অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে সেনা শাসন, শেখ হাসিনা যাবে জেলে: নেপালের পত্রিকার খবর

  1. আগামী অক্টোবরের মধ্যভাগ থেকে শেষ দিকে বাংলাদেশে সামরিক আইন জারীর জন্য সেনাবাহিনী তৈরি হয়েছে, এমন খবর দিয়েছে নেপালের কাঠমান্ডু ট্রিবিউন। বাংলাদেশে আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় সাধারন নির্বাচনে বরতমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পারবে না। আর সে কারনেই সেনা শাসন দিয়ে বর্তমান ক্ষমতাসীরা বিদায় হতে চাইছে।বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় হাই কমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী গত ৫ সেপ্টেম্বর ‘সাউথ এশিয়া মনিটরে’ বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের দুর্নীতি নিয়ে এক মন্তব্য প্রতিবেদন লিখেছেন। পিনাক রঞ্জন ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সাবেক সচিব এবং দিল্লী ভিত্তিক অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের একজন অন্যতম ফেলো। তার লিখিত আর্টিকেলের নাম ‘শ্যাডো অব ইন্ডিয়া হাসিনা গভর্নমেন্টস করাপশন, রিপ্রেশন অব বিএনপি লুমস ওভার-বাংলাদেশ পোলস’, যার বাংলা করলে দাঁড়ায় ‘ভারতীয় ছায়া হাসিনা সরকারের দুর্নীতি, বিএনপির উপর নির্যাতন বাংলাদেশের নির্বাচনের উপর দোদুল্যম্যান’।

    এই আর্টিকেলের শুরুতে পিনাক রঞ্জন বলেছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বাংলাদেশ নির্বাচনী মুডে যাবে। আর তা যদি হয়, তাহলে নির্বাচনের হাওয়া শুরু হতে আরও কয়েক মাস। অর্থাৎ এক্ষেত্রে ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ পিনাকেরও রয়েছে। পিনাক রঞ্জনের এই আর্টিকেলের নিরিখে কাঠমুন্ডু ট্রিবিউনে গত ৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয় গবেষক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক বেনজামিন মেন্ডেজ লিখিত আর্টিকেল, যারশিরোনাম ‘বাংলাদেশ হেডিং টুয়ার্ডস মিলিটারি ডিক্টেটরশিপ’ অর্থাৎ বাংলাদেশ সামরিক এক নায়কতন্ত্রের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

    পিনাক তার আর্টিকেলে লিখেছেন, ‘‘হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে রয়েছে কর্তৃত্ববাদী শাসনের অভিযোগ, বিরোধীদের তাড়া করা, এবং অবাধ দুর্নীতি। এই বিষয়াবলী এবং ভারতীয় ফ্যাক্টর নির্বাচনী প্রচারণায় প্রভাব থাকবে। ক্রমাগত রাজনৈতিক বিরোধীদের হয়রানি করা জনগণের মধ্যে আওয়ামী লীগ সম্পর্কে বিরূপ মনোভাব যেমন সৃষ্টি করেছে তেমনি এমন অনুভূতি জাগিয়েছে যে, আওয়ামী লীগ সরকার অবিরামভাবে গণতান্ত্রিক বিধি ও প্রতিষ্ঠানসমূহকে ধ্বংস করছে। ফলে মানুষের মনে এই ধারণা জন্ম নিচ্ছে যে, যদি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে আওয়ামী লীগ বিব্রতকর সংখ্যালঘু দলে পরিণত হবে। অনেক সমালোচক বিশ্বাস করেন যে, হাসিনা সরকার নির্বাচন ম্যানেজ ন (নির্বাচন কারচুপি) করবে। পিনাক লিখেছেন ‘সমালোচকরা অভিযোগ করেন যে, প্রত্যেক জাতীয় প্রতিষ্ঠানে আওয়ামী লীগের আপোষকামিতা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে দলীয় সমর্থক দ্বারা ভরে দেয়া হয়েছে। আর জাতীয়ভাবে ড্রাগ বিরোধী যে তৎপরতা তাকে ‘গুলি করে হত্যার’  নীতিতে পরিণত করে অনেক নিরাপরাধীদের হত্যা করা হয়েছে। মানবাধিকার, সংগঠনগুলো যে অভিযোগ করেছে,  সুপ্রিমকোর্টের সাবেক চিফ জাস্টিস সরকারের গ্রেস থেকে বাদ পড়েছেন এবং তাকে জোর করে পদত্যাগ করিয়ে বিদেশে আশ্রয় চাইতে বাধ্য করা হয়েছে। হিন্দু সংখ্যালঘুরা আওয়ামী লীগের সমর্থক হলেও তারা এখন ক্ষুব্ধ ও রাগান্বিত, কারণ আওয়ামী নেতারা হিন্দু সম্পত্তি গ্রাস করেছেন। আর গ্রাসকারীদের শায়েস্তার ব্যবস্থা থেকে রেহাই দিয়েছে। আওয়ামী নেতারা ভাবেন যে,  আওয়ামী লীগকে সমর্থন করা ছাড়া ভারতের উপায় নেই। আর  তাই ভারত হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর হয়রানি ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করবে না।

    আরেক আর্টিকেলে সাউথ এশিয়া মনিটরে চন্দন নন্দী ২০০৭ সালের পুনরাবৃত্তির কথা বলেছেন। চন্দন নন্দীর আর্টিকেলের শিরোনাম,  ‘হাসিনা হার্ডেনস স্ট্যান্ড, বাংলাদেশ মে হেড ফর রিপিট অব ২০০৭, বাট উইল বিএনপি প্লে বল?’ অর্থাৎ ‘হাসিনার কঠোর অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে ২০০৭ সালের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে পারে। কিন্তু বিএনপি কি সেভাবে বল খেলতে পারবে?’

    পংকজ আরও লিখেন,  আজ আওয়ামী লীগ কঠোরভাবে কোন গ্রাউন্ড সৃষ্টি করতে নারাজ। এমন কি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির অবস্থায় পুনবিন্যস্ত করতে, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সজীব করতে এবং নির্বাচনমূলক ব্যবস্থা বন্ধ করতে যারপর নাই নারাজ। কিন্তু তার ব্যবস্থা করা আজ সময়ের দাবি। অন্তত আওয়ামী লীগের পক্ষে নির্বাচন পিছিয়ে দেয়া অনিবার্যকালের জন্য? এই ধরনের স্ট্যান্ড কি সেনাবাহিনীকে বাধ্য করতে কিংবা উদ্বুদ্ধ করতে পারে, যা তারা ২০০৭ সালে করেছিল? অবশ্য সেখানে অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিবেচনাধীন ব্যবস্থা রয়েছে- তা হলো নয়াদিল্লী, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন ‘পথ ও মত’ নিয়ে কী ভাবছে, যা নির্বাচন স্থগিত করার জন্য যথেষ্ট প্রয়োজন। যাতে স্বাভাবিক ব্যবস্থা বলবৎ হয়। আর তা সহিংসতা,  বল প্রয়োগ ও অব্যবস্থাপণা থেকে মুক্ত একটি নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারে।

    সাউথ এশিয়ান মনিটরের সাথে কথা বলতে নিয়ে এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাই কমিশনার ও বিদেশ সচিব দেব মুখার্জি স্বীকার করেন যে,  শেখ হাসিনার সরকার অনেক ভুল করেছে, আর ঢাকার রাস্তার আন্দোলন নিয়ে বলপ্রয়োগ এ বিষয়কে আরও বড় করেছে। এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফটোগ্রাফার শহীদুল আলমকে অহেতুক গ্রেফতার করে রেখেছে। সেসব বড় ভুল এবং বেকুবের মত কাজ। কিন্তু বেঞ্জামিন মেন্ডেজের মতে দেব মুখার্জি আস্থা জ্ঞাপন করেন যে,  আওয়ামী লীগ নির্বাচন অনুষ্ঠান করবে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ জানে যে,  তারা তা না করলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তারা অপবাদের সম্মুখীন হবে। দেব মুখার্জি যখন বলেন নির্বাচন হবে-তবে সে নির্বাচন কখন হবে, তা তিনি নিশ্চিত নন। এটা বলা কঠিন অথবা অগ্রিম ধারণা করা কঠিন ,যে অরাজনৈতিক সেনাবাহিনী কি ভূমিকা নেয় আগামী সপ্তাহ বা মাসগুলোতে।

    ঢাকায় পিকচার নামে একটি সংগঠন (থিঙ্ক ট্যাঙ্ক) থেকে বলা হয় আওয়ামী লীগ নির্বাচন করবে না, বা অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দেবে, তা আগামী অক্টোবর মাসে পরিষ্কার হবে। এই থিঙ্ক ট্যাঙ্ক থেকে বলা হয়,  বিএনপি এর মধ্যে আন্দোলন শুরু করতে পারে। যদিও বিএনপি জানে যে,  আন্দোলনের দীর্ঘমেয়াদে পরিচালনা করার শক্তি তাদের নেই। তারপরও তারা আন্দোলন করবে। আর সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগকে বর্তমান অচলাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য পথ করে নিতে হবে।

    বেঞ্জামিন মেন্ডেজ তার আর্টিকেলে এক সাবেক জেনারেলের নামোল্লেখ না করে লিখেন, ‘নিজের নাম গোপন রাখতে ইচ্ছুক ডেমস্টিক রাজনীতি নিয়ে এক পর্যবেক্ষক সাবেক জেনারেল বলেন যে, আওয়ামী লীগ তার জনপ্রিয়তাহীন অবস্থার নিরিখে দু’টি পদক্ষেপ নিতে পারে। প্রথমত: কিছু সময়ের জন্য আওয়ামী লীগ নির্বাচন পিছিয়ে দিয়ে আসন্ন ইলেক্টরেল বা নির্বাচনী পরাজয় এড়িয়ে নিজেদের জন্য একটি এক্সিট রুট খুঁজে নেয়া। আর দ্বিতীয়ত: নির্বাচন স্থগিত করা। ‘ধরুন দু বছরের জন্য’ এবং জাতীয় ঐক্যের সরকারের জন্য শর্তাবলী সৃষ্টি করা। জেনারেল বলেন এই ব্যবস্থা আওয়ামী লীগকে সাময়িক কালের জন্য নিজেদের ড্রাই ক্লিনের সুযোগ করে দেবে যাতে ভবিষ্যতে সুযোগ বুঝে তারা আবার নির্বাচনে আসতে পারে।

    এই দুটি আর্টিকেল নিয়ে বেঞ্জামিন মেন্ডেজ বলেন, অধিকাংশ পাঠক এবং আমার পক্ষে বাংলাদেশের আগামী রাজনীতির ভবিষ্যত কি হতে পারে, তা সমীক্ষা করা সহজ। বেঞ্জামিনের মতে শেখ হাসিনা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে কোর্টকে ডিল করতে পারেন, যেখানে খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানকে মৃত্যুদন্ড দিতে প্ররোচিত করতে পারেন। এর সাথে যোগ করবে বিএনপির আরো কতিপয় নেতাকে। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে তার রায় হতে পারে। আর তাতে বিএনপি কর্মীরা রাজপথ উত্তপ্ত করবে। তখন আওয়ামীপন্থী সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের পক্ষে সেমি মার্শাল ল জারি করার সুযোগ হবে।
    বেঞ্জামিন লিখেন,  জিজেঞস করা হলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আরেক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন : আমরা দায়িত্ব পুরোপুরি তৈরি (শেখ হাসিনা সরকারকে উৎখাতের এক লোক দেখানো গেম খেলে) অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহের দিকে। ক্ষমতাসীন দল জানে আগামী ডিসেম্বরে নির্বাচন হলে কি ফল দাঁড়াবে। অনেক সমীক্ষাতে দেখা যায় ক্ষমতাসীন দল ৩০০ আসনের মধ্যে ৫০টিরও বেশি পাবে না। অর্থাৎ বিরোধী বিএনপি ক্ষমতায় আসবে। আর তা হবে আওয়ামী লীগের জন্য সত্যিকার বিপর্যয়। শেখ হাসিনা কখনই তা হতে দেবেন না। এখানে এটা উল্লেখ্য যে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ ভোটবিহীন নির্বাচনে ভালই জিতে ছিলেন। কারণ বিএনপি বা বয়কট করেছিল। আমেরিকাসহ অধিকাংশ পশ্চিমা দেশ এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল। শুধুমাত্র ভারত,  জাপান,  চীন ও রাশিয়া এ নির্বাচনের পক্ষে ছিল। তার কারণ তারাই জানে। বেঞ্জামিন লিখেন, বিশ্বের বৃহত্তর ডেমোক্রেটিক দেশ হয়ে ভারত সে সময় ফাউল গেম খেলেছে নির্বাচন নিয়ে। তখন ভারতীয় সরকার বাংলাদেশকে নগ্ন সমর্থনই দেননি, বরং ফরেন সেক্রেটারি সুজাতা সিংকে ঢাকা ও ওয়াশিংটন পাঠান, যাতে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখা যায়। এই নির্বাচন একদিকে শেখ হাসিনার আস্থা বৃদ্ধি করে, আর তাকে আরো একগুয়ে হবার সাহস যোগায়। আর তাকে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি অসহিষ্ণু করে তোলে। হাসিনা ও তার দল তখন খোলাখুলি আমেরিকাকে হাস্যকর ভাবতে ছাড়েনি। আর ইরানের সাথে গড়ে তোলে গভীর সম্পর্ক। বেঞ্জামিন লিখেন, বর্তমান বাংলাদেশের সরকার শুধু অটোক্রেটিক গ্রুপ। এটা পশ্চিমা বিরোধী এবং এন্টি সেমেটিক বা ইহুদী বিরোধী সরকার।

    বেঞ্জামিন তার আর্টিকেলের শেষ ভাগে লিখেন, যে কোন ক্যালকুলেশন শেখ হাসিনা কিংবা তার বশংবদ সেনাবাহিনীর থাকুক না কেন, সর্বশেষ বাস্তবতা হচ্ছে অন্য কিছু। অক্টোবর মাস ঘনিয়ে আসছে সম্ভবত এমন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে, যেখানে হাজার হাজার রাজনীতিক নিহত হবেন। ….শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সদস্যদের অনির্দিষ্টকালের জন্য জেলে বন্দী করা হবে। হাসিনা সম্ভবত বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাবার সুযোগ পাবে। আর সে সময় তিনি তার ছেলে ও মেয়েকে তার নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) তারিক আহমদ সিদ্দিকীর কাছে রেখে অসংখ্য ক্রিমিনাল চার্জ মোকাবিলার পথ করে দেবে। যদিও এটা বেশ পরিষ্কার যে জেনারেল সিদ্দিক এক সামরিক অভ্যুত্থানের মহড়ার পরিকল্পনা করছে।তবে তার জন্য অপেক্ষা করছে এক ভিন্ন ধাঁচের সারপ্রাইজ। কারণ মধ্যর‌্যাঙ্কের অফিসাররা শেখ হাসিনা ও তার তল্পিবাহকদের প্রতি ইতোমধ্যেই বিরূপ হয়ে পড়েছে। বর্ণিত অবস্থার প্রেক্ষিতে সত্যিকার অর্থে এক সামরিক শাসনের দিকে যাচ্ছে অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে। আর তা না হলে নভেম্বর থেকে অবশ্যই যাবে। অধিকাংশ শাসক শ্রেণীর এলিটরা নিজেদেরকে অনেক ক্রিমিনাল চার্জে অভিযুক্ত হয়ে জেলের ভেতরে দেখতে পাবে।
    এই নিবন্ধে যদিও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আরো অনেক সংবেদনশীল বক্তব্য উপস্থাপিত হয়েছে। তথাপি বিষয়টাকে সহজ করে দেখার কোন যুক্তি খুঁজে পাওয়া যায় না। সরকার ও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে দেয়ার জন্য এই নিবন্ধ লেখা হয়েছে। এ নিবন্ধে সরকার বিরোধীদের জন্যও হুঁশিয়ারী রয়েছে। যদি সামরিক শাসনের মহড়া হয় এবং তা যদি বাস্তবায়ন হয় তাহলে বিএনপি বা বিরোধীদের অবস্থা কী রকম দাঁড়াচ্ছে তাও ভাববার বিষয়। আর সরকারের মধ্যে এখন মার্চ মাসে নির্বাচন নিয়ে যাওয়ার মতও যে অবস্থা রয়েছে আমরা আগেই তা রিপোর্ট করা হয়েছে। তবে ভারতে পিনাক রঞ্জনের পর নেপালের বেঞ্জামিন মেন্ডেজের লেখা পড়ে ধারণা হচ্ছে যে, ভারতের পত্রিকায় যা বলা যায়নি তা তারা নেপালের উপর ভর করে প্রকাশ করেছে। আর নেপালের বক্তব্যের পুরো জের টানা হয়েছে পিনাক রঞ্জন ও দেব মুখার্জির বক্তব্য থেকে। দু’জনেই যে ভারতের ‘র’ এর মুখপাত্র তাতে কোন সন্দেহ নেই। আবার দুজনেই ছিলেন বাংলাদেশে ভারতের হাই কমিশনার। তারপরই দুজনের পদ ছিল ভারতীয় পররাষ্ট্র দফতরের সচিব হিসেবে। দুজনেই এখন গবেষণা করেন।

    /ঠিকানা

Facebook Comments

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.