বাংলাদেশের প্রথম মি-টু (#MeToo) এবং বেশ্যা মিডিয়ার গল্প !

মাসুদা ভাট্টি ইস্যুটি নিয়ে পরিকল্পিতভাবে মিডিয়া হাইপ তৈরী করে ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেনকে জেলে ঢুকানোর ষড়যন্ত্রকারীদের অন্যতম ডিবিসি নিউজের হেড অফ নিউজ প্রনব সাহা । তার ফেসবুক স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশট দেখুন ।

বিবিসি বাংলার সাবেক সাংবাদিক সুপ্রীতি ধর এখন সুইডেন থাকেন । দুই সন্তানের মা সুপ্রীতির সঙ্গে তার স্বামীর ডিভোর্স হয়ে গেছে বহু আগে । গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক তিনি ।

বছর দশেক আগে প্রণব এবং সুপ্রীতি দুজনেই কাজ করতো প্রথম আলোয় ( #ProthomAlo ) । চিরকুমার প্রণব হঠাত্ প্রেমে পড়েন সুপ্রীতির । দুই সন্তানসহ সুপ্রীতি তখন থাকেন তেজতুরি বাজারের ভাড়া বাসায় । এক পর্যায়ে প্রণবও উঠেন সেই বাসায় । চলে লিভটুগেদার । একসময় সুপ্রীতির পেটে বাচ্চা এলে প্রণব ও তার বন্ধু আশীস সৈকত (ইনডিপেনডেন্ট টিভির বর্তমান চিফ নিউজ এডিটর) দুজনে মিলে তাকে একটা ক্লিনিকে নিয়ে অ্যাবরশন করিয়ে আনে । এই ঘটনার পর বিয়ের জন্য চাপ দিলে হঠাত্ একদিন প্রণব সুপ্রীতির বাসা ছেড়ে বাংলামটরে বোনের বাসায় উঠেন । শুরু হয় ঝগড়াঝাটি । এসব ঘটনায় কোনো গোপনীয়তা ছিল না । পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে উঠলে এক সময় দুজনকেই চাকরিচ্যুত করে প্রথম আলো ।

এতদিন পর এখন সুপ্রীতির মেয়ে সিমন্তী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জানাচ্ছে যে, তার মায়ের সাথে যখন প্রণব সাহার সম্পর্ক ছিল তখন মায়ের সেই বয়ফ্রেন্ড দ্বারাই যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল সে। তার সেই বিষ্ফোরক স্ট্যাটাস দেওয়ার পর আজ চার দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও বাংলাদেশের মিডিয়া পুরোপুরি চুপ। তবে সুপ্রীতি ধর মেয়ের স্টেটাস শেয়ার করে সমর্থন করেছেন- আর যাই হোক, মায়ের সাথে লিভ টুগেদার করে মেয়ে ভোগ করা যায় না!

Facebook Comments
Content Protection by DMCA.com

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.