জনগণ ভোট দিতে পারলে ধানের শীষ ২২৭ টি এবং নৌকা ৬২ টি আসন পাবে!

শেখনিউজ রিপোর্টঃ
প্রায় একযুগ ধরে নিষ্পেষিত জাতি এই ভোটের সময়েও শেখ হাসিনার সরকারের গুম ও হত্যার ভয়ে চুপ মেরে আছে। তারপরেও যদি তারা ভোট কেন্দ্র পর্যন্ত পৌছাতে পারে, তবে অভাবনীয় ফলাফল হবে। ধানের শীষের প্রার্থীরা ২২৭ টি আসন লাভ করবে আর নৌকার প্রার্থীরা পাবেন মাত্র ৬২টি আসন; এর মধ্যে জাতীয় পার্টির ১৯টি ও জোটের অন্যদের ৪ টি রয়েছে।

এর বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী, কমিউনিস্ট পার্টি এবং অন্যরা মিলে ১১ টি আসন লাভ করবে। ৬২ টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ লাভ করবে মাত্র ৩৯টি । কিছু গোপন সংগঠনের যৌথ একটি গোপন জরিপের যৌথ ফলাফলের ভিত্তিতে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এই গোপন জরিপের আয়োজনকারীরা তাদের নাম গোপন রাখার শর্তে এ তথ্য সরবরাহ করেছে।

২২৭ টি আসনের মধ্যে বিএনপির সম্ভাবনা রয়েছে এককভাবে ১৯৬ টি আসন লাভের। ৩১ টি ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের নেতারা লাভ করবে। ১১ টি আসনের মধ্যে ইসলামী দলগুলো পাবে ৪ টি, কমিউনিস্ট পার্টি ৩ টি এবং অন্যান্যরা ৫ টি লাভ করবে। বলে জরিপে বলা হয়।

এদিকে ধানের শীষের প্রার্থী তালিকা আইএসআই বানিয়েছে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে আওয়ামী লীগের গবেষণা ও প্রচারণা কেন্দ্র থেকে উদ্দেশ্যমুলকভাবে। কারন এইবারেই প্রথম পাকিস্তানের বা সৌদি আরবের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের বিপক্ষের কোন শক্তিকে কোন প্রকার সহায়তা দেয়া হচ্ছে না। বরং ভারতের একটি লবি শেখ হাসিনার সরকারের গণবিচ্ছিন্ন অব্যাহত কার্যক্রমে ভারতের স্বার্থহানীর সম্ভাবনাকে উৎরে যেতেই শেখ হাসিনার বিপক্ষে ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ তৈরি করেছে। বিএনপিও নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় এই গেম এ অংশ নিয়ে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে চেষ্টা করছে।

জেনারেল জিয়াউর রহমান ও তার দলীয় প্রতীক ‘ধানের শীষ’ এর জনপ্রিয়তাই বর্তমান বিএনপির একমাত্র পুঁজি যা তাদের এখনো টিকিয়ে রাখছে; শুধু তাই নয়, যে কোন সুযোগ পেলে ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে সক্ষম হলে বিএনপি আবারো রাষ্ট্র ক্ষমতায় ফিরতেও সক্ষম সেই জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে। এটা মাথায় রেখেই ভারত তার মাঠ সাজিয়েছে।

শেখ হাসিনা যে লম্বা সময় রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছিলেন, সেই সময়ে তিনি সঠিক কাজগুলো করে জাতির বিরুদ্ধে তার প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার খায়েশ বাদ দিতে পারলে ইতিহাসে তিনি বিশাল এক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকায় অবতীর্ণ হতে পারতেন। এমনকি বর্তমান নির্বাচনে তার সামনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মত কোন শক্তিই থাকতো না। কিন্তু ব্যাংক লুট, মাদকের বিস্তার, ভিন্ন মতাবলম্বীদের গুম, বিরোধীদের হত্যা, জুডিশিয়াল কিলিং, নারী ধর্ষণের বিচার না হওয়া; বাক স্বাধীনতা হরন করা, ইচ্ছে মত গ্রেপ্তার, নির্যাতন, মামলা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরনের মত ঘটনা শেখ হাসিনাকে পুরো জাতির কাছে মূর্তিমান এক খুনি ভিলেন নারীতে পরিনত করেছে। অথচ এগুলো তার করার কোন প্রয়োজনই ছিল না।

এখন শেখ হাসিনা তার ও তার লোকজনের ভাগ্য নির্ধারণ করেই রেখেছেন; যে কোন সময় যে কোন ভাবে তার পতন অনিবার্য আর সেই পতনে যে বিশাল ধ্বংসযজ্ঞ হবে সেটিও এক ইতিহাস হয়ে থাকবে সামনের প্রজন্মগুলোর জন্য। তারপরেও তিনি ক্ষমতা যে কোন উপায়ে ধরে রাখতে অপচেষ্টা চালাচ্ছেন নির্লজ্জভাবে; যদিও এ ছাড়া তার উপায় নেই।

Facebook Comments
Content Protection by DMCA.com

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.