খালেদা জিয়ার আপিল গ্রহণ করেছেন আদালত: জামিন শুনানি রোববার ২টায়

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালাস চেয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিল আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন আদালত।

একই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি আগামী রোববার পর্যন্ত মুলতবি করেছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার পর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী রোববার শুনানির দিন ধার্য করেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আপিল গ্রহণের জন্য আবেদন জানালে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম প্রস্তুতির জন্য দুই ঘণ্টা সময় চান। আদালত তখন দুপুর ১২টায় শুনানি শুরুর আদেশ দেন।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আপিলের গ্রহণযোগ্যতার শুনারি পর আদালত এটাকে শুনানির জন্য গ্রহন করেন।
এর আগে মঙ্গলবার বিকালে আপিল আবেদনটি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে মেনশন (উল্লেখ) করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। পরে আদালত আবেদনটির গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্যের আদেশ দেন।
একইদিন বিকালে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ১ হাজার ২২৩ পৃষ্ঠার আপিল দায়ের করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এতে প্রাথমিকভাবে মোট ৪৪টি যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া আপিল আবেদনের ওকালতনামায় খালেদা জিয়ার পক্ষে মোট ২৮জন আইনজীবীর স্বাক্ষর রয়েছে। আজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন খালেদা জিয়ার প্যানেল আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, আবদুর রেজাক খান, খন্দকার মাহবুব হোসেন প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে ৪০৯ ও ১০৯ ধারায় রায় ঘোষণা করেন আদালত। ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৫ বছরের কারাদন্ড দেয় আদালত। একইসঙ্গে এ মামলার তারেক রহমানসহ বাকি পাঁচ জনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা জরিমানাও করা হয়।
/শীর্ষ নিউজ
 

Facebook Comments