খুন গুমের শিরোমনি বেনজির শেষ সময়ে আতংকে: বিএনপিকে সাহায্যের বিনিময়ে বাঁচতে চাইছেন!

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন

বিএনপির এক শীর্ষ নেতার লন্ডনে ব্যবসায়িক পার্টনার তিনি। জ্বি হ্যা, তার নাম বেনজির আহমেদ, র্যা বের মহাপরিচালক। অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার এই ৮৫ ব্যাচের পুলিশ কর্মকর্তাটি পুলিশ বাহিনীর ইতিহাসে সম্ভবত সবচেয়ে ক্রিমিনাল এবং ক্রুয়েলিটির জন্য কুখ্যাত হয়ে থাকবেন। সম্প্রতি তাকে পেয়ে বসেছে গণধোলাইয়ের আতঙ্কে! গতমাসে তিনি অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে ঘুরেছেন মাসখানেক- বিনিয়োগকারী কোটায় ইমিগ্রান্ট হওয়ার আয়োজন করে এসেছেন। তার ক্যাশ ডলারের স্যুটকেস নিয়ে সঙ্গীরা তার পিছে পিছে ঘুরছে- কোথায় ইনভেস্ট করা যায়। অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের বাঙালি কমিউনিটিতে বিষয়টি এখন চাউড়।

কিন্তু এত শক্তিমান পুলিশ অফিসার বেনজিরের কেন এই মৃত্যুভীতি? এটা কে না জানে যে, বেনজির আহমেদ ডিএমপি কমিশনার ও ডিজি র্যা ব থাকাকালে হাজার হাজার মানুষ, বিশেষত বিরোধী দলের রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীরা গুম খুনের শিকার হয়েছে, তারই নির্দেশে। আগামী ডিসেম্বরের পরে শেখ হাসিনার স্বৈরাচারি সরকারের অবসান হলে বেনজিরদের উপর যে প্রতিশোধ নেয়া হবে, তা নিয়ে চিন্তা বাড়ছেই। তখন যে কারও জান টিকবে না, তা সকলেই অবহিত। তাই বিদেশে সেকেন্ড হোম, থার্ড হোম করে রেখেছেন সর্বকালের ধনী এইসব পুলিশ অফিসারা। লুটপাটের হাজার হাজার কোটি টাকার সিংহভাগ আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়ার মত দেশে সরিয়ে ফেলেছেন। বেনজিরের সহকর্মীরা জানান, তার সম্পদের পরিমান অন্তত দশ হাজার কোটি টাকা হতে পারে বলে। নিকটস্থদের কাছে বলেছেন, জীবনই যদি না টিকে, তবে এইসব টাকার পাহাড় দিয়ে কি হবে? টাকাপয়সা সরানো হয়েছে, গন্ডগোল লাগলে নিজের জানটাকে নিয়ে সরে পড়বেন, এটা সহকর্মীদের বয়ান!

২০১০ সালের অক্টোবের বেনজির নিয়োগ পান ঢাকার পুলিশ কমিশনার পদে, পরে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে র্যা বের ডিজি পদে। এই আট বছরে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে সর্বোচ্চ সংখ্যক লাশ উপহার দিয়েছেন তিনি। বলা হয় ঢাকার কোতায়াল বেনজির। গোপালগঞ্জের অধিবাসী হওয়াতে তার একটু বেশি বেশি বাড়াবাড়ি- শেখ হাসিনাকে ‘আপা’ বলে ডাকেন তিনি। আপার নির্দেশ ছাড়া তিনি কাউকেই শুনতে চাননা। কিসের আইজি, আর কিসের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী? সম্ভবত পুলিশ অফিসারদের মধ্যে সবচেয়ে পাওয়ার খাটানো অফিসার হলেন বেনজির। এরিয়ার বাইরে গিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করায় শিরোমনি তিনি!

ছাত্র জীবনে ইসলামী সংগঠনের সাথে ওঠা বসার কথাও শোনা গেলেও বিরোধী মতকে ডাণ্ডা ও গুলিবন্দুক দিয়ে নিমর্মভাবে দমন, গুম, খুন, অপহরণের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ববান বেনজির সবকিছু ছপিয়ে ফেলেছেন, এমনকি বিএনপির আমলে এসএসএফে কাজ করার রেকর্ডও। এসএসএফ বাহিনীতে নিয়োগদানের অন্যতম শর্ত হলো বিশ্বস্ততা এবং রাজনৈতিক মতাদর্শ। অন্তত বিএনপি তো তা নিশ্চিত হয়েই তাকে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সিকিউরিটি অফিসার বানয়েছিল!

ডিএমপি কমিশনার থাকাকালে ২০১৩ সালে শাপলা চত্তরে রাতের আঁধারে হেফাজতের আলেম হাফেজ গণহত্যার মূল কমান্ডার ছিলেন বেনজির। তার অধীনেই সবগুলি বাহিনী ঐ হত্যাকান্ড চালায়। তারই নির্দেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় অফিসে চেয়ারপারসনের রুমের দরজা কুড়াল দিয়ে ভেঙ্গে শতাধিক নেতাকে আটক করে নিয়ে যায় এডিসি মেহেদী! সরাসরি গুলি করে রাজনৈতিক সমাবেশ পন্ড করার হুকুমদাতা ছিলেন ডিএমপি কমিশনার বেনজির। ‘শিবির দেখামাত্রই গুলি’- বক্তব্য দিয়ে ডিএমপি কমিশনার বেনজির শেখ হাসিনার নজর কাড়েন। ২০১৪ সালে বিশেষ এসাইনমেন্ট নিয়ে র্যা বের ডিজি হয়ে বেনজির তা প্রকাশ করেছিলেন রংপুরে। সুধী সমাবেশে তিনি হুংকার দিয়েছিলেন, “২০১৩ সালের মতো একটি গোষ্ঠী তাদের ব্যক্তি ও গোষ্ঠিস্বার্থ উদ্ধারে দেশ, সমাজ, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। তারা দেশের গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করেছে। তারা উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। দেয়ার আর অল টেরোরিস্ট।’ বেনজির তার ভাষায় ঐ ‘টেরটিস্টদের’ পরপারে পাঠিয়ে হাসিনার গদি নিরাপদ করেছেন!

র্যা বের দায়িত্বে থেকে বেনজির ঢাকা শহর সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় শতাধিক জঙ্গি অভিযান চালিয়েছেন, যার বেশীরভাগই ছিল সাজানো। এক্ষেত্রে তার অন্যতম হাতিয়ার হিসাবে কাজ করেছে ৮ ব্যাচ জুনিয়র তারই এলাকার অধিবাসী ডিআইজি মনিরুল। কাউন্টার টেররিজম সেলের মনিরুলের টিম এবং র্যা বের বিভিন্ন ইউনিট রাজধানী ও বিভিন্ন স্থান থেকে যুবকদের ধরপাকড় করে কিছু কোর্টের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। বাকীদের গতি হয় জঙ্গি উৎপাদন কেন্দ্রে। এদেরকে অস্ত্র সম্পর্কে কিছু বেসিক জ্ঞান দিয়ে, চুল দাড়ি না কেটে ‘ইসলামী জঙ্গি’ লেবাস বানিয়ে তাদের দ্বারা অডিও ভিডিও করে ফেইক জঙ্গি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এক্ষেত্রে স্টক শতাধিক হয়ে গেলেই একটি অভিযান করার রেওয়াজ হয়ে যায় ২০৫-১৬ সালে। এরূপ অভিযানই হয় গুলশানে, উত্তরা, আজিমপুর, কল্যাণপুর, ফতুল্লা, এমনকি কিশোরগঞ্জ, চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন স্থানে। বেনজিরের পরিচালিত র্যা ব কতৃক অপহরণ, খুন খারাবি, ক্রস ফায়ার নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অনেক সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ পেয়েছে। সুইডিস রেডিও র্যা বের ক্রসফায়ারের নাড়ি নক্ষত্র ফাঁস করে দেয়ার পরে ঐ প্রতিবেদনে তথ্য প্রদানের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে র্যা বের নিজেদের গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক লে. কর্নেল একে আজাদকে সিলেটের আতিয়া মহলে খুব কৌশলে খরচ করে দেয়া হয় বেনজিরের সিদ্ধান্তে! এনিয়ে সেনাবাহিনীর সাথে তার গোলমাল আছে। ক্ষমতা পরিবর্তনের পরে বেনজির সেনাবাহিনীর টার্গেট হতে পারেন।

প্লেবয় চেহারার বেনজির আহমেদ নারী কেলেঙ্কারীতে বেশ নাম কামিয়েছেন বাহিনীতে। ক্ষমতা ব্যবহার করে বিভিন্ন টিভিতে শো-তে উপস্থিত হয়েছেন বহুবার। ঘরে সুন্দরী স্ত্রী ও তিন সাবালক কন্যা থাকলেও নাটক-সিনেমা জগতের সুন্দরী শিল্পী থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী, প্রতিকারপ্রার্থী, এমনকি একাধিক ছাত্রদল নেত্রীকেও শয্যসঙ্গী করেছেন বেনজির। এর আগে ইডেন কলেজের শারমিন নামের এক মেয়েকে অন্তসত্তা করে নিজের ড্রাইভার দিয়ে রাজধানীর একটি ক্লিনিকে এবরশন করায় বেনজির। শারমিনের ভাই দুলালকে চাকরী দেবে এমন শর্তে দিনের পর দিন শারমিনকে ব্যবহার করে বেনজির। কিন্তু পরে চাকরী আর দেয়া হয় না দুলালকে। পুলিশের সুত্র জানায়, বেনজির আহমেদ প্রতিদিনই নতুন মেয়ের অপেক্ষায় থাকে। তাকে যে যতো মেয়ে সাপ্লাই করবে সে স্যারের কাছে ততবেশি প্রিয়। অশ্লিল সিনেমার নাম্বার ওয়ান পরিচালক রাজু চৌধুরীর হাত ধরে বেনজিরের সাথে পরিচয় হয় চিত্রনায়িকা কেয়ার। এরপর নিয়মিত কেয়ার সাথে বিশেষ একটি ফ্লাটে মিলিত হতেন বেনজির। কেয়াকে দীর্ঘকাল রক্ষিতা বানিয়ে রাখে বেনজির। কিন্তু পরিবারে অভাবের কারনে কেয়া যখন এই শৃংখল থেকে বেরুতে চায়, তখন বেনজির কেয়াকে হুমকি দেয়। পরে কেয়া লুকিয়ে লুকিয়ে মিডিয়ার ব্যক্তিদের সাথে নতুন করে অভিনয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করে। এই খবর বেনজিরের কানে এলে বেনজির কেয়াকে মারধর করে। পরে কেয়াকে গুলশানের একটি বাসায় কলগার্ল সাজিয়ে আটক করে পুলিশ। কেয়ার এই খবরটি পরে পুলিশ সদর দফতর মিডিয়ার মাধ্যমে বেশ চাউর করে। ঘটনার সত্যতা জানতে কেয়ার ফ্লাটে গেলে কেয়ার মা প্রথমে ভয়ে মুখ খুলতে রাজি হয়নি। পরে তাকে অভয় দিলে তিনি নাম পরিচয় না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, আমার মেয়েকে অভিনয় থেকে সম্পূর্ণ সরিয়ে এনে দিনের পর দিন নষ্ট করেছে এই ভদ্রবেশি পুলিশ কর্মকর্তা। তার কথা না শোনার অপরাধে কেয়াকে অনেক মারধর করেছে। পরে পুলিশ দিয়ে পতিতা বানিয়ে অ্যারেস্ট করে ওর জীবনটা নষ্ট করে দিয়েছে। আমি আল্লাহর কাছে এই বিচার ছেড়ে দিয়েছি। আল্লাহই বেনজির পাষন্ডের বিচার করবেন।

পরে বেনজির মত্ত হন ছোট পর্দা ও রূপালী পর্দার আরেক সেনসেশন বিদ্যা সিনহা মীমের সাথে। মীমের গুলশানের বাসায় প্রায় প্রতিদিনই একবার আসা যাওয়া আছে বেনজিরের। বিনিময়ে মিমের অনেক কাজ করে দেন বেনজির। মীম ও বেনজিরের এই ঘটনা জেনে ফেলায় তোফায়েলের আপন ভাগ্নে ভোলার নতুন পৌর মেয়র মনিরুজ্জামানের সাথে হাতাহাতি হয় বেনজিরের। ভোলায় জন্ম নেয়া মীম লাক্স সুপার স্টার হয়ে পাড়ি জমান রাজধানীর কল্যাণপুরে মামার বাড়িতে। পরে মীমকে গুলশানে একটি বিলাসবহুল ফ্লাট গিফ্ট করেন ভোলার মেয়র মনিরুজ্জামান। এর বিনিময়ে মনির প্রতিসপ্তাহে মীমের বাসায় সময় কাটাতেন। কিন্তু বেনজির যখন মীমের কাছে আসা যাওয়া শুরু করে তখন মনির বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। মনির এক রাতে মীমের বাসায় অবস্থানকালে সেই রাতে হুট করে বেনজির চলে আসে মীমের বাসায়। এনিয়ে বেনজির ও মীমের মাঝে প্রচন্ড ঝগড়া বাধে। এক পর্যায়ে ঝগড়া গড়ায় মনির ও বেনজিরের মধ্যে। বেনজিরের গালে ঠাস করে চড় বসিয়ে দেয় মনির। বেনজির মনিরকে গেপ্তার করতে পুলিশ ডাকলে মনির বিষয়টি তার মামা বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদকে জানায়। বেনজিরকে ফোন করে তোফায়েল আহমদ। বেনজিরকে শাসিয়ে কথা বললে বেনজির ক্ষিপ্ত হয়ে তোফায়েলকে বলেন, আমি হাসিনা ছাড়া কাউকে চিনি না। পরে পুলিশের তৎকালীন অতিরিক্ত আইজি শহিদুল হকের সমঝোতায় ঐ দিনের জন্য বিষয়টি মিমাংসায় গড়ায়। এরপর তানিয়া আহমেদের ছবির শ্যুটিয়ের জন্য মীম লন্ডন চলে যায়, আর মনের কষ্টে মনিরও সস্ত্রীক ব্যাংকক চলে যায়।
পুলিশের কয়েকটি সুত্র জানায়, বেনজির আহমেদের রক্ষিতা আছে বেশ ক`জন। তাদের তালিকায় কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়ে, ছোট পর্দা ও বড় পর্দার নায়িকা, র্যা ম্প মডেল এমনকি সুন্দরী ভাবীরাও আছে। বেনজিরের নারী ঘটিত বিষয়টি জানেন তার স্ত্রীও। একারনে তার স্ত্রী ঝগড়া করে একাধিকবার বাবার বাড়িতে চলেও গিয়েছিলেন। পরে সন্তানদের কথা চিন্তা করে আবার ফিরেও আসেন। বেনজির পুরো পরিবার নিয়ে পুর্তগাল সফরে গেলে সেখানে তার স্ত্রীর সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তার স্ত্রীর একটি সুত্র জানায়, একটি বীচে বেনজিরকে অচেনা একটি মেয়ের সাথে চুম্বন অবস্থায় দেখে ফেলে তার স্ত্রী। পরে বেনজিরকে তার স্ত্রী থাপ্পর পর্যন্ত মারে। বেনজিরের বড় মেয়েকে নিয়ে হোটেল রুম থেকে বেরিয়ে আসে তার স্ত্রী। বিষয়টি বাঙ্গালি কম্যুনিটিতে গড়ায়।

বর্তমান রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে শেখ হাসিনাকে ব্লাকমেইল করে বেনজির চেষ্টা করেন আইজিপির পদ দখল করতে। জাতিসংঘে যাওয়ার আগে শেখ হাসিনার সাথে দেখা করে বেনজির প্রস্তাব দেন- পাটোয়ারীকে সরিয়ে তিনি আইজিপি করতে, আসাদুজ্জামানকে এডিশনাল আইজিপি প্রশাসন, মনিরুলকে ডিএমপি কমিশনার বা র্যা বের ডিজি করতে। সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করে নির্বাচনে উঠিয়ে দেয়ার রিস্ক নিতে চাইছিলেন বেনজির। কিন্তু গোপালী টিমের এই উচ্চাভিলাশী পরিকল্পনা আস্থায় নিতে পারেননি শেখ হাসিনা। তার জানা আছে, পুলিশের ভেতরে প্রচন্ড বিক্ষুব্ধ অবস্থার কথা, আগামীতে ম্যাসাকার হওয়ার আশংকার ভেতরে আর বিপদ বাড়াতে চান না। হতাশ হয়ে ফিরে আসেন বেনজির। এরপরেই ক্ষমতা বদলের পরে নিরাপদ উদ্দেশ্য নিয়ে বিএনপি লাইন ধরে হাটা শুরু করেন। তার ব্যবসায়িক পার্টনারের মাধ্যমে এগিয়ে যান বিএনপির আস্থায় আসতে। বিদেশী নম্বরের আলাদা সিমকার্ড ও অ্যাপস ব্যবহার করে বিএনপির হাইকমান্ড ও পুলিশ সমন্বয়কদের যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। আন্দোলন সংগ্রাম শুরু হলে সময়মত বিএনপিকে সহযোগিতা করার বিনিময়ে নিজের অপকর্মের দায়মুক্তি চান অসীম ক্ষমতাসম্পন্ন বেনজির আহমেদ।

DISCLAIMER: This is an investigative report by BD Politico Team. We reserve the right to protect our sources by law.

Facebook Comments
Content Protection by DMCA.com

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.