১ আসনে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ আসনে ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও-৩ জাহিদুর রহমান, দিনাজপুর-২ মোহাম্মদ সাদিক রিয়াজ, দিনাজপুর-৪ আক্তারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-৫ এজেডএম রেজোয়ানুল হক, নীলফামারী-১ রফিকুল ইসলাম, লালমনিরহাট-১ হাসান রাজীব প্রধান, লালমনিরহাট-২ রোকন উদ্দিন বাবুল, লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবিব দুলু, রংপুর-২ মোহাম্মদ আলী সরকার, রংপুর-৩ রিটা রহমান, রংপুর-৪ এমদাদুল হক ভরসা, রংপুর-৬ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-১ সাইফুর রহমান রানা, কুড়িগ্রাম-৩ তাসভীর-উল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, গাইবান্ধা-৪ ফারুক কবির আহমেদ, গাইবান্ধা-৫ ফারুক আলম সরকার, জয়পুরহাট-১ ফজলুর রহমান ও জয়পুরহাট-২ এইএম খলিলুর রহমান।

খুলনা বিভাগ
মেহেরপুর-১ আসনে মাসুদ অরুণ, মেহেরপুর-২ আসনে জাভেদ মাসুদ মিলটন, কুষ্টিয়া-১ আসনে রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, কুষ্টিয়া-৩ জাকির হোসেন সরকার, কুষ্টিয়া-৪ মেহেদি আহমেদ রুমী, চুয়াডাঙ্গা-১ মো. শরীফুজ্জামান শরীফ, চুয়াডাঙ্গা-২ মাহমুদ হাসান খান (বাবু খান), ঝিনাইদহ-২ আবদুল মজিদ, ঝিনাইদহ-৪ সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, যশোর-১ মফিকুল হাসান তৃপ্তি, যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যশোর-৪ টি এস আইয়ুব, যশোর-৬ আবুল হোসেন আজাদ, মাগুরা-১ মনোয়ার হোসেন, মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী, নড়াইল-১ সাজ্জাদ হোসেন, বাগেরহাট-১ শেখ মাসুদ রানা, বাগেরহাট-২ এম এ সালাম, খুলনা-১ আমির এজাজ খান, খুলনা-২ নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আজিজুল বারী হেলাল ও সাতক্ষীরা-১ হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

রাজশাহী বিভাগ
বগুড়া-১ আসনে গাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৪ মোশাররফ হোসেন, বগুড়া-৫ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ হারুনুর রশীদ, নওগাঁ-১ মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ শামসুজ্জোহা খান, নওগাঁ-৩ পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী, নওগাঁ-৪ শামসুল আলম প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁ-৬ আলমগীর কবির, রাজশাহী- ব্যারিস্টার আমিনুল হক, রাজশাহী-২ মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৪ আবু হেনা, রাজশাহী-৫ নজরুল ইসলাম মন্ডল, রাজশাহী-৬ আবু সাঈদ চাঁদ, নাটোর-১ কামরুন্নাহার, নাটোর-২ সাবিনা ইয়াসিমন ছবি, নাটোর-৩ দাউদার মাহমুদ, নাটোর-৪ আবদুল আজিজ, সিরাজগঞ্জ-১ রম্নমানা মোরশেদ কনক চাঁপা, সিরাজগঞ্জ-৩ আবদুল মান্নান তালুকদার, সিরাজগঞ্জ-৫ আমিরুল ইসলাম খান আলীম, সিরাজগঞ্জ-৬ কামরুদ্দিন ইয়াহিয়া খান মজলিস, পাবনা-২ সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৩ আনোয়ারুল ইসলাম ও পাবনা-৪ হাবিবুর রহমান হাবিব।

বরিশাল বিভাগ
পটুয়াখালী-১ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-৩ গোলাম মাওলা রনি, পটুয়াখালী-৪ এবিএম মোশাররফ হোসেন, ভোলা-২ হাফিজ ইব্রাহিম, ভোলা-৩ মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভোলা-৪ নাজিম উদ্দিন আলম, বরিশাল-১ জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ সরফুদ্দিন সান্টু, বরিশাল-৩ জয়নুল আবেদীন, বরিশাল-৫ মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল-৬ আবুল হোসেন খান, ঝালকাঠি-১ ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ঝালকাঠি-২ জেবা আমিন খান, পিরোজপুর-৩ রুহুল আমিন দুলাল।

ময়মনসিংহ বিভাগ
জামালপুর-২ সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর-৩ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জামালপুর-৪ ফরিদুল করিব তালুকদার শামীম, জামালপুর-৫ শাহ ওয়ারেস আলী মামুন, শেরপুর-১ ডা. সানসিলা জেবরিন, শেরপুর-২ মোখলেসুর রহমান রিপন, শেরপুর-৩ মাহমুদুল হক রুবেল, ময়মনসিংহ-২ শাহ শহীদ সরোয়ার, ময়মনসিংহ -৩ ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন, ময়মনসিংহ-৫ জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ-৬ শামস উদ্দিন আহমেদ, ময়মনসিংহ-৭ জয়নাল আবেদীন, ময়মনসিংহ-৯ খুররম চৌধুরী, ময়মনসিহং-১১ ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, নেত্রকোনা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, নেত্রকোনা-২ ডা. আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হিলালি ও নেত্রকোনা-৪ আসনে তাহমিনা জামান।

সিলেট বিভাগ
সুনামগঞ্জ-১ আসনে নজির হোসেন, সুনামগঞ্জ-২ নাসির চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৪ ফজলুল হক আপসিয়া, সুনামগঞ্জ-৫ মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ শফি আহমেদ চৌধুরী, সিলেট-৪ দিলদার হোসেন সেলিম, মৌলভীবাজার-১ নাসির উদ্দিন আহমেদ, মৌলভীবাজার-৩ নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ মজিবুর রহমান চৌধুরী, হবিগঞ্জ-৩ আসনে জি কে গউস।

মোট ২৫ আসনে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন যারা
১. ঠাকুরগাঁও-২: মাওলানা আবদুল হাকিম, ২. দিনাজপুর-১: মাওলানা মোহাম্মদ হানিফ, ৩. দিনাজপুর-৬: মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম, ৪. নীলফামারী-২: মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু, ৫. নীলফামারী-৩: মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, ৬. রংপুর-৫: অধ্যাপক গোলাম রব্বানী (আইনি জটিলতা রয়েছে), ৭. গাইবান্ধা-১: মাজেদুর রহমান সরকার, ৮. সিরাজগঞ্জ-৪: মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ৯. পাবনা-৫: মাওলানা ইকবাল হুসাইন, ১০. ঝিনাইদহ-৩: অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, ১১. যশোর-২: আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন, ১২. বাগেরহাট-৩: অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ, ১৩. বাগেরহাট-৪: অধ্যাপক আবদুল আলীম, ১৪. খুলনা-৫: অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, ১৫. খুলনা-৬: মাওলানা আবুল কালাম আযাদ, ১৬. সাতক্ষীরা-২: মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, ১৭. সাতক্ষীরা-৩: মুফতি রবিউল বাশার, ১৮. সাতক্ষীরা-৪: গাজী নজরুল ইসলাম, ১৯. পিরোজপুর-১: আলহাজ্ব শামীম সাঈদী, ২০. ঢাকা-১৫: ডা. শফিকুর রহমান, ২১. সিলেট-৫: মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, ২২. সিলেট-৬: মাওলানা হাবিবুর রহমান, ২৩. কুমিল্লা-১১: ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, ২৪. চট্টগ্রাম ১৫: আ ন ম শামসুল ইসলাম ও ২৫. কক্সবাজার-২: হামিদুর রহমান আযাদ।

ঐক্যফ্রন্টের ১৯ প্রার্থী যারা
গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু ঢাকা-৭, নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী ঢাকা-৬, এএইচএম খালেকুজ্জামান ময়মনসিংহ-৮, রেজা কিবরিয়া হবিগঞ্জ-১, অধ্যাপক আবু সায়িদ পাবনা-১, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর মৌলভীবাজার-২ ও মেজর জেনারেল অব. আমসা আমিন কুড়িগ্রাম-২ ধানের মনোনয়ন পেয়েছেন।

নাগরিক ঐক্য পেয়েছে পাঁচটি আসন 
দলটির আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২, এসএম আকরাম নারায়ণগঞ্জ-৫, শাহ রহমাতুল্লাহ রংপুর-১, মোফাখারুল ইসলাম রংপুর-৬ ও জেএম নুরুল রহমান জাহাঙ্গীর বরিশাল-৪ থেকে ধানের শীষের মনোনয়ন পান।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) পেয়েছে পাঁচটি আসন 
দলের সভাপতি আসম আব্দুর রব লক্ষীপুর- ৪, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন কুমিল্লা-৪, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন ঢাকা-১৮, ড. সাইফুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ-৩ ও নুরুল ইসলাম মাল শরীয়তপুর-১ থেকে ধানের শীর্ষ প্রতীক পেয়েছেন।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ পেয়েছে দুইটি আসন 
বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় তার মেয়ে ব্যারিস্টার কুড়ি সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৮ আসন থেকে ধানের শীষের প্রার্থী হবেন। অপর আসনটি টাঙ্গাইল-৪। এ আসনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে দু’জন প্রার্থী আছেন। একজন কাদের সিদ্দিকীর ভাই আজাদ সিদ্দিকী অপরজন ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী। এদের মধ্যে যেকোনো একজন ধানের শীষ প্রতীক পাবেন। এটা রোববার (০৯ ডিসেম্বর) সিদ্ধান্ত হবে।

২০ দলীয় জোটের অপর শরীকদের আসন:

বিজেপি: ঢাকা-১৭ আসনে আন্দালিব রহমান পার্থ।

এনপিপি: নড়াইল-২ আসনে ফরিদুজ্জামান ফরহাদ।

পিপিবি: রংপুর-৩ আসনে রিটা রহমান।

কল্যাণ পার্টি: চট্টগ্রাম- ৫ আসনে কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম।

এলডিপি: চট্টগ্রাম- ১৪ আসনে এলডিপির অলি আহমেদ, চট্টগ্রাম-৭ আসনে মো. নুরুল আলম, কুমিল্লা-৭ আসনে রেদোয়ান আহমেদ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে সাহাদাত হোসেন সেলিম, ময়মনসিংহ-১০ আসনে সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ।

খেলাফত মজলিশ: হবিগঞ্জ-৪ আসনে আহমেদ আবদুল কাদের ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মুফতি মুনির হোসেন।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম: সুনামগঞ্জ-৩ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর শাহিনুর. পাশা, হবিগঞ্জ-২ আসনে আবদুল বাসিদ আজাদ, যশোর-৫ আসনে মুফতি মোহাম্মদ ওয়াক্কাস।

জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর):  গাইবান্ধা-৩ আসনে টিআই ফজলে রাব্বী, কুষ্টিয়া-২ আসনে আহসান হাবিব লিংকন।

শীর্ষনিউজ

Content Protection by DMCA.com

কথা শুনছে না সেনাবাহিনী, সরে যাচ্ছে পুলিশ, ভিত নড়ে গেছে সরকারের: ডা. জাফরুল্লাহ

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথা তাঁর সেনাবাহিনী এখন শুনছে না। পুলিশ এখন আমাদেরকে বলছে আন্দোলনের মাঠে অবস্থান করতে। বোঝাই যাচ্ছে, সরকারের ভিত নড়ে গেছে’ – বলেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘২ মাস আগে প্রেসক্লাবের সামনে আমি দেখেছি পুলিশ আমাদেরকে বলেছে, স্যার যায়েন না, এইখানে থাকেন। সেটা দু’মাস আগের কথা। এখনকার পরিস্থিতি তো আরও পরিবর্তন হয়েছে।’

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘যাদেরকে এত ভয় করেন পুলিশ ও র‌্যাবের ডিজি তারা এখন যোগাযোগ করছে বিভিন্ন জায়গায়। তাই আপনারও ভয় পাবেন না। তারা সর্বোচ্চ কি করতে পারে- ধরে নিয়ে যাবে, সর্বোচ্চ মেরে ফেলবে। ১৯৭১ সালে আমাদের মরে যাওয়ার কথা ছিল। গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করতেই আমরা এখনও বেঁচে আছি।’

শনিবার (২৪ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ’৭১’র মুক্তিযুদ্ধ ও আজকের বাংলাদেশ, আসন্ন নির্বাচনে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যাশা এবং করণীয় শীর্ষক এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘নির্বাচনের সময় আমি কোনও মুক্তিযোদ্ধার মুখে শুনতে চাই না যে মাঠে পুলিশ আছে বলে আমরা যেতে পারছি না। কত লাখ পুলিশ এখানে আছে? আমাদের পক্ষে জনগণ আছে ১৮ কোটি। আমরা যেসব সমাবেশ করেছি সব জায়গায় পুলিশ রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছিল। তবুও হেঁটে গিয়ে মানুষ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেছে। এ ধরনের ঘটনা দেখা গেছে সত্তরের দশকে মাওলানা ভাসানীর ডাকে মানুষ যখন আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল।’

তিনি বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আমার প্রত্যাশা- এবারের জাতীয় সংসদে কমপক্ষে ১৫ জন মুক্তিযোদ্ধা নেতা থাকবে। তবেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠা হবে। তারা ১৯৭১ সালে যেভাবে যুদ্ধ করেছিল দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় সংসদেও সেভাবেই অবস্থান নেবেন।’

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। যেন সাধারণ মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারে বা তার মত প্রকাশ করতে পারে। সরকার যখন স্বৈরাচারী হয়ে যায় তখন সে তার অতীত ভুলে যায়। আমরা চাই সেই অতীতকে মনে করিয়ে দিতে। একাত্তরে যুদ্ধ করে আমরা যেমন স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলাম এখনো সেভাবেই জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে আমরা দ্বিতীয় যে কথাটি দিয়েছিলাম সেটি হল ন্যায়বিচার। আমি কখনো বলিনি খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে হবে। আমি বলেছি তাঁর ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সুবিচার পেলেই তিনি আজ কারাগারের বাইরে থাকতেন। আমরা কি টানা দুবার ক্ষমতায় থাকলে শেখ হাসিনার নামে ১৯২টা মামলা দিয়ে দিতাম?’

সরকারের ভিত নড়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে সরকারের ভিত নড়ে গেছে। যখন বেনজির-আসাদুজ্জামানের মত লোকজন যোগাযোগ শুরু করে তখন বোঝা যায় ১ কোটি লোককে গ্রেফতার করা যায় না।’

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘আমরা বৈষম্য দূর করতে চাই। আজকে আমরা দেখছি কেউ কেউ কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যাচ্ছে। আর কেউ দরিদ্র থেকে যাচ্ছে। এ বৈষম্য আমরা দেখতে চাই না। বৈষম্যের কারণে মানুষের দুরবস্থা কি রকম হয় সেটা যদি দেখতে চান তাহলে ধানমন্ডিতে আমার হাসপাতালে আসতে পারেন। সেখানে মানুষ ডায়ালাইসিসের জন্য ৫০০ টাকা দিতে পারে না।’ ‌

/ব্রে‌কিং‌নিউজ

Content Protection by DMCA.com
1 2 3 6