অবশেষে জাস্টিস ওয়াহ্হাবেরও বিদায়!

যারা আশা করেছিলেন সুপ্রিম কোর্ট থেকে জাতির মুক্তি আসবে- তাদের আশাও শেষ। বিচারপতি ওয়াহ্হাবও সাহস করতে পারলেন না। তিনি পারলেন না জাতির মুক্তির জন্য কাঙ্খিত কাজটি করতে। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ দীর্ঘদিন যাবৎ আশা দিয়ে ঘুরানো, লোভ, টোপ, শঠতা, বেইমানী করে অবশেষে গভীর রাতে  সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন। যদিওে সংবিধানের সর্এবশেষ অবস্থা অনুযায়ী বিচারপতির সিনহা এথনও তার পদে বহাল থাকার কথা। কিন্তু তার জন্ম তারিখের উপর ভিত্তি করে ৩১ জানুয়ারী তাকে অবসরে গেছেন ধরে নিয়েছে সরকার।  এর আগে গত বাতে ৮টার দিকে অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির সাথে ঘন্টাব্যাপি কথাবার্তা বলে সব ঠিকঠাক করে এসেছেন।

কট্টর আওয়ামী দলদাস মাহমুদ হোসেন ইতোমধ্যে পা-চাটার প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়ে আছেন। এর আগে  বিগত দু’টি নির্বাচন কমিশন হাসিনার সুবিধার জন্য বাছাই করে দিয়েছিলেন এই মাহমুদ হোসেন। মাহমুদ হোসেন মারা না গেলে ২০২১ সালের শেষ দিন পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির চেয়ারে থাকবেন।

গত সন্ধ্যা থেকে বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞ্রাকে অনেকেই সতর্ক করে যাচ্ছিলেন। ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ পার হওয়ার পরেও যখন তাঁকে প্রধান বিচারপতি করা হয়নি, তখন তিনি আর হতে পারছেন না। সকালে উনি পদে থাকবেন  কি না সন্দেহ। সেটাই হলো।

আগামীতে বাংলাদেশে অনেক খারাপ দিন আসতেছে। বহু কিছু বদলে যাবে মর্মান্তিকভাবে। মানবাধিকার হরণ, খুন গুম, অন্যায় অত্যাচার চরমে উঠবে। অবশ্য এখন কিছুদিন ধরপাকড় করে দেশে শান্তি শান্তি ভাব আসবে। জঙ্গিবাদ ঘুমিয়ে যাবে।

বিরোধী দলের রাজনীতি কোথায় গিয়ে ঠেকবে আল্লাহ মালুম। একমাত্র পথ- যদি গণজাগরণ হয়।

Facebook Comments

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.