পুলিশ নির্যাতিত বাবু এবং রাজের পরিবারকে ফোন করে সান্তনা দিলেন তারেক রহমান

বিএনপির অবস্থান কর্মসুচী থেকে গ্রেফতার হওয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু এবং ছাত্রদল ঢাকা উত্তরের সভাপতি মিজানুর রহমান রাজের পরিবারকে সান্তনা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সন্ধ্যায় লন্ডন থেকে রাজের পরিবারকে ফোন করেন তারেক রহমান। তিনি রাজের স্ত্রী এবং সন্তানের সাথে কথা বলেন। তাদের খোঁজ খবর নেন এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে ধৈর্য্য ধারণ করতে বলেন। তিনি রাজের ব্যাপারে সকল খোঁজ খবর রাখছেন বলে তার স্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন।

এর আগে গতকাল বুধবার স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুর পরিবারকে ফোন করে সান্তনা দেন তারেক রহমান। বাবুর স্ত্রী বিথিকা বিনতে হোসাইন জানান, বুধবার সন্ধ্যায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমার সেল ফোনে কল দিয়ে শফিউল বারী বাবুর জন্য দোয়া করেছেন। বাবুর ব্যাপারে সকল খোঁজ খবর রাখছেন বলে আমাকে আশ্বস্ত করেন । সেই সাথে ধৈর্য্যধারন করে সব পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য শক্ত হতে বলেছেন। তাঁর ফোন পেয়ে মনে হলো, সত্যি মনের অনেক দুঃখকে জয় করে ফেলেছি।

উল্লেখ্য, কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন চলাকালে প্রেসক্লাব চত্বরে ঢুকে সাদা পোশাকধারী ডিবি পুলিশ অস্ত্র তাক করে অস্ত্র দেখিয়ে টেনে হিচড়ে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাবেক ছাত্র নেতা শফিউল বারী বাবুকে।

দলীয় চেয়ারপার্সনের মুক্তির দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার প্রেসক্লাবে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচির শেষপর্যায়ে সাদা পোশাকের পুলিশ অবস্থানের ভেতরে ঢুকে পড়ে। ডিবি পুলিশ ছাত্রদল উত্তরের সভাপতি মিজানুর রহমান রাজকে আটক করলে ধস্তাধস্তি শুরু কর। পরে প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থানরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব সদস্য একযোগে রাজকে ধরার চেষ্টা চালায়। এ সময় রাজ জড়িয়ে ধরেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। কিন্তু মহাসচিবের অনুরোধও রক্ষা করতে পরেনি রাজকে। পুলিশ তাকে টেনে হিঁচড়ে জামাকাপড় ছিঁড়ে হাতকড়া পরিয়ে ৮/১০ জনে চেপে ধেরে মটিতে ফেলে টানতে টানতে নিয়ে যায়। এসময় বেধড়ক লাঠিচার্জ করে পুলিশ। কিন্তু দলীয় নির্দেশনা মেনে বিএনপির কর্মীরা প্রত্যাঘাত করেনি।

Facebook Comments

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.