“সংসদ নির্বাচনের ফলাফল কব্জা করতে আ’লীগের গোপন ব্লু-প্রিন্ট”

আগামী সংসদ নির্বাচনের ফলাফল কব্জা করতে বা একতরফা ভোট করতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গ্রুপ বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। পুলিশ সোর্সের মাধ্যমে এরূপ একটা ব্লু-প্রিন্ট পাওয়া গেছেঃ

এক. যে সকল এলাকায় আওয়ামীলীগ-বিরোধী ভোট বেশি, সে এলাকায় বিএনপির সম্ভাব্য পোলিং এজেন্টদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে। তালিকা ধরে ধরে এদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া শুরু হয়েছে, এবং আরও দেয়া হবে। নির্বাচনের আগেই এদেরকে জেলে ঢোকানো হবে। আর যারা জেলের বাহিরে থাকবে, তাদেরকে র‌্যাব-পুলিশের ভ্রাম্যমান স্ট্রাইকিং ফোর্সের মাধ্যমে নির্বাচনের ২/১ দিন আগে থেকে আটক করে অন্য এরিয়ায় আটকে রাখা হবে অথবা আটকের কথা অস্বীকার করে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আটকে রাখা হবে। এই পদ্ধতি গাজীপুর এবং রাজশাহীতে ব্যবহার করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে ধরপাকড় শুরু হয়ে গেছে। এর আরেকটা উদ্দেশ্য হলো ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মৃত্যুদন্ড রায় দেয়া হবে সহসাই, ঐ রায়ের পরে দেশে কোনোরূপ আন্দোলন বা বিশৃঙ্খলা থামাতেই এই গণগ্রেফতার। 
 
দুই. সেনাবাহিনীর ২০ জন প্রশিক্ষিত অফিসারের অধীনে ৫ হাজার টেকনিশিয়ান ইভিএম মেশিনে ফলাফল বদল করার টেকনিক শেখার কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিবেশিদের কাছ থেকে ওরা ঐ টেকনিক শিখে আসছে।
 
তিন. ৫ জানুয়ারীর প্রায় ৮০% প্রিজাইডিং অফিসার ঠিক রাখা হবে। কারণ, তারা জানে- কেমন করে কি করতে হবে। ২০% লোক নতুন দিবে, তাও লোক দেখানো হবে। ২ লাখ পোলিং অফিসার বাছাই করা শেষ! তবে নতুন হোক বা পুরোনো, প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের  ভেটিং করতেছে পুলিশ!
 
চার. ভুয়া ড্রেসওয়ালা ২০ হাজার পুলিশ (নকল পুলিশ) বিভিন্ন কেন্দ্রে দায়িত্ব দেয়া হবে। আসলে এরা সব ছাত্রলীগ ও যুবলীগের এক্টিভিস্ট ! শুধু এসপিরা এদের সঠিক পরিচয় জানবে।
 
পাঁচ. ভারত এখন যত কথাই বলুক না কেনো, শেষ পর্যন্ত আরা আ’লীগের সাথেই থাকবে। এ নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নাই।
 
এঅবস্থায় হাসিনাকে ক্ষমতার চেয়ারে রেখে যদি সবগুলো মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রীও বিএনপিকে দেয়া হয়, কোনো লাভ হবে না। আগে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে নামাতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে সব দল রাজপথে নামলেই তা সম্ভব।
Facebook Comments

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.