আমেরিকায় নির্বাসনে যেতে পারেন শেখ হাসিনা!

নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার ভেতরেই বাংলাদেশের ক্ষমতার পালাবদল ঘটতে যাচ্ছে সহসাই। প্রভাবশালী একটি দেশের মধ্যস্থতায় সেনাবাহিনী এই পরিবর্তন ঘটাতে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহ ধরে সংলাপ নাটকের ব্যর্থতার পরে এটা নিশ্চিত যে, হয় একতরফা নির্বাচন হতে যাচ্ছে, অথবা রক্তক্ষয়ী লড়াই। কিন্তু দুটোর একটাও হতে দেয়া হবে না। ২০১৪ সালের বিনা ভোটের এক তরফা নির্বাচনের পরে বিশ্বের কাছে শেখ হাসিনা প্রতিশ্রুতি ছিল, আগামি নির্বাচন হবে সকল দলের অংশগ্রহনে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য। কিন্তু এবারে যখন ইনক্লসিভ ইলেকশন হচ্ছে না,  তাই আসছে সেনাসমর্থিত সরকার।

সুত্র জানায়, ১/১১ মার্কা সরকারের প্রস্ততির খবরে পেয়ে সরকার এবং বিরোধী পক্ষের অস্থিরতা বেড়ে যায়। যার যার হিসাব কষছে। সেনাবাহিনীও পুলিশ সহ অন্যান্যদের সাথে প্রথমিক আলোচনা শেষ করেছে। সারা দেশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি অস্বাভাবিক রকমের উপস্থিতি লক্ষ করা যাচ্ছে। সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ বিভিন্ন সেনানিবাস ঘুরে সেনাদের সমর্থন জোরদার করছেন। আজ যাচ্ছেন চট্টগ্রাম।

সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপ সমাপ্তির ঘোষণা দেয়ার কথা ছিল আজকে প্রেস কনফারেন্সে। কিন্তু হঠাৎই থেমে যায় গণভবনের সাংবাদিক সম্মেলন। অন্যদিকে, ঐক্যফ্রন্টের পূর্বঘোষিত রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রোড মার্চও বাতিল করা হয়। বাকী থাকলো নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা। আজ এটি ঘোষণা করা হলে বিরোধী দল  রাজপথের কর্মসূচিতে যাবে, এরপরেই ঘটবে সেই অপ্রত্যাশিত ঘটনাটি।

জানা গেছে, শেখ হাসিনা ১/১১ পরবর্তী সময়ে যেরূপ নাজেহাল হয়েছিলেন, তারও চেয়ে বেশি বিপদের আশংকা করছেন। তাই তিনি সেইফ প্যাসেজ চান। দ্রুত পার হতে চান আমেরিকাতে ছেলের বাড়িতে। তবে তিনি তাকে নিরাপদ প্রস্থান দেয়া হবে কিনা তা নিশ্চিত নয়। এ অবস্থার মধ্যেই যুক্তরোষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গ রাজ্যস্থিত পুত্রের বাসাটি প্রস্তুত করা হচ্ছে মায়ের জন্য।

খবর সেনা সূত্রের।

Facebook Comments
Content Protection by DMCA.com

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.