ডিজি ডিজিএফআই- দ্বিতীয় কিস্তিঃ সিনহা এপিসোডের খলনায়ক কে? আবেদীন নাকি আকবর?

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে বলপূর্বক অপসারণ করার ঘটনায় ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল সাইফুলের নাম (পরে মে.জে. আবেদীন হিসাবে উল্লেখ করা হবে) বেশ করে উঠে এসেছে। বলা হচ্ছে, ডিজি ডিজিএফআই প্রধান বিচারপতিকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে দেশান্তরী করা হয়ে, পরে চাপ দিয়ে পদত্যাগ করানো হয়। ঘটনাপ্রবাহে বলে দিচ্ছে ঐসব বলপ্রয়োগের ঘটনার সাথে সবচেয়ে বেশি জড়িত ছিলেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আকবর হোসাইন।গত বছর আগস্ট মাসে বিচারপতি সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগ সংবিধানের ১৬তম সংশোধনী বাতিল করা সংক্রান্ত লিখিত রায় প্রকাশ করার পরে শেখ হাসিনার সরকারে অসন্তোষ ও অস্থিরতা শুরু হয়। ধীরে ধীরে তা বাড়তে থাকে, এবং নানাভাবে তা প্রকাশ পায়। ঐ রায়ে শেখ মুজিবকে খাটাে করা হয়েছে এবং শেখ হাসিনার সরকার ও সংসদকে অবৈধ বলা হয়েছে এমন বিষয় কেন্দ্র করে সরকারের সাথে প্রধান বিচারপতির দ্বন্দ্ব, মনোমালিন্য থেকে শুরু করে মারাত্মক বিরোধ ও বিরোধিতায় গড়ায়। যদিও এই রায়টি নিজেদের পক্ষে নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বতোপ্রকারের চেষ্টা চালান। ২ জুলাই ’১৮ রাতে বিচারপতি সিনহাকে রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে বঙ্গভবনে ডেকে নিয়ে রায়টি সরকারের পক্ষে দেয়ার জন্য শেখ হাসিনা চাপ প্রয়োগ করেন। সেচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় শেখ হাসিনা ভীষন রেগে যান, এবং রাষ্ট্রপতির সামনেই বিচারপতি সিনহাকে ‘মালাউনের বাচ্চা’ বলে গালিও দেন!

বঙ্গভবনের ব্যর্থ মিশনের পরে শেখ হাসিনা বিচারপতি সিনহাকে সাইজ করার দায়িত্ব দেন ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল সাইফুলকে। অন্যদিকে সরকারের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের মন্ত্রী ও নেতারা ঐ রায়ের জন্য প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাকে দায়ী করে বক্তৃতা বিবৃতি, অপমানজনক উক্তি, চরিত্রহনন, হুমকি ধামকি সবই দিতে থাকেন। আগস্ট মাসের মাঝামাঝি ডিজিএফআই ডিজি মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীন বেশ কয়েকবার দেখা করেন প্রধান বিচারপতি সিনহার সাথে। তিনি ষোড়শ সংশোধনীর রায় বদল করার জন্য প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করেন। তাতে কাজ না হওয়াতে বিচারপতি সিনহাকে পদত্যাগ, বা দেশত্যাগ, বা অসুস্থ হয়ে অসৌজন্যমূলকভাবে চাপ সৃষ্টি করেন জিডি ডিজিএফআই সাইফুল। কিন্তু বিচারপতি সিনহা কোনোটাই মানতে রাজী হননি।

জেনারেল আবেদীন চরিত্রহীন ও ভীতু টাইপের হওয়াতে শক্তভাবে কোনো কাজ ঠিকমত করতে পারেন না, তাই সিনহার মত ঘাড়ত্যাড়া পাহাড়িকে সাইজ করার দায়িত্ব দেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আকবর হুসাইনকে। এর আগে আকবর ছিলেন ডিজিএফআইর প্রধান, এসব বিষয়ে তা অভিজ্ঞতাও আছে বেশ। দায়িত্ব পেয়েই জেনারেল আকবর তার পুরোনো সেট-আপের অফিসার দিয়ে কাজে নেমে পড়েন, এবং সাথে নেন ঢাকার বাইরে থেকে আনা কিছু সেনা অফিসারকে। শেখ হাসিনার নিরাপত্তা উপদেষ্টা (অবঃ) জেনারেল তারিক সিদ্দিকের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে জেনারেল আকবর সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করে তাদেরকে প্রধান বিচারপতি সিনহার বিরুদ্ধে উস্কাতে থাকেন। ১৮ আগস্ট জেনারেল আকবরের নেতৃত্বে ডিজিএফআই প্রধান জেনারেল সাইফুল আবেদীন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বাড়িতে ঢুকে তাকে অস্ত্র বের করে ভয় দেখান, কিন্তু কোনোভাবেই রায় বদলাতে সিনহাকে রাজী করানো যায়নি। বিষয়টি সামজিক মাধ্যমে জানাজানি হয়ে গেলে কিছুটা পিছু হটে গোপনে তৎপরতরা চালাতে থাকে আকবর বাহিনী।

এরি মাঝে সুপ্রিমকোর্ট শীতকালীন ‍ছুটিতে গেলে বিচারপতি সিনহা কানাডায় তার মেয়েকে দেখতে এবং জাপানে একটি বিচার বিভাগীয় সম্মেলনে যোগ দিতে বাংলাদেশ ছাড়েন সেপ্টেম্বরের ৯ তারিখে। ডিজি ডিজিএফআই জেনারেল আবেদীন প্রধান বিচারপতির ওপরে গোয়েন্দা তৎপরতা চালাতে তার এক গোয়েন্দা অফিসার লেফটেনেন্ট কর্নেল নাজিমউদ্দৌলাকে জাপানে পাঠান। এর আগে জাপানে এবং ২৩ সেপ্টেম্বর লে. কর্নেল নাজিম সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি এয়ারপোর্ট থেকে বিচারপতি সিনহার সাথে দেখা করে অসৌজন্যমূলক ব্যবহার করেন। লে. কর্নেল নাজিম প্রধান বিচারপতির সাথে একই বিমানে ঢাকায় আসেন। বিচারপতি সিনহা ঢাকা এয়ারেপোর্টে নামার সাথে সাথেই ডিজিএফআইয়ের অফিসাররা তাকে ঘিরে ফেলে এবং প্রধান বিচারপতির গাড়িতে জোর করে উঠে তাকে নিজের বাসভবনে নিয়ে গৃহবন্দী করে রাখে। পরবর্তী একসপ্তাহ বিচারপতি সিনহা নিয়ন্ত্রিত কিছু চলাফেরা করতে পারতেন কেবল। ৩ অক্টোবর ছিল কোর্ট খোলার তারিখ। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরি মানিকের দেয়া ফরমুলা অনুযায়ী বিচারপতি সিনহাকে আর কোর্টে না বসতে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন হাসিনা। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রে ছেলের বাসাতে অবস্থান করছিলেন। সিদ্ধান্ত দেন, তিনি বাইরে থাকতেই সিনহাকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিতে হবে। আদেশ পেয়ে আবার কাজে নেমে পড়েন জেনারেল আকবর।

২ অক্টোবর রবিবার প্রধান বিচারপতির এসকে কাছে পৌছে যান জেনারেল আকবর, জেনারেল আবেদীন সহ বেশ কিছু মিলিটারী ও সিভিল কর্মকর্তা। এ সময় গোটা সুপ্রিম কোর্ট ডিজিএফআইর অফিসাররা দখলে নিয়ে নেয়, ঠিক ওয়ান ইলেভেনে যেভাবে বঙ্গভবন দখল করেছিল। জেনারেল আকবর প্রধান বিচারপতিকে গালাগালি করে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে জোর করে ছুটির কাগজে সই করিয়ে নেন। এরপর থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২ সপ্তাহ বিচারপতি সিনহাকে তার সরকারী বাসভবনে গৃহবন্দী করে রাখা হয়। সিনহা সাহেবের আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, সহকর্মী, এমনকি আইজীবিকেও সেখানে যেতে দেয়া হয়নি। মাঝখানে দু’জন ডাক্তার বাসায় এনে তাঁকে কৃত্রিমভাবে অসুস্থ বানিয়ে হাসপাতালে ভর্তির চেষ্টা করে ডিজিএফআই। এরি মধ্যে আইনমন্ত্রী তার বাসায় গিয়ে বিচারপতি সিনহাকে বিদেশে চলে যাওয়ার বিষয়ে চাপ দিতে থাকেন। তার আগেই পারিবারিক বন্ধু কূটনীতিক অনিরুদ্ধ রায় এবং সিনহার শ্যালককে আটক করে ডিজিএফআই হেফাজতে নিয়ে সিনহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিংয়ের কাগজপত্র বানানো হয়। এসব খবরাদি মিডিয়াতে ফাঁস করে সিনহার ওপর মনস্তাত্বিক চাপ বাড়ানো হয়। অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতিদের ডেকে নেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। তিনি বিচারপতিদের আলাদাভাবে মগজ ধোলাই করে সিনহার বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলেন। রাষ্ট্রপতি তাদেরকে বলেন যে, সিনহা দুর্নীতিবাজ, তাই তাঁর সাথে যেনো কেউ কোর্টে না বসে। অন্যদিকে সিনিয়রমোস্ট বিচারপতি ওয়াহহাব মিয়াকে টোপ দেয়া হয় প্রধান বিচারপতি বানানো হবে। অবশ্য ‘ক্যারট এন্ড স্টিক’ পলিসিতে আপিল বিভাগের বাকী পাঁচ বিচারপতিকেই রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি বানানোর টোপ দিয়েছিলেন। অবশেষে সহকর্মী বিচারপতিদের অসহযোগিতা এবং উল্টে যাওয়া, নিকটাত্মীয়দেরকে গুম ও জিম্মি করে রাখা, নিজের বিরুদ্ধে গোয়েন্দাদের বানানো ১১টি অভিযোগ, এমনকি ঘরে পারিবারিক বিবাদ বাধানোর জন্য নারী কেলেঙ্কারীর ঘটনাও সাজানো হয়- সব মিলিয়ে বিচারপতি সিনহা রণে ভঙ্গ দিতে বাধ্য হন এবং ছুটিতে যেতে রাজী হন। অবশ্য এক মাসের ছুটির দরখাস্তটি বিচারপতি সিনহা বা তাঁর সেক্রেটারি লিখেননি। লিখেছিলেন একজন গোয়েন্দা অফিসার, যাতে ৪ লাইন দরখাস্তে ১০/১২টি ভুলে ভরা ছিল!

প্রধান বিচারপতির উপর চালানো ঐ নারকীয় হামলায় জেনারেল আকবরের সঙ্গে আরও যারা সক্রিয় ভাবে অংশ নেন, তাদের মধ্যে রয়েছে- ডিজি ডিজিএফআই মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীন, আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক দুলাল ওরফে পিস্তল দুলাল, ডিএমপির ডিসি বিপ্লব কুমার সরকার। জানা গেছে, জেনারেল আকবর রুমে ঢুকেই প্রথমে লাথি দিয়ে চেয়ার থেকে নীচে ফেলে দেন প্রধান বিচারপতিকে, পরে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করার ভয় দেখান। সবচেয়ে জুনিয়র পুলিশ অফিসার বিপ্লব সরকার (যিনি বিএনপির চীফ হুইপ জয়নাল আবেদীনকে পিটিয়েছিলেন) থাপ্পড় দিয়ে বলানো হয়, ‘তোর মত বটতলার উকিলকে প্রধান বিচারপতি বানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা কেবল হিন্দু বলে; অথচ তুই করছিস বেইমানী; তুই হিন্দু নামের কলঙ্ক, তোকে গুলি করে মেরে ফেললেও কম হয়’-  এভাবে চুড়ান্ত অপমান করা হয়। আইন সচিব দুলাল ভয়ানক গালাগালি ও হুমকি দেন- মালাউনের বাচ্চা থেকে তুই তোকারি সবি করা হয়। নিউ ইয়র্কের টাইম টিভির সাথে সাক্ষাৎকারে বিচারপতি সিনহা নিজেই বলেন, শেখ হাসিনা সেনা অফিসারদের দিয়ে আমাকে পায়ের নীচে ফেলে দেয়!

কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ১৩ অক্টোবর গভীর রাতে বিচারপতি সিনহা এক মাসের ছুটিতে অস্ট্রেলিয়া পাঠিয়ে দেয়া হয়। তবে তার স্ত্রী সুষমা সিনহাকে যেতে দেয়া হয়নি। মূলত সিনহার মুখ বন্ধ রাখতেই স্ত্রীকে ঢাকায় জিম্মি করে রাখা হয়। ঢাকা ছাড়ার আগে সরকারী কড়াকড়ির ভেতরেও প্রেস ও মিডিয়াকে একটি বার্তা দিয়ে যান বিচারপতি সিনহা – “আমি অসুস্থও না, বা পালিয়েও যাচ্ছি না: আমি আবার ফিরে আসব!” কিন্তু সেই ফেরা আর তিনি ফিরতে পারেননি। একমাস পরে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফেরার পথে সিঙ্গাপুরে যাত্রাবিরতির সময় বাংলাদেশ থেকে যাওয়া গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বিচারপতি সিনহার সাথে দেখা করে তাদের বানানো পদত্যাগ পত্রে সই দিয়ে দেশে যাওয়ার বদলে কানাডা চলে যেতে নির্দেশ দেন। সিনহা বাবু তাতে রাজী হন না। তখন ঢাকাতে ডিজিএফআই কাস্টডিতে আটক থাকা তার শ্যালককে ক্রসফায়ার করতে নিয়ে যাওয়া হয়। অতঃপর স্ত্রী সুষমা সিনহার ফোনে কান্নকাটিতে উপায়ান্তর না পেয়ে প্রধান বিচারপতির পদত্যাগপত্রে সই করে কানাডা চলে যান বিচারপতি সিনহা। তবে বিদেশের মাটিতে দেয়া ঐ জোর জবরদস্তির পদত্যাগ পত্রের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকায় আ’লীগ সরকার এটি আর কার্যকর না করে দীর্ঘসূত্রিতায় ফেলে দেয়। ফলে বিচারপতি সিনহা কানাডায় নির্বাসিত জীবনে থেকেই তার বয়সপুর্তির অবসরে যান ৩১ জানুয়ারি ২০১৮।

আর এভাবেই বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা প্রধান বিচারপতিকে মর্মান্তিকভাবে বিদায় নিতে হয় আওয়ামী লীগ সরকারের হাতে। প্রধান বিচারপতিকে যে প্রকৃয়ায় বিতাড়ন করা হয়ে- মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করার হুমকি দেয়া, লাথি দিয়ে চেয়ার থেকে ফেলে দেয়া, ছুটির দরখাস্তে বলপূর্বক সই নেয়া, গৃহবন্দী করা, স্বজনদের জিম্মি করে দেশত্যাগে বাধ্য করা, সর্বশেষে আত্মীয় স্বজনকে ক্রসফায়ারে নিয়ে প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগ করানো- ইত্যাদি অপকর্ম বাংলাদেশে নজিরবিহীন। পৃথিবীর আর কোথাও হয়েছে কি না কারও জানা নেই। তবে বাংলাদেশের বিনাভোটের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এই কাজ করেছে সেনাবাহিনীর ঢাকা ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আকবর বেশ কিছু সেনা, গোয়েন্দা, ও সিভিল অফিসারা। যদিও পুরো বিষয়টিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন জেনারেল আকবর, কিন্তু দুর্নাম হয়েছে মিলিটারী গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের ডিজি মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীনের। তবে জেনারেল আকবরের প্রতিটি অপরেশনে ডিজিএফআইয়ের অফিসাররা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিল। প্রধান বিচারপতিকে অন্যায়ভাবে বিতাড়নের শাস্তি সম্ভবত ক্যাপিটেল পানিশমেন্ট। কিন্তু দায় কার? এসব অকান্ড ও অরাজকতায় জেনারেল আবেদীনের নাম উঠলেও তার পেছনে ছিলেন জেনারেল আকবর এবং শেখ হাসিনা।

This is an investigating report based on sources and required information. The article is seconded by Former Chief Justice of Bangladesh Mr S K Sinha in his book “A BROKEN DREAM: Status of Rule of Law, Human Rights and Democracy”
Photo source: Facebook

(আগামীকাল….. ৩য় কিস্তি)

Facebook Comments