ফেনীতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় ও তল্লাশি অভিযান

 

শীর্ষ নিউজ, ফেনী: ফেনী জেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারি, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নঈম উল্লাহ চৌধুরী বরাত ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এসএম কায়সার এলিনের বাসায় তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। শহরের বিএনপি অধ্যুষিত রামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশের অভিযানে সরকারদলীয় নেতাকর্মীরাও রয়েছে বলে বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ।
পৌর বিএনপির সভাপতি আলাল উদ্দিন আলাল জানান, মঙ্গলবার বিএনপি প্রার্থীর গণসংযোগে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়ায় সরকার দলীয়রা ভীতসন্ত্রস্ত্র হয়ে পড়ে। এরপর দুপুর থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতারে মহড়া দিচ্ছে পুলিশ।
দুপুরে শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার সড়কের এফ রহমান এসি মার্কেটের সামনে থেকে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিলন, নয়ন ও মিলনকে গ্রেফতার করা হয়। সন্ধ্যায় জেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারি, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নঈম উল্লাহ চৌধুরী বরাত ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এসএম কায়সার এলিনের বাসায় অভিযান চালানো হয়।
যুবদল সাংগঠনিক সম্পাদক নঈম উল্লাহ চৌধুরী বরাত জানান, তার বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের হুমকি-ধমকি দেয়া হয়েছে। এসময় পুলিশের সাথে সরকারি দলের নেতাকর্মীরাও ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ফেনী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ শহীদুল ইসলাম জানান, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিলনসহ গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
/শীর্ষ নিউজ

Content Protection by DMCA.com

বিএনপির কার্যালয়ে হামলা, যুবলীগের কথায় বিএনপির ১৫ কর্মীকে আটক করলো পুলিশ

 

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের বিএনপির প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাকির হোসেন। মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে কুষ্টিয়া শহরের কোর্টপাড়া এলাকার বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
তবে পাল্টা অভিযোগ এনেছেন যুবলীগের নেতাকর্মীরা। জেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম বলেন, তাদের মিছিলে ইট পাটকেল হামলা চালিয়ে ৬-৭ জন নেতাকর্মীকে আহত করেছে বিএনপি।
এদিকে রাতে পুলিশ বিএনপি প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারের নির্বাচনী কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করে।
জাকির হোসেন অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে কুষ্টিয়া শহরের কোর্টপাড়ায় কোর্টস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় তার নির্বাচনী কার্যালয়ে পৌর বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করছিলেন। এসময় হঠাৎ করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১৫-২০ জন নেতাকর্মী লাঠিশোটা নিয়ে হামলা চালায়। তারা কোনো কথা না বলে টেবিল চেয়ার ভাঙচুর করে। দশ মিনিট থাকার পর তারা চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে অভিযান চালায়।
ধানের শীষের প্রার্থী জাকির হোসেন আরও বলেন,‘আমাকে একটা কক্ষে আলাদা করে রেখে বাকি যারা ছিল তাদের সবাইকে নিয়ে গেছে পুলিশ। তাদের সংখ্যা অন্তত ৪০-৪৫ জন। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করা হবে। যুবলীগের মিছিলে হামলার কোন সত্যতা নেই। এটা মিথ্যা কথা।
এদিকে জেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে যুবলীগের কিছু নেতাকর্মী কোর্টপাড়া এলাকায় মিছিল বের করে। এসময় জাকিরের কার্যালয়ের সামনে তাদের ওপর ইটপাটকেল ছোড়া হয়। এতে ছয় সাত জন আহত হয়েছে। তাদের স্থানীয় এক ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
তবে জাকিরের কার্যালয়ের সামনে থাকা কয়েকটি দোকানে উপস্থিত লোকজনের সাথে কথা হলে তারা জানান, রাতে সড়কের ওপর কিছু লোকজনকে কাঠ ও লাঠি নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা যায়। কয়েক মিনিট পরেই তারা চলে যায়। এর কিছুক্ষণই পরেই পুলিশে আসে।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম বলেন, যুবলীগের নৌকার মিছিলে জাকির হোসেনের লোকজন ওপর থেকে ইটপাটকেল ছুড়েছে। এতে ৬-৭ জন আহত হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে থানায় নেয়া হয়েছে। যাচাই বাছাই করে ছেড়ে দেয়া হবে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির বিবৃতি
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে বলেন, কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের বিএনপির নির্বাচনী অফিসে দুষ্কৃতিকারীদের হামলা ও গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে এবং এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
/শীর্ষ নিউজ

Content Protection by DMCA.com
1 3 4 5