হাসিনাকে খালেদা- “দেখতে এসেছেন খুশি হয়েছি, চলে গেলে আরও খুশি হই”……সংলাপ শেষ!

৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, দিবাগত মধ্য রাত! অবশ্য ক্যলেন্ডারে তখন ৮ তারিখ। রাজধানী ঢাকার লোকেরা যখন ঘুমাতে যাবার আয়োজন করছিল, হঠাৎ ত্রস্ত ব্যস্ত হয়ে ওঠে একটি নির্দিষ্ট রুটের সড়ক। গণভবন থেকে নাজিমুদ্দিন রোড। ঠিক যেনো কত কালের চেনা। তিন স্তরের নিরাপত্তায় ঢেকে ফেলা হলো পুরো সড়ক। নাজিমউদ্দিন রোডের আশেপাশের সিকিউরিটি বাড়ানো হলো। গাড়ি ঘোড়া মানুষ জন সব সরিয়ে দেয়া হয় রাস্তা থেকে। রাতভর অনলাইনে গুজব ছড়িয়ে পড়ে- নাজিমুদ্দিন রোডে বন্দী খালেদা জিয়া ভীষন অসুস্থ, তাকে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে! এ নিয়ে বিএনপির নেতা কর্মী শুভাকাঙ্খিরা ব্যস্ত শঙ্কিত হয়ে খোঁজ খবর নিতে থাকে। এক পর্যায়ে কেন্দ্রিয় অফিসে অবস্থানরত সিনিয়র যুগ্মমহাসচিবের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া যায়- খালেদা জিয়া সুস্থই আছেন। পরে অবশ্য রাত তিন টার দিকে নাজিমউদ্দিন রোডের বাড়তি নিরাপত্তা শিথিল হয়ে যায়। তখনই একটি সূত্র জানিয়েছিল, ওটা ছিল ভিভিআইপি মানের নিরাপত্তা। ঐ রাতে কারাগারে ঢুকেছিলেন (বিনাভোটের) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দু’সপ্তাহের খোঁজ খবরের পরে নিশ্চিতভাবে জানা গেলো- ঘটনা সত্য। ঐ ৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত গভীর রাতে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে নাজিমুদ্দিন রোডের কারাগারে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

সুত্র জানায় শেখ, হাসিনা দেখা করে বেগম খালেদা জিয়াকে প্রস্তাব ‍দিয়েছিলেন- ‘আসেন, একসাথে সিস্টেম করে ইলেকশন করি। আপনারে ১২০ সিট দিব। নইলে তো ওরা নিয়া যাবে, তাতে আপনার আমার দুজনেরই লস। তারেককে ২১ আগস্ট মামলায় খালাস দিব। আপনি মুক্তি পাবেন। সম্মানের সাথে থাকবেন!’

বেগম জিয়া  বলেন, “আপনাকে ধন্যবাদ। দেখতে এসেছেন তাতে খুশি হয়েছি, চলে গেলে আরও খুশি হই!”

Facebook Comments
Content Protection by DMCA.com

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.