চিঠির বিষয়ে ঢাকার কাছে জানতে চেয়েছে ব্রিটেন

ভুলে ভরা হোম অফিসের কথিত চিঠি জনসমক্ষে প্রকাশে অস্বস্তিতে ব্রিটেন। কূটনৈতিক যোগাযোগ সংক্রান্ত গোপন নথি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি  হওয়ায় ব্রিটিশ সরকারের গভীর উদ্বেগ ও বিরক্তি  রয়েছে।

জানা গেছে, বিষয়টি  ব্রিটেনের তরফে  গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ  করা হচ্ছে । এ নিয়ে  ঢাকার সঙ্গে বৃটিশ ফরেন অফিসের অনানুষ্ঠানিক  যোগাযোগও  হয়েছে। তারা বিষয়টি জানার চেষ্টা করেছেন। তবে কোন প্রক্রিয়ায় ব্রিটেন ঢাকার কাছে জানতে চেয়েছে এবং সুনির্দিষ্টভাবে কি জানার চেষ্টা করেছে তা জানা যায়নি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ব্রিটেনে অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য  কখনও প্রকাশ করেনি ব্রিটিশ সরকার ।
কারণ তথ্য প্রকাশ না করার ব্রিটেনের সর্বজনীন নীতি রয়েছে।  ব্রিটেন তথা পশ্চিমা দেশগুলো ব্যক্তির তথ্যের গোপনীয়তার বিষয়ে বেশ সচেতন। ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তাবিষয়ক ব্রিটিশ আইন এখনো ব্যক্তি তারেক রহমানের যুক্তরাজ্যে ‘লিগ্যাল স্ট্যাটাস’ (আইনি অবস্থান) প্রকাশের ক্ষেত্রে বাধা। কিন্তু পাল্টাপাল্টি চ্যালেঞ্জের মুখে এক পক্ষ তারেক রহমানের পাসপোর্টের অনুলিপি, তথ্য ও চিঠি সাংবাদিকদের হাতে তুলে দিয়েছে। আরেক পক্ষ চিঠি নিয়ে প্রশ্ন তুললেও স্বীকার করে নিয়েছে যে তারেক রহমান ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন। এ অবস্থায় রাজনৈতিক বিতর্ক ও পাল্টাপাল্টি চ্যালেঞ্জের মধ্যে দুই পক্ষই ব্যক্তির গোপনীয়তার অধিকার ক্ষুণ্ন করেছে।  চিঠির ব্যাখ্যা ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র দপ্তরই দিতে পারে। ওই ব্যাখ্যা দেয়ার অর্থ হবে তা স্বীকার বা অস্বীকার করা। দুটির কোনোটিই হয়তো ব্রিটিশ সরকার বা হাই কমিশন করবে না।

Facebook Comments
Content Protection by DMCA.com

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.