৫ জানুয়ারি মার্কা নির্বাচনের চেষ্টা হতে পারে: দেশি বিদেশী তৎপরতায় ঠেকে যাবে।

এ মুহুর্তে আলোচনায় মধ্যবর্তী নির্বাচন। এর কারন হচ্ছে, বিনাভোটের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় বড় শহরে গিয়ে জনসভা করে নৌকায় ভোট চাইছেন, আর উপস্থিত লোকদেরকে হাত তুলে নৌকায় ভোট দিতে ওয়াদা করাচ্ছেন।

নিজের দলে লোকদের তিনি ওয়াদা করাতেই পারেন, কেননা তাঁর আশঙ্কা- দলীয় লোকদের ভোটও পাওয়ার সম্ভাবনা নাই। তাই তাকে ওয়াদা করাতে হচ্ছে। এর কারন, ২০১৪ সালের নির্বাচনী প্রহসনের সময় ৫-১০ ভাগ ভেটে পড়েছিল, কোথাও আরও কম! এ থেকে পরিস্কার বলা যায়- আ’লীগের ভোটার ও কর্মীরা সেবার ভোট কেন্দ্রে যায়নি। গেলে আরও বেশি ভোট পড়তো।

যাই হোক, যতটুকু জানা গেছে, বেগম জিয়াকে জেলে পুড়ে হাসিনার উদ্দেশ্য পুরন হয়নি। ‘খালেদা এতিমের টাকা চুরি করেছে’ হাসিনার এই গীত পাবলিক খায়নি, উল্টো, জেলে যাওয়ার পরে খালেদা জিয়ার জনসমর্থন আরও বেড়েছে! এখন হাসিনার দশা হইছে- ছেড়ে দে মা, কেন্দে বাঁচি। চাইলেও আর খালেদা জিয়াকে জেলে আটকে রাখতে পারছে না। এ অবস্থায় দু’টি সিনারি হতে হতে পারে-

১) আগামী রবিবার খালেদা জিয়াকে জামিনে বের হতে দেয়া।
২) জামিন হলেও চেম্বার জজ দিয়ে আটকে দিয়ে দু’মাস ভিতরে রাখা। একটা সোর্স বলেছিল- ও কাদের তার চ্যালাদেরকে বলেছে দু’মাস রাখবে।

যদি ২য় ফরমুলার দিকে যায়, তবে ১১ তারিখের আগেই নির্বাচনের ঘোষণা আসতে পারে। বেগম জিয়াকে জেলে রেখেই সংসদ ভেঙে নির্বাচন দিয়ে দেবে। বেগম জিয়াকে নির্বাচন করতে দিবে না… ফলে বিএনপি সেই ইলেকশন করবে না। তবে কিছু ছুটারা ছুটে গিয়ে পা-চেটে কিছু পাওয়ার চেষ্টা করতে পারে, আবার না ও পারে! ২০০ সিট বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আ’লীগ কব্জা করতে চাইবে ৫ জানুয়ারি স্টাইলে, বাকীগুলোতে নাম-কা-ওয়াস্তে ইলেকশন করার চেষ্টা করবে।

এমন কিছুর চেষ্টা হলে, বিএনপি এবং অন্যরা যথাসাধ্য চেষ্টা করবে প্রহসনের নির্বাচন ঠেকাতে। প্রচন্ড মারামারি ও অনাসৃষ্টি হবে, সেটাই আ স ম আবদুর রব বলেছেন- ডান্ডা মেরে ঠান্ডা করা হবে।

তবে ৫ জানুয়ারি মার্কা নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্র সহ বিদেশীরা মানবে না। সবচেয়ে বড় পয়েন্ট হবে- আমেরিকা, ভারত ও চীনের খেলা। ভারতও চায় বিএনপি নির্বাচনে থাকুক। চীন তো চায়ই। যদি ৫ জানুয়ারি মার্কা নির্বাচন না ঠেকে, এবং অনাসৃষ্টি বেশি হয়, তাহলে আর্মি ক্ষমতা নিবে। অথবা বাইরে থেকে আরেকটা কঠিন ধাক্কা আসবে, যেটা হাসিনা সামলাতে পারবে না। পতন হবে সরকারের। বিস্তারিত আর বলতে চাই না, তবে সম্প্রতি একটা রিহার্সেল হয়ে গেছে।

মোট কথা, ইলেকশন হবে কি না, সে প্রশ্ন পরে, আগে হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানো হবে। তারপরে বাকীটা।

Facebook Comments
Content Protection by DMCA.com

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.