থার্ড ফোর্সের কন্ট্রোলে জজ আখতারুজ্জামান!

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রায়ের তারিখ যত এগিয়ে আসছে, সারা দেশ জুড়ে বেপরোয়া ধরপাকড়ে তত প্যানিক ছড়িয়ে পড়েছে। দেখে মনে হচ্ছে বিএনপি নয়, সরকারই আছে বড় পেরেশানিতে- বেকায়দায়। নানা গুজবে ভাসছে দেশ। এরি মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়ছে, শেখ হাসিনা এখন আর রায় দিতে চান না। তবে তিনি না চাইলেও রায় আসছে! আর সে জন্য বিএনপিও তৈরী হয়েছে।

জানা গেছে, ৮ ফেব্রুয়ারিকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ চেষ্টা করছিল বিএনপিকে বাগে আনতে- মূলত শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রীত্বে নির্বাচনে যেতে বিএনপিকে রাজী করানো। কিন্তু সূত্র বলছে, বিএনপি এতে রাজী নয়। জুলুম নির্যাতন যা ই আসুক না কেনো, হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন মানবে না বিএনপি। সমঝোতা চেষ্টায় থাকা গুরুত্বপূর্ন এক ব্যক্তি ব্যর্থ হয়ে দু’দিন আগে দেশ ছেড়েছেন। এরপরেই শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত নেন, ৮ তারিখের রায় আরও এক মাস পিছানোর।

তবে হাসিনার এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে না। তৃতীয় পক্ষ মাঠে নেমে গেছে। তারা চাচ্ছে, রায়টা হোক- আর সেটা বেগম জিয়ার বিরুদ্ধেই যাক। এর পরিবেশ তৈরীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামানকে, যিনি ঢাকা শহরের হোটেল, রেস্তোরা, রাস্তাঘাট, বাস, গাড়িঘোড়া বন্ধ করে রীতিমত কারফিউ লাগিয়ে দিয়েছেন! রায়ের পরে দেশজুড়ে অনাসৃষ্টি উৎপাদন করা হবে, সেটা বিএনপির সব নেতা ধরে ফেললেও হবে। এটা একটা উছিলা হিসাবে ব্যবহার করে বড় কয়েকটি ঘটনা ঘটবে, আগুণে পুড়ে যাবে অনেক থানা এবং সরকারী দলের নেতা মন্ত্রীদের শত শত বাড়ি। দেশ জুড়ে মহাতান্ডবে মধ্যে নেমে আসবে সুপ্রিম কোর্টে সেই রায়, যেটা গ্যাগ হয়েছিল। তারপরে বাকীটা হবে প্লান মত।  বিষয়টি সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছে পশ্চিমের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

সূত্র জানিয়েছে, সম্ভবত বেগম খালেদা জিয়াকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আর সেজন্য তিনি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নিয়েছেন। হাসিনাকে হঠানোর প্রয়োজনে তিনি আরেকটু সেক্রিফাইস করতে রাজী হয়েছেন। এরপরের নির্বাচনে তিনিই ক্ষমতায় আসছেন, তা প্রায় নিশ্চিত। বেগম জিয়া মামলার দ্রুত রায় চান, এমন খবর পেয়ে শেখ হাসিনা যার পর নাই চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।

ইতোমধ্যে বিশেষ জজ আখতারুজ্জামানকে অফিস থেকে অঘোষিত ছুটি দিয়ে কড়া পাহাড়ায় বাসভবনে রাখা হয়েছে। মূলত, তিনি এখন থার্ড ফোর্সের কন্ট্রোলে। এখানে থেকে তাকে গোপন কোনো সেফ হাউজে নিয়ে রাখা হতে পারে, যেখান থেকে ৮ তারিখে কোর্টে হাজির করা হবে বিশেষ ব্যবস্থায়। রায় থামাতে হলে সরকারের এখন একটাই উপায়- জজ আখতারুজ্জামানকে গুম করে দেয়া। কিন্তু কাজটা অসম্ভব। তবে এ দু’দিনে অনেক কিছুই ঘটতে পারে!

Facebook Comments
Content Protection by DMCA.com

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.